গড়িয়া সি ফাইভ বাসস্ট্যান্ডে আয়োজিত হলো এক বৃক্ষরোপণ, জল ছত্র এবং হনুমান চল্লিশা পাঠের অনুষ্ঠান। বজরং দল সুন্দরবন প্রখণ্ডের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে শতাধিক মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। এই উদ্যোগকে ঘিরে বজরং দলের উদ্যোক্তারা অত্যন্ত খুশি হলেও, কিছু মানুষ এর কড়া সমালোচনা করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। সমালোচকদের মতে, এটি আসলে ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র বানানোর প্রথম পদক্ষেপ। তাঁদের ধারণা, আরএসএস-এর এই লক্ষ্য ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান এবং বহুত্ববাদী সংস্কৃতির পরিপন্থী, যা দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলোর অধিকার ও নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে। তবে এই হনুমান চল্লিশা পাঠের জেরে সেক্যুলার নামে ভোটের রাজনীতি করা দলগুলো ভয় পাচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। এদিকে, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) ভারতকে একটি 'হিন্দু রাষ্ট্র' হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে চলেছে। আরএসএস-এর মতে, ভারতের সাংস্কৃতিক ও সভ্যতাগত পরিচয় হিন্দুত্ববাদী এবং যারা ভারতের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও দেশের উন্নয়নে কাজ করেন, তারা সাংস্কৃতিক অর্থে 'হিন্দু'। বিনায়ক দামোদর সাভারকরের চিন্তাধারা থেকে এই হিন্দু রাষ্ট্র বা হিন্দু জাতীয়তাবাদের ধারণার উৎপত্তি হয়েছে। সম্প্রতি আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত সংগঠনের শতবর্ষ উদযাপনসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বারবার উল্লেখ করেছেন যে, "ভারত হল একটি হিন্দু রাষ্ট্র।" তাঁর দাবি, কোনো সাংবিধানিক স্বীকৃতির অপেক্ষা না রেখেই ভারত একটি হিন্দু জাতি এবং এটি একটি অপরিবর্তনীয় সত্য। এর পাশাপাশি আরএসএস বর্তমান ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও অন্যান্য প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোকে নিয়ে একটি অখণ্ড সাংস্কৃতিক ও ভৌগোলিক অঞ্চল বা 'অখণ্ড ভারত' গঠনের স্বপ্ন দেখে।
গড়িয়া সি ফাইভ বাসস্ট্যান্ডে আয়োজিত হলো এক বৃক্ষরোপণ, জল ছত্র এবং হনুমান চল্লিশা পাঠের অনুষ্ঠান। বজরং দল সুন্দরবন প্রখণ্ডের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে শতাধিক মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। এই উদ্যোগকে ঘিরে বজরং দলের উদ্যোক্তারা অত্যন্ত খুশি হলেও, কিছু মানুষ এর কড়া সমালোচনা করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। সমালোচকদের মতে, এটি আসলে ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র
বানানোর প্রথম পদক্ষেপ। তাঁদের ধারণা, আরএসএস-এর এই লক্ষ্য ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান এবং বহুত্ববাদী সংস্কৃতির পরিপন্থী, যা দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলোর অধিকার ও নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে। তবে এই হনুমান চল্লিশা পাঠের জেরে সেক্যুলার নামে ভোটের রাজনীতি করা দলগুলো ভয় পাচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। এদিকে, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) ভারতকে একটি 'হিন্দু রাষ্ট্র' হিসেবে প্রতিষ্ঠা
