Shuru
Apke Nagar Ki App…
sushil Singh durgapur YouTube channel Thank you lord jesus christ name Amen Benachity durgapur
User5654
sushil Singh durgapur YouTube channel Thank you lord jesus christ name Amen Benachity durgapur
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- প্রথম দফার ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হয়েছে গত ২৩ শে এপ্রিল। ইভিএমগুলি কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই স্ট্রংরুমে সংরক্ষণ করা হয়। দুর্গাপুরের সরকারি মহাবিদ্যালয়কে স্ট্রংরুম হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে দুর্গাপুর পূর্ব, দুর্গাপুর পশ্চিম এবং পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার প্রতিটি বুথে ব্যবহৃত ইভিএম নিরাপদে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। স্ট্রংরুম চত্বরে বহুস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। শনিবার দুপুর বারোটায় সেই চিত্রই ধরা পড়ে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা ঘন্টার পর ঘন্টা নজরদারি চালাচ্ছেন। পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও গোটা ব্যবস্থার উপর কড়া নজর রাখছেন, যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা নিরাপত্তা বিঘ্ন না ঘটে। ভোটগণনার দিন পর্যন্ত একইভাবে কড়া নিরাপত্তা বজায় থাকবে।1
- Post by User56541
- ২০২৬ মে মাস1
- তৃণমূল প্রার্থীর পা ছুঁয়ে আশীর্বাদ নিলেন বিজেপি প্রার্থী!1
- নার্সিং হোম নাকি কসাই খানা1
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- Post by Kotulpur news1
- অন্ডালের মুকুন্দপুরে অবৈধভাবে মাটি কাটার সময় মাটির ধসে মৃত্যু হল মঙ্গল ভূঁইয়া (৫০) নামে এক ব্যক্তির। শনিবার দুপুর আড়াইটার সময় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকাজুড়ে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় অন্ডাল থানার পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুকুন্দপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধভাবে মাটি কাটার কাজ চলছিল। শনিবারও একটি ট্রাক্টরে মাটি তোলার কাজ চলাকালীন আচমকাই উপর থেকে বড়সড় মাটির চাঁই ধসে পড়ে। সেই ধ্বসের নিচে চাপা পড়েন মঙ্গল ভূঁইয়া। মৃতের সঙ্গে কাজ করা রাজু ভূঁইয়া জানান, ট্রাক্টরে মাটি বোঝাই হওয়ার পর গাড়ির উপরে মাটির লেভেলিংয়ের কাজ চলছিল। সেই সময় আচমকাই উপর থেকে বড় অংশের মাটি ভেঙে নেমে আসে। তিনি কোনোরকমে সেখান থেকে সরে গিয়ে প্রাণে বাঁচলেও মঙ্গল ভূঁইয়া ধ্বসের নিচে চাপা পড়েন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, মৃতের পরিবারের সদস্যদের খবর না দিয়েই দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের দাবি, মৃতের পরিবারের জন্য উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত যে ট্রাক্টরে মাটি তোলা হচ্ছিল সেটি ছাড়া যাবে না। পাশাপাশি, দীর্ঘদিন ধরে কীভাবে এলাকায় অবৈধ মাটি কাটার কাজ চলছিল এবং কার মদতে এই কারবার চলছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাসিন্দারা। ভূমি ও রাজস্ব দপ্তরের ভূমিকা নিয়েও উঠছে একাধিক প্রশ্ন।1