সোমবার নদীয়ার কল্যাণী শহরে বিজেপির ভারতীয় মজদুর সংঘ (বিএমএস)-এর কমিটি গঠন সংক্রান্ত সভাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কল্যাণী শহরের আইটিআই মোড় সংলগ্ন একটি রেস্তোরাঁর ভিতরে ও বাইরে উভয় চত্বরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যার ফলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সেন্ট্রাল পার্ক সংলগ্ন একটি বেসরকারি হোটেলে এই সভার আয়োজন করা হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছে যে, ওই সভায় তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন নেতৃত্ব ও কর্মী উপস্থিত ছিলেন। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই সংগঠনের একাংশের কর্মী-সমর্থকরা হোটেলের বাইরে বিক্ষোভ শুরু করেন। বিক্ষোভকারীদের মূল অভিযোগ ছিল যে, সংগঠনকে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে এবং বিএমএস-কে ‘তৃণমূলিকরণ’ করা যাবে না। এই দাবিতে তারা স্লোগান দিতে থাকলে পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হতে থাকে এবং সভাস্থলের বাইরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভ চরমে পৌঁছালে সভায় উপস্থিত কয়েকজনের উপর ডিম নিক্ষেপ করা হয়। পাশাপাশি, কয়েকজনকে মারধরও করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার জেরে কিছু সময়ের জন্য এলাকায় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও, পরে প্রচুর পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনে।
সোমবার নদীয়ার কল্যাণী শহরে বিজেপির ভারতীয় মজদুর সংঘ (বিএমএস)-এর কমিটি গঠন সংক্রান্ত সভাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কল্যাণী শহরের আইটিআই মোড় সংলগ্ন একটি রেস্তোরাঁর ভিতরে ও বাইরে উভয় চত্বরই
উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যার ফলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সেন্ট্রাল পার্ক সংলগ্ন একটি বেসরকারি হোটেলে এই সভার আয়োজন করা হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছে যে, ওই সভায় তৃণমূল কংগ্রেসের
কয়েকজন নেতৃত্ব ও কর্মী উপস্থিত ছিলেন। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই সংগঠনের একাংশের কর্মী-সমর্থকরা হোটেলের বাইরে বিক্ষোভ শুরু করেন। বিক্ষোভকারীদের মূল অভিযোগ ছিল যে, সংগঠনকে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে এবং বিএমএস-কে
‘তৃণমূলিকরণ’ করা যাবে না। এই দাবিতে তারা স্লোগান দিতে থাকলে পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হতে থাকে এবং সভাস্থলের বাইরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভ চরমে পৌঁছালে সভায় উপস্থিত কয়েকজনের উপর ডিম নিক্ষেপ করা হয়।
পাশাপাশি, কয়েকজনকে মারধরও করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার জেরে কিছু সময়ের জন্য এলাকায় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও, পরে প্রচুর পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনে।
- সোমবার নদীয়ার কল্যাণী শহরে বিজেপির ভারতীয় মজদুর সংঘ (বিএমএস)-এর কমিটি গঠন সংক্রান্ত সভাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কল্যাণী শহরের আইটিআই মোড় সংলগ্ন একটি রেস্তোরাঁর ভিতরে ও বাইরে উভয় চত্বরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যার ফলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সেন্ট্রাল পার্ক সংলগ্ন একটি বেসরকারি হোটেলে এই সভার আয়োজন করা হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছে যে, ওই সভায় তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন নেতৃত্ব ও কর্মী উপস্থিত ছিলেন। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই সংগঠনের একাংশের কর্মী-সমর্থকরা হোটেলের বাইরে বিক্ষোভ শুরু করেন। বিক্ষোভকারীদের মূল অভিযোগ ছিল যে, সংগঠনকে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে এবং বিএমএস-কে ‘তৃণমূলিকরণ’ করা যাবে না। এই দাবিতে তারা স্লোগান দিতে থাকলে পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হতে থাকে এবং সভাস্থলের বাইরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভ চরমে পৌঁছালে সভায় উপস্থিত কয়েকজনের উপর ডিম নিক্ষেপ করা হয়। পাশাপাশি, কয়েকজনকে মারধরও করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার জেরে কিছু সময়ের জন্য এলাকায় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও, পরে প্রচুর পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনে।5
