সম্প্রীতি ও ঐক্যের বার্তা নিয়ে নবদ্বীপে পালিত রাখিবন্ধন উৎসব: সম্প্রীতির বন্ধনে সবাইকে বাঁধার বার্তা বিধায়কের সম্প্রীতি ও ঐক্যের বার্তা নিয়ে নবদ্বীপে পালিত রাখিবন্ধন উৎসব: সম্প্রীতির বন্ধনে সবাইকে বাঁধার বার্তা বিধায়কের ধর্ম, বর্ণ ও জাতি নির্বিশেষে সমাজের সকল মানুষকে একসূত্রে বাঁধার অঙ্গীকার নিয়ে সাড়ম্বরে পালিত হলো রাখিবন্ধন উৎসব। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যুবকল্যাণ দফতরের উদ্যোগে সমগ্র রাজ্য জুড়ে আয়োজিত এই উৎসবের অংশ হিসেবে নবদ্বীপেও এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে সম্প্রীতি ও সর্বজনীন ঐক্যের তাৎপর্য তুলে ধরেন স্থানীয় বিধায়ক। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, রাজ্য সরকারের যুবকল্যাণ দফতরের পক্ষ থেকে সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে এই রাখিবন্ধন উৎসব উদযাপিত হচ্ছে। এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য হলো সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে একত্রিত করা। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের অবস্থান সবসময় জনগণের সঙ্গে এবং জনগণও যেন সরকারের সঙ্গে একত্রিত হয়ে একাত্ম বোধ করে—সেই ‘সবকা সাথ’ ভাবনাই এই উদ্যোগের ভিত্তি। জাতি, বর্ণ ও ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে একটি সাধারণ প্ল্যাটফর্মে আনাই রাখিবন্ধনের মূল লক্ষ্য। রাখিবন্ধন উৎসবের ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দিয়ে বিধায়ক বলেন, এই উৎসবের শিকড় প্রোথিত রয়েছে প্রাচীন পৌরাণিক যুগে, যা ‘রক্ষাবন্ধন’ নামে পরিচিত ছিল। পরবর্তীতে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের উত্তাল সময়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই রাখিবন্ধনকে নতুনভাবে উজ্জীবিত করে তুলেছিলেন। এর অন্তর্নিহিত দর্শন ছিল সমস্ত মানুষকে ভালোবাসার ও আত্মীয়তার অটুট বন্ধনে আবদ্ধ করা। ‘বন্ধন’ কেবল একটি সুতো বাঁধার আচার নয়, বরং হৃদয়ের সঙ্গে হৃদয়ের গভীর সংযোগ তৈরি করার এক অঙ্গীকার। তিনি আরও উল্লেখ করেন, নবদ্বীপের সমাজসেবীরাও সরকারের এই মহতী উদ্যোগকে সাফল্যমণ্ডিত করতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে এসেছেন। দীর্ঘ প্রায় ৪৯ বছর ধরে চলে আসা নানা বিভেদ ও বৈষম্য দূর করে সকলকে অন্তরের নিবিড় বন্ধনে যুক্ত করতেই এই রাখিবন্ধন উৎসবের আয়োজন। সমাজের প্রতিটি মানুষের মধ্যে সৌভ্রাতৃত্বের বাতাবরণ গড়ে তুলতে এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদার করতে এই ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন। স্থানীয় মানুষ ও সমাজসেবীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি সম্প্রীতির এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।
সম্প্রীতি ও ঐক্যের বার্তা নিয়ে নবদ্বীপে পালিত রাখিবন্ধন উৎসব: সম্প্রীতির বন্ধনে সবাইকে বাঁধার বার্তা বিধায়কের সম্প্রীতি ও ঐক্যের বার্তা নিয়ে নবদ্বীপে পালিত রাখিবন্ধন উৎসব: সম্প্রীতির বন্ধনে সবাইকে বাঁধার বার্তা বিধায়কের ধর্ম, বর্ণ ও জাতি নির্বিশেষে সমাজের সকল মানুষকে একসূত্রে বাঁধার অঙ্গীকার নিয়ে সাড়ম্বরে পালিত হলো রাখিবন্ধন উৎসব। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যুবকল্যাণ দফতরের উদ্যোগে সমগ্র রাজ্য জুড়ে আয়োজিত এই উৎসবের অংশ হিসেবে নবদ্বীপেও এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে সম্প্রীতি ও সর্বজনীন ঐক্যের তাৎপর্য তুলে ধরেন স্থানীয় বিধায়ক। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, রাজ্য সরকারের যুবকল্যাণ দফতরের পক্ষ থেকে সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে এই রাখিবন্ধন উৎসব উদযাপিত হচ্ছে। এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য হলো সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে একত্রিত করা। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের অবস্থান সবসময় জনগণের সঙ্গে এবং জনগণও যেন সরকারের সঙ্গে একত্রিত হয়ে একাত্ম বোধ করে—সেই ‘সবকা সাথ’ ভাবনাই এই উদ্যোগের ভিত্তি। জাতি, বর্ণ ও ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে একটি সাধারণ প্ল্যাটফর্মে আনাই রাখিবন্ধনের মূল লক্ষ্য। রাখিবন্ধন উৎসবের ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দিয়ে বিধায়ক বলেন, এই উৎসবের শিকড় প্রোথিত রয়েছে প্রাচীন পৌরাণিক যুগে, যা ‘রক্ষাবন্ধন’ নামে পরিচিত ছিল। পরবর্তীতে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের উত্তাল সময়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই রাখিবন্ধনকে নতুনভাবে উজ্জীবিত করে তুলেছিলেন। এর অন্তর্নিহিত দর্শন ছিল সমস্ত মানুষকে ভালোবাসার ও আত্মীয়তার অটুট বন্ধনে আবদ্ধ করা। ‘বন্ধন’ কেবল একটি সুতো বাঁধার আচার নয়, বরং হৃদয়ের সঙ্গে হৃদয়ের গভীর সংযোগ তৈরি করার এক অঙ্গীকার। তিনি আরও উল্লেখ করেন, নবদ্বীপের সমাজসেবীরাও সরকারের এই মহতী উদ্যোগকে সাফল্যমণ্ডিত করতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে এসেছেন। দীর্ঘ প্রায় ৪৯ বছর ধরে চলে আসা নানা বিভেদ ও বৈষম্য দূর করে সকলকে অন্তরের নিবিড় বন্ধনে যুক্ত করতেই এই রাখিবন্ধন উৎসবের আয়োজন। সমাজের প্রতিটি মানুষের মধ্যে সৌভ্রাতৃত্বের বাতাবরণ গড়ে তুলতে এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদার করতে এই ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন। স্থানীয় মানুষ ও সমাজসেবীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি সম্প্রীতির এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।
- সম্প্রীতি ও ঐক্যের বার্তা নিয়ে নবদ্বীপে পালিত রাখিবন্ধন উৎসব: সম্প্রীতির বন্ধনে সবাইকে বাঁধার বার্তা বিধায়কের সম্প্রীতি ও ঐক্যের বার্তা নিয়ে নবদ্বীপে পালিত রাখিবন্ধন উৎসব: সম্প্রীতির বন্ধনে সবাইকে বাঁধার বার্তা বিধায়কের ধর্ম, বর্ণ ও জাতি নির্বিশেষে সমাজের সকল মানুষকে একসূত্রে বাঁধার অঙ্গীকার নিয়ে সাড়ম্বরে পালিত হলো রাখিবন্ধন উৎসব। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যুবকল্যাণ দফতরের উদ্যোগে সমগ্র রাজ্য জুড়ে আয়োজিত এই উৎসবের অংশ হিসেবে নবদ্বীপেও এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে সম্প্রীতি ও সর্বজনীন ঐক্যের তাৎপর্য তুলে ধরেন স্থানীয় বিধায়ক। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, রাজ্য সরকারের যুবকল্যাণ দফতরের পক্ষ থেকে সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে এই রাখিবন্ধন উৎসব উদযাপিত হচ্ছে। এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য হলো সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে একত্রিত করা। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের অবস্থান সবসময় জনগণের সঙ্গে এবং জনগণও যেন সরকারের সঙ্গে একত্রিত হয়ে একাত্ম বোধ করে—সেই ‘সবকা সাথ’ ভাবনাই এই উদ্যোগের ভিত্তি। জাতি, বর্ণ ও ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে একটি সাধারণ প্ল্যাটফর্মে আনাই রাখিবন্ধনের মূল লক্ষ্য। রাখিবন্ধন উৎসবের ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দিয়ে বিধায়ক বলেন, এই উৎসবের শিকড় প্রোথিত রয়েছে প্রাচীন পৌরাণিক যুগে, যা ‘রক্ষাবন্ধন’ নামে পরিচিত