Shuru
Apke Nagar Ki App…
মাসিক ১৫ দিন কাজের সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। তবে, বর্তমানে বাস্তবে দেখা যাচ্ছে যে, এই প্রতিশ্রুতির বদলে কেবল একটি মাত্র প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি মূল অঙ্গীকার পূরণের বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলছে।
Memari Update News
মাসিক ১৫ দিন কাজের সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। তবে, বর্তমানে বাস্তবে দেখা যাচ্ছে যে, এই প্রতিশ্রুতির বদলে কেবল একটি মাত্র প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি মূল অঙ্গীকার পূরণের বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- মাসিক ১৫ দিন কাজের সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। তবে, বর্তমানে বাস্তবে দেখা যাচ্ছে যে, এই প্রতিশ্রুতির বদলে কেবল একটি মাত্র প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি মূল অঙ্গীকার পূরণের বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলছে।1
- কল্যাণীর গয়েশপুরে 'ডিম থেরাপি'র ঘটনা ঘটেছে, যেখানে তৃণমূল নেতা মিন্টু দে এবং প্রাক্তন কাউন্সিলর নেপাল সাহা আক্রান্ত হয়েছেন।1
- কেউ একজন এই দাবি করেছেন যে বিজেপি বারাবাজারে কোনো পদক্ষেপ নেবে না, কারণ সেখানে অবাঙালিদের সংখ্যা বেশি। এই ধরনের দাবিকে স্পষ্টত উপহাস করে সুমিত কুমার বসু কড়া ভাষায় বলেছেন যে, যেটা অবৈধ, সেটা অবৈধই থাকবে। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেছেন যে, এক্ষেত্রে কোনো বাঙালি বা অবাঙালি বলে কেউ ছাড় পাবে না।1
- হাওড়া জেলার জগৎবল্লভপুর এলাকায় একটি পার্কিং করা গাড়িতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার কারণ জানতে জগৎবল্লভপুর থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।1
- জয়পুর, রাজস্থানে শিব যোগ দিবসে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এই ঘটনাটিকে একটি সুসংবাদ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।1
- নদিয়ার গৌরাঙ্গ সেতু রোডে বারবার পথ দুর্ঘটনা এবং সম্প্রতি এক তরুণীর মৃত্যুর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় বাসিন্দারা পথ অবরোধে সামিল হন। বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে এলাকার অসংখ্য মানুষ এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে দুর্ঘটনা ঘটলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, যার ফলে ক্ষোভ বাড়ছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটার কিছু পর শুরু হওয়া এই অবরোধের জেরে প্রায় ৩০ মিনিট ধরে গৌরাঙ্গ সেতু রোডে যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়। বহু যানবাহন রাস্তার দু’প্রান্তে আটকে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে নবদ্বীপ থানার পুলিশ ও ট্রাফিক বিভাগের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। অবরোধকারীদের অভিযোগ, গৌরাঙ্গ সেতু পার হয়ে নবদ্বীপ শহরে প্রবেশের আগে থাকা যাত্রী প্রতীক্ষালয় থেকে পুরনো টোলগেট পর্যন্ত দীর্ঘ অংশ সন্ধ্যার পর প্রায় অন্ধকারে ডুবে থাকে। পর্যাপ্ত আলোর অভাব, ট্রাফিক পুলিশের অনুপস্থিতি এবং দ্রুতগতির যানবাহনের বেপরোয়া চলাচলই দুর্ঘটনার মূল কারণ বলে তাঁরা দাবি করেন। স্থানীয়দের বক্তব্য, ওই এলাকায় অতীতেও একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে, এবং সম্প্রতি মঙ্গলবার রাতে প্রায় ২৫ বছর বয়সী এক তরুণী লরির ধাক্কায় প্রাণ হারানোর পর থেকেই মানুষের মধ্যে ক্ষোভ আরও বেড়ে যায়। বিক্ষোভকারীরা প্রশাসনের কাছে দ্রুত পর্যাপ্ত রাস্তার আলোর ব্যবস্থা, নিয়মিত ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন, স্পিড ব্রেকার নির্মাণ এবং ভারী যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণের দাবি জানান। তাঁদের মতে, এই পদক্ষেপগুলি কার্যকর হলে দুর্ঘটনার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে। পরে পুলিশ ও ট্রাফিক বিভাগের কর্তারা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিলে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়। তবে, স্থানীয় বাসিন্দারা সতর্ক করেছেন যে দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর আন্দোলন শুরু হতে পারে। গৌরাঙ্গ সেতু রোডে বারবার প্রাণহানির ঘটনায় শহরবাসীর মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে, এবং নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে প্রশাসন কত দ্রুত পদক্ষেপ নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে নবদ্বীপ।1
- তৃণমূল নেতার মৃত্যু ঘিরে এক গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে তিন বিজেপি নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, মৃত তৃণমূল নেতাকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল, তাঁর উপর মারধর করা হয়েছিল এবং ৫০ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়েছিল। এই সমস্ত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই ওই তিন বিজেপি নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।1
- গয়েশপুর অঞ্চলে একসময় তৃণমূলের ত্রাস হিসেবে পরিচিত প্রাক্তন টাউন সভাপতি মিন্টু দে-কে তৃণমূলের যুব অফিসে বসে থাকতে দেখে সাধারণ মানুষ ও বিজেপি কর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। ক্ষুব্ধ জনতা তাকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখায়, চর-থাপ্পড় মারা হয়, মারধর করে তার গেঞ্জি খুলে নেওয়া হয় এবং শুরু হয় 'ডিম থেরাপি'। মিন্টু দে-র বিরুদ্ধে মানুষকে ভয় দেখানো, মারধর করা এবং সরকারি জমি বিক্রি করে লোক বসানোর মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তিনি গয়েশপুর শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মরণ দে-র ভাই। এই ঘটনায় তৃণমূলের নেপাল নামে আরেকজনকেও সাধারণ মানুষ মারধর করে, তবে সে কোনোমতে সেখান থেকে পালিয়ে বাঁচেন। অন্যদিকে, গতকাল রাতে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর টুম্পার বাড়িতে চড়াও হয় এলাকার প্রায় ৫০-৬০ জন লোক। পম্পার অভিযোগ, জনতা বাড়ি ঘেরাও করে ভাঙচুর চালায়, জানালার কাঁচ ভেঙে দেয় এবং বাইরে রাখা মোটর বাইকও ভাঙচুর করে। সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলেও সেগুলিও ভেঙে ফেলা হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং বিক্ষোভকারীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।1