দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত রসুলপুর এবং মালা খান পাড়ায় স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) কর্মীদের বিরুদ্ধে গুরুতর চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী সম্মানিত সংবাদ চ্যানেলগুলোর কাছে এই বিষয়ে একটি জরুরি তদন্তের আবেদন জানিয়েছেন, কারণ এই চাঁদাবাজি স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবন, ব্যবসা এবং মানসিক শান্তিকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করছে। বেলসিংহা-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের এই এলাকায়, টিএমসি দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা দাবি করে কিছু স্থানীয় কর্মী ও নেতা পরিকল্পিতভাবে অবৈধ ঘুষ এবং 'অনুদান' আদায় করছে বলে জানানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, টিএমসির কুখ্যাত নেতা রিয়াজুল খান (লাল্টু) এবং তার সহযোগী সাঙ্গপাঙ্গরা সমগ্র গ্রামবাসীকে লক্ষ্য করে এই অপরাধ সংঘটিত করছে। তারা ভারত সরকারের আবাসন প্রকল্পের অধীনে দরিদ্র গ্রামবাসীদের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ জোরপূর্বক আদায় করত। এছাড়াও, তারা ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের বাড়িঘর ভাঙচুর করার হুমকি দিত। এমনকি একবার, লাল্টু মদ্যপ অবস্থায় এক বিজেপি কর্মী রাজু খাঁ-এর ছেলে আকরাম খাঁ-কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করেন, যদিও ঈশ্বরের কৃপায় ভুক্তভোগী অসহ্য যন্ত্রণা সহ্য করার পর বেঁচে যান। যারা এই টাকা দিতে অস্বীকার করত, তাদের মৌখিক গালিগালাজ, শারীরিক হুমকি, নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেওয়া বা মানসিক হয়রানির শিকার হতে হতো। অভিযোগ করা হয়েছে, সরকার পরিবর্তনের পরেও অভিযুক্তরা নির্ভয়ে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে। লাল্টু এই চাঁদাবাজির টাকায় একটি বিলাসবহুল বাড়ি ও একটি গাড়ি কিনেছেন, কিন্তু দরিদ্র গ্রামবাসীরা কোনো ন্যায়বিচার পায়নি, কারণ বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া হচ্ছে। এই ধরনের কার্যকলাপের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের প্রকাশ্য অবস্থান থাকা সত্ত্বেও, স্থানীয় সিন্ডিকেটগুলো আগেও শাস্তি ছাড়াই তাদের কার্যক্রম চালিয়ে গেছে। অভিযোগকারী উল্লেখ করেছেন যে, অন্যান্য জায়গার মতো সরকার পরিবর্তনের পর এখানকার পরিস্থিতি উন্নত হয়নি, যার ফলে সাধারণ মানুষ অসহায় বোধ করছেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতে গড়িমসি করছে অভিযোগ করে, ন্যায়বিচারের আশায় সংবাদমাধ্যমের দ্বারস্থ হয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এই আবেদন ফলতা ১৪৪ নম্বর বিধানসভা কেন্দ্রের ১৯৬ নম্বর বুথের কথা উল্লেখ করে ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছে।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত রসুলপুর এবং মালা খান পাড়ায় স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) কর্মীদের বিরুদ্ধে গুরুতর চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী সম্মানিত সংবাদ চ্যানেলগুলোর কাছে এই বিষয়ে একটি জরুরি তদন্তের আবেদন জানিয়েছেন, কারণ এই চাঁদাবাজি স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবন, ব্যবসা এবং মানসিক শান্তিকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করছে। বেলসিংহা-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের এই এলাকায়, টিএমসি দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা দাবি করে কিছু স্থানীয় কর্মী ও নেতা পরিকল্পিতভাবে অবৈধ ঘুষ এবং 'অনুদান' আদায় করছে বলে জানানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, টিএমসির কুখ্যাত নেতা রিয়াজুল খান (লাল্টু) এবং তার সহযোগী সাঙ্গপাঙ্গরা সমগ্র গ্রামবাসীকে লক্ষ্য করে এই অপরাধ সংঘটিত করছে। তারা ভারত সরকারের আবাসন প্রকল্পের অধীনে দরিদ্র গ্রামবাসীদের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ জোরপূর্বক আদায় করত। এছাড়াও, তারা ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের বাড়িঘর ভাঙচুর করার হুমকি দিত। এমনকি একবার, লাল্টু মদ্যপ অবস্থায় এক বিজেপি কর্মী রাজু খাঁ-এর ছেলে আকরাম খাঁ-কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করেন, যদিও ঈশ্বরের কৃপায় ভুক্তভোগী অসহ্য যন্ত্রণা সহ্য করার পর বেঁচে যান। যারা এই টাকা দিতে অস্বীকার করত, তাদের মৌখিক গালিগালাজ, শারীরিক হুমকি, নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেওয়া বা মানসিক হয়রানির শিকার হতে হতো। অভিযোগ করা হয়েছে, সরকার পরিবর্তনের পরেও অভিযুক্তরা নির্ভয়ে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে। লাল্টু এই চাঁদাবাজির টাকায় একটি বিলাসবহুল বাড়ি ও একটি গাড়ি কিনেছেন, কিন্তু দরিদ্র গ্রামবাসীরা কোনো ন্যায়বিচার পায়নি, কারণ বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া হচ্ছে। এই ধরনের কার্যকলাপের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের প্রকাশ্য অবস্থান থাকা সত্ত্বেও, স্থানীয় সিন্ডিকেটগুলো আগেও শাস্তি ছাড়াই তাদের কার্যক্রম চালিয়ে গেছে। অভিযোগকারী উল্লেখ করেছেন যে, অন্যান্য জায়গার মতো সরকার পরিবর্তনের পর এখানকার পরিস্থিতি উন্নত হয়নি, যার ফলে সাধারণ মানুষ অসহায় বোধ করছেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতে গড়িমসি করছে অভিযোগ করে, ন্যায়বিচারের আশায় সংবাদমাধ্যমের দ্বারস্থ হয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এই আবেদন ফলতা ১৪৪ নম্বর বিধানসভা কেন্দ্রের ১৯৬ নম্বর বুথের কথা উল্লেখ করে ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছে।
- দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত রসুলপুর এবং মালা খান পাড়ায় স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) কর্মীদের বিরুদ্ধে গুরুতর চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী সম্মানিত সংবাদ চ্যানেলগুলোর কাছে এই বিষয়ে একটি জরুরি তদন্তের আবেদন জানিয়েছেন, কারণ এই চাঁদাবাজি স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবন, ব্যবসা এবং মানসিক শান্তিকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করছে। বেলসিংহা-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের এই এলাকায়, টিএমসি দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা দাবি করে কিছু স্থানীয় কর্মী ও নেতা পরিকল্পিতভাবে অবৈধ ঘুষ এবং 'অনুদান' আদায় করছে বলে জানানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, টিএমসির কুখ্যাত নেতা রিয়াজুল খান (লাল্টু) এবং তার সহযোগী সাঙ্গপাঙ্গরা সমগ্র গ্রামবাসীকে লক্ষ্য করে এই অপরাধ সংঘটিত করছে। তারা ভারত সরকারের আবাসন প্রকল্পের অধীনে দরিদ্র গ্রামবাসীদের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ জোরপূর্বক আদায় করত। এছাড়াও, তারা ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের বাড়িঘর ভাঙচুর করার হুমকি দিত। এমনকি একবার, লাল্টু মদ্যপ অবস্থায় এক বিজেপি কর্মী রাজু খাঁ-এর ছেলে আকরাম খাঁ-কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করেন, যদিও ঈশ্বরের কৃপায় ভুক্তভোগী অসহ্য যন্ত্রণা সহ্য করার পর বেঁচে যান। যারা এই টাকা দিতে অস্বীকার করত, তাদের মৌখিক গালিগালাজ, শারীরিক