কলকাতা ইকোপার্কে সাংবাদিকদের মুখোমুখি পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ দিলীপ ঘোষ। ১)বিজেপি যেমন পুরভোটের মিটিং করছে, তেমনি বিরোধী শিবিরও মিটিং করছে। কিন্তু সকলেই বলছে আলাদা প্রার্থী দেবে। বিজেপির কি সুবিধা হবে? #যদি আলাদাাই প্রার্থী দেবে তাহলে মিটিং করে কি লাভ? বিজেপির সুবিধার ব্যাপার নেই। ওরা তো লড়েছিল একসঙ্গে! বিজেপি জিতেছে বিধানসভা নির্বাচনে। তো কর্পোরেশন এবং মিউনিসিপালিটি ইলেকশনেও সেম রেজাল্ট হবে। কারণ জনতা দেখেছে এদের দায়িত্ব দিয়ে লুটপাট ছাড়া কিছুই করেনি। লোকে উন্নয়ন চাইছে। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি চাইছে। আর সেটা বিজেপি দিতে পারে। ২)তৃণমূল নেত্রীর ছেলে, তৃণমূল নেতার ভাই বউ! এরকম অনেকেই নাকি প্রার্থী হতে চলেছে বিজেপির! #দেখুন অনেক কিছু রটনা চলে। ঘটনা কি সেটা তো হওয়ার পরে বোঝা যাবে। ভারতীয় জনতা পার্টির কাছে লোকের এত অভাব নেই.... যে সব বাইরে থেকে নিয়ে আসতে হবে। একসময় দরকার ছিল আমরা নিয়েছি। এখন আমাদের কার্যকর্তারা বহু বছর কাজ করছেন। তাদের অভিজ্ঞতা হয়েছে। তাদের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি জনতা পছন্দ করে। সেদিকে আমরা নজর রাখবো। ৩)আজ শিলিগুড়িতে অশোক ভট্টাচার্যের মিছিল; বই এর উপর আক্রমণের প্রতিবাদে! #কমিউনিস্টদের সাহিত্য পাগল ছাড়া কেউ পড়ে না। আর পাগলে পড়াশোনা করে না আমরা জানি। এসব কন্ট্রোভার্সি করে মিডিয়ায় থাকার চেষ্টা করবেন না, লোক আপনাদের যে পুরস্কার দিয়েছে, সেটা নিয়ে থাকুন। এখন ছটপট করে কি উনি ভাবছেন, যে টিএমসি নেই কেউ নেই ফাঁক গলে কিছু করব? কোনো চান্স নেই। আপনাদের সুযোগ অনেক আগেই চলে গেছে। 15 বছর আগে আপনার কথা লোকে ভুলে গেছে। গতবারে জিরো ছিল ,এবারে বিধানসভায় বহুনি করেছে। তো সেটাই মাথায় রাখুন যেন বিজেপি কি করেছে না করেছে। আমরাও 100 বছর তপস্যা করেছি, এখানে দেখেছে লোকেরা। তারপর লোকে আমাদের গ্রহণ করেছে আর আমরা এখন পরিক্ষা দিচ্ছি, আগামী দিনেও পরীক্ষা দেব। ৪)কলকাতায় আজ সিজেপির মিছিল। #দেখুন মানে যখন দিল্লিতে চলছিল এইসব; তখন কলকাতায় প্রস্তুতি চলছিল। বহু টাকা এসেছে। কার হাত দিয়ে টাকা এসেছে সব জানে, সরকারের কাছে খবরও আছে। বেশি বাড়াবাড়ি করলে তার রাস্তা খোলা আছে। জেলের দিকে যাওয়ার। তো সেজন্য উৎপাত করে কেউ কিছু করতে পারবে না। আমি জানি যখন আপ পার্টি তৈরি হলো সারা বাংলায় অন্যান্য রাজ্যেও খুব উৎপাত হয়েছিল। কিছু লোক থাকে সুযোগ সন্ধানে ঝাঁপিয়ে পড়ে। কারণ টাকা পয়সা প্রচুর পায়। তাতে কিছু হয়নি। তারা তলিয়ে গেছে। এরাও যেটা করতে