logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…
  • Latest News
  • News
  • Politics
  • Elections
  • Viral
  • Astrology
  • Horoscope in Hindi
  • Horoscope in English
  • Latest Political News
logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…

ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে চরম অব্যবস্থার অভিযোগ বিদ্যুৎ নেই, ডিজেলের অভাবে বন্ধ জেনারেটর—বিপাকে রোগীরা, প্রশ্নের মুখে ডায়ালিসিস পরিষেবা। ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে ফের সামনে এল চরম অব্যবস্থার অভিযোগ। বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত হাসপাতালের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় সমস্যায় পড়েন চিকিৎসাধীন রোগী ও তাঁদের পরিজনরা। অভিযোগ, বিদ্যুৎ পরিষেবা সচল রাখার জন্য হাসপাতালে জেনারেটর থাকলেও সেটি চালানোর মতো পর্যাপ্ত ডিজেল মজুত ছিল না। ফলে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় বিকল্প ব্যবস্থাও কার্যত অচল হয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। হাসপাতালে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে। বিশেষ করে ডায়ালিসিস পরিষেবা নিয়ে রোগী ও তাঁদের পরিবারের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। বিদ্যুৎ না থাকলে ডায়ালিসিসের মতো গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা পরিষেবা কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। জেলা হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ পরিষেবা বন্ধ থাকা এবং একই সময়ে জেনারেটর চালানোর জন্য ডিজেলের ঘাটতির অভিযোগকে ঘিরে নতুন করে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। জরুরি বিভাগ, চিকিৎসা সরঞ্জাম, রোগীদের প্রয়োজনীয় পরিষেবা-সহ হাসপাতালের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা কীভাবে সচল রাখা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন রোগী ও তাঁদের পরিজনরা। একদিকে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন, অন্যদিকে বিকল্প হিসেবে থাকা জেনারেটর চালানোর জন্য জ্বালানির ঘাটতির অভিযোগ—পরপর এই দুই সমস্যায় ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের পরিকাঠামো ও পরিষেবা ব্যবস্থা নিয়ে ফের বিতর্ক দেখা দিয়েছে। রোগীদের স্বার্থে দ্রুত বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে জেনারেটরের জন্য পর্যাপ্ত ডিজেল মজুত রাখার দাবি উঠেছে। পাশাপাশি হাসপাতালের মতো জরুরি পরিষেবা কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সরবরাহ ও ব্যাকআপ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করারও দাবি জানিয়েছেন রোগী ও তাঁদের পরিজনরা।

3 hrs ago
user_Amlan Das
Amlan Das
Photographer Dharmanagar, North Tripura•
3 hrs ago

ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে চরম অব্যবস্থার অভিযোগ বিদ্যুৎ নেই, ডিজেলের অভাবে বন্ধ জেনারেটর—বিপাকে রোগীরা, প্রশ্নের মুখে ডায়ালিসিস পরিষেবা। ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে ফের সামনে এল চরম অব্যবস্থার অভিযোগ। বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত হাসপাতালের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় সমস্যায় পড়েন চিকিৎসাধীন রোগী ও তাঁদের পরিজনরা। অভিযোগ, বিদ্যুৎ পরিষেবা সচল রাখার জন্য হাসপাতালে জেনারেটর থাকলেও সেটি চালানোর মতো পর্যাপ্ত ডিজেল মজুত ছিল না। ফলে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় বিকল্প ব্যবস্থাও কার্যত অচল হয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। হাসপাতালে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় সবচেয়ে বেশি

উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে। বিশেষ করে ডায়ালিসিস পরিষেবা নিয়ে রোগী ও তাঁদের পরিবারের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। বিদ্যুৎ না থাকলে ডায়ালিসিসের মতো গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা পরিষেবা কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। জেলা হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ পরিষেবা বন্ধ থাকা এবং একই সময়ে জেনারেটর চালানোর জন্য ডিজেলের ঘাটতির অভিযোগকে ঘিরে নতুন করে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। জরুরি বিভাগ, চিকিৎসা সরঞ্জাম, রোগীদের প্রয়োজনীয় পরিষেবা-সহ হাসপাতালের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা কীভাবে সচল রাখা হচ্ছে, তা

নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন রোগী ও তাঁদের পরিজনরা। একদিকে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন, অন্যদিকে বিকল্প হিসেবে থাকা জেনারেটর চালানোর জন্য জ্বালানির ঘাটতির অভিযোগ—পরপর এই দুই সমস্যায় ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের পরিকাঠামো ও পরিষেবা ব্যবস্থা নিয়ে ফের বিতর্ক দেখা দিয়েছে। রোগীদের স্বার্থে দ্রুত বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে জেনারেটরের জন্য পর্যাপ্ত ডিজেল মজুত রাখার দাবি উঠেছে। পাশাপাশি হাসপাতালের মতো জরুরি পরিষেবা কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সরবরাহ ও ব্যাকআপ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করারও দাবি জানিয়েছেন রোগী ও তাঁদের পরিজনরা।

More news from ত্রিপুরা and nearby areas
  • উত্তর ত্রিপুরা জেলার বাগপাশা এলাকায় অসম আগরতলা সড়ক অবরোধ উত্তর ত্রিপুরা জেলার বাগপাশা এলাকায় অসম আগরতলা সড়ক অবরোধ
    1
    উত্তর ত্রিপুরা জেলার বাগপাশা এলাকায় অসম আগরতলা সড়ক অবরোধ
উত্তর ত্রিপুরা জেলার বাগপাশা এলাকায় অসম আগরতলা সড়ক অবরোধ
    user_365 news land
    365 news land
    ধর্মনগর, উত্তর ত্রিপুরা, ত্রিপুরা•
    2 hrs ago
  • ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে চরম অব্যবস্থার অভিযোগ বিদ্যুৎ নেই, ডিজেলের অভাবে বন্ধ জেনারেটর—বিপাকে রোগীরা, প্রশ্নের মুখে ডায়ালিসিস পরিষেবা। ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে ফের সামনে এল চরম অব্যবস্থার অভিযোগ। বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত হাসপাতালের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় সমস্যায় পড়েন চিকিৎসাধীন রোগী ও তাঁদের পরিজনরা। অভিযোগ, বিদ্যুৎ পরিষেবা সচল রাখার জন্য হাসপাতালে জেনারেটর থাকলেও সেটি চালানোর মতো পর্যাপ্ত ডিজেল মজুত ছিল না। ফলে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় বিকল্প ব্যবস্থাও কার্যত অচল হয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। হাসপাতালে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে। বিশেষ করে ডায়ালিসিস পরিষেবা নিয়ে রোগী ও তাঁদের পরিবারের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। বিদ্যুৎ না থাকলে ডায়ালিসিসের মতো গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা পরিষেবা কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। জেলা হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ পরিষেবা বন্ধ থাকা এবং একই সময়ে জেনারেটর চালানোর জন্য ডিজেলের ঘাটতির অভিযোগকে ঘিরে নতুন করে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। জরুরি বিভাগ, চিকিৎসা সরঞ্জাম, রোগীদের প্রয়োজনীয় পরিষেবা-সহ হাসপাতালের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা কীভাবে সচল রাখা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন রোগী ও তাঁদের পরিজনরা। একদিকে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন, অন্যদিকে বিকল্প হিসেবে থাকা জেনারেটর চালানোর জন্য জ্বালানির