Shuru
Apke Nagar Ki App…
টিইটি পেপার ফাঁস ইস্যুতে বিজেপি সরকারের কার্যকারিতা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে বিজেপি সরকার শুধুমাত্র রাজনৈতিক দল ভাঙতেই সক্ষম, কিন্তু সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা পরিচালনা করতে পারে না।
Kavitha thakur
টিইটি পেপার ফাঁস ইস্যুতে বিজেপি সরকারের কার্যকারিতা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে বিজেপি সরকার শুধুমাত্র রাজনৈতিক দল ভাঙতেই সক্ষম, কিন্তু সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা পরিচালনা করতে পারে না।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- টিইটি পেপার ফাঁস ইস্যুতে বিজেপি সরকারের কার্যকারিতা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে বিজেপি সরকার শুধুমাত্র রাজনৈতিক দল ভাঙতেই সক্ষম, কিন্তু সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা পরিচালনা করতে পারে না।1
- শ্রীরামপুর নিউজের পক্ষ থেকে প্রবীর সিনহার একটি এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে। এই সাক্ষাৎকারটি বিশেষভাবে শ্রীরামপুরের জন্য তৈরি করা হয়েছে।1
- বিজেপিকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন হুমায়ুন। তিনি কড়া ভাষায় বলেছেন যে, "মাথা গরম হলে, কে মুখ্যমন্ত্রী, আর কে এসপি, তা আমি বুঝি না"।1
- পশ্চিমবঙ্গের পানিহাটিতে অনুষ্ঠিত ৫১০ বছরের ঐতিহ্যবাহী দণ্ড মহোৎসবে কিছু পুলিশ সদস্যের "দাদাগিরি" এবং সাধারণ মানুষের প্রতি খারাপ ব্যবহারের তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। উৎসবে হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটে, যেখানে স্বেচ্ছাসেবক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা, এমনকি পুলিশ প্রশাসনও উপস্থিত থাকে। এই পরিস্থিতিতে, মানুষের প্রতি সহানুভূতি ও শ্রদ্ধাবোধের অভাব তুলে ধরে বলা হয়েছে যে "জীবে প্রেম করে যেই জন সেই জন সেবিছে ঈশ্বর" এবং "সবার উপর মানুষ সত্য তাহার উপর নাই"—এই চিরন্তন বাণীগুলির বিপরীতে গিয়ে কিছু পুলিশকর্মী নিজেদের ক্ষমতা অপব্যবহার করছেন। অভিযোগ উঠেছে যে কিছু পুলিশকর্মী এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের উপর নিজেদের জোর খাটান। তারা মানুষকে "তুই তুকারি" সম্বোধন করেন, গলা ধাক্কা দেন, পরিচয়পত্র দেখাতে বাধ্য করেন এবং অযাচিতভাবে ধাক্কাধাক্কি করে গাড়িতে তোলার নির্দেশ দেন। একজন সাংবাদিক প্রশ্ন তুলেছেন, পুলিশের এই দাদাগিরি এখনও কেন বন্ধ হলো না, যা তাদের ১৫ বছরের পুরোনো অভ্যাস বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এই অভ্যাস অনুযায়ী, তারা আগে মানুষের কথা না শুনেই তাদের গাড়িতে তুলে নিয়ে যেত এবং একের পর এক মামলা দিত। একজন "ছোট্ট ক্ষুদ্র সাংবাদিক" হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে জোরালো আবেদন জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর কাঁথির বাসিন্দা এবং মেদিনীপুরিয়ান পরিচয় উল্লেখ করে তাকে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে যে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী পরিবর্তিত হয়েছেন। আবেদন জানানো হয়েছে যে পুলিশ কর্মীদের ধৈর্য ধরতে বলা হোক এবং তাদের এই মৌলিক সত্যটি ভুলতে বারণ করা হয়েছে যে তারা মানুষের টাকায় বড়লোক এবং তাদের বেতন মানুষের সেবার জন্যই। যদি তাদের ব্যবহার ঠিক না হয়, তাহলে তাদের "বড় বিপদ আসছে" বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, কারণ তাদের এই বাজে ব্যবহারের জন্য "আপনার উপরেও কেউ তাকিয়ে আছে আপনার এই বাজে ব্যবহারের জন্য, আপনাকে যে শাস্তি দেবে গোকুলে বাড়িতে সে"।2
- হাওড়া ডিস্ট্রিক্ট প্রেসক্লাবের উদ্যোগে একটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানো। এই শিবিরে চিকিৎসক, সমাজসেবী, শিল্পী, আইনজীবী, এবং শিক্ষক সহ বিভিন্ন পেশার মানুষ রক্তদান করেন। রক্তদাতাদের মধ্যে সংবাদকর্মীরাই ছিলেন সংখ্যায় সর্বোচ্চ। মুমূর্ষু রোগীদের প্রাণ বাঁচাতে মহিলা সংবাদকর্মীরাও সক্রিয়ভাবে রক্তদানে এগিয়ে এসেছিলেন। সংবাদকর্মীদের এই রক্তদানে অনেক মুমূর্ষু রোগীর প্রাণ বাঁচবে বলে আশা করা হচ্ছে।1
- দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে তিন নম্বর ওয়ার্ডের পক্ষ থেকে একটি জনকল্যাণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। এই শিবিরের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের কল্যাণে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।1
- মহুয়া মৈত্র ফিরহাদ, অরূপ এবং জাভেদ খানদের নাম উল্লেখ করে এক তীব্র কটাক্ষ করেছেন। তাঁর মন্তব্যে তিনি বলেছেন, "আমাদের অনেক বড় বড় ঢ্যামনা ঢ্যামনা নেতা ছিল।" এই উক্তির মাধ্যমে মহুয়া মৈত্র তাদের নেতৃত্ব এবং ভূমিকাকে বিদ্রূপের সাথে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন, যা দৈনিক সমাচারের খবরে প্রকাশিত হয়েছে।1
- রাজ্যে এক তৃণমূল নেতার খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে, যেখানে একজন বিজেপি নেতার প্রসঙ্গ উল্লেখ করা হয়েছে। এমন এক পরিবেশে এই ঘটনা ঘটেছে, যা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কী পদক্ষেপের কথা ভাবছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। এই ঘটনাকে দেশের ও দশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খবর হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।1