৮ জানুয়ারি ২০২৫ সালে সাগরপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে মোঃ খোরশেদ আলম শুধু একজন পুলিশ অফিসার হিসেবেই নন, বরং একজন অভিভাবক, একজন বন্ধু এবং আপন মানুষ হিসেবে সাগরপাড়ার মানুষের হৃদয়ে এক গভীর স্থান করে নিয়েছেন। অপরাধ দমনে তাঁর কঠোরতা, সাধারণ মানুষের সমস্যায় দ্রুত সাড়া প্রদান, অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো এবং এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল অনন্য। তিনি থানার চার দেওয়ালের মধ্যে নিজেকে সীমাবদ্ধ না রেখে মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হয়েছেন এবং বিপদের সময় ছুটে গিয়েছেন তাদের দরজায়, যার কারণে তিনি সাগরপাড়ার মানুষের পরিবারের একজন সদস্য হয়ে উঠেছিলেন। প্রায় দেড় বছর ধরে সাগরপাড়াকে নিজের পরিবারের মতো আগলে রেখেছিলেন তিনি। তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে এলাকার মানুষ নিরাপত্তার অনুভূতি পেয়েছে এবং একজন মানবিক প্রশাসকের পরিচয় লাভ করেছে। আজ তাঁর বিদায়ের খবরে সাগরপাড়ার অসংখ্য মানুষের মন ভারাক্রান্ত হয়ে পড়েছে, অনেকের চোখে জল এবং কণ্ঠে কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসার প্রকাশ দেখা যাচ্ছে। তাঁর কর্ম, ব্যবহার, মানবিকতা এবং মানুষের প্রতি আন্তরিকতা সাগরপাড়ার মানুষের মনে চিরকাল অমলিন হয়ে থাকবে। সাগরপাড়ার মানুষ তাঁকে কখনো ভুলবে না এই অঙ্গীকার নিয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে যে, তিনি যেখানেই থাকুন ভালো থাকুন এবং নতুন কর্মস্থলেও যেন মানুষের ভালোবাসা ও সম্মান অর্জন করতে পারেন। এই বিদায় আসলে একটি নতুন দেখা হওয়ার প্রতিশ্রুতি, কারণ সাগরপাড়া তাঁকে চিরকাল মনে রাখবে।
৮ জানুয়ারি ২০২৫ সালে সাগরপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে মোঃ খোরশেদ আলম শুধু একজন পুলিশ অফিসার হিসেবেই নন, বরং একজন অভিভাবক, একজন বন্ধু এবং আপন মানুষ হিসেবে সাগরপাড়ার মানুষের হৃদয়ে এক গভীর স্থান করে নিয়েছেন। অপরাধ দমনে তাঁর কঠোরতা, সাধারণ মানুষের সমস্যায় দ্রুত সাড়া প্রদান, অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো এবং এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল অনন্য। তিনি থানার চার দেওয়ালের মধ্যে নিজেকে সীমাবদ্ধ না রেখে মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হয়েছেন এবং বিপদের সময় ছুটে গিয়েছেন তাদের দরজায়, যার কারণে তিনি সাগরপাড়ার মানুষের পরিবারের একজন সদস্য হয়ে উঠেছিলেন। প্রায় দেড় বছর ধরে সাগরপাড়াকে নিজের পরিবারের মতো আগলে রেখেছিলেন তিনি। তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে এলাকার মানুষ নিরাপত্তার অনুভূতি পেয়েছে এবং একজন মানবিক প্রশাসকের পরিচয় লাভ করেছে। আজ তাঁর বিদায়ের খবরে সাগরপাড়ার অসংখ্য মানুষের মন ভারাক্রান্ত হয়ে পড়েছে, অনেকের চোখে জল এবং কণ্ঠে কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসার প্রকাশ দেখা যাচ্ছে। তাঁর কর্ম, ব্যবহার, মানবিকতা এবং মানুষের প্রতি আন্তরিকতা সাগরপাড়ার মানুষের মনে চিরকাল অমলিন হয়ে থাকবে। সাগরপাড়ার মানুষ তাঁকে কখনো ভুলবে না এই অঙ্গীকার নিয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে যে, তিনি যেখানেই থাকুন ভালো থাকুন এবং নতুন কর্মস্থলেও যেন মানুষের ভালোবাসা ও সম্মান অর্জন করতে পারেন। এই বিদায় আসলে একটি নতুন দেখা হওয়ার প্রতিশ্রুতি, কারণ সাগরপাড়া তাঁকে চিরকাল মনে রাখবে।