ঘাটতির অভিযোগ—পরপর এই দুই সমস্যায় ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের পরিকাঠামো ও পরিষেবা ব্যবস্থা নিয়ে ফের বিতর্ক দেখা দিয়েছে। রোগীদের স্বার্থে দ্রুত বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে জেনারেটরের জন্য পর্যাপ্ত ডিজেল মজুত রাখার দাবি উঠেছে। পাশাপাশি হাসপাতালের মতো জরুরি পরিষেবা কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সরবরাহ ও ব্যাকআপ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করারও দাবি জানিয়েছেন রোগী ও তাঁদের পরিজনরা।
    3
    ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে চরম অব্যবস্থার অভিযোগ বিদ্যুৎ নেই, ডিজেলের অভাবে বন্ধ জেনারেটর—বিপাকে রোগীরা, প্রশ্নের মুখে ডায়ালিসিস পরিষেবা।
ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে ফের সামনে এল চরম অব্যবস্থার অভিযোগ। বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত হাসপাতালের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় সমস্যায় পড়েন চিকিৎসাধীন রোগী ও তাঁদের পরিজনরা। অভিযোগ, বিদ্যুৎ পরিষেবা সচল রাখার জন্য হাসপাতালে জেনারেটর থাকলেও সেটি চালানোর মতো পর্যাপ্ত ডিজেল মজুত ছিল না। ফলে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় বিকল্প ব্যবস্থাও কার্যত অচল হয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। হাসপাতালে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে। বিশেষ করে ডায়ালিসিস পরিষেবা নিয়ে রোগী ও তাঁদের পরিবারের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। বিদ্যুৎ না থাকলে ডায়ালিসিসের মতো গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা পরিষেবা কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
জেলা হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ পরিষেবা বন্ধ থাকা এবং একই সময়ে জেনারেটর চালানোর জন্য ডিজেলের ঘাটতির অভিযোগকে ঘিরে নতুন করে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। জরুরি বিভাগ, চিকিৎসা সরঞ্জাম, রোগীদের প্রয়োজনীয় পরিষেবা-সহ হাসপাতালের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা কীভাবে সচল রাখা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন রোগী ও তাঁদের পরিজনরা। একদিকে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন, অন্যদিকে বিকল্প হিসেবে থাকা জেনারেটর চালানোর জন্য জ্বালানির ঘাটতির অভিযোগ—পরপর এই দুই সমস্যায় ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের পরিকাঠামো ও পরিষেবা ব্যবস্থা নিয়ে ফের বিতর্ক দেখা দিয়েছে।
রোগীদের স্বার্থে দ্রুত বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে জেনারেটরের জন্য পর্যাপ্ত ডিজেল মজুত রাখার দাবি উঠেছে। পাশাপাশি হাসপাতালের মতো জরুরি পরিষেবা কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সরবরাহ ও ব্যাকআপ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করারও দাবি জানিয়েছেন রোগী ও তাঁদের পরিজনরা।
    user_Amlan Das
    Amlan Das
    Photographer Dharmanagar, North Tripura•
    3 hrs ago
  • *বেতন না পেয়ে চরম দুর্ভোগ, ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে নিরাপত্তা কর্মীদের বিক্ষোভ* নিজস্ব প্রতিনিধি, ধর্মনগর, ১২ আগস্ট: দীর্ঘ ১১ মাস ধরে বেতন বকেয়া থাকার অভিযোগে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের ২৭ জন নিরাপত্তাকর্মী বুধবার অনির্দিষ্টকালের ধরনায় বসেন। হাসপাতালের মেডিকেল সুপার ডা. ভাস্কর দাসের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে সরব হন তাঁরা।নিরাপত্তাকর্মীদের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট এন বি এস কোম্পানির মাধ্যমে তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে আসছেন। কিন্তু প্রায় ১১ মাস ধরে তাঁদের বেতন দেওয়া হচ্ছে না।
