Shuru
Apke Nagar Ki App…
ভজনপুর পোস্ট অফিসে আধারের সঙ্গে মোবাইল নম্বর লিঙ্ক করার পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের জেরে পোস্ট অফিসে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় এবং সেখানে বিক্ষোভ দেখানো হয়।
Panitanki Times
ভজনপুর পোস্ট অফিসে আধারের সঙ্গে মোবাইল নম্বর লিঙ্ক করার পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের জেরে পোস্ট অফিসে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় এবং সেখানে বিক্ষোভ দেখানো হয়।
More news from Darjeeling and nearby areas
- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রয়াত মাকে নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করার অভিযোগে খড়িবাড়ি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিজেপি নেতৃত্ব এবং স্থানীয় বাসিন্দারা মিলে এই অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, খড়িবাড়ির বিন্নাবাড়ি পঞ্চায়েতের দেবীগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা মুন্না সিং সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর প্রয়াত মাকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করেন। এই ভিডিওটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলার জেলা সম্পাদক অনিল কুমার রায়-সহ একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা থানায় এই অভিযোগ জানান। তাঁরা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই আটক করা হয়েছে। আগামীকাল তাকে শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে তোলা হবে। খড়িবাড়ি থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।1
- এক বর্বরতার মামলায় আদালত মাত্র ২৯ দিনের মধ্যে একটি বড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে, যেখানে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিকে ফাঁসির সাজা দেওয়া হয়েছে। এই রায়ের পর ভুক্তভোগী পরিবার আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে এবং তাদের আদালত চত্বরে কাঁদতে দেখা যায়। এই মামলাটি গোটা দেশকে নাড়া দিয়েছিল। দ্রুত শুনানি এবং অল্প সময়ের মধ্যে রায় আসায় মানুষ বিচার ব্যবস্থার প্রশংসা করছেন। সোশ্যাল মিডিয়াতেও অনেকে একে 'দ্রুত ন্যায়বিচারের' উদাহরণ বলছেন। আদালতের এই সিদ্ধান্তের পর মানুষজনের বক্তব্য, এমন অপরাধে কঠোর ও দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি, যাতে সমাজে অপরাধের ভয় বজায় থাকে এবং মেয়েদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।1
- ময়নাগুড়ি ব্লকের আমগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৬/২৩ নং বুথে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) একটি বিজয় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এই দিনে পঞ্চায়েত কার্যালয় থেকে এই মিছিল শুরু হয়ে গোটা বুথ পরিক্রমা করে। বিজয় মিছিল সম্পন্ন হওয়ার পর অংশগ্রহণকারীদের জন্য ভুঁড়িভোজের বিশেষ ব্যবস্থাও রাখা হয়েছিল।2
- দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা সীমান্তে নতুন করে তৎপরতা শুরু হয়েছে। এই এলাকায় কাঁটাতার নির্মাণের আগে জমি জরিপ কাজ শুরু করা হয়েছে। এই কাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।1
- কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ ব্লকের ভোটবাড়ি অঞ্চলের ৮৫ নং বুথে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) একটি বিজয় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।1
- আজকের তাজা খবর হিসাবে ডালখোলা রাস্তায় তীব্র যানজটের কথা জানানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দর্শকদের বাইপাস রাস্তা ব্যবহার করে আসার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বক্তা এই ভিডিওটি বেশি বেশি করে শেয়ার করার অনুরোধ করেছেন এবং জানিয়েছেন যে তিনি নতুন আরও কিছু খবর নিয়ে আসবেন। এর পাশাপাশি, বক্তা আরও উল্লেখ করেছেন যে তিনি তাঁর 'কানতির পার'-এর কাছে 'দাউদ ইব্রাহিমের বাড়ি' দেখেছেন।1
- আলোর দিশারী নামক সংগঠন রবীন্দ্র-নজরুল স্মরণে সংস্কৃতির আলোকশিখা প্রজ্জ্বলিত করেছে।1
- দেশের সর্বোচ্চ আদালত থেকে আসা একটি মন্তব্য সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে ভারতের প্রধান বিচারপতির নামে যে মন্তব্যটি প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে বলা হয়েছে যে “কিছু তরুণ সাংবাদিক সিস্টেমকে আক্রমণকারী আরশোলার মতো”। এই বিবৃতি সামনে আসার পর সাংবাদিক মহলে গভীর ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন যে, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ যদি প্রশ্ন না করে, তাহলে জনগণের কণ্ঠস্বর কে হবে? অন্যদিকে, কিছু লোক এটিকে “শৃঙ্খলা এবং দায়িত্বশীলতা”-র সাথে যুক্ত করে দেখছেন। তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এটাই উঠছে যে, এখন কি সত্য তুলে ধরেন এমন ব্যক্তিদের অপমানিত করা হবে? ক্ষমতা ও সিস্টেমের উপর প্রশ্ন তোলাকে কি ‘আক্রমণ’ হিসেবে গণ্য করা হবে? একদিকে যেখানে দেশজুড়ে সাংবাদিকদের উপর আক্রমণ, মামলা এবং চাপের খবর ক্রমাগত সামনে আসছে, অন্যদিকে এই ধরনের শব্দ হাজার হাজার সৎ সাংবাদিকের ক্ষত আরও গভীর করে তোলে, যারা নিজেদের জীবন বিপন্ন করে জনগণের কাছে সত্য পৌঁছে দেন। যদি কলম ভয় পায়, তবে গণতন্ত্রের কণ্ঠস্বরও নীরব হয়ে যাবে। কলমকে আরশোলা বলার এই ঘটনার পর প্রশ্ন উঠেছে, সত্য লেখা কি এখন অপরাধে পরিণত হয়েছে?1
- জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূলের প্রাক্তন যুব সম্পাদক পাপন চাকলাদারকে আর্থিক তছরুপের অভিযোগে শনিবার ময়নাগুড়িতে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, এই তৃণমূল নেতা এলাকার ত্রাস ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে জমি দখল, টাকা আত্মসাৎ, হুমকি সহ একাধিক বিষয় অভিযোগ ছিল। নির্বাচনের ফলাফলের দিন থেকেই পাপন চাকলাদার বেপাত্তা ছিলেন। গত শুক্রবার তিনি পুনরায় বাড়িতে ফিরে আসার পর শনিবার সকালে উত্তেজিত স্থানীয় মানুষজন তাকে ধরে মারধর করে। এরপর তার বাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তারা পাপন চাকলাদার এবং তার স্ত্রী কাকলি চাকলাদারকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরবর্তীতে, ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ বেশ কিছু মামলায় তাদের দুজনকে গ্রেফতার করে। রবিবার তাদের দুজনের শারীরিক পরীক্ষার পর জলপাইগুড়ি আদালতে পেশ করা হলে, তৃণমূল নেতা পাপন চাকলাদারকে আট দিনের পুলিশ রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, তার স্ত্রী কাকলি চাকলাদারকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।1