চাইছে এখানকার মানুষ কিছুতেই এটা সহ্য করবে না। এই ধরনের উৎপাত সরকারও সহ্য করবে না। ৫)পুরভোট আসছে বলেই কি সিজেপির তৎপরতা কলকাতায়! #পুর ভোটে এইসব করে কোন লাভ হয় না। একটা ভ্যাকেন্সি তৈরি হয়েছে রাজনীতির। সেটাকে নেওয়ার চেষ্টা করছে সবাই। সে কমিউনিস্ট হোক বা ওরা(সিজেপি) হোক। দরকার হলে সবাই একসঙ্গে মিলে যাবে, যেটা দিল্লিতে হয়েছে। কিন্তু মানুষ সবার চরিত্র জানে। তারা পরীক্ষা না করে কাজের সুযোগ দেবেন না। ৬)দিল্লি কুনাাল ঘোষের বক্তব্য হচ্ছে, দিল্লি ইন্ডিজোটের পর কলকাতাতেও পুরভোট জোট। দেশে জোট আছে কলকাতা পুরসভায়ও থাকতে পারে। #কুনাাল ঘোষ কার স্পোকসম্যান? টিএমসির তো স্পোকসম্যান নেই, উনার পেছনে পার্টিই নেই কয়জন প্রতিনিধি আছেন! কয়জন এমপি, এমএলএ আছেন? উনি বড় বড় কথা বললে কে শুনবে? উনি তো ঠিকা নিয়ে বসে আছেন, রাজীব গান্ধীরও স্পোকসম্যান হয়ে গেছেন, রাহুল গান্ধীরও! এটা হয় না । তো সেজন্য উনি বলছেন বলুন। উনার অভ্যাস আছে রোজ সকালবেলা কিছু বলা, বলুন। আপনাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। পশ্চিম বাংলার রাজনীতিতে এর কোন গুরুত্ব নেই। ৭)মদন, শিউলির পর আর কে? মমতা কি দরজা খুলবেন? #জনতার হাতে ছেড়ে দিন। ওদের হাতে ছেড়ে দিন। দিল্লিতে এমপিরা ঠিক করতে পারছেন না কোন দলে যাবেন ? এখানকার এমএলএ রাও তাই হয়েছে। একটা বিচার ধারাহীন আদর্শহীন দল কেবল সুযোগ সন্ধানীদের দল, বেশি দিন চলে না। ডাকাত দলের মত চলছে। ডামাডোল এদিক ওদিক করে। এর কোন অস্তিত্ব নাই! কোন ভবিষ্যৎ নাই। ৮)রাতে ফেসবুক লাইভে মদনের ভোল বদল। #কোন সময় বলেছেন ! সেটাও তো একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার ! উনি কখন কি বলেন, সে অনুযায়ী লোকে হিসাব কিতাব করে। সময়টা গুরুত্বপূর্ণ ! কি বলছেন সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, প্রশ্ন সেটা হচ্ছে। ৯)এসআরএফটিআইতে দেখা যাচ্ছে শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ বন্ধ করা হয়েছে। খাবার দাওয়ার সরবরাহ করা হচ্ছে না। ওয়াইফাই বন্ধ করা হয়েছে।। #যারা ওখানে আন্দোলন নামে উৎপাত করেছে, ওখানকার যারা প্রফেসর আছেন বা পরিচালক আছেন তাদের সঙ্গে যে ব্যবহার করেছে তার জন্য ওখানকার যারা আছেন কর্তৃপক্ষ তারা সেটার ব্যবস্থা নেবেন। তারা চিন্তাভাবনা করছেন তাদের হাতে পরিচালনার দায়িত্ব আছে। ব্যাপারটা তাদের হাতেই ছাড়ুন। ১০)চোর বাগানে বিসর্জনের প্রস্তুতি। আরো একজন গ্রেপ্তার। #ইনকয়ারি যখন শুরু হয়ে গেছে চোরবাগান নিয়ে সরকার পুরো গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টা বিচার করছে। তো ইনকয়ারি রেজাল্ট কি আছে দেখা উচিত। আর পুজোর বিসর্জনের জন্য মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী যে সময় দিয়ে দিয়েছেন তার মধ্যে সবাইকে করতে হবে।