    1
    *বেতন না পেয়ে চরম দুর্ভোগ, ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে নিরাপত্তা কর্মীদের বিক্ষোভ*

নিজস্ব প্রতিনিধি, ধর্মনগর, ১২ আগস্ট: দীর্ঘ ১১ মাস ধরে বেতন বকেয়া থাকার অভিযোগে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের ২৭ জন নিরাপত্তাকর্মী বুধবার অনির্দিষ্টকালের ধরনায় বসেন। হাসপাতালের মেডিকেল সুপার ডা. ভাস্কর দাসের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে সরব হন তাঁরা।নিরাপত্তাকর্মীদের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট এন বি এস কোম্পানির মাধ্যমে তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে আসছেন। কিন্তু প্রায় ১১ মাস ধরে তাঁদের বেতন দেওয়া হচ্ছে না।
    user_Press Reporter
    Press Reporter
    Newsagent ধর্মনগর, উত্তর ত্রিপুরা, ত্রিপুরা•
    5 hrs ago
  • *গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়ক অবরোধ* নিজস্ব প্রতিনিধি।। ধর্মনগর,১২ আগস্ট : হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ধর্মনগর পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদে রণক্ষেত্রের রূপ নিল আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়ক। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা নাগাদ বাগবাসা ট্রাফিক পয়েন্ট সংলগ্ন এলাকায় সড়ক অবরোধে নামেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘ সময় ধরে অবরোধ চলছে তাই যানজটের সৃষ্টি হয়েছে রাস্তার দুই পাশে।গতকাল বাগবাসার বাসিন্দা তপন দাসের ওপর এক মর্মান্তিক ও প্রাণঘাতী হামলা চালানো হলেও, চব্বিশ ঘণ্টা পার হয়ে যাওয়ার পরও পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকাবাসী।ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, বাগবাসা ১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা তপন দাসের ওপর অতর্কিতে হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। অভিযোগের আঙুল উঠেছে দক্ষিণ গঙ্গানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান জয় কুমার নাথ, তাঁর ভাই জয়দেব নাথ এবং তাঁদের সঙ্গে থাকা আরও ১৪-১৫ জন সহযোগীর দিকে। আক্রান্তের পরিবারের দাবি, লোহার রড দিয়ে তপন দাসের ওপর এই নারকীয় অত্যাচার চালানো হয়, এমনকি তাঁর পেটের ভেতর রড ঢুকিয়ে প্রাণ সংহারের চেষ্টা পর্যন্ত করে অভিযুক্তরা। সেই সময় উপস্থিত কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী কোনোক্রমে তাঁকে উদ্ধার করেন। মারাত্মক জখম অবস্থায় তপন দাস বর্তমানে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।ঘটনার পর সুবিচারের আশায় আহত তপন দাসের ভাই রতন চন্দ্র দাস সহ পরিবারের সদস্যরা ধর্মনগর থানায় লিখিত অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিশ মামলা গ্রহণ করতে অস্বীকার করে বলে অভিযোগ। ঘটনার চব্বিশ ঘণ্টা অতিক্রান্ত হওয়ার পরও পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো আইনি পদক্ষেপ না নেওয়া এবং আসামিদের গ্রেপ্তার না করার প্রতিবাদেই বুধবার সন্ধ্যায় রাস্তায় নামতে বাধ্য হন স্থানীয়রা। বাগবাসা ট্রাফিক পয়েন্টে আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়ক স্তব্ধ করে দিয়ে চলে বিক্ষোভ। প্রতিবাদস্থল থেকে আছড়ে পড়ে "ধর্মনগর পুলিশ হায় হায়" ধ্বনি। বিক্ষোভকারীদের স্পষ্ট দাবি—অবিলম্বে মূল অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে হবে এবং আইনানুগ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
    2
    *গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়ক অবরোধ*