ছিল। পরবর্তীতে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের উত্তাল সময়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই রাখিবন্ধনকে নতুনভাবে উজ্জীবিত করে তুলেছিলেন। এর অন্তর্নিহিত দর্শন ছিল সমস্ত মানুষকে ভালোবাসার ও আত্মীয়তার অটুট বন্ধনে আবদ্ধ করা। ‘বন্ধন’ কেবল একটি সুতো বাঁধার আচার নয়, বরং হৃদয়ের সঙ্গে হৃদয়ের গভীর সংযোগ তৈরি করার এক অঙ্গীকার। তিনি আরও উল্লেখ করেন, নবদ্বীপের সমাজসেবীরাও সরকারের এই মহতী উদ্যোগকে সাফল্যমণ্ডিত করতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে এসেছেন। দীর্ঘ প্রায় ৪৯ বছর ধরে চলে আসা নানা বিভেদ ও বৈষম্য দূর করে সকলকে অন্তরের নিবিড় বন্ধনে যুক্ত করতেই এই রাখিবন্ধন উৎসবের আয়োজন। সমাজের প্রতিটি মানুষের মধ্যে সৌভ্রাতৃত্বের বাতাবরণ গড়ে তুলতে এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদার করতে এই ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন। স্থানীয় মানুষ ও সমাজসেবীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি সম্প্রীতির এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।1
- ১০ হাজার কন্ঠে একত্রে বন্দেমাতরম্ গান | যাদবপুর Suvendu Adhikari . . . . #SuvenduAdhikari #cmwestbengal #WestBengalNews #kolkata1
- সরকারি বেসরকারি উদ্যোগে কৃষ্ণনগর শহরের বিভিন্ন প্রান্তে মহাসমারোহে পালিত হলো রাখি বন্ধন উৎসব।1
- নদীয়ার কৃষ্ণনগর শহরের রাস্তার বেহাল অবস্থা দোগাছি খেয়াঘাট পাড়া মোড় থেকে বৈকুন্ঠসড়ক হয়ে শক্তিনগর গার্লস স্কুলের মোড় হয়ে শক্তিনগর মোড় যাওয়ার পথের বেহাল অবস্থা প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে বহু সংখ্যক মানুষ যাতায়াত করে এবং বলা ভালো বিশেষ করে বৈকুন্ঠ সড়ক এলাকায় রাস্তার পরিস্থিতি এতটাই করুন যে রীতিমতো পুরানো সেই দিনের কথা মনে পড়ে যায় এই বিষয়ে আমার মনে হয় বৈকুন্ঠ সড়ক এলাকার মেম্বার এর এবং দোগাছি পঞ্চায়েতের গম্ভীর ভাবে বিষয়টি পর্যালোচনা করা উচিত এবং দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা উচিত4
- AIDWA এর তরফ থেকে প্রশাসক দের কাছে ডেপুটেশন ; শহরের নিকাশি ব্যবস্থা, বিভিন্ন ভাতা, অন্নপূর্ণা ভান্ডার ইত্যাদি বিষয়ে। AIDWA এর তরফ থেকে প্রশাসক দের কাছে ডেপুটেশন ; শহরের নিকাশি ব্যবস্থা, বিভিন্ন ভাতা, অন্নপূর্ণা ভান্ডার ইত্যাদি বিষয়ে। সারা ভারত গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির সদস্যরা জমায়েত হয়েছিল পৌরসভার সামনে, আজ 27/08/26 তিনটে নাগাদ। এছাড়া তাদের দাবি ছিল পৌরসভার জল সরবরাহ, কর্মচারীদের পেনশন ইত্যাদি বিষয়ে। রইল সেই সময়ের ভিডিও, সঙ্গে সংগঠনের প্রশাসক শম্পা সান্যাল এর বক্তব্য। লেখনী, ভিডিওগ্রাফি ও এডিটিং: অনুপম সরকার চক্রবর্তী। (অনলাইনে বিজ্ঞাপন দেবার জন্য, অথবা কোন সংবাদ প্রকাশের জন্য: হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে মেসেজ করুন: +91-9832254656)1
- বলাগড় থানার গুপ্তিপাড়া আউটপোস্ট এর রক্ষকদের উদ্যোগে রক্ষাবন্ধন ২৪ ঘন্টা প্রতিদিন যারা আমাদের রক্ষা করেন যাদের জন্য আমরা চোর ডাকাতদের হাত থেকে রক্ষা পাই শান্তিতে ঘুমাতে পারি রাতে নিশ্চিন্তে থাকি সারাদিন সেই রক্ষক বা পুলিশ কর্মী দের উদ্যোগে গুপ্তিপাড়ার বিভিন্ন এলাকায় রক্ষাবন্ধন কর্মসূচী উদযাপন করা হলো আজকে সারাদিন সংবাদ ঝলক আমাদের ক্যামেরায় সবার প্রথমেই দেখে নিন1