কলকাতা ইকোপার্কে সাংবাদিকদের মুখোমুখি পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ দিলীপ ঘোষ। ১)বিজেপি যেমন পুরভোটের মিটিং করছে, তেমনি বিরোধী শিবিরও মিটিং করছে। কিন্তু সকলেই বলছে আলাদা প্রার্থী দেবে। বিজেপির কি সুবিধা হবে? #যদি আলাদাাই প্রার্থী দেবে তাহলে মিটিং করে কি লাভ? বিজেপির সুবিধার ব্যাপার নেই। ওরা তো লড়েছিল একসঙ্গে! বিজেপি জিতেছে বিধানসভা নির্বাচনে। তো কর্পোরেশন এবং মিউনিসিপালিটি ইলেকশনেও সেম রেজাল্ট হবে। কারণ জনতা দেখেছে এদের দায়িত্ব দিয়ে লুটপাট ছাড়া কিছুই করেনি। লোকে উন্নয়ন চাইছে। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি চাইছে। আর সেটা বিজেপি দিতে পারে। ২)তৃণমূল নেত্রীর ছেলে, তৃণমূল নেতার ভাই বউ! এরকম অনেকেই নাকি প্রার্থী হতে চলেছে বিজেপির! #দেখুন অনেক কিছু রটনা চলে। ঘটনা কি সেটা তো হওয়ার পরে বোঝা যাবে। ভারতীয় জনতা পার্টির কাছে লোকের এত অভাব নেই.... যে সব বাইরে থেকে নিয়ে আসতে হবে। একসময় দরকার ছিল আমরা নিয়েছি। এখন আমাদের কার্যকর্তারা বহু বছর কাজ করছেন। তাদের অভিজ্ঞতা হয়েছে। তাদের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি জনতা পছন্দ করে। সেদিকে আমরা নজর রাখবো। ৩)আজ শিলিগুড়িতে অশোক ভট্টাচার্যের মিছিল; বই এর উপর আক্রমণের প্রতিবাদে! #কমিউনিস্টদের সাহিত্য পাগল ছাড়া কেউ পড়ে না। আর পাগলে পড়াশোনা করে না আমরা জানি। এসব কন্ট্রোভার্সি করে মিডিয়ায় থাকার চেষ্টা করবেন না, লোক আপনাদের যে পুরস্কার দিয়েছে, সেটা নিয়ে থাকুন। এখন ছটপট করে কি উনি ভাবছেন, যে টিএমসি নেই কেউ নেই ফাঁক গলে কিছু করব? কোনো চান্স নেই। আপনাদের সুযোগ অনেক আগেই চলে গেছে। 15 বছর আগে আপনার কথা লোকে ভুলে গেছে। গতবারে জিরো ছিল ,এবারে বিধানসভায় বহুনি করেছে। তো সেটাই মাথায় রাখুন যেন বিজেপি কি করেছে না করেছে। আমরাও 100 বছর তপস্যা করেছি, এখানে দেখেছে লোকেরা। তারপর লোকে আমাদের গ্রহণ করেছে আর আমরা এখন পরিক্ষা দিচ্ছি, আগামী দিনেও পরীক্ষা দেব। ৪)কলকাতায় আজ সিজেপির মিছিল। #দেখুন মানে যখন দিল্লিতে চলছিল এইসব; তখন কলকাতায় প্রস্তুতি চলছিল। বহু টাকা এসেছে। কার হাত দিয়ে টাকা এসেছে সব জানে, সরকারের কাছে খবরও আছে। বেশি বাড়াবাড়ি করলে তার রাস্তা খোলা আছে। জেলের দিকে যাওয়ার। তো সেজন্য উৎপাত করে কেউ কিছু করতে পারবে না। আমি জানি যখন আপ পার্টি তৈরি হলো