নিজস্ব প্রতিনিধি।। ধর্মনগর,১২ আগস্ট :  হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ধর্মনগর পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদে রণক্ষেত্রের রূপ নিল আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়ক। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা নাগাদ বাগবাসা ট্রাফিক পয়েন্ট সংলগ্ন এলাকায় সড়ক অবরোধে নামেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘ সময় ধরে অবরোধ চলছে তাই যানজটের সৃষ্টি হয়েছে রাস্তার দুই পাশে।গতকাল বাগবাসার বাসিন্দা তপন দাসের ওপর এক মর্মান্তিক ও প্রাণঘাতী হামলা চালানো হলেও, চব্বিশ ঘণ্টা পার হয়ে যাওয়ার পরও পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকাবাসী।ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, বাগবাসা ১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা তপন দাসের ওপর অতর্কিতে হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। অভিযোগের আঙুল উঠেছে দক্ষিণ গঙ্গানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান জয় কুমার নাথ, তাঁর ভাই জয়দেব নাথ এবং তাঁদের সঙ্গে থাকা আরও ১৪-১৫ জন সহযোগীর দিকে। আক্রান্তের পরিবারের দাবি, লোহার রড দিয়ে তপন দাসের ওপর এই নারকীয় অত্যাচার চালানো হয়, এমনকি তাঁর পেটের ভেতর রড ঢুকিয়ে প্রাণ সংহারের চেষ্টা পর্যন্ত করে অভিযুক্তরা। সেই সময় উপস্থিত কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী কোনোক্রমে তাঁকে উদ্ধার করেন। মারাত্মক জখম অবস্থায় তপন দাস বর্তমানে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।ঘটনার পর সুবিচারের আশায় আহত তপন দাসের ভাই রতন চন্দ্র দাস সহ পরিবারের সদস্যরা ধর্মনগর থানায় লিখিত অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিশ মামলা গ্রহণ করতে অস্বীকার করে বলে অভিযোগ। ঘটনার চব্বিশ ঘণ্টা অতিক্রান্ত হওয়ার পরও পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো আইনি পদক্ষেপ না নেওয়া এবং আসামিদের গ্রেপ্তার না করার প্রতিবাদেই বুধবার সন্ধ্যায় রাস্তায় নামতে বাধ্য হন স্থানীয়রা। বাগবাসা ট্রাফিক পয়েন্টে আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়ক স্তব্ধ করে দিয়ে চলে বিক্ষোভ। প্রতিবাদস্থল থেকে আছড়ে পড়ে "ধর্মনগর পুলিশ হায় হায়" ধ্বনি। বিক্ষোভকারীদের স্পষ্ট দাবি—অবিলম্বে মূল অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে হবে এবং আইনানুগ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
    user_Rtv Tripura
    Rtv Tripura
    Ayurvedic Practitioner কৈলাশহর, উনাকোটি, ত্রিপুরা•
    3 hrs ago
  • Post by Ripon sk
    1
    Post by Ripon sk
    user_Ripon sk
    Ripon sk
    Accountant আমবাসা, ধলাই, ত্রিপুরা•
    14 hrs ago
  • শহরের উপর আবার মন্দিরে চুরি ঘটনা কলেজ টিলা ফারি ও পূর্ব থানার নাকের ডগায় প্রশ্ন চিহ্ন শহরের নিরাপত্তা নিয়ে , ঘটনাটি ঘটে শিবনগর মডার্ন ক্লাব পাশে শিব মন্দির ঘটনায় সিসি ক্যামেরা ফুটেজ কিছুটা ধরা পরে
    1
    শহরের উপর আবার মন্দিরে  চুরি ঘটনা কলেজ টিলা ফারি ও পূর্ব থানার নাকের ডগায়  প্রশ্ন চিহ্ন শহরের নিরাপত্তা নিয়ে , ঘটনাটি ঘটে শিবনগর মডার্ন ক্লাব পাশে শিব মন্দির ঘটনায় সিসি ক্যামেরা ফুটেজ কিছুটা ধরা পরে
    user_PRABIR CRIME
    PRABIR CRIME
    মান্দাই, পশ্চিম ত্রিপুরা, ত্রিপুরা•
    2 hrs ago
  • ১৫ আগস্টকে সামনে রেখে যুবরাজনগরে বিজেপি যুব মোর্চার তিরঙ্গা পদযাত্রা। স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে যুবরাজনগরে তিরঙ্গা পদযাত্রার আয়োজন করল যুবরাজনগর মণ্ডল যুব মোর্চা। দেশের প্রতি শ্রদ্ধা ও জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের বার্তা নিয়ে বুধবার এই পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। পদযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন যুবরাজনগরের প্রাক্তন বিধায়িকা তথা প্রদেশ বিজেপির সম্পাদিকা মালিনা দেবনাথ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হাফলং গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সঞ্জিত সেন-সহ যুব মোর্চার অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মীরা। জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে যুব মোর্চার কর্মী-সমর্থকরা বিভিন্ন এলাকা পরিক্রমা করেন। পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। উল্লেখ্য, ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতা অর্জনের পর চলতি বছর ২০২৬ সালে ভারত স্বাধীনতার ৮০তম বর্ষ উদযাপন করতে চলেছে। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দেশজুড়ে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে জাতীয় পতাকা ও দেশাত্মবোধের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
    4
    ১৫ আগস্টকে সামনে রেখে যুবরাজনগরে বিজেপি যুব মোর্চার তিরঙ্গা পদযাত্রা।
স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে যুবরাজনগরে তিরঙ্গা পদযাত্রার আয়োজন করল যুবরাজনগর মণ্ডল যুব মোর্চা। দেশের প্রতি শ্রদ্ধা ও জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের বার্তা নিয়ে বুধবার এই পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।
পদযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন যুবরাজনগরের প্রাক্তন বিধায়িকা তথা প্রদেশ বিজেপির সম্পাদিকা মালিনা দেবনাথ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হাফলং গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সঞ্জিত সেন-সহ যুব মোর্চার অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মীরা। জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে যুব মোর্চার কর্মী-সমর্থকরা বিভিন্ন এলাকা পরিক্রমা করেন। পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।
উল্লেখ্য, ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতা অর্জনের পর চলতি বছর ২০২৬ সালে ভারত স্বাধীনতার ৮০তম বর্ষ উদযাপন করতে চলেছে। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দেশজুড়ে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে জাতীয় পতাকা ও দেশাত্মবোধের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
    user_Amlan Das
    Amlan Das
    Photographer Dharmanagar, North Tripura•
    3 hrs ago
  • *গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়ক অবরোধ* হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ধর্মনগর পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদে রণক্ষেত্রের রূপ নিল আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়ক। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা নাগাদ বাগবাসা ট্রাফিক পয়েন্ট সংলগ্ন এলাকায় সড়ক অবরোধে নামেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘ সময় ধরে অবরোধ চলছে তাই যানজটের সৃষ্টি হয়েছে রাস্তার দুই পাশে।গতকাল বাগবাসার বাসিন্দা তপন দাসের ওপর এক মর্মান্তিক ও প্রাণঘাতী হামলা চালানো হলেও, চব্বিশ ঘণ্টা পার হয়ে যাওয়ার পরও পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকাবাসী।ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, বাগবাসা ১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা তপন দাসের ওপর অতর্কিতে হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। অভিযোগের আঙুল উঠেছে দক্ষিণ গঙ্গানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান জয় কুমার নাথ, তাঁর ভাই জয়দেব নাথ এবং তাঁদের সঙ্গে থাকা আরও ১৪-১৫ জন সহযোগীর দিকে। আক্রান্তের পরিবারের দাবি, লোহার রড দিয়ে তপন দাসের ওপর এই নারকীয় অত্যাচার চালানো হয়, এমনকি তাঁর পেটের ভেতর রড ঢুকিয়ে প্রাণ সংহারের চেষ্টা পর্যন্ত করে অভিযুক্তরা। সেই সময় উপস্থিত কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী কোনোক্রমে তাঁকে উদ্ধার করেন। মারাত্মক জখম অবস্থায় তপন দাস বর্তমানে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।