শিলিগুড়ির নিউ জলপাইগুড়ি এলাকায় নিজের বাড়ি থেকে অরিন্দম রায় বর্মন (৪৬) নামের এক রেলকর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি গত তিন থেকে চার দিন ধরে অফিসে অনুপস্থিত ছিলেন। মৃতের বাড়ি কোচবিহারে। অফিস থেকে টানা অনুপস্থিতির বিষয়টি নজরে আসতেই তাঁর বাড়িতে যোগাযোগ করা হয়। এরপর অরিন্দমের দাদা বাড়িতে এসে দেখেন দরজা ভিতর থেকে বন্ধ এবং ঘরের ভেতর থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে নিউ জলপাইগুড়ি থানার পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে অরিন্দম রায় বর্মনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে। অরিন্দম নিউ জলপাইগুড়ি রেলওয়ের মেকানিক্যাল বিভাগে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তিনি বেশ কিছুদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে নিউ জলপাইগুড়ি থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
শিলিগুড়ির নিউ জলপাইগুড়ি এলাকায় নিজের বাড়ি থেকে অরিন্দম রায় বর্মন (৪৬) নামের এক রেলকর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি গত তিন থেকে চার দিন ধরে অফিসে অনুপস্থিত ছিলেন। মৃতের বাড়ি কোচবিহারে। অফিস থেকে টানা অনুপস্থিতির বিষয়টি নজরে আসতেই তাঁর বাড়িতে যোগাযোগ করা হয়। এরপর অরিন্দমের দাদা বাড়িতে এসে দেখেন দরজা ভিতর থেকে বন্ধ এবং ঘরের ভেতর থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে নিউ জলপাইগুড়ি থানার পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে অরিন্দম রায় বর্মনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে। অরিন্দম নিউ জলপাইগুড়ি রেলওয়ের মেকানিক্যাল বিভাগে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তিনি বেশ কিছুদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে নিউ জলপাইগুড়ি থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
- শিলিগুড়ির নিউ জলপাইগুড়ি এলাকায় নিজের বাড়ি থেকে অরিন্দম রায় বর্মন (৪৬) নামের এক রেলকর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি গত তিন থেকে চার দিন ধরে অফিসে অনুপস্থিত ছিলেন। মৃতের বাড়ি কোচবিহারে। অফিস থেকে টানা অনুপস্থিতির বিষয়টি নজরে আসতেই তাঁর বাড়িতে যোগাযোগ করা হয়। এরপর অরিন্দমের দাদা বাড়িতে এসে দেখেন দরজা ভিতর থেকে বন্ধ এবং ঘরের ভেতর থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে নিউ জলপাইগুড়ি থানার পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে অরিন্দম রায় বর্মনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে। অরিন্দম নিউ জলপাইগুড়ি রেলওয়ের মেকানিক্যাল বিভাগে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তিনি বেশ কিছুদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে নিউ জলপাইগুড়ি থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।1
- নকশালবাড়িতে অত্যন্ত মর্যাদা ও ভক্তিভরে পবিত্র মহরম পালিত হয়েছে। এই উপলক্ষে একটি ধর্মীয় শোভাযাত্রাও বের করা হয়।1
- ফাঁসিদেওয়া থানা পুলিশ নদী থেকে অবৈধ বালি পাচার রুখতে একটি ডাম্পার আটক করেছে। এই পদক্ষেপকে বালি পাচারকারীদের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।1
- মিশর থেকে কোনো পণ্য কেনার আগে দর্শকদের একটি নির্দিষ্ট ভিডিও সম্পূর্ণভাবে দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই ভিডিওটি পুরোপুরি দেখলে মিশরের পণ্য কেনা সংক্রান্ত বিষয়গুলি সম্পর্কে ভালোভাবে বোঝা যাবে।1
- জলঢাকায় স্নান করতে গিয়ে এক যুবক তলিয়ে গেছেন। এই ঘটনায় তার সঙ্গে থাকা বাকি তিন বন্ধু কোনওমতে নদীর চরে উঠে নিজেদের প্রাণ রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছেন।1
- কোচবিহার জেলার হলদিবাড়িতে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দীর্ঘ বিরতির শেষে হলদিবাড়ি পৌরসভার বোর্ড মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪ঠা মে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি হয়। তবে এই বৈঠকে শহরের তিন কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন না।1
- রাজবংশী গৌরবের প্রতীক মহাবীর চিলা রায়ের একটি ১৭ ফুটের পূর্ণাবয়ব মূর্তি ইন্দো-নেপাল সীমান্তে স্থাপন করা হচ্ছে।1
- জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়িতে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে, যেখানে জলঢাকা নদীতে স্নান করতে নেমে রিক দেবনাথ নামে ১২ বছর বয়সী এক ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রের তলিয়ে মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর দুটো নাগাদ ময়নাগুড়ি ব্লকের রামসাই গ্রাম পঞ্চায়েতের বারোহাতি সংলগ্ন জলঢাকা নদীতে রিক তার তিন বন্ধুর সঙ্গে স্নান করতে নেমেছিল। স্নানের সময় আচমকা নদীর মাঝখানে চারজনই হাবুডুবু খেতে শুরু করে। স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে তিন বন্ধুকে উদ্ধার করতে পারলেও রিক দেবনাথ নিখোঁজ হয়ে যায়। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালানোর পর পানবাড়ি নৌকা বিহার সংলগ্ন এলাকা থেকে রিক দেবনাথকে উদ্ধার করা হয়। এরপর দ্রুত তাকে ময়নাগুড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বারোহাতি এলাকার বাসিন্দা উত্তম দেবনাথের পুত্র রিকের এই অকাল মৃত্যুতে সমগ্র এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, একজনকে বাঁচাতে গিয়েই এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে।1