সারা বাংলায় অন্যান্য রাজ্যেও খুব উৎপাত হয়েছিল। কিছু লোক থাকে সুযোগ সন্ধানে ঝাঁপিয়ে পড়ে। কারণ টাকা পয়সা প্রচুর পায়। তাতে কিছু হয়নি। তারা তলিয়ে গেছে। এরাও যেটা করতে চাইছে এখানকার মানুষ কিছুতেই এটা সহ্য করবে না। এই ধরনের উৎপাত সরকারও সহ্য করবে না। ৫)পুরভোট আসছে বলেই কি সিজেপির তৎপরতা কলকাতায়! #পুর ভোটে এইসব করে কোন লাভ হয় না। একটা ভ্যাকেন্সি তৈরি হয়েছে রাজনীতির। সেটাকে নেওয়ার চেষ্টা করছে সবাই। সে কমিউনিস্ট হোক বা ওরা(সিজেপি) হোক। দরকার হলে সবাই একসঙ্গে মিলে যাবে, যেটা দিল্লিতে হয়েছে। কিন্তু মানুষ সবার চরিত্র জানে। তারা পরীক্ষা না করে কাজের সুযোগ দেবেন না। ৬)দিল্লি কুনাাল ঘোষের বক্তব্য হচ্ছে, দিল্লি ইন্ডিজোটের পর কলকাতাতেও পুরভোট জোট। দেশে জোট আছে কলকাতা পুরসভায়ও থাকতে পারে। #কুনাাল ঘোষ কার স্পোকসম্যান? টিএমসির তো স্পোকসম্যান নেই, উনার পেছনে পার্টিই নেই কয়জন প্রতিনিধি আছেন! কয়জন এমপি, এমএলএ আছেন? উনি বড় বড় কথা বললে কে শুনবে? উনি তো ঠিকা নিয়ে বসে আছেন, রাজীব গান্ধীরও স্পোকসম্যান হয়ে গেছেন, রাহুল গান্ধীরও! এটা হয় না । তো সেজন্য উনি বলছেন বলুন। উনার অভ্যাস আছে রোজ সকালবেলা কিছু বলা, বলুন। আপনাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। পশ্চিম বাংলার রাজনীতিতে এর কোন গুরুত্ব নেই। ৭)মদন, শিউলির পর আর কে? মমতা কি দরজা খুলবেন? #জনতার হাতে ছেড়ে দিন। ওদের হাতে ছেড়ে দিন। দিল্লিতে এমপিরা ঠিক করতে পারছেন না কোন দলে যাবেন ? এখানকার এমএলএ রাও তাই হয়েছে। একটা বিচার ধারাহীন আদর্শহীন দল কেবল সুযোগ সন্ধানীদের দল, বেশি দিন চলে না। ডাকাত দলের মত চলছে। ডামাডোল এদিক ওদিক করে। এর কোন অস্তিত্ব নাই! কোন ভবিষ্যৎ নাই। ৮)রাতে ফেসবুক লাইভে মদনের ভোল বদল। #কোন সময় বলেছেন ! সেটাও তো একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার ! উনি কখন কি বলেন, সে অনুযায়ী লোকে হিসাব কিতাব করে। সময়টা গুরুত্বপূর্ণ ! কি বলছেন সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, প্রশ্ন সেটা হচ্ছে। ৯)এসআরএফটিআইতে দেখা যাচ্ছে শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ বন্ধ করা হয়েছে। খাবার দাওয়ার সরবরাহ করা হচ্ছে না। ওয়াইফাই বন্ধ করা হয়েছে।। #যারা ওখানে আন্দোলন নামে উৎপাত করেছে, ওখানকার যারা প্রফেসর আছেন বা পরিচালক আছেন তাদের সঙ্গে যে ব্যবহার করেছে তার জন্য ওখানকার যারা আছেন কর্তৃপক্ষ তারা সেটার ব্যবস্থা নেবেন। তারা চিন্তাভাবনা করছেন তাদের হাতে পরিচালনার দায়িত্ব আছে। ব্যাপারটা তাদের হাতেই ছাড়ুন। ১০)চোর