দেশের সর্বোচ্চ আদালত থেকে আসা একটি মন্তব্য সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে ভারতের প্রধান বিচারপতির নামে যে মন্তব্যটি প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে বলা হয়েছে যে “কিছু তরুণ সাংবাদিক সিস্টেমকে আক্রমণকারী আরশোলার মতো”। এই বিবৃতি সামনে আসার পর সাংবাদিক মহলে গভীর ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন যে, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ যদি প্রশ্ন না করে, তাহলে জনগণের কণ্ঠস্বর কে হবে? অন্যদিকে, কিছু লোক এটিকে “শৃঙ্খলা এবং দায়িত্বশীলতা”-র সাথে যুক্ত করে দেখছেন। তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এটাই উঠছে যে, এখন কি সত্য তুলে ধরেন এমন ব্যক্তিদের অপমানিত করা হবে? ক্ষমতা ও সিস্টেমের উপর প্রশ্ন তোলাকে কি ‘আক্রমণ’ হিসেবে গণ্য করা হবে? একদিকে যেখানে দেশজুড়ে সাংবাদিকদের উপর আক্রমণ, মামলা এবং চাপের খবর ক্রমাগত সামনে আসছে, অন্যদিকে এই ধরনের শব্দ হাজার হাজার সৎ সাংবাদিকের ক্ষত আরও গভীর করে তোলে, যারা নিজেদের জীবন বিপন্ন করে জনগণের কাছে সত্য পৌঁছে দেন। যদি কলম ভয় পায়, তবে গণতন্ত্রের কণ্ঠস্বরও নীরব হয়ে যাবে। কলমকে আরশোলা বলার এই ঘটনার পর প্রশ্ন উঠেছে, সত্য লেখা কি এখন অপরাধে পরিণত হয়েছে?
দেশের সর্বোচ্চ আদালত থেকে আসা একটি মন্তব্য সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে ভারতের প্রধান বিচারপতির নামে যে মন্তব্যটি প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে বলা হয়েছে যে “কিছু তরুণ সাংবাদিক সিস্টেমকে আক্রমণকারী আরশোলার মতো”। এই বিবৃতি সামনে আসার পর সাংবাদিক মহলে গভীর ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন যে, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ যদি প্রশ্ন না করে, তাহলে জনগণের কণ্ঠস্বর কে হবে? অন্যদিকে, কিছু লোক এটিকে “শৃঙ্খলা এবং দায়িত্বশীলতা”-র সাথে যুক্ত করে দেখছেন। তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এটাই উঠছে যে, এখন কি সত্য তুলে ধরেন এমন ব্যক্তিদের অপমানিত করা হবে? ক্ষমতা ও সিস্টেমের উপর প্রশ্ন তোলাকে কি ‘আক্রমণ’ হিসেবে গণ্য করা হবে? একদিকে যেখানে দেশজুড়ে সাংবাদিকদের উপর আক্রমণ, মামলা এবং চাপের খবর ক্রমাগত সামনে আসছে, অন্যদিকে এই ধরনের শব্দ হাজার হাজার সৎ সাংবাদিকের ক্ষত আরও গভীর করে তোলে, যারা নিজেদের জীবন বিপন্ন করে জনগণের কাছে সত্য পৌঁছে দেন। যদি কলম ভয় পায়, তবে গণতন্ত্রের কণ্ঠস্বরও নীরব হয়ে যাবে। কলমকে আরশোলা বলার এই ঘটনার পর প্রশ্ন উঠেছে, সত্য লেখা কি এখন অপরাধে পরিণত হয়েছে?
- জম্মু ও কাশ্মীরের বডগাম জেলার গালওয়ানপুরা থেকে মানবতাকে লজ্জিত করার মতো এক মর্মান্তিক খবর সামনে এসেছে। জানানো হয়েছে যে, ১১ বছর বয়সী একটি নিষ্পাপ মেয়ে হাফিজা হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে কোরান পড়তে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল, কিন্তু সে আর কখনও বাড়ি ফিরল না। পরিবারের দাবি, মেয়েটির সঙ্গে পাশবিকতা করার পর তাকে হত্যা করা হয়েছে। যখন ওই নিষ্পাপ শিশুটির মৃতদেহ পাওয়া যায়, তখন তার একপাশে ছিল কোরান আর অন্যপাশে তার চপ্পল। এই হৃদয়বিদারক দৃশ্য দেখে গোটা এলাকার চোখ অশ্রুসিক্ত হয়ে ওঠে। গ্রামে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে; মা-বাবা শোকে পাথর হয়ে গেছেন, আর মহিলারা কেঁদে কেঁদে ন্যায়বিচারের জন্য আবেদন জানাচ্ছেন। এলাকার মানুষ প্রশ্ন তুলছেন, পাশবিকতারও কি কোনও সীমা থাকে? একটি নিষ্পাপ শিশু কার কী ক্ষতি করেছিল? এই ঘটনার পর এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং অভিযুক্তের ফাঁসির দাবি জোরদার হচ্ছে। পুলিশ এই মামলার তদন্তে নেমেছে। "আপনার জং" (Aapki Jung) প্রশ্ন তুলেছে— আর কতদিন নিষ্পাপ মেয়েরা এই পাশবিকতার শিকার হবে? কোরান পড়তে বেরিয়েছিল... আর সেই ঘাতকরা তার মৃতদেহ বাড়িতে পাঠিয়ে দিল।1
- রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে মর্যাদাপূর্ণ পদ্মশ্রী সম্মান গ্রহণ করেছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।1
- ভজনপুর পোস্ট অফিসে আধারের সঙ্গে মোবাইল নম্বর লিঙ্ক করার পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের জেরে পোস্ট অফিসে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় এবং সেখানে বিক্ষোভ দেখানো হয়।1
