বহরমপুরে উদ্ধার বিপুল অস্ত্রভাণ্ডার, তৃণমূল যুব নেতার নাম ঘিরে চাঞ্চল্য নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: মুর্শিদাবাদের বহরমপুর শহরের গির্জাপাড়া এলাকায় শনিবার সকালে পুলিশের গোপন অভিযানে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অসীম সরকারের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে ৩টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৪টি ম্যাগাজিন এবং প্রায় ১৪০ রাউন্ড গুলি। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এলাকায় সন্ত্রাস ছড়ানোর উদ্দেশ্যেই এই বিপুল অস্ত্র মজুত করা হয়েছিল। পুলিশের দাবি, অভিযুক্ত অসীম সরকার নিজেকে বহরমপুর শহর তৃণমূল যুব নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচয় দিতেন। বিশেষ করে বহরমপুর টাউন যুব সভাপতি পাপাই ঘোষের সহযোগী হিসেবেই এলাকায় পরিচিত ছিলেন তিনি। পাপাই ঘোষ বহরমপুর পৌরসভার পৌরপিতা তথা তৃণমূল নেতা নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলেও রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। পাশাপাশি তিনি মণীন্দ্রনগর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী বলেও জানা গিয়েছে। শনিবার সকালে পুলিশের বিশেষ দল অসীম সরকারের বাড়িতে হানা দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়েই অসীম সরকার ও পাপাই ঘোষ এলাকা থেকে পালিয়ে যায়। এরপর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল অস্ত্রভাণ্ডার উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর অসীম সরকারের স্ত্রী টুকু সরকারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার তাঁকে বহরমপুর আদালতে তোলা হলে পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানানো হয়। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই অস্ত্র মজুতের পিছনে আরও বড় চক্র জড়িত থাকতে পারে। পলাতক অসীম সরকার ও পাপাই ঘোষের খোঁজে বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ডিএসপি (ডিঅ্যান্ডটি) সুশান্ত রাজবংশী জানান, “ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। কোথা থেকে অস্ত্র এল এবং কারা এর সঙ্গে যুক্ত, সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” ক্যাপশন: বহরমপুরের গির্জাপাড়ায় পুলিশের অভিযানে উদ্ধার বিপুল অস্ত্রভাণ্ডার, পলাতক অসীম সরকার ও তৃণমূল যুব নেতা পাপাই ঘোষকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য।
বহরমপুরে উদ্ধার বিপুল অস্ত্রভাণ্ডার, তৃণমূল যুব নেতার নাম ঘিরে চাঞ্চল্য নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: মুর্শিদাবাদের বহরমপুর শহরের গির্জাপাড়া এলাকায় শনিবার সকালে পুলিশের গোপন অভিযানে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অসীম সরকারের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে ৩টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৪টি ম্যাগাজিন এবং প্রায় ১৪০ রাউন্ড গুলি। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এলাকায় সন্ত্রাস ছড়ানোর উদ্দেশ্যেই এই বিপুল অস্ত্র মজুত করা হয়েছিল। পুলিশের দাবি, অভিযুক্ত অসীম সরকার নিজেকে বহরমপুর শহর তৃণমূল যুব নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচয় দিতেন। বিশেষ করে বহরমপুর টাউন যুব সভাপতি পাপাই ঘোষের সহযোগী হিসেবেই এলাকায় পরিচিত ছিলেন তিনি। পাপাই ঘোষ বহরমপুর পৌরসভার পৌরপিতা তথা তৃণমূল নেতা নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলেও রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। পাশাপাশি তিনি মণীন্দ্রনগর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী বলেও জানা গিয়েছে। শনিবার সকালে পুলিশের বিশেষ দল অসীম সরকারের বাড়িতে হানা দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়েই অসীম সরকার ও পাপাই ঘোষ এলাকা থেকে পালিয়ে যায়। এরপর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল অস্ত্রভাণ্ডার উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর অসীম সরকারের স্ত্রী টুকু সরকারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার তাঁকে বহরমপুর আদালতে তোলা হলে পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানানো হয়। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই অস্ত্র মজুতের পিছনে আরও বড় চক্র জড়িত থাকতে পারে। পলাতক অসীম সরকার ও পাপাই ঘোষের খোঁজে বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ডিএসপি (ডিঅ্যান্ডটি) সুশান্ত রাজবংশী জানান, “ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। কোথা থেকে অস্ত্র এল এবং কারা এর সঙ্গে যুক্ত, সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” ক্যাপশন: বহরমপুরের গির্জাপাড়ায় পুলিশের অভিযানে উদ্ধার বিপুল অস্ত্রভাণ্ডার, পলাতক অসীম সরকার ও তৃণমূল যুব নেতা পাপাই ঘোষকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য।
- বহরমপুরে উদ্ধার বিপুল অস্ত্রভাণ্ডার, তৃণমূল যুব নেতার নাম ঘিরে চাঞ্চল্য নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: মুর্শিদাবাদের বহরমপুর শহরের গির্জাপাড়া এলাকায় শনিবার সকালে পুলিশের গোপন অভিযানে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অসীম সরকারের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে ৩টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৪টি ম্যাগাজিন এবং প্রায় ১৪০ রাউন্ড গুলি। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এলাকায় সন্ত্রাস ছড়ানোর উদ্দেশ্যেই এই বিপুল অস্ত্র মজুত করা হয়েছিল। পুলিশের দাবি, অভিযুক্ত অসীম সরকার নিজেকে বহরমপুর শহর তৃণমূল যুব নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচয় দিতেন। বিশেষ করে বহরমপুর টাউন যুব সভাপতি পাপাই ঘোষের সহযোগী হিসেবেই এলাকায় পরিচিত ছিলেন তিনি। পাপাই ঘোষ বহরমপুর পৌরসভার পৌরপিতা তথা তৃণমূল নেতা নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলেও রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। পাশাপাশি তিনি মণীন্দ্রনগর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী বলেও জানা গিয়েছে। শনিবার সকালে পুলিশের বিশেষ দল অসীম সরকারের বাড়িতে হানা দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়েই অসীম সরকার ও পাপাই ঘোষ এলাকা থেকে পালিয়ে যায়। এরপর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল অস্ত্রভাণ্ডার উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর অসীম সরকারের স্ত্রী টুকু সরকারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার তাঁকে বহরমপুর আদালতে তোলা হলে পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানানো হয়। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই অস্ত্র মজুতের পিছনে আরও বড় চক্র জড়িত থাকতে পারে। পলাতক অসীম সরকার ও পাপাই ঘোষের খোঁজে বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ডিএসপি (ডিঅ্যান্ডটি) সুশান্ত রাজবংশী জানান, “ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। কোথা থেকে অস্ত্র এল এবং কারা এর সঙ্গে যুক্ত, সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” ক্যাপশন: বহরমপুরের গির্জাপাড়ায় পুলিশের অভিযানে উদ্ধার বিপুল অস্ত্রভাণ্ডার, পলাতক অসীম সরকার ও তৃণমূল যুব নেতা পাপাই ঘোষকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য।1
