ঘাটালের এই মানুষগুলোর পানীয়জলের সম্বল সেচের জল! দেশ রাজ্যে উন্নয়নের জোয়ার। তারই মাঝে ঘাটালের এই গ্রামে নেই পানীয় জল। স্বাভাবিকভাবেই তীব্র ক্ষভে গ্রামের মানুষজন। মাঠ থেকে কৃষিকাজে ব্যবহৃত সেচের জল এনে খেতে হচ্ছে গ্রামের মানুষজনকে। ঘটনায় শাসকদলের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভে ফুঁসছে, শুরু হয়েছে রাজনৈতিক দড়ি টানাটানি। তবে পানীয় জলের ব্যবস্থা করতে এখনো কেউ আগিয়ে আসেনি। ঘাটাল মহকুমা চন্দ্রকোনা দু'নম্বর ব্লকের বান্দিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভোতাখালি গ্রামের এমনি ছবি। ভোতাখালী গ্রামের ব্রাহ্মণকোলা পাড়ায় প্রায় ৪০ থেকে ৫০ ঘরের বসবাস। সরকারি উদ্যোগে গ্রামে সজল ধারা প্রকল্পের মাধ্যমে পাইপ লাইন দিয়ে বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছে যেত, হঠাৎ করে দুই মাস আগে পাম্প বিকল হয়ে যাওয়ায় বন্ধ পানীয় জলের জোগান। দরিদ্র কৃষি প্রধান এলাকার মানুষজন এর ফলে পড়েছে চরম পানীয় জলের সমস্যা। এলাকার মানুষের দাবি তাদের অর্থ নেই তাই পাম্প মেরামত করতে পারেনি তারা। গ্রামের জনপ্রতিনিধিদের জানিয়েও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। অগত্যা দীর্ঘদিন ধরে সরু মেঠো পথের আল ধরে কৃষিকাজে ব্যবহৃত মাঠের জল এনে পান করতে হচ্ছে তাদের। ঘটনায় শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভে গ্রামের বাসিন্দারা । তবে ঘটনায় রাজনৈতিক দায় ঠেলাঠেলি শুরু হলেও এলাকার পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য তথা জেলা তৃনমূলের নেতা প্রসুন ঘোষ অবশ্য স্বীকার করেছেন ঘটনার কথা। তিনি বলেন স্থানীয়ভাবে তাদের জানানো হয়নি বিষয়টি । সংবাদ মাধ্যমের কাছ থেকেই তারা এই বিষয়টি জানলেন গ্রামের মানুষের সাথে কথা বলে দ্রুত পানীয় জলের ব্যবস্থা করা হবে, তাঁরা আশ্বাস। এখন দেখার কবে গ্রামের মানুষগুলোর পানীয়জলের ট্যাপে জল আসে।
ঘাটালের এই মানুষগুলোর পানীয়জলের সম্বল সেচের জল! দেশ রাজ্যে উন্নয়নের জোয়ার। তারই মাঝে ঘাটালের এই গ্রামে নেই পানীয় জল। স্বাভাবিকভাবেই তীব্র ক্ষভে গ্রামের মানুষজন। মাঠ থেকে কৃষিকাজে ব্যবহৃত সেচের জল এনে খেতে হচ্ছে গ্রামের মানুষজনকে। ঘটনায় শাসকদলের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভে ফুঁসছে, শুরু হয়েছে রাজনৈতিক দড়ি টানাটানি। তবে পানীয় জলের ব্যবস্থা করতে এখনো কেউ আগিয়ে আসেনি। ঘাটাল মহকুমা চন্দ্রকোনা দু'নম্বর ব্লকের বান্দিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভোতাখালি গ্রামের এমনি ছবি। ভোতাখালী গ্রামের ব্রাহ্মণকোলা পাড়ায় প্রায় ৪০ থেকে ৫০ ঘরের বসবাস। সরকারি উদ্যোগে গ্রামে সজল ধারা প্রকল্পের মাধ্যমে পাইপ লাইন দিয়ে বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছে যেত, হঠাৎ করে দুই