- কলকাতায় রাখি বন্ধন উৎসবে যোগ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পবিত্র রাখি বন্ধন উৎসবের শুভেচ্ছা কলকাতায় রাখি বন্ধন উৎসবে যোগ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কলকাতা: আজ কলকাতায় পবিত্র রাখি বন্ধন উৎসব অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন তিনি কলকাতার মা-বোনেদের কাছ থেকে রাখি পরেন এবং রাজ্যবাসীকে রাখি বন্ধনের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। পথ চলতি মানুষ, ছোট ছোট বোনেদের হাতে নিজে হাতে রাখি পরিয়ে মিষ্টি মুখ করান তিনি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব ও কর্মী-সমর্থকরা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "এই রাখির বন্ধনই বাংলার সুরক্ষা কবচ। মা-বোনেদের সম্মান রক্ষাই আমাদের সরকারের প্রথম লক্ষ্য।" গোটা অনুষ্ঠান জুড়ে ছিল উৎসবের আমেজ। পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী সম্মানীয় শুভেন্দু অধিকারী মহাশয়ের পক্ষ থেকে রাজ্যের সকল মা-বোনেদের জানাই রাখি বন্ধনের আন্তরিক প্রীতি, শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ভাই-বোনের এই পবিত্র বন্ধন অটুট থাকুক। বাংলার সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির এই উৎসবে সকলে একসূত্রে বাঁধা পড় #RakshaBandhan #SuvenduAdhikari #Bansberia2
- সাইকেলে চেপেই দিঘার পথে নবদ্বীপের দুই নাবালক, পুলিশের তৎপরতায় নিখোঁজ হওয়ার আগেই ফিরল বাড়ি। সাইকেলে চেপেই দিঘার পথে নবদ্বীপের দুই নাবালক, ফুলিয়া ফারির পুলিশের তৎপরতায় নিখোঁজ হওয়ার আগেই ফিরল বাড়ি। বাড়িতে না জানিয়েই সাইকেলেই দিঘা যাওয়ার পরিকল্পনা। সেই পরিকল্পনা থেকেই দুই বন্ধু সাইকেল নিয়ে রওনা দেয় দূরপথের উদ্দেশে। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছনোর আগেই ফুলিয়ায় পুলিশের নজরে পড়ে যায় তারা। সময়মতো পুলিশের হস্তক্ষেপে নিখোঁজ হওয়ার আগেই পরিবারের কাছে ফিরে গেল নবদ্বীপের দুই কিশোর। জানা গিয়েছে, নবদ্বীপ ভালুকা বটতলা এলাকার তিন পরিবারের তিন বন্ধু স্কুল ছুটির মধ্যে বাড়িতে কিছু না জানিয়েই বেরিয়ে পড়েছিল। দু’টি সাইকেলে তিনজন দিঘার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। কিছুটা যাওয়ার পর একজন ফিরে গেলেও বাকি দুই কিশোর সাইকেল চালিয়ে এগিয়ে যায়। প্রায় ১৫ কিলোমিটার জাতীয় সড়ক ধরে যাওয়ার পর ফুলিয়ার প্রফুল্লনগর এলাকায় তাদের দেখা যায়। খিদে পাওয়ায় স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছে টাকা চাইছিল দুই কিশোর। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় ওই ব্যক্তি সিভিক ভলান্টিয়ারকে খবর দেন। খবর পেয়ে ফুলিয়া পুলিশ ক্যাম্পের কর্মীরা সেখানে পৌঁছে তাদের সঙ্গে কথা বলেন। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে দুই কিশোর বাড়ির ফোন নম্বরও বলতে পারেনি। এরপর তাদের ফুলিয়া পুলিশ ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে খাবারের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি পরিচয় জানার চেষ্টা করেন পুলিশকর্মীরা। শেষ পর্যন্ত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয় পুলিশ। এদিকে দুই কিশোর বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। পুলিশের কাছ থেকে খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন ফুলিয়া ক্যাম্পে পৌঁছে দুই কিশোরকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি ফিরে যান। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া দুই কিশোরের বয়স ১২ ও ১৪ বছর। ফুলিয়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ সঞ্জয় চট্টোপাধ্যায় এবং তন্ময় মণ্ডলের উদ্যোগে তাদের উদ্ধার করা হয়। নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করার আগেই সন্তানদের ফিরে পেয়ে পুলিশের তৎপরতার প্রশংসা করেছেন পরিবারের সদস্যরা।1