- ধুন্ধুমার কান্ড! নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বাধা সহ সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি তথা কাউন্সিলর। ধুন্ধুমার কান্ড! নির্বাচনের দিন একাধিক হামলা সহ ভোট প্রক্রিয়ায় বাধা দানের অভিযোগে পুলিশের তল্লাশি অভিযানে গ্রেপ্তার মুর্শিদাবাদ যুব তৃণমূল সভাপতি ভীষ্মদেব কর্মকার। ঘটনায় রবিবার মুর্শিদাবাদ জেলা জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ধৃত ওই যুব তৃণমূল সভাপতি বাড়ি বহরমপুরে। তৃণমূলের যুব সভাপতি পাশাপাশি তিনি জেলার সদর শহর বহরমপুর পৌরসভার তৃণমূলের ১৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর1
- মুর্শিদাবাদের নওদা ব্লক তৃণমূল সভাপতি সফিউজ্জামান ওরফে হাবিব মাস্টার এক মামলায় জামিন পেলেও অন্য একটি মামলায় ফের পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন। ভোটের ফল প্রকাশের রাতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল এবং ১৫ মে পর্যন্ত তিনি পুলিশ হেফাজতে থাকবেন।1
- Suvendu Adhikari | মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর এই পদক্ষেপে কাঁপছে অভিষেক!#newes1
- আগুনে সর্বস্বান্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াল জমিয়েত উলামা হিন্দ আগুনে সর্বস্বান্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াল জমিয়েত উলামা হিন্দ হরিহরপাড়ার কুমরীপুর এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্ব হারানো পরিবারের পাশে দাঁড়াল হরিহরপাড়া ব্লক জমিয়েত উলামা হিন্দের সদস্যরা। রবিবার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বাড়িতে পৌঁছে তাদের হাতে প্রয়োজনীয় সাহায্য তুলে দেন সংগঠনের সদস্যরা। সংগঠনের অফিস সেক্রেটারি হাফেজ সাইমুদ্দিন মন্ডল জানান, আগুনে পরিবারটি একেবারে নিঃস্ব হয়ে গিয়েছে। এই কঠিন সময়ে তাদের পাশে রয়েছে জমিয়েত উলামা হিন্দ। ঘটনায় মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও।1
- জঙ্গিপুর বিধানসভার বাহাদিনগর গ্রামে বিজেপির জয়ে এক বিজয় মিছিল বের করা হয়। নতুন বিজেপি সরকার শপথ গ্রহণ উপলক্ষে গ্রামবাসীদের মধ্যে লাড্ডু বিতরণ করে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়া হয়।1
- হরিহরপাড়ায় তৃণমূলের বেশ কিছু নেতার বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা ছড়িয়েছে। এই প্রসঙ্গে স্থানীয় বিধায়কের প্রতিক্রিয়া জানতে উৎসুক রাজনৈতিক মহল।1
- লালগোলায় পুত্রবধূর বাড়ির লোকজনের হাতে মার খেয়ে মৃত্যু শাশুড়ির, ধৃত পুত্রবধূ, পলাতক বাপের বাড়ির লোকজন মুর্শিদাবাদের লালগোলা থানার পাইকপাড়া এলাকায় চাঞ্চল্যকর ঘটনায় মৃত্যু হল এক শাশুড়ির। মৃতার নাম হেনেরা বিবি। অভিযোগ, পুত্রবধূর বাপের বাড়ির লোকজনের মারধরের জেরেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনায় ইতিমধ্যেই একজনকে গ্রেফতার করেছে লালগোলা থানার পুলিশ। যদিও অভিযুক্তদের একাংশ এখনও পলাতক বলে জানা গিয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, ঈদের সময় শ্বশুরবাড়ি থেকে বাপের বাড়ি পাইকপাড়ায় আসেন সুকলেমা খাতুন। তারপর থেকেই তিনি আর শ্বশুরবাড়ি ফিরতে চাইছিলেন না বলে অভিযোগ। ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সময় স্বামী তাঁকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চাইলে পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর মা হেনেরা বিবিকে পাঠানো হয়। মৃতার ছেলে মিনারুল হকের দাবি, হেনেরা বিবি সেখানে গেলে প্রথমে তাঁকে অতিথি আপ্যায়ন করা হয়। পরে সুকলেমা খাতুন শ্বশুরবাড়ি যেতে অস্বীকার করায় দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। সেই সময় সুকলেমার ভাই ও বাড়ির অন্যান্য সদস্যরা হেনেরা বিবির উপর চড়াও হয়ে মারধর করেন বলে অভিযোগ। ঘটনার পর গত ২৪ তারিখ লালগোলা থানা-য় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে মৃতার পরিবার। অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। তবে ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে লালগোলা থানার পুলিশ। মৃতার পুত্র মিনারুল হক জানান, “আমার মাকে পরিকল্পিতভাবে মারধর করা হয়েছে। আমরা দোষীদের কঠোর শাস্তি চাই।”1