করার দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে চলেছে। আরএসএস-এর মতে, ভারতের সাংস্কৃতিক ও সভ্যতাগত পরিচয় হিন্দুত্ববাদী এবং যারা ভারতের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও দেশের উন্নয়নে কাজ করেন, তারা সাংস্কৃতিক অর্থে 'হিন্দু'। বিনায়ক দামোদর সাভারকরের চিন্তাধারা থেকে এই হিন্দু রাষ্ট্র বা হিন্দু জাতীয়তাবাদের ধারণার উৎপত্তি হয়েছে। সম্প্রতি আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত সংগঠনের শতবর্ষ
উদযাপনসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বারবার উল্লেখ করেছেন যে, "ভারত হল একটি হিন্দু রাষ্ট্র।" তাঁর দাবি, কোনো সাংবিধানিক স্বীকৃতির অপেক্ষা না রেখেই ভারত একটি হিন্দু জাতি এবং এটি একটি অপরিবর্তনীয় সত্য। এর পাশাপাশি আরএসএস বর্তমান ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও অন্যান্য প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোকে নিয়ে একটি অখণ্ড সাংস্কৃতিক ও ভৌগোলিক অঞ্চল বা 'অখণ্ড ভারত' গঠনের স্বপ্ন দেখে।
- রাজ্যে ভোটের রেজাল্ট বেরোনোর পর একটি ভিডিও সামনে এসেছে, যা বর্তমানে ভাইরাল হয়েছে। এই ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে যে, বিজেপি সমর্থকরা তৃণমূল প্রার্থীকে গেরুয়া আবির মাখিয়ে দিচ্ছেন। এই ভিডিওটি ইতিমধ্যেই অনেকে শেয়ার করেছেন।1
- গড়িয়া সি ফাইভ বাসস্ট্যান্ডে আয়োজিত হলো এক বৃক্ষরোপণ, জল ছত্র এবং হনুমান চল্লিশা পাঠের অনুষ্ঠান। বজরং দল সুন্দরবন প্রখণ্ডের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে শতাধিক মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। এই উদ্যোগকে ঘিরে বজরং দলের উদ্যোক্তারা অত্যন্ত খুশি হলেও, কিছু মানুষ এর কড়া সমালোচনা করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। সমালোচকদের মতে, এটি আসলে ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র বানানোর প্রথম পদক্ষেপ। তাঁদের ধারণা, আরএসএস-এর এই লক্ষ্য ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান এবং বহুত্ববাদী সংস্কৃতির পরিপন্থী, যা দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলোর অধিকার ও নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে। তবে এই হনুমান চল্লিশা পাঠের জেরে সেক্যুলার নামে ভোটের রাজনীতি করা দলগুলো ভয় পাচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। এদিকে, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) ভারতকে একটি 'হিন্দু রাষ্ট্র' হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে চলেছে। আরএসএস-এর মতে, ভারতের সাংস্কৃতিক ও সভ্যতাগত পরিচয় হিন্দুত্ববাদী এবং যারা ভারতের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও দেশের উন্নয়নে কাজ করেন, তারা সাংস্কৃতিক অর্থে 'হিন্দু'। বিনায়ক দামোদর সাভারকরের চিন্তাধারা থেকে এই হিন্দু রাষ্ট্র বা হিন্দু জাতীয়তাবাদের ধারণার উৎপত্তি হয়েছে। সম্প্রতি আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত সংগঠনের শতবর্ষ উদযাপনসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বারবার উল্লেখ করেছেন যে, "ভারত হল একটি হিন্দু রাষ্ট্র।" তাঁর দাবি, কোনো সাংবিধানিক স্বীকৃতির অপেক্ষা না রেখেই ভারত একটি হিন্দু জাতি এবং এটি একটি অপরিবর্তনীয় সত্য। এর পাশাপাশি আরএসএস বর্তমান ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও অন্যান্য প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোকে নিয়ে একটি অখণ্ড সাংস্কৃতিক ও ভৌগোলিক অঞ্চল বা 'অখণ্ড ভারত' গঠনের স্বপ্ন দেখে।4
- জি বাংলায় সম্প্রচারিত 'পরিণীতা' তার ৬০০তম পর্ব সম্পন্ন করেছে।1
- পশ্চিমবঙ্গে সরকারি নথি বিকৃত করার অভিযোগে সুজয় ব্যানার্জি-সহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।1