মাস আগে পাম্প বিকল হয়ে যাওয়ায় বন্ধ পানীয় জলের জোগান। দরিদ্র কৃষি প্রধান এলাকার মানুষজন এর ফলে পড়েছে চরম পানীয় জলের সমস্যা। এলাকার মানুষের দাবি তাদের অর্থ নেই তাই পাম্প মেরামত করতে পারেনি তারা। গ্রামের জনপ্রতিনিধিদের জানিয়েও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। অগত্যা দীর্ঘদিন ধরে সরু মেঠো পথের আল ধরে কৃষিকাজে ব্যবহৃত মাঠের জল এনে পান করতে হচ্ছে তাদের। ঘটনায় শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভে গ্রামের বাসিন্দারা । তবে ঘটনায় রাজনৈতিক দায় ঠেলাঠেলি শুরু হলেও এলাকার পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য তথা জেলা তৃনমূলের নেতা প্রসুন ঘোষ অবশ্য স্বীকার করেছেন ঘটনার কথা। তিনি বলেন স্থানীয়ভাবে তাদের জানানো হয়নি বিষয়টি । সংবাদ মাধ্যমের কাছ থেকেই তারা এই বিষয়টি জানলেন গ্রামের মানুষের সাথে কথা বলে দ্রুত পানীয় জলের ব্যবস্থা করা হবে, তাঁরা আশ্বাস। এখন দেখার কবে গ্রামের মানুষগুলোর পানীয়জলের ট্যাপে জল আসে।
- দেশ রাজ্যে উন্নয়নের জোয়ার। তারই মাঝে ঘাটালের এই গ্রামে নেই পানীয় জল। স্বাভাবিকভাবেই তীব্র ক্ষভে গ্রামের মানুষজন। মাঠ থেকে কৃষিকাজে ব্যবহৃত সেচের জল এনে খেতে হচ্ছে গ্রামের মানুষজনকে। ঘটনায় শাসকদলের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভে ফুঁসছে, শুরু হয়েছে রাজনৈতিক দড়ি টানাটানি। তবে পানীয় জলের ব্যবস্থা করতে এখনো কেউ আগিয়ে আসেনি। ঘাটাল মহকুমা চন্দ্রকোনা দু'নম্বর ব্লকের বান্দিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভোতাখালি গ্রামের এমনি ছবি। ভোতাখালী গ্রামের ব্রাহ্মণকোলা পাড়ায় প্রায় ৪০ থেকে ৫০ ঘরের বসবাস। সরকারি উদ্যোগে গ্রামে সজল ধারা প্রকল্পের মাধ্যমে পাইপ লাইন দিয়ে বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছে যেত, হঠাৎ করে দুই মাস আগে পাম্প বিকল হয়ে যাওয়ায় বন্ধ পানীয় জলের জোগান। দরিদ্র কৃষি প্রধান এলাকার মানুষজন এর ফলে পড়েছে চরম পানীয় জলের সমস্যা। এলাকার মানুষের দাবি তাদের অর্থ নেই তাই পাম্প মেরামত করতে পারেনি তারা। গ্রামের জনপ্রতিনিধিদের জানিয়েও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। অগত্যা দীর্ঘদিন ধরে সরু মেঠো পথের আল ধরে কৃষিকাজে ব্যবহৃত মাঠের জল এনে পান করতে হচ্ছে তাদের। ঘটনায় শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভে গ্রামের বাসিন্দারা । তবে ঘটনায় রাজনৈতিক দায় ঠেলাঠেলি শুরু হলেও এলাকার পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য তথা জেলা তৃনমূলের নেতা প্রসুন ঘোষ অবশ্য স্বীকার করেছেন ঘটনার কথা। তিনি বলেন স্থানীয়ভাবে তাদের জানানো হয়নি বিষয়টি । সংবাদ মাধ্যমের কাছ থেকেই তারা এই বিষয়টি জানলেন গ্রামের মানুষের সাথে কথা বলে দ্রুত পানীয় জলের ব্যবস্থা করা হবে, তাঁরা আশ্বাস। এখন দেখার কবে গ্রামের মানুষগুলোর পানীয়জলের ট্যাপে জল আসে।1
