বালাভুত বিদ্যাসাগর উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৪২ নম্বর ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এল। ভোট দিতে গিয়ে এক ভোটার জানতে পারেন, তার ভোট ইতিমধ্যেই পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে বলে রেকর্ডে উল্লেখ স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট ভোটার নির্দিষ্ট বুথে পৌঁছে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে গেলে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচন কর্মীদের কাছ থেকে জানতে পারেন, তার নামের পাশে “পোস্টাল ব্যালট” হিসেবে ভোট প্রদান সম্পন্ন দেখানো হয়েছে। অথচ তিনি দাবি করেন, তিনি কখনও পোস্টাল ব্যালটের জন্য আবেদন করেননি এবং এই পদ্ধতিতে ভোটও দেননি। এই ঘটনাকে ঘিরে মুহূর্তের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে বুথ চত্বরে। অন্যান্য ভোটারদের মধ্যেও বিভ্রান্তি ও ক্ষোভ দেখা দেয়। অভিযোগ উঠেছে, কীভাবে একজন সাধারণ ভোটারের নামে পোস্টাল ব্যালট ইস্যু ও ব্যবহার হল, তা নিয়ে বড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে। ঘটনার পরপরই বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা আশ্বাস দিয়েছেন, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদিও এই ঘটনায় ভোট প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে, রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর। বিরোধী শিবিরের দাবি, এটি সুপরিকল্পিত কারচুপি, অন্যদিকে শাসকদলের তরফে অভিযোগ অস্বীকার করে বলা হয়েছে, তদন্তের পরই প্রকৃত সত্য সামনে আসবে। পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ালেও, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।
বালাভুত বিদ্যাসাগর উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৪২ নম্বর ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এল। ভোট দিতে গিয়ে এক ভোটার জানতে পারেন, তার ভোট ইতিমধ্যেই পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে বলে রেকর্ডে উল্লেখ স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট ভোটার নির্দিষ্ট বুথে পৌঁছে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে গেলে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচন কর্মীদের কাছ থেকে জানতে পারেন, তার নামের পাশে “পোস্টাল ব্যালট” হিসেবে ভোট প্রদান সম্পন্ন দেখানো হয়েছে। অথচ তিনি দাবি করেন, তিনি কখনও পোস্টাল ব্যালটের জন্য আবেদন করেননি এবং এই পদ্ধতিতে ভোটও দেননি। এই ঘটনাকে ঘিরে মুহূর্তের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে বুথ চত্বরে। অন্যান্য ভোটারদের মধ্যেও বিভ্রান্তি ও ক্ষোভ দেখা দেয়। অভিযোগ উঠেছে, কীভাবে একজন সাধারণ ভোটারের নামে পোস্টাল ব্যালট ইস্যু ও ব্যবহার হল, তা নিয়ে বড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে। ঘটনার পরপরই বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা আশ্বাস দিয়েছেন, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদিও এই ঘটনায় ভোট প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে, রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর। বিরোধী শিবিরের দাবি, এটি সুপরিকল্পিত কারচুপি, অন্যদিকে শাসকদলের তরফে অভিযোগ অস্বীকার করে বলা হয়েছে, তদন্তের পরই প্রকৃত সত্য সামনে আসবে। পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ালেও, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।
- তুফানগঞ্জ -২ ব্লকের বারকোদালি -২ গ্রাম পঞ্চায়েতের মানসাই 237 ও 238 নম্বর বুথে ঠিক কিছুটা দূরে রোড জ্যামিং করার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ পেয়ে পুলিশি অভিযান।1
- *৬ নং বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী সংগীতা রায় সংসদ জগদীশচন্দ্র বসুনিয়া ভোট দিয়ে কি বললেন।1
- রাজনীতিতে সৌহার্দ্যের বার্তা! বিজেপি ক্যাম্প অফিসে গিয়ে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে সৌহার্দ্য বিনিময় করলেন তৃণমূল প্রার্থী পার্থপ্রতিম রায়। ভোটের উত্তাপের মাঝেও এমন ছবি দিল ভিন্ন বার্তা—প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও মানবিক সম্পর্ক অটুট!1
- দিনহাটার ১১ নম্বর ওয়ার্ডে এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জোয়ানরা , ম/দ বিক্রির অভিযোগ তুলে তল্লাশি করেন। কোন ধরনের মা/দ/ক/দ্রব্য না মেলায় পরবর্তীতে সেই তৃণমূল কর্মীকে কোন দল যেন না করা হয় সেই কথা বলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।1
- সিতাইয়ে নিজের ভোট কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন সিতাই বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সংগিতা রায়! বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা নাগাদ আদাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের গারানাটা পঞ্চ পরিকল্পনা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, ৬ এর ১৮ নং বুথের ভোটার হিসেবে ভোট দেন এদিন। ভোট দেওয়ার পর প্রার্থী ও সাংসদ কি জানালেন শুনুন1
- বিজেপি পার্টি কলিং এজেন্সি1
- যা স্বাভাবিক নির্বাচনী পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারে। তিনি দাবি করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীর কিছু সদস্য নিরপেক্ষতার সীমা ছাড়িয়ে গিয়ে ভোট প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করছেন। এর ফলে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে এক ধরনের চাপা আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর কথায়, “ভোট শান্তিপূর্ণ রাখতে বাহিনীর উপস্থিতি প্রয়োজন, কিন্তু তাদের আচরণ যেন পক্ষপাতদুষ্ট না হয়, সেটাও নিশ্চিত করতে হবে।” অভিজিৎ দে ভৌমিক আরও জানান, বিষয়টি তিনি নির্বাচন কমিশনের নজরে আনবেন এবং প্রয়োজনে লিখিত অভিযোগ দায়ের করবেন। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। অন্যদিকে, বিরোধী শিবিরের দাবি সম্পূর্ণ উল্টো। তাদের মতে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নজরদারির কারণেই ভোট অনেকটাই শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হচ্ছে এবং ভোটাররা নির্ভয়ে ভোট দিতে পারছেন। প্রসঙ্গত, নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নির্বাচন কমিশন-এর নির্দেশে রাজ্যে বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। তবে তাদের ভূমিকা নিয়ে রাজনৈতিক তরজা নতুন নয়, প্রায় প্রতিটি নির্বাচনেই এই ধরনের অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ সামনে আসে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোচবিহারের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসন বা নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।1
- * ৭/২৯৩ বুথে মকপোল রিস্টার্ট না করেই ভোট শুরু বললেন তৃণমূল নেতা সাবির সাহা চৌধুরী1
- শীতলকুচিতে বুথে পৌঁছালেন প্রিসাইডিং অফিসার ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। বুধবার বিকেল চারটা থেকে শীতলকুচি ব্লকের বিভিন্ন বুথে পৌঁছাতে শুরু করেন প্রিসাইডিং অফিসার ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিটি বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে সাধারণ মানুষের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি বুথ কেন্দ্রের আশেপাশে ১৪৪ ধারা কার্যকর করা হয়েছে, যাতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করা যায়। প্রশাসনিক মহলের মতে, শীতলকুচি বিধানসভায় এবার নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য, শীতলকুচি বিধানসভায় মোট ৩১০টি বুথ রয়েছে। এর মধ্যে শীতলকুচি ব্লকে রয়েছে ১৭৭টি বুথ। এই বুথগুলির মধ্যে দুটি বুথকে আদর্শ ভোট কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। জানা গিয়েছে, কৃষ্ণ কলোনি এ.পি. স্কুলকে একটি আদর্শ বুথ হিসেবে সাজানো হয়েছে।1