আজ মেখলিগঞ্জে দীর্ঘদিনের শিক্ষাগত সমস্যার সমাধানের দাবিতে একটি বর্ণাঢ্য পদযাত্রার আয়োজন করা হয়। রাজবংশী ক্ষত্রিয় কল্যাণ সমিতির সহায়তায় বিভিন্ন ছাত্র-ছাত্রী, যুবক-যুবতী এবং সাধারণ মানুষ এই কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। পদযাত্রার মূল দাবি ছিল মেখলিগঞ্জ হাই স্কুলে বিজ্ঞান বিভাগ পুনরায় চালু করা। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য অনুযায়ী, উচ্চশিক্ষার জন্য এলাকার ছাত্র-ছাত্রীদের বহু দূরে যেতে হয়, যার ফলে অনেকেই পড়াশোনা মাঝপথে ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। এছাড়াও, কৃষকদের উন্নতির কথা চিন্তা করে এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে মেখলিগঞ্জের বুকে একটি হিমঘর তৈরি এবং ডেয়ারি শিল্প স্থাপন করার দাবিও জানানো হয়। আন্দোলনকারীরা জানান যে, শিক্ষা, কৃষি ও শিল্পের উন্নয়নের মাধ্যমে মেখলিগঞ্জকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই তাদের প্রধান লক্ষ্য। তাঁরা প্রশাসনের কাছে দ্রুত এই দাবিগুলি বাস্তবায়নের জন্য আবেদন জানিয়েছেন। পদযাত্রা চলাকালীন অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং এলাকার শিক্ষার উন্নয়নে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন। তাঁদের আশা, এই গণআন্দোলনের মাধ্যমে মেখলিগঞ্জের শিক্ষাক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হবে। রাজবংশী ক্ষত্রিয় কল্যাণ সমিতির অন্যতম সদস্যা কবিতা ঘোষ বর্মনও এই পদযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন।
আজ মেখলিগঞ্জে দীর্ঘদিনের শিক্ষাগত সমস্যার সমাধানের দাবিতে একটি বর্ণাঢ্য পদযাত্রার আয়োজন করা হয়। রাজবংশী ক্ষত্রিয় কল্যাণ সমিতির সহায়তায় বিভিন্ন ছাত্র-ছাত্রী, যুবক-যুবতী এবং সাধারণ মানুষ এই কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। পদযাত্রার মূল দাবি ছিল মেখলিগঞ্জ হাই স্কুলে বিজ্ঞান বিভাগ পুনরায় চালু করা। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য অনুযায়ী, উচ্চশিক্ষার জন্য এলাকার ছাত্র-ছাত্রীদের বহু দূরে যেতে হয়, যার ফলে অনেকেই পড়াশোনা মাঝপথে ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। এছাড়াও, কৃষকদের উন্নতির কথা চিন্তা করে এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে মেখলিগঞ্জের বুকে একটি হিমঘর তৈরি এবং ডেয়ারি শিল্প স্থাপন করার দাবিও জানানো হয়। আন্দোলনকারীরা জানান যে, শিক্ষা, কৃষি ও শিল্পের উন্নয়নের মাধ্যমে মেখলিগঞ্জকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই তাদের প্রধান লক্ষ্য। তাঁরা প্রশাসনের কাছে দ্রুত এই দাবিগুলি বাস্তবায়নের জন্য আবেদন জানিয়েছেন। পদযাত্রা চলাকালীন অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং এলাকার শিক্ষার উন্নয়নে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন। তাঁদের আশা, এই গণআন্দোলনের মাধ্যমে মেখলিগঞ্জের শিক্ষাক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হবে। রাজবংশী ক্ষত্রিয় কল্যাণ সমিতির অন্যতম সদস্যা কবিতা ঘোষ বর্মনও এই পদযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন।
- মেখলিগঞ্জ মহকুমা হাসপাতাল চিকিৎসা ক্ষেত্রে এক উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে, একই দিনে দুটি জটিল অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন করে তাদের পরিষেবায় নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মেখলিগঞ্জ ব্লকের ৪২ নম্বর নিজতরফ এলাকার রিঙ্কি পারভীন টিউবাল একটোপিক প্রেগন্যান্সিজনিত গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন, যার দ্রুত জরুরি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তাঁকে বিপদ মুক্ত করা হয়। অন্যদিকে, হলদিবাড়ির অনিমেষ রায় দীর্ঘদিন ধরে হাঁটুর জটিলতায় ভুগছিলেন এবং চিকিৎসার জন্য মেখলিগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপর চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তাঁর অস্ত্রোপচারও সফলভাবে সম্পন্ন হয়। পরপর দুটি অস্ত্রোপচারেই চিকিৎসক, অপারেশন থিয়েটার টিম এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় উভয় ক্ষেত্রেই সাফল্য এসেছে। হাসপাতালের সুপার ডা. তাপসকুমার দাস এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন যে, সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা প্রদান করাই তাঁদের মূল লক্ষ্য। এই সাফল্যের ফলে রোগী পরিবার এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ উভয়েই স্বাভাবিকভাবে খুশি।3