বাগানে বিসর্জনের প্রস্তুতি। আরো একজন গ্রেপ্তার। #ইনকয়ারি যখন শুরু হয়ে গেছে চোরবাগান নিয়ে সরকার পুরো গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টা বিচার করছে। তো ইনকয়ারি রেজাল্ট কি আছে দেখা উচিত। আর পুজোর বিসর্জনের জন্য মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী যে সময় দিয়ে দিয়েছেন তার মধ্যে সবাইকে করতে হবে।
- রেল পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায় 13009 আপ দুন এক্সপ্রেসের সামনের দিকের জেনেরাল কোচের নিচে ব্রেক সু তে আগুন লাগে।রাত ন'টা নাগাদ রিষড়া স্টেশনের কাছে ট্রেন ঢোকার সময় জেনেরাল কোচের নিচে আগুন দেখা যায়।চালক রিষড়া স্টেশনে ট্রেন থামিয়ে দেয়।ধোঁয়ায় ভরে যায় স্টেশন চত্ত্বর।যাত্রীরা আতঙ্কে ট্রেন হুরমুরিয়ে নামতে থাকে।স্টেশন ও ট্রেনে থাকা অগ্নিনির্বাপন যন্ত্রের সাহায্যে আগুন নেভানো হয়।রিষড়া ফায়ার ব্রিগেডে খবর দেওয়া হয়, ঘটনাস্থলে আসে একটি ইঞ্জিন।যদিও তার আগেই আগুন নিভিয়ে ফেলে ট্রেনের কর্মিরা। প্রায় ৩০ মিনিট পরে ট্রেনটি রিষড়া স্টেশন ছেড়ে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।1
- কুশমন্ডি সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে কি সচেতনতা করলেন বিধায়ক তাপস চন্দ্র রায় বুঝতে জানতে ভিডিওটি অবশ্যই দেখে নিন1
- মণিপুর থেকে বীজ, ইউটিউব থেকে অনুপ্রেরণা—নতুন ধান চাষে চমক হবিবপুরে গত বছর কালো ধানের চাষ করে নজর কেড়েছিলেন, এবারও নতুন ধরনের ধান চাষ করে চর্চায় হবিবপুরের কৃষক রতন প্রামাণিক। বুলবুলচণ্ডী গ্রাম পঞ্চায়েতের সোলাডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা রতনবাবুর দাহারলাঙ্গি এলাকায় প্রায় পাঁচ বিঘা জমি রয়েছে। এবার সেই জমির ১০ কাঠায় কালো ধানের চাষ করেছেন তিনি। ইউটিউব দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে মণিপুর থেকে অর্ডার দিয়ে বীজ এনে এই চাষ শুরু করেন। রতনবাবুর দাবি, গত বছরের ধানের পাতা ও ধান দুটোই কালো ছিল। তবে এবারের ধানের ধরন কিছুটা আলাদা। এই ধানের পাতা ও চাল কালো হওয়ায় তিনি এটিকে ব্ল্যাক রাইস বলছেন। কৃষকের মতে, সাধারণ ধান চাষের মতোই খরচ হয়েছে, তবে ফলন বেশি এবং চালের গুণমানও ভালো। নতুন নতুন জাতের ধান চাষ করতে ভালোবাসেন তিনি। প্রচলিত চাষের পাশাপাশি নতুন কিছু করার এই আগ্রহই তাঁকে বারবার ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিতে উৎসাহিত করছে।1
- উন্নত প্রজাতির ধান চাষে আগ্রহী কৃষক ভাইয়ের সফলতা। এই উন্নত প্রজাতি ধানটি হলো সুগারফ্রি।1