- পশ্চিমবঙ্গে দমদম বিমানবন্দরের রানওয়ে বাড়াতে বাঁকড়া মসজিদ ভেঙে ফেলা হবে কি না, তা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে। এই পরিস্থিতির মাঝেই সেখানে নামাজ পড়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।1
- হুগলির ডানকুনিতে ৬০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের লাক্স কোজির দ্বিতীয় ইউনিটের শিলান্যাস করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই অনুষ্ঠানে এসে বিভিন্ন বিষয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন যে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে রাজ্যে ১ লক্ষ সরকারি চাকরি দেওয়া হবে। এই রাজ্যে শুধু লাখপতি দিদি নয়, বরং লক্ষ লক্ষ 'গুড বিজনেসম্যান' তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তিনি স্পষ্ট জানান, এই সরকার শিল্পপতি, বিনিয়োগকারী এবং ব্যবসায়ীদের পাশে ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা, সিন্ডিকেট, কাঠ মানি, তোলাবাজি, দাদাগিরি এবং সব জায়গার রাজনীতিকরণের মতো বেহাল অবস্থার হাল ফেরাতে হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেন। ডানকুনিতে এখন আর লম্বা লাইন করে ট্রাকে কেউ হাত পাতে না বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, গত মে মাসের ৪ তারিখের পর লাক্স কোজির কারখানায় এসে কেউ আর 'মান্থলি' দাবি করেনি।1
- পশ্চিমবঙ্গে শিল্প সম্ভাবনায় এক নতুন গতি দেখা যাচ্ছে এবং রাজ্য সরকার দৃঢ়ভাবে শিল্পপতিদের পাশে দাঁড়িয়েছে। "টাটাও আসবে, বাটাও আসবে! লন্ডন, ইজরায়েল, গোটা বিশ্ব থেকে শিল্পপতিরা পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ করতে আসবেন!"— এই ইতিবাচক বার্তা নিয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রবেশদ্বার হিসেবে রাজ্যটি বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি সম্ভাবনাময় উৎপাদন কেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে। বাংলায় নতুন শিল্প আসার এই আবহে শিল্পপতিদের সব রকমের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের প্রধান শিল্প ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (MSME) অত্যন্ত শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। বর্তমানে বাংলায় প্রায় ৮৯ লক্ষ MSME ইউনিট রয়েছে, যা ভারতের মোট MSME-এর প্রায় ১৪ শতাংশ। এছাড়া নারী-নেতৃত্বাধীন MSME-এর ক্ষেত্রেও পশ্চিমবঙ্গ সারা দেশে শীর্ষস্থানে রয়েছে। ভারী শিল্পের ক্ষেত্রে দুর্গাপুর, খড়গপুর এবং গড়বেতায় ২,৫০০ কোটি টাকার নতুন ইস্পাত প্রকল্প এবং চিত্তরঞ্জন লোকোমোটিভ ওয়ার্কসের মতো ইউনিটগুলো রাজ্যের শিল্প ভিত্তিকে আরও মজবুত করছে। তথ্যপ্রযুক্তি (IT/ITeS) ক্ষেত্রেও রাজ্য দ্রুত এগিয়ে চলেছে, যেখানে ইতিমধ্যেই ৫০০-এর বেশি আইটি কোম্পানি কাজ করছে। এর পাশাপাশি দুর্গাপুর, আসানসোল, কল্যাণী এবং রাজরহাটের মতো টিয়ার-২ ও টিয়ার-৩ শহরগুলোতে ১৩টি নতুন আইটি পার্ক নির্মাণের কাজ চলছে। এছাড়াও চামড়া শিল্প, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, রত্ন ও অলঙ্কার এবং সামুদ্রিক সম্পদ বা মেরিন প্রোডাক্টের ওপর ভিত্তি করে রাজ্যে বিশাল কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে।1
- বারুইপুরে এক ১২ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণের পর খুন করার অভিযোগ উঠেছে, যার জেরে সমগ্র এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা মৃতদেহ আটকে রেখে বিক্ষোভে শামিল হন এবং দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা শুরু করে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হচ্ছে।1