ঘটনার পর সুবিচারের আশায় আহত তপন দাসের ভাই রতন চন্দ্র দাস সহ পরিবারের সদস্যরা ধর্মনগর থানায় লিখিত অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিশ মামলা গ্রহণ করতে অস্বীকার করে বলে অভিযোগ। ঘটনার চব্বিশ ঘণ্টা অতিক্রান্ত হওয়ার পরও পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো আইনি পদক্ষেপ না নেওয়া এবং আসামিদের গ্রেপ্তার না করার প্রতিবাদেই বুধবার সন্ধ্যায় রাস্তায় নামতে বাধ্য হন স্থানীয়রা। বাগবাসা ট্রাফিক পয়েন্টে আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়ক স্তব্ধ করে দিয়ে চলে বিক্ষোভ। প্রতিবাদস্থল থেকে আছড়ে পড়ে "ধর্মনগর পুলিশ হায় হায়" ধ্বনি। বিক্ষোভকারীদের স্পষ্ট দাবি—অবিলম্বে মূল অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে হবে এবং আইনানুগ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
    3
    *গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়ক অবরোধ*

হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ধর্মনগর পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদে রণক্ষেত্রের রূপ নিল আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়ক। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা নাগাদ বাগবাসা ট্রাফিক পয়েন্ট সংলগ্ন এলাকায় সড়ক অবরোধে নামেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘ সময় ধরে অবরোধ চলছে তাই যানজটের সৃষ্টি হয়েছে রাস্তার দুই পাশে।গতকাল বাগবাসার বাসিন্দা তপন দাসের ওপর এক মর্মান্তিক ও প্রাণঘাতী হামলা চালানো হলেও, চব্বিশ ঘণ্টা পার হয়ে যাওয়ার পরও পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকাবাসী।ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, বাগবাসা ১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা তপন দাসের ওপর অতর্কিতে হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। অভিযোগের আঙুল উঠেছে দক্ষিণ গঙ্গানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান জয় কুমার নাথ, তাঁর ভাই জয়দেব নাথ এবং তাঁদের সঙ্গে থাকা আরও ১৪-১৫ জন সহযোগীর দিকে। আক্রান্তের পরিবারের দাবি, লোহার রড দিয়ে তপন দাসের ওপর এই নারকীয় অত্যাচার চালানো হয়, এমনকি তাঁর পেটের ভেতর রড ঢুকিয়ে প্রাণ সংহারের চেষ্টা পর্যন্ত করে অভিযুক্তরা। সেই সময় উপস্থিত কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী কোনোক্রমে তাঁকে উদ্ধার করেন। মারাত্মক জখম অবস্থায় তপন দাস বর্তমানে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।ঘটনার পর সুবিচারের আশায় আহত তপন দাসের ভাই রতন চন্দ্র দাস সহ পরিবারের সদস্যরা ধর্মনগর থানায় লিখিত অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিশ মামলা গ্রহণ করতে অস্বীকার করে বলে অভিযোগ। ঘটনার চব্বিশ ঘণ্টা অতিক্রান্ত হওয়ার পরও পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো আইনি পদক্ষেপ না নেওয়া এবং আসামিদের গ্রেপ্তার না করার প্রতিবাদেই বুধবার সন্ধ্যায় রাস্তায় নামতে বাধ্য হন স্থানীয়রা। বাগবাসা ট্রাফিক পয়েন্টে আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়ক স্তব্ধ করে দিয়ে চলে বিক্ষোভ। প্রতিবাদস্থল থেকে আছড়ে পড়ে "ধর্মনগর পুলিশ হায় হায়" ধ্বনি। বিক্ষোভকারীদের স্পষ্ট দাবি—অবিলম্বে মূল অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে হবে এবং আইনানুগ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
    user_News Tripura
    News Tripura
    ধর্মনগর, উত্তর ত্রিপুরা, ত্রিপুরা•
    2 hrs ago
View latest news on Shuru App
Download_Android
  • Terms & Conditions
  • Career
  • Privacy Policy
  • Blogs
Shuru, a product of Close App Private Limited.