- ৮ জানুয়ারি ২০২৫ সালে সাগরপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে মোঃ খোরশেদ আলম শুধু একজন পুলিশ অফিসার হিসেবেই নন, বরং একজন অভিভাবক, একজন বন্ধু এবং আপন মানুষ হিসেবে সাগরপাড়ার মানুষের হৃদয়ে এক গভীর স্থান করে নিয়েছেন। অপরাধ দমনে তাঁর কঠোরতা, সাধারণ মানুষের সমস্যায় দ্রুত সাড়া প্রদান, অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো এবং এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল অনন্য। তিনি থানার চার দেওয়ালের মধ্যে নিজেকে সীমাবদ্ধ না রেখে মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হয়েছেন এবং বিপদের সময় ছুটে গিয়েছেন তাদের দরজায়, যার কারণে তিনি সাগরপাড়ার মানুষের পরিবারের একজন সদস্য হয়ে উঠেছিলেন। প্রায় দেড় বছর ধরে সাগরপাড়াকে নিজের পরিবারের মতো আগলে রেখেছিলেন তিনি। তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে এলাকার মানুষ নিরাপত্তার অনুভূতি পেয়েছে এবং একজন মানবিক প্রশাসকের পরিচয় লাভ করেছে। আজ তাঁর বিদায়ের খবরে সাগরপাড়ার অসংখ্য মানুষের মন ভারাক্রান্ত হয়ে পড়েছে, অনেকের চোখে জল এবং কণ্ঠে কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসার প্রকাশ দেখা যাচ্ছে। তাঁর কর্ম, ব্যবহার, মানবিকতা এবং মানুষের প্রতি আন্তরিকতা সাগরপাড়ার মানুষের মনে চিরকাল অমলিন হয়ে থাকবে। সাগরপাড়ার মানুষ তাঁকে কখনো ভুলবে না এই অঙ্গীকার নিয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে যে, তিনি যেখানেই থাকুন ভালো থাকুন এবং নতুন কর্মস্থলেও যেন মানুষের ভালোবাসা ও সম্মান অর্জন করতে পারেন। এই বিদায় আসলে একটি নতুন দেখা হওয়ার প্রতিশ্রুতি, কারণ সাগরপাড়া তাঁকে চিরকাল মনে রাখবে।1
- বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি নিশানা করে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তিনি স্পষ্টভাষায় বলেছেন যে, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর 'গদি টলোমলো হয়ে যাবে'।1
- এক বিজেপি নেতা বিধায়িকা মিতালী মালকে সাক্ষী রেখে তৃণমূল নেতাদের মারধর করে পা ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এই নির্দেশনার মাধ্যমে তৃণমূল নেতাদের উপর আক্রমণাত্মক পদক্ষেপের আহ্বান জানানো হয়েছে।1
- মুর্শিদাবাদের ডোমকল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সাহানা বিশ্বাসের স্বামী শরিফুল ইসলামকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার কেলেঙ্কারির অভিযোগে গ্রেফতার করেছে ডোমকল থানার পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শরিফুল ইসলামের তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অবৈধভাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা ঢোকার অভিযোগ উঠেছে। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছিলেন যে ডোমকলের ছেলেরাও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছে। এই ঘোষণার পরই বিষয়টি নিয়ে জোরদার নজরদারি শুরু হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে ডোমকল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলে পুলিশ প্রশাসন তৎপর হয়ে ওঠে। ডোমকল থানার আধিকারিকরা তদন্ত শুরু করেন এবং অবশেষে শরিফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ বিষয়ে ডোমকল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সাহানা বিশ্বাসকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান যে, তাঁর এই বিষয়ে কিছু জানা নেই এবং তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি দেখেছেন। তিনি আরও বলেন যে, এইমাত্র তিনি থানায় এসেছেন এবং অফিসারদের সাথে কথা বলার পর বিস্তারিত জানাবেন। ধৃত শরিফুল ইসলামকে আগামীকাল অর্থাৎ রবিবার বিচারকের কাছে পুলিশ হেফাজতের আবেদন চেয়ে বহরমপুর জেলা আদালতে তোলা হবে।1