হুমকি, নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেওয়া বা মানসিক হয়রানির শিকার হতে হতো। অভিযোগ করা হয়েছে, সরকার পরিবর্তনের পরেও অভিযুক্তরা নির্ভয়ে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে। লাল্টু এই চাঁদাবাজির টাকায় একটি বিলাসবহুল বাড়ি ও একটি গাড়ি কিনেছেন, কিন্তু দরিদ্র গ্রামবাসীরা কোনো ন্যায়বিচার পায়নি, কারণ বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া হচ্ছে। এই ধরনের কার্যকলাপের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের প্রকাশ্য অবস্থান থাকা সত্ত্বেও, স্থানীয় সিন্ডিকেটগুলো আগেও শাস্তি ছাড়াই তাদের কার্যক্রম চালিয়ে গেছে। অভিযোগকারী উল্লেখ করেছেন যে, অন্যান্য জায়গার মতো সরকার পরিবর্তনের পর এখানকার পরিস্থিতি উন্নত হয়নি, যার ফলে সাধারণ মানুষ অসহায় বোধ করছেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতে গড়িমসি করছে অভিযোগ করে, ন্যায়বিচারের আশায় সংবাদমাধ্যমের দ্বারস্থ হয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এই আবেদন ফলতা ১৪৪ নম্বর বিধানসভা কেন্দ্রের ১৯৬ নম্বর বুথের কথা উল্লেখ করে ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছে।1
- দেবতার নামে সকলে একসাথে ভোট দেওয়ার জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে। 'জয় জয় দেবতার জয় জয়' স্লোগানে মুখরিত হয়ে, বিজিবির জয়গ্রামের সমস্ত মানুষকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার এবং 'জয় দেবতার জয়' ধ্বনি দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করা হয়েছে। দৃঢ়তার সাথে বলা হয়েছে যে ভোট দিতে কোনো ভয় পাওয়ার কারণ নেই, কারণ 'ভোট হয়েছে ভয় কিসের'।1
- ‘মোদী ভক্ত’ হিসেবে পরিচিত মাসুম আক্তার একটি বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। তাঁর এই মন্তব্যে বলা হয়েছে যে, “হিন্দু সনাতনীরা একটু ভীতু টাইপের, সাহস মোল্লাদের আছে”।1
- শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কুণাল ঘোষের উপর ডিম নিক্ষেপের ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি সুস্পষ্টভাবে মন্তব্য করেছেন যে, রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও এ ধরনের সংস্কৃতিকে কোনোভাবেই সমর্থন করা উচিত নয়। বিজেপি কর্মীদের সরাসরি উদ্দেশ্য করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, "ডিম ছোড়া, এসব সংস্কৃতি চালাবেন না।" তার বক্তব্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক প্রতিবাদ সর্বদা গণতান্ত্রিক উপায়ে হওয়া উচিত, যা ব্যক্তিগত আক্রমণ বা অপমানের পথ পরিহার করে।1
- সোমবার দুপুরে রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী হরেকৃষ্ণ বেরা হলদিয়ায় জনকল্যাণ ক্যাম্প পরিদর্শনে আসেন। তিনি হলদিয়া বিধানসভার মোট তিনটি ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। এই পরিদর্শনে তাঁর সঙ্গে ছিলেন হলদিয়ার মহকুমাশাসক সুরভি সিংলা এবং বিধায়ক প্রদীপ কুমার বিজলী।1
- 😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂😂 maja a Gaya Jara dekh Lo1
- ফলতার 'বেতাজ বাদশা' হিসাবে পরিচিত জাহাঙ্গীর খান সম্প্রতি ফলতা বাসীর কাছে কান ধরে এবং হাতজোড় করে ক্ষমা চেয়েছেন। তার এই ক্ষমা চাওয়ার ভিডিওটি বর্তমানে ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।1
- তৃণমূল কংগ্রেসের ২০ জন সাংসদের জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি)-তে যোগদানের খবর ছড়িয়েছে। তবে, এই বিষয়ে এনসিপি-র ‘আসল নেতা’ শান্তনু দে সম্পূর্ণ অনভিজ্ঞ বলে জানা গেছে। এই পরিস্থিতিকে ঘিরে তিনি মন্তব্য করেছেন, ‘যেন সার্কাস চলছে!’, যা এই রাজনৈতিক ঘটনার উপর তীব্র ব্যঙ্গাত্মক প্রতিক্রিয়া।1