- ২২ বছরের সমাজসেবার স্বীকৃতি! জাতিসংঘ দিবসে ‘রিয়েল-লাইফ হিরো অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন দক্ষিণ দিনাজপুরের সূরজ দাশ। #HiliNews #hilightseveryonefollowers #হিলিনিউজ #followerseveryonehighlights #হিলিনিউজবাংলা #highlightseveryone #বালুরঘাট #hilinewsbangla #হিলি #তিওড় #highlights1
- মালদার মানিকচকের মথুরাপুর ত্রিনয়নী ক্লাবের রাবণ বধ অনুষ্ঠান ঘিরে জমকালো আয়োজন।শুক্রবার সন্ধ্যায় মথুরাপুর ফুটবল ময়দানে আয়োজিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালদার জেলাশাসক রাজনবীর সিং কাপুর, জেলা পুলিশ সুপার অনুপম সিং সহ জেলা প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিকরা। ছিলেন উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মু, মানিকচকের বিধায়ক গৌড়চন্দ্র মন্ডল, মানিকচকের বিডিও অভিজিৎ চৌধুরী, জেলার অতিরিক্ত মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক হেম নারায়ণ ঝা, ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক অভিক শংকর কুমার সহ অন্যান্যরা। মূলত এই দিনের অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে বন্যায় অভাবনীয় কাজের জন্য সম্মাননা প্রদান করা হয় জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, বিধায়ক সহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল অতিথি বৃন্দকে। পরবর্তীতে বহিরাগত শিল্পী রাহুল দত্ত ও জ্যোতির্ময়ী কুন্ডুর উপস্থিতিতে আয়োজিত হয় সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলে গভীর রাত পর্যন্ত। পরবর্তীতে আকর্শনীয় আতশবাজির প্রদর্শনের মাধ্যমে রাবণ বধ করা হয়। যা দেখতে সাধারণ মানুষের ঢল নামে। সকলের চোখেমুখেই ব্যাপক উৎসাহ, উন্মাদনা নজরে আসে।1
- ভয়েস পাবলিক স্কুলের প্রবেশিকা,রাজ্যজুড়ে ব্যাপক সাড়া: 21টি ব্রাঞ্চের 63টি সেন্টারে পরীক্ষায় অংশ নিল প্রায় 6000 ছাত্রছাত্রী। শুধু মালদার লক্ষ্মীপুর ব্রাঞ্চে পরীক্ষায় বসল প্রায় 200 পরীক্ষার্থী, ফলাফল 2 নভেম্বর 2026। #Advertisement News ভয়েস পাবলিক স্কুলের প্রবেশিকা,রাজ্যজুড়ে ব্যাপক সাড়া: 21টি ব্রাঞ্চের 63টি সেন্টারে পরীক্ষায় অংশ নিল প্রায় 6000 ছাত্রছাত্রী। শুধু মালদার লক্ষ্মীপুর ব্রাঞ্চে পরীক্ষায় বসল প্রায় 200 পরীক্ষার্থী, ফলাফল 2 নভেম্বর 2026। #Advertisement News #সোনার বাংলা news tv #sonarbanglanewstv1
