Shuru
Apke Nagar Ki App…
ভারতের গাড়ির নাম্বার প্লেট এ তেল দেবে না ভুটান সরকার বড় খবর দ্বিমুখী সংকটে উত্তরবঙ্গের পরিবহন খাত মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে অস্থিরতা শুরু হয়েছে। ভারতে রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ার পর এবার পেট্রল ও ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রবল আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ।
Uttarer sambad
ভারতের গাড়ির নাম্বার প্লেট এ তেল দেবে না ভুটান সরকার বড় খবর দ্বিমুখী সংকটে উত্তরবঙ্গের পরিবহন খাত মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে অস্থিরতা শুরু হয়েছে। ভারতে রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ার পর এবার পেট্রল ও ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রবল আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- পয়লা বৈশাখের পূর্ণলগ্নে ময়নাগুড়ি শিংগীমারি এলাকায় উদ্বোধন হল পেট্রোল পাম্পের। শিঙ্গিমারি মোর থেকে দোমোহনী বাজার যাওয়ার পথে স্কুল লাগোয়া এলাকায় আজ থেকেই শুরু হল পেট্রোল পাম্পের সুবিধা। উদ্বোধন উপলক্ষ্যে ছিল বিশেষ অফার। নির্দিষ্ট মূল্যে পেট্রোল নিলেই মিলছে উপহার। আনুষ্ঠানিক ভাবে ফিতে কেটে উদ্বোধন করা হয়। প্রথম দিনেই পরিষেবা নিতে উপচে পড়ল ভিড়। আসুন পেট্রোল পাম্প কর্তৃপক্ষ কি জানালেন শুনে নেওয়া যাক1
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারসূচিকে সামনে রেখে বুধবার মেখলিগঞ্জ বিধানসভা নির্বাচনী কার্যালয়ে দলীয় নেতৃত্বদের নিয়ে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আগামী কয়েক দিনের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৭ এপ্রিল হলদিবাড়ি এলাকায় রোড শো, ১৮ এপ্রিল জামালদহ অঞ্চলে জনসভা এবং ২০ এপ্রিল মেখলিগঞ্জ শহরের বোর্ডিং ময়দানে বড় জনসভা হবে। কর্মসূচিগুলিতে ব্যাপক জনসমাগম নিশ্চিত করতে সাংগঠনিক দায়িত্ব বণ্টন, প্রচার কৌশল ও বিভিন্ন প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করেন উপস্থিত নেতৃত্বরা।1
- কালচিনি বিধানসভায় অব্যাহত বিজেপির যোগদান কর্মসূচি। বুধবার বিধানসভার মাঝেরডাবরী চা বাগানে ৬৫ জন পরিবার তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন।এদিন বিজেপি জেলা সম্পাদক অলোক মিত্রের উপস্থিতিতে এই যোগদান কর্মসূচি হয়। মূলত শ্রমিক মহল্লার মহিলা ও যুবকেরা এদিন বিজেপিতে যোগদান করেছে বলে জানান তিনি।1
- বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচারে নেমে মনিষী পঞ্চানন বর্মার জন্মভিটায় প্রণাম করে বহুজন সমাজবাদী পার্টির শীতলকুচি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী শ্যামসুন্দর রায় । জানা যায়, এদিন তিনি প্রথমে পঞ্চানন বর্মার জন্মস্থানে গিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর সেখান থেকেই নির্বাচনী জনসংযোগ কর্মসূচি শুরু করেন। প্রার্থী শ্যামসুন্দর রায় জানান, “যদি আমি শীতলকুচি বিধানসভা থেকে জয়ী হই, তাহলে পঞ্চানন বর্মার এই জন্মভিটাকে বাড়ি হিসেবে নয়, একটি মন্দির হিসেবে গড়ে তোলা হবে।” পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, এবারের নির্বাচনে শীতলকুচির মানুষ একটি নতুন মুখকে দেখতে চলেছেন এবং পরিবর্তনের পক্ষে সাড়া মিলছে বলেও জানান। নির্বাচনের আগে এই প্রতিশ্রুতি ও জনসংযোগ কর্মসূচিকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে।1
- বিধানসভা নির্বাচনের পারদ চড়ছে উত্তরবঙ্গে। দ্বিতীয়বার ডুয়ার্স সফরে এসে বুধবার জনসংযোগে ঝড় তুললেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন বিকেলে চালসার টিয়াবন হেলি প্যাডে অবতরণ করে তাঁর হেলিকপ্টার। সেখান থেকে সরাসরি তিনি যোগ দেন দলীয় প্রার্থী সঞ্জয় কুজুরের সমর্থনে আয়োজিত এক মেগা রোড-শোতে।1