- রাজবংশী ক্ষত্রিয় কল্যাণ সমিতির সহায়তায় বিভিন্ন ছাত্র-ছাত্রী, যুবক-যুবতী এবং সাধারণ মানুষ মেখলীগঞ্জে একটি পদযাত্রার আয়োজন করেন। এই আন্দোলনের মূল দাবি ছিল মেখলীগঞ্জ হাই স্কুলে বিজ্ঞান বিভাগ পুনরায় চালু করা এবং মেখলীগঞ্জের বুকে একটি হিমঘর ও ডেয়ারি শিল্প স্থাপন করা। আন্দোলনকারীরা জানান, উচ্চশিক্ষার জন্য এলাকার ছাত্র-ছাত্রীদের দূরে যেতে হয়, যার ফলে অনেকেই পড়াশোনা মাঝপথে ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। কৃষকদের উন্নতি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে হিমঘর ও ডেয়ারি শিল্প অত্যন্ত জরুরি। তাঁদের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষা, কৃষি ও শিল্পের উন্নয়নের মাধ্যমে মেখলীগঞ্জকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, এবং এই দাবিগুলি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য তাঁরা প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। পদযাত্রা চলাকালীন অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং এলাকার শিক্ষার উন্নয়নে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন। তাঁদের আশা, এই গণআন্দোলনের মাধ্যমে মেখলীগঞ্জের শিক্ষাক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হবে। রাজবংশী ক্ষত্রিয় কল্যাণ সমিতির অন্যতম সদস্যা কবিতা ঘোষ বর্মনও এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।1
- হলদিবাড়ি বিডিও অফিসে আয়োজিত জনকল্যাণ শিবিরে বিভিন্ন পরিষেবা গ্রহণ করতে বিপুল সংখ্যক মানুষের সমাগম হয়েছে।1
- জাহাঙ্গীর খানের বিরুদ্ধে কী ধরনের অভিযোগ রয়েছে, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। ফলতা প্রসঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।1
- আজ বিকেল প্রায় ৪টা ৪৫ মিনিট নাগাদ খট্টিমারি এলাকায় আবগারি দপ্তরের সঙ্গে একটি যৌথ অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে প্রায় ৩০ লিটার দেশি চোলাই মদ এবং প্রায় ২০০ লিটার চোলাই মদ তৈরির কাঁচামাল উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও, মদ তৈরির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম ও বাসনপত্রও উদ্ধার করে ধ্বংস করা হয়। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে যে, অবৈধ মদ তৈরির বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।1
- তপশিলি সার্টিফিকেট সংশোধনের দাবিতে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) এসসি মোর্চার পক্ষ থেকে মাথাভাঙা মহকুমা শাসকের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়েছে। এই স্মারকলিপিতে তপশিলি জাতিভুক্ত নাগরিকদের সার্টিফিকেট সংক্রান্ত সমস্যাগুলির দ্রুত সমাধানের দাবি জানানো হয়েছে।1
- পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে কোচবিহারের শীতলকুচিতে একটি জনকল্যাণ শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে শীতলকুচি ব্লকের অন্তর্গত ছয়টি গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দারা সরকারি পরিষেবা ও সুবিধার জন্য আবেদন করেন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করেন। শীতলকুচি গার্লস স্কুলের মাঠে আয়োজিত এই শিবিরে সকাল থেকেই সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। শিবিরে আগত মানুষজন বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের স্টলে গিয়ে তাঁদের সমস্যার সমাধান, আবেদনপত্র জমা এবং সরকারি প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করেছেন। এই কার্যক্রম পরিদর্শনে প্রশাসনের বিভিন্ন আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা পরিষেবা প্রদানের কাজকর্ম খতিয়ে দেখার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন। শীতলকুচির বিডিও অনিন্দিতা সিংহ ব্রহ্মা নিজেও বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করে পরিষেবা প্রদানের বিষয়গুলি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। প্রশাসনের দাবি, সরকারি পরিষেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই জনকল্যাণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে এবং এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ আরও সহজে সরকারি পরিষেবা ও প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন।1
- আজ মেখলিগঞ্জে দীর্ঘদিনের শিক্ষাগত সমস্যার সমাধানের দাবিতে একটি বর্ণাঢ্য পদযাত্রার আয়োজন করা হয়। রাজবংশী ক্ষত্রিয় কল্যাণ সমিতির সহায়তায় বিভিন্ন ছাত্র-ছাত্রী, যুবক-যুবতী এবং সাধারণ মানুষ এই কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। পদযাত্রার মূল দাবি ছিল মেখলিগঞ্জ হাই স্কুলে বিজ্ঞান বিভাগ পুনরায় চালু করা। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য অনুযায়ী, উচ্চশিক্ষার জন্য এলাকার ছাত্র-ছাত্রীদের বহু দূরে যেতে হয়, যার ফলে অনেকেই পড়াশোনা মাঝপথে ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। এছাড়াও, কৃষকদের উন্নতির কথা চিন্তা করে এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে মেখলিগঞ্জের বুকে একটি হিমঘর তৈরি এবং ডেয়ারি শিল্প স্থাপন করার দাবিও জানানো হয়। আন্দোলনকারীরা জানান যে, শিক্ষা, কৃষি ও শিল্পের উন্নয়নের মাধ্যমে মেখলিগঞ্জকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই তাদের প্রধান লক্ষ্য। তাঁরা প্রশাসনের কাছে দ্রুত এই দাবিগুলি বাস্তবায়নের জন্য আবেদন জানিয়েছেন। পদযাত্রা চলাকালীন অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং এলাকার শিক্ষার উন্নয়নে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন। তাঁদের আশা, এই গণআন্দোলনের মাধ্যমে মেখলিগঞ্জের শিক্ষাক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হবে। রাজবংশী ক্ষত্রিয় কল্যাণ সমিতির অন্যতম সদস্যা কবিতা ঘোষ বর্মনও এই পদযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন।1