- ওদলাবাড়ির সরকারি হাট ও সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলা অবৈধ দখলদারিত্ব নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বাড়ছিল। রাস্তা দখল, সরকারি জমিতে পাকা বাড়ি নির্মাণ এবং হাটের জায়গা সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা চরম সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন। এই পরিস্থিতিতে শুক্রা মুন্ডা কঠোর বার্তা দিয়েছেন, স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন যে, “সরকারি জমি দখল করে যারা বসে আছে, তাদের বিরুদ্ধে বুলডোজার চলবেই।” স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওদলাবাড়ি হাট এলাকায় কয়েক বছর ধরেই সরকারি জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে যে কিছু অসাধু ব্যক্তি সরকারি জমিতে পাকা বাড়ি তৈরি করেছে। এছাড়াও, অনেক দোকানদার রাস্তার উপর দোকানের সামগ্রী রেখে ব্যবসা করায় যাতায়াতের রাস্তা ক্রমশ সরু হয়ে পড়ছিল, যার ফলে প্রতিদিন সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, এই দখলদারি আগের সরকারের আমল থেকেই চলে আসছে এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক দফতরে অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই বর্তমান সরকারের কাছে তাদের প্রধান দাবি হলো সরকারি হাট ও রাস্তা দখলমুক্ত করে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনা।1
- ২৫শে মে, ময়নাগুড়ি ব্লকের আমগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ধওলাগুড়ি গ্রামের ডাকুর বাড়ি এলাকার বাসিন্দারা জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের পানীয় জলের দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। দ্রুত পানীয় জলের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে তারা এই বিক্ষোভে সামিল হন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, তীব্র গরমে ধওলাগুড়ি গ্রামের ডাকুর বাড়ি, দাফাদারের বাড়ি এবং নিমের বাড়ি সহ বেশ কয়েকটি পাড়ার প্রায় ৭০টি পরিবার দীর্ঘদিন ধরে পানীয় জলের তীব্র সমস্যায় ভুগছে। তাদের দাবি, জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের পক্ষ থেকে পাইপলাইন বসানো হলেও তারা দীর্ঘদিন ধরে জল পাচ্ছেন না। পূর্বে টেন্ডার হলেও কিছু অংশে কাজ হলেও এই নির্দিষ্ট পাড়াগুলি বঞ্চিত থেকে গেছে। এছাড়াও, বাড়ির কুয়ো বা নলকূপের জলও অত্যন্ত নোংরা হওয়ায় বাধ্য হয়ে পার্শ্ববর্তী প্রায় দুই থেকে তিন কিলোমিটার দূর থেকে পানীয় জল সংগ্রহ করতে হচ্ছে তাদের। দীর্ঘদিন ধরে এই বিষয়ে দাবি জানানো হলেও কোনো সুরাহা মেলেনি। দ্রুত পানীয় জলের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে ফাঁকা বালতি নিয়ে এদিন তারা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন এবং নতুন সরকারের কাছে এই সমস্যার সমাধানে আবেদন জানান।1
- আজ চোপড়ার তুজবাগানে একটি লড়ি রাস্তার মধ্যে উল্টে গেছে। দুর্ঘটনার পরপরই লড়ির চালককে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।1
- একটি গভীর আধ্যাত্মিক বার্তায়, সকল মানুষকে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে নিজেদের পূর্বের সকল গুনাহের জন্য ক্ষমা চাইতে আহ্বান জানানো হয়েছে। বার্তাটিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আল্লাহ দয়ার সাগর এবং তিনিই আমাদের সৃষ্টিকর্তা। জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে, আমরা যতই গুনাহ করি না কেন, যদি হৃদয় থেকে গুনাহকে তওবা করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া হয়, তাহলে ইনশাআল্লাহ তিনি আমাদের সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন, যা 'সুবহানাল্লাহ' বলে প্রকাশ করা হয়েছে। এই বার্তাটি রুখিয়া বেগম, কচাকালি, চোপড়া, উত্তর দিনাজপুর, পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রকাশিত হয়েছে।1
- এক বর্বরতার মামলায় আদালত মাত্র ২৯ দিনের মধ্যে একটি বড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে, যেখানে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিকে ফাঁসির সাজা দেওয়া হয়েছে। এই রায়ের পর ভুক্তভোগী পরিবার আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে এবং তাদের আদালত চত্বরে কাঁদতে দেখা যায়। এই মামলাটি গোটা দেশকে নাড়া দিয়েছিল। দ্রুত শুনানি এবং অল্প সময়ের মধ্যে রায় আসায় মানুষ বিচার ব্যবস্থার প্রশংসা করছেন। সোশ্যাল মিডিয়াতেও অনেকে একে 'দ্রুত ন্যায়বিচারের' উদাহরণ বলছেন। আদালতের এই সিদ্ধান্তের পর মানুষজনের বক্তব্য, এমন অপরাধে কঠোর ও দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি, যাতে সমাজে অপরাধের ভয় বজায় থাকে এবং মেয়েদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।1