- গ্রামে নেই পানীয় জল ,তীব্র ক্ষোভে ফুঁসছে গ্রামের মানুষজন। মাঠ থেকে কৃষিকাজে ব্যবহৃত পাম্পের জলে এনে খেতে হচ্ছে গ্রামের মানুষজনকে। ঘটনা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা দু'নম্বর ব্লকের বান্দিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভোতাখালি গ্রামের ।1
- চার্জশিট জবাব চায় চন্দ্রকোনা। চন্দ্রকোনায় উন্নয়ন করেনি শাসক বিধায়ক তাই সে অন্য উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরল বিজেপি। তৃণমূলের অসম্পূর্ণ কাজ বিজেপি ক্ষমতায় এলে করবে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা বিধানসভার রামিজীবনপুর দলীয় কার্যালয় থেকে আজ সন্ধ্যায় এমনই বার্তা দিলেন আর আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি।1
- রাজ্য সড়কের দুই ধারে নামানো রয়েছে ইমারতী দ্রব্য। আর সেই ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিচ্ছে সাধারণ মানুষের রাস্তা চলাচলের। যে বা যারা এই ইমারতি দ্রব্যের ব্যবসা করছেন তাদেরকে এলাকার মানুষ অনেক বার ধরে জানানোর পরেও একইভাবে মেন রাস্তার ওপরে পড়ে থাকছে ইমারতি দ্রব্য, তাতে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের খুব অসুবিধা হচ্ছে। কখনো কখনো বড় সড় দুর্ঘটনা ঘটে গেলে তার দায় কে নেবে? প্রশ্ন উঠছে প্রশাসনের দিকে? ঘটনাটি গোঘাট থানার অন্তর্গত মামুদপুর বাসস্ট্যান্ডের।1
- শুভেন্দু অধিকারী প্রেস মিট করে জানিয়েছেন সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে চারজন ব্যাক্তি বিজেপিতে যোগদান দিয়েছে দিপাঞ্জন চক্রবর্তী অবসরপ্রাপ্ত এন এস জি কর্তা প্রাক্তন সেনা কর্তা বিপ্লব বিশ্বাস ক্ষিতি গোস্বামির কন্যা কস্তুরি গোস্বামি সহ আরও একজন।এই প্রসঙ্গে তৃণমূলের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ বলেন যারা বাংলার বিরোধিতা করে এসেছে এতদিন যারা বিজেপির সাম্প্রদায়িক নীতিকে সমর্থন করে এসেছে তারা বিজেপিতে যাবে এটা স্বাভাবিক চার আনার নকুলদানার ক্যাশ মেমো যেমন হাস্যকর এদের বিজেপিতে যোগদান ততটাই হাস্যকর কিছুদিন পর বিজেপি দলটার অস্তিত্ব থাকবে না তখন এদের অস্তিত্ব থাকবে না।1
- ঘাটাল–পাঁশকুড়া রাজ্য সড়কে দাসপুরে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা1
- ডিউটিরত অবস্থায় পথ দুর্ঘটনায় মৃ*/*ত্যু হল কালনা থানার এক পুলিশ কর্মীর1
- চার্জশিট জবাব চায় চন্দ্রকোনা। চন্দ্রকোনায় উন্নয়ন করেনি শাসক বিধায়ক তাই সে অন্য উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরল বিজেপি। তৃণমূলের অসম্পূর্ণ কাজ বিজেপি ক্ষমতায় এলে করবে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা বিধানসভার রামিজীবনপুর দলীয় কার্যালয়.1