- এখন অভিযোগ-প্রতিঅভিযোগের লড়াইয়ে রীতিমতো সরগরম করে তুলেছে গোটা অঞ্চলকে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে এলাকায় ব্যাপকভাবে পতাকা লাগানো হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধী পক্ষ আপত্তি তোলে এবং অভিযোগ করে, জোর করে ও পরিকল্পিতভাবে এলাকা দখলের চেষ্টা চলছে। পাল্টা শাসকদলের দাবি, সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক অধিকার মেনেই তাদের দলীয় পতাকা লাগানো হয়েছে এবং বিরোধীরাই অযথা উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে একাধিকবার বচসা বাধে, এমনকি পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলেও অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের জেরে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সাধারণ মানুষ চাইছেন দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হোক। এদিকে, নির্বাচনকে সামনে রেখে এই ধরনের ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং কোনো রকম অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সবমিলিয়ে, শামুকতলায় পতাকা বিতর্ক এখন রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়ে তুলেছে, যার প্রভাব পড়তে পারে আসন্ন নির্বাচনের পরিবেশেও।1
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে শীতলকুচি বিধানসভার খলিসামারি অঞ্চলে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হরিহর দাসের সমর্থনে জোরদার নির্বাচনী প্রচার চালানো হলো। জানা যায়, পঞ্চানন বর্মা ইউনিভার্সিটির দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে এই প্রচার কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে মহিলারা দলে দলে অংশগ্রহণ করেন এবং সভাস্থলে তাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চানন অনুরাগী গিরিন্দ্র নাথ বর্মন সহ একাধিক নেতৃত্ব। প্রচারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে তৃণমূলের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ তুলে ধরা হয় এবং আসন্ন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীকে জয়ী করার আহ্বান জানানো হয়। নির্বাচনের আগে এই ধরনের প্রচার কর্মসূচি এলাকায় রাজনৈতিক তৎপরতা আরও বাড়িয়ে তুলছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।1
- ডুয়ার্সে আসছেন তৃণমূল সুপ্রিম তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়. শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখছেন প্রশাসন . সূত্রের খবর আজ বিকেল 4 টা নাগাদ মুখ্যমন্ত্রীর হেলিকপ্টার অবতরণ করবে চালসার টিয়াবন হেলিপেডে. সেখান থেকে একটি রোড শো করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মূলত তৃণমূল প্রার্থী সঞ্জয় কুজুরের সমর্থনে এই রোড শো. আর কিছুক্ষণের মধ্যেই টিয়াবন হেলপেডে এসে উপস্থিত হবে মুখ্যমন্ত্রী.1
- অভিযোগ অনুযায়ী, প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়ার মধ্যেই বড় ধরনের প্রশাসনিক গাফিলতি সামনে এসেছে, যা ঘিরে ক্ষোভ ছড়িয়েছে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে। ভোটকর্মীদের একাংশ জানান, উপস্থিতির তালিকায় তাঁদের নামের পাশে “পোস্টাল ব্যালট নট একসেপ্টেড ” বলে উল্লেখ রয়েছে। ফলে তাঁরা নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়ে যান। এই ধরনের ভুল তথ্য কীভাবে তালিকায় এল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। তাঁদের দাবি, আগে থেকে কোনও স্পষ্ট নির্দেশ বা ব্যাখ্যা না থাকায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে গিয়ে হঠাৎ এই বিষয়টি জানতে পেরে চরম বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। এদিকে, এই সমস্যার জেরে বহু ভোটকর্মীকে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় এবং একাধিক দফায় কর্তৃপক্ষের কাছে দৌড়ঝাঁপ করতে হয়। অভিযোগ, নির্দিষ্ট কোনও হেল্পডেস্ক বা দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের তরফে সঠিক দিশা না মেলায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ফলে মানসিক চাপ ও হয়রানির শিকার হতে হয় তাঁদের। ভোটকর্মীদের একাংশের কথায়, নির্বাচন কমিশনের মতো সংবেদনশীল দায়িত্বের ক্ষেত্রে এ ধরনের অব্যবস্থা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। প্রশিক্ষণের মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্বেই যদি এই ধরনের গাফিলতি থাকে, তাহলে ভোটের দিন কীভাবে সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালন সম্ভব হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ইতিমধ্যেই সমালোচনা শুরু হয়েছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান ও স্পষ্ট নির্দেশিকা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ভোটকর্মীরা।1