- গুপ্তিপাড়া উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের আবাসিক ভবনটি বর্তমানে চরম বেহাল দশায় পড়ে আছে, যার করুণ চিত্র আমাদের ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, আগের সরকারের আমলে এই আবাসিক হোস্টেলটি তুলে দেওয়া হয়, যার ফলে এর জমি দখল হয়ে গেছে এবং এখন সেখানে ছাগল চড়ানো হয়। এক বছর ধরে একটি জমকালো উৎসব পালিত হওয়া সত্ত্বেও, যেখানে প্রচুর ভিভিআইপিদের সমাগম ঘটেছিল, এই আবাসিক ভবনটি প্রদীপের নিচে অন্ধকারের মতোই অনাদরে ও অবহেলায় পড়ে রয়েছে। গ্রামবাসীদের একাংশ ক্যামেরার সামনে সরাসরি মুখ খুলতে না চাইলেও, তাঁরা এই বেহাল দশার পরিবর্তন চান। তাঁদের দাবি, যদি এই হোস্টেলটি নতুন করে চালু করা হয়, তবে এলাকায় নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এর মাধ্যমে শুধু হোস্টেল সুপার এবং অন্যান্য স্টাফরাই কাজ পাবেন না, বরং ফুড সাপ্লায়ার, কন্ট্রাক্টর, ওয়াটার সাপ্লায়ার এবং ইলেকট্রিক মেকানিক সহ সকলেরই নতুন করে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে, গুপ্তিপাড়া উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের আবাসিক ভবনটি সংস্কার করে নতুন করে চালুর দাবি বর্তমান নতুন সরকারের কাছে উঠেছে।1
- উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সাহা পাড়ায় একটি বাড়িতে গ্রিল ভেঙে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরেরা বাড়ির গ্রিল ভেঙে প্রবেশ করে প্রায় দুই থেকে আড়াই লাখ টাকার গহনা এবং নগদ ৮০ হাজার টাকা নিয়ে চম্পট দিয়েছে।1
- বিশ্ব যোগা দিবস উপলক্ষে ব্যারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তব বাগচী তালপুকুরের একটি ক্লাবে আমন্ত্রিত হয়ে রক্তদান করেছেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে রক্তদানকে জীবন দান এবং সমাজের সবচেয়ে বড় দান হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।1
- জামাই ষষ্ঠীর রাতে কালনা থানার অন্তর্গত নতুনগ্রাম এলাকায় এক অভিনব কায়দায় চোরেরা বাড়ি থেকে খাসি চুরি করে পালিয়েছে। নিলুফা বিবি নামে এক গৃহবধূ রবিবার জানান, চুরির সময় ছাগলগুলি যাতে চিৎকার করতে না পারে, তার জন্য চোরেরা তিনটি ছাগলের মুখে কালো টেপ লাগিয়ে দেয়। এরপর দুটি খাসি চুরি করে নিয়ে চলে যায়, যার মধ্যে কালো টেপ লাগানো একটি ছাগল মারা যায়। একই রাতে, নূরনেসা বিবির ঘরেও চুরি হয়। তিনি অসুস্থতার কারণে তার বৌমার ঘরে শুয়েছিলেন, সেই সুযোগে চোরেরা ফাঁকা ঘর থেকে বিভিন্ন সামগ্রী এবং নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। এছাড়াও, পাশাপাশি আরও একটি বাড়িতেও বেশ কিছু সামগ্রী ও টাকা-পয়সা চুরি হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে রবিবার সকালে কালনা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত করে যায়। এই ধারাবাহিক চুরির ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে।1
- শ্রীরামপুর পৌরসভার অন্তর্গত ১২ ও ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে সময় মতো ময়লা-আবর্জনা অপসারণ না করায় ক্ষিপ্ত জনতা গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। দিনের পর দিন ও রাতের পর রাত ধরে ওই এলাকায় আবর্জনার স্তূপ জমে থাকছে। জনতা বারবার অভিযোগ জানালেও পৌরসভা থেকে ময়লা তুলে নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি এই বিষয়ে দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিকে অবহিত করা হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও সমাধানসূত্র মেলেনি।1
- আজ হালিশহর পৌরসভায় যুব তৃণমূল নেতা এবং হালিশহর পৌরসভার প্রাক্তন পৌরপ্রধান শুভঙ্কর ঘোষের ভাই পাপন ঘোষ পৌঁছলে তাঁর উপর ব্যাপক জনরোষ আছড়ে পড়ে। এই সময় তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়, যার ফলে তিনি গণপিটুনির শিকার হন। তাঁর দিকে ডিম ছোঁড়ার পাশাপাশি 'চোর' স্লোগানও দেওয়া হয়। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উঠলে হালিশহর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।1