- কলকাতা ইকোপার্কে সাংবাদিকদের মুখোমুখি পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ দিলীপ ঘোষ। ১)বিজেপি যেমন পুরভোটের মিটিং করছে, তেমনি বিরোধী শিবিরও মিটিং করছে। কিন্তু সকলেই বলছে আলাদা প্রার্থী দেবে। বিজেপির কি সুবিধা হবে? #যদি আলাদাাই প্রার্থী দেবে তাহলে মিটিং করে কি লাভ? বিজেপির সুবিধার ব্যাপার নেই। ওরা তো লড়েছিল একসঙ্গে! বিজেপি জিতেছে বিধানসভা নির্বাচনে। তো কর্পোরেশন এবং মিউনিসিপালিটি ইলেকশনেও সেম রেজাল্ট হবে। কারণ জনতা দেখেছে এদের দায়িত্ব দিয়ে লুটপাট ছাড়া কিছুই করেনি। লোকে উন্নয়ন চাইছে। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি চাইছে। আর সেটা বিজেপি দিতে পারে। ২)তৃণমূল নেত্রীর ছেলে, তৃণমূল নেতার ভাই বউ! এরকম অনেকেই নাকি প্রার্থী হতে চলেছে বিজেপির! #দেখুন অনেক কিছু রটনা চলে। ঘটনা কি সেটা তো হওয়ার পরে বোঝা যাবে। ভারতীয় জনতা পার্টির কাছে লোকের এত অভাব নেই.... যে সব বাইরে থেকে নিয়ে আসতে হবে। একসময় দরকার ছিল আমরা নিয়েছি। এখন আমাদের কার্যকর্তারা বহু বছর কাজ করছেন। তাদের অভিজ্ঞতা হয়েছে। তাদের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি জনতা পছন্দ করে। সেদিকে আমরা নজর রাখবো। ৩)আজ শিলিগুড়িতে অশোক ভট্টাচার্যের মিছিল; বই এর উপর আক্রমণের প্রতিবাদে! #কমিউনিস্টদের সাহিত্য পাগল ছাড়া কেউ পড়ে না। আর পাগলে পড়াশোনা করে না আমরা জানি। এসব কন্ট্রোভার্সি করে মিডিয়ায় থাকার চেষ্টা করবেন না, লোক আপনাদের যে পুরস্কার দিয়েছে, সেটা নিয়ে থাকুন। এখন ছটপট করে কি উনি ভাবছেন, যে টিএমসি নেই কেউ নেই ফাঁক গলে কিছু করব? কোনো চান্স নেই। আপনাদের সুযোগ অনেক আগেই চলে গেছে। 15 বছর আগে আপনার কথা লোকে ভুলে গেছে। গতবারে জিরো ছিল ,এবারে বিধানসভায় বহুনি করেছে। তো সেটাই মাথায় রাখুন যেন বিজেপি কি করেছে না করেছে। আমরাও 100 বছর তপস্যা করেছি, এখানে দেখেছে লোকেরা। তারপর লোকে আমাদের গ্রহণ করেছে আর আমরা এখন পরিক্ষা দিচ্ছি, আগামী দিনেও পরীক্ষা দেব। ৪)কলকাতায় আজ সিজেপির মিছিল। #দেখুন মানে যখন দিল্লিতে চলছিল এইসব; তখন কলকাতায় প্রস্তুতি চলছিল। বহু টাকা এসেছে। কার হাত দিয়ে টাকা এসেছে সব জানে, সরকারের কাছে খবরও আছে। বেশি বাড়াবাড়ি করলে তার রাস্তা খোলা আছে। জেলের দিকে যাওয়ার। তো সেজন্য উৎপাত করে কেউ কিছু করতে পারবে না। আমি জানি যখন আপ পার্টি তৈরি হলো সারা বাংলায় অন্যান্য রাজ্যেও খুব উৎপাত হয়েছিল। কিছু লোক থাকে সুযোগ সন্ধানে ঝাঁপিয়ে পড়ে। কারণ টাকা পয়সা প্রচুর পায়। তাতে কিছু হয়নি। তারা তলিয়ে গেছে। এরাও যেটা করতে চাইছে এখানকার মানুষ কিছুতেই এটা সহ্য করবে না। এই ধরনের উৎপাত সরকারও সহ্য করবে না। ৫)পুরভোট আসছে বলেই কি সিজেপির তৎপরতা কলকাতায়! #পুর ভোটে এইসব করে কোন লাভ হয় না। একটা