Shuru
Apke Nagar Ki App…
আজ কড়ীধ্যা গ্ৰামে শংকর গড়াঁই এর বাবার ক্রিয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিখ্যাত কৃতন সম্রাট সুমন ভট্টাচার্য।
Avijit Chakraborty
আজ কড়ীধ্যা গ্ৰামে শংকর গড়াঁই এর বাবার ক্রিয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিখ্যাত কৃতন সম্রাট সুমন ভট্টাচার্য।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- আজ কড়ীধ্যা গ্ৰামে শংকর গড়াঁই এর বাবার ক্রিয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিখ্যাত কৃতন সম্রাট সুমন ভট্টাচার্য।1
- Post by Suraj khan1
- উখড়ার মিনিবাস কর্মী ইউনিয়ন অফিস ঘিরে বিতর্ক ক্রমশ রাজনৈতিক রূপ নিচ্ছে, যেখানে বিজেপির অন্দরেও মতভেদের ইঙ্গিত মিলেছে। এই বিতর্কের জেরে মিনিবাস কর্মীরা তাঁদের ইউনিয়ন অফিস পুনরুদ্ধারের দাবিতে রবিবার একদিনের প্রতীকী ধর্মঘট পালন করেন। কর্মীদের অভিযোগ, রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর স্থানীয় কিছু বিজেপি নেতা জোর করে ওই ইউনিয়ন অফিস দখল করে নিয়েছেন। তবে, বিজেপির একাংশ এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। অভিযুক্ত বিজেপি কর্মীরা সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে দাবি করেন যে, বাস কর্মীদের এই আন্দোলনের নেপথ্যে বিজেপিরই এক বহিষ্কৃত নেতা রয়েছেন। রানিগঞ্জ মণ্ডলের সভাপতি ইন্দ্রসেন রায় অভিযোগ করেন যে, জেলা বিজেপি নেতা ছোটন চক্রবর্তীর প্ররোচনাতেই এই বিতর্কের সৃষ্টি। ইন্দ্রসেন রায় আরও দাবি করেছেন যে, তাঁরা বৈধভাবে জমির মালিকের কাছ থেকে সংশ্লিষ্ট জমিটি ক্রয় করেছেন এবং এই সংক্রান্ত সমস্ত নথিপত্র তাঁদের কাছে আছে। ফলে ইউনিয়ন অফিস দখলের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই বলেই তিনি জানান। অন্যদিকে, ছোটন চক্রবর্তী সোমবার দুপুর তিনটায় সাংবাদিক বৈঠক করে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, বাস কর্মীদের আন্দোলনের সঙ্গে বিজেপির কোনো সম্পর্ক নেই। পাশাপাশি তিনি জানান, যে অফিসটিকে ঘিরে এই বিতর্ক, সেটি দীর্ঘদিন ধরেই বাস কর্মীরা ইউনিয়ন অফিস হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন। ছোটন চক্রবর্তী আরও বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়টি তিনি দলের ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের নজরে এনেছেন। এর বিপরীতে, ইন্দ্রসেন রায় পুনরায় দাবি করেন যে জমি ক্রয়ের সমস্ত বৈধ কাগজপত্র তাঁদের কাছে মজুত এবং ইউনিয়ন অফিস কোনোভাবেই দখল করা হয়নি।1
- সুশীল সিং তাঁর দুর্গাপুর ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে দুর্গাপুরের বেনাচিতি থেকে প্রভু যীশু খ্রীষ্টের নামে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।1
- আজ যন্তর মন্তরে ককরোজ জনতা পার্টির যুবকদের চলমান বিক্ষোভ তৃতীয় দিনে পৌঁছেছে। হাজার হাজার তরুণ-তরুণী এই প্রতিবাদে অংশ নিয়েছে এবং জানানো হয়েছে যে, এই বিক্ষোভ রাতভর চলবে। এই প্রতিবাদ হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।1
- বাজেটে পুলিশ বিভাগে ২০ হাজার কর্মী নিয়োগের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এছাড়াও, ৫০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তাবও এই বাজেটেই পেশ করা হয়েছে।1
- ভরতপুরের দেচাপড়া গ্রামে সিপিআই(এম)-এর একটি কর্মীসভাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক রাজনৈতিক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। রবিবার বিকেলে সিপিআই(এম) তালগ্রাম অঞ্চল কমিটির অন্তর্গত দেচাপড়া শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিপিআই(এম)-এর জেলা সম্পাদক জামির মোল্লা সহ এক ঝাঁক প্রথম সারির নেতৃত্ব। সভার মূল আকর্ষণ হয়ে দাঁড়ায় একটি নাটকীয় দলবদল। দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও ক্ষোভ উগরে দিয়ে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন সক্রিয় কর্মী-সমর্থক জেলা সম্পাদক জামির মোল্লার হাত থেকে কাস্তে-হাতুড়ি-তারা খচিত রক্তপতাকা তুলে নিয়ে সিপিআই(এম)-এ যোগদান করেন। তৃণমূল ত্যাগ করে লালঝাণ্ডার তলায় আসা এই কর্মীদের স্পষ্ট দাবি, তাঁরা এতদিন তৃণমূলেরই একনিষ্ঠ সমর্থক হিসেবে কাজ করছিলেন, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতির জেরে বাধ্য হয়েই বিকল্প হিসেবে সিপিআই(এম)-এর পথ বেছে নিয়েছেন। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, পঞ্চায়েত ভোটের আগে বা এই রাজনৈতিক আবহে শাসক শিবিরে এমন ফাটল এবং দেচাপড়া শাখার এই কর্মী সভায় বামেদের এমন শক্তিবৃদ্ধি স্বাভাবিকভাবেই এলাকার রাজনৈতিক সমীকরণকে অনেকটাই বদলে দিল।1
- দুর্গাপুর-ফরিদপুর ব্লকের সরপি এলাকায় অবস্থিত নেপচুন নামে একটি বেসরকারি ইস্পাত কারখানা থেকে হঠাৎ করে ৩১ জন শ্রমিককে বিনা নোটিশে কাজ থেকে বহিষ্কার করার অভিযোগ উঠেছে। এই সিদ্ধান্তের জেরে শ্রমিক ও তাঁদের পরিবার চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। কাজে পুনর্বহালের দাবিতে ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকরা সোমবার দুপুর একটায় কারখানার গেটের সামনে তাঁদের পরিবার-পরিজন নিয়ে বিক্ষোভে সামিল হন। আন্দোলনরত শ্রমিকদের সমর্থনে সিপিআই(এম)-এর শ্রমিক সংগঠন সিটু (CITU)-কে দেখা যায়। কারখানা থেকে বহিষ্কৃত শ্রমিক অজয় বাউরী ও সুভাষ রুইদাস জানিয়েছেন যে, তাঁরা কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন। তাঁদের অভিযোগ, বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরদিন থেকেই রহস্যজনকভাবে এই ৩১ জন শ্রমিককে কাজ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঠিক কী কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা তাঁদের কাছে এখনও স্পষ্ট নয় এবং এর পিছনে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা নিয়েও তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন।1