ভ্যাকেন্সি তৈরি হয়েছে রাজনীতির। সেটাকে নেওয়ার চেষ্টা করছে সবাই। সে কমিউনিস্ট হোক বা ওরা(সিজেপি) হোক। দরকার হলে সবাই একসঙ্গে মিলে যাবে, যেটা দিল্লিতে হয়েছে। কিন্তু মানুষ সবার চরিত্র জানে। তারা পরীক্ষা না করে কাজের সুযোগ দেবেন না। ৬)দিল্লি কুনাাল ঘোষের বক্তব্য হচ্ছে, দিল্লি ইন্ডিজোটের পর কলকাতাতেও পুরভোট জোট। দেশে জোট আছে কলকাতা পুরসভায়ও থাকতে পারে। #কুনাাল ঘোষ কার স্পোকসম্যান? টিএমসির তো স্পোকসম্যান নেই, উনার পেছনে পার্টিই নেই কয়জন প্রতিনিধি আছেন! কয়জন এমপি, এমএলএ আছেন? উনি বড় বড় কথা বললে কে শুনবে? উনি তো ঠিকা নিয়ে বসে আছেন, রাজীব গান্ধীরও স্পোকসম্যান হয়ে গেছেন, রাহুল গান্ধীরও! এটা হয় না । তো সেজন্য উনি বলছেন বলুন। উনার অভ্যাস আছে রোজ সকালবেলা কিছু বলা, বলুন। আপনাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। পশ্চিম বাংলার রাজনীতিতে এর কোন গুরুত্ব নেই। ৭)মদন, শিউলির পর আর কে? মমতা কি দরজা খুলবেন? #জনতার হাতে ছেড়ে দিন। ওদের হাতে ছেড়ে দিন। দিল্লিতে এমপিরা ঠিক করতে পারছেন না কোন দলে যাবেন ? এখানকার এমএলএ রাও তাই হয়েছে। একটা বিচার ধারাহীন আদর্শহীন দল কেবল সুযোগ সন্ধানীদের দল, বেশি দিন চলে না। ডাকাত দলের মত চলছে। ডামাডোল এদিক ওদিক করে। এর কোন অস্তিত্ব নাই! কোন ভবিষ্যৎ নাই। ৮)রাতে ফেসবুক লাইভে মদনের ভোল বদল। #কোন সময় বলেছেন ! সেটাও তো একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার ! উনি কখন কি বলেন, সে অনুযায়ী লোকে হিসাব কিতাব করে। সময়টা গুরুত্বপূর্ণ ! কি বলছেন সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, প্রশ্ন সেটা হচ্ছে। ৯)এসআরএফটিআইতে দেখা যাচ্ছে শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ বন্ধ করা হয়েছে। খাবার দাওয়ার সরবরাহ করা হচ্ছে না। ওয়াইফাই বন্ধ করা হয়েছে।। #যারা ওখানে আন্দোলন নামে উৎপাত করেছে, ওখানকার যারা প্রফেসর আছেন বা পরিচালক আছেন তাদের সঙ্গে যে ব্যবহার করেছে তার জন্য ওখানকার যারা আছেন কর্তৃপক্ষ তারা সেটার ব্যবস্থা নেবেন। তারা চিন্তাভাবনা করছেন তাদের হাতে পরিচালনার দায়িত্ব আছে। ব্যাপারটা তাদের হাতেই ছাড়ুন। ১০)চোর বাগানে বিসর্জনের প্রস্তুতি। আরো একজন গ্রেপ্তার। #ইনকয়ারি যখন শুরু হয়ে গেছে চোরবাগান নিয়ে সরকার পুরো গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টা বিচার করছে। তো ইনকয়ারি রেজাল্ট কি আছে দেখা উচিত। আর পুজোর বিসর্জনের জন্য মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী যে সময় দিয়ে দিয়েছেন তার মধ্যে সবাইকে করতে হবে।1