Shuru
Apke Nagar Ki App…
মুর্শিদাবাদের ডোমকলের কুচিয়ামোড়া পঞ্চায়েতপাড়া মাঠে রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতীরা লঙ্কা চাষী গাজু বিশ্বাসের লঙ্কার গাছ উপড়ে নষ্ট করে দিয়েছে। রবিবার সকালে এই ঘটনা জানতে পেরে জমিতে এসেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। গাজু বিশ্বাস তাঁর ৫ কাঠা জমিতে বহু পরিশ্রম ও খরচ করে লঙ্কা চাষ করেছিলেন, যা সবেমাত্র ফলতে শুরু করেছিল। পাশের জমির লঙ্কা চাষী জমিরউদ্দিন মন্ডল রবিবার সকালে নিজের জমিতে এসে উপড়ানো গাছগুলি দেখে গাজুকে খবর দেন। যদিও বিক্রির যোগ্য হওয়ার আগেই গাছগুলি নষ্ট করা হয়েছে, তবে লঙ্কার বর্তমান বাজারদর প্রায় ৫০ টাকা কেজি। দুষ্কৃতীদের এমন কাজ করায় গাজুর চরম ক্ষতি হয়েছে এবং তিনি বিপুল লোকসানের ফলে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। ঘটনার পর পরই গাজু বিশ্বাস ডোমকল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে যান।
Maminul Islam
মুর্শিদাবাদের ডোমকলের কুচিয়ামোড়া পঞ্চায়েতপাড়া মাঠে রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতীরা লঙ্কা চাষী গাজু বিশ্বাসের লঙ্কার গাছ উপড়ে নষ্ট করে দিয়েছে। রবিবার সকালে এই ঘটনা জানতে পেরে জমিতে এসেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। গাজু বিশ্বাস তাঁর ৫ কাঠা জমিতে বহু পরিশ্রম ও খরচ করে লঙ্কা চাষ করেছিলেন, যা সবেমাত্র ফলতে শুরু করেছিল। পাশের জমির লঙ্কা চাষী জমিরউদ্দিন মন্ডল রবিবার সকালে নিজের জমিতে এসে উপড়ানো গাছগুলি দেখে গাজুকে খবর দেন। যদিও বিক্রির যোগ্য হওয়ার আগেই গাছগুলি নষ্ট করা হয়েছে, তবে লঙ্কার বর্তমান বাজারদর প্রায় ৫০ টাকা কেজি। দুষ্কৃতীদের এমন কাজ করায় গাজুর চরম ক্ষতি হয়েছে এবং তিনি বিপুল লোকসানের ফলে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। ঘটনার পর পরই গাজু বিশ্বাস ডোমকল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে যান।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- মুর্শিদাবাদের ডোমকলের কুচিয়ামোড়া পঞ্চায়েতপাড়া মাঠে রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতীরা লঙ্কা চাষী গাজু বিশ্বাসের লঙ্কার গাছ উপড়ে নষ্ট করে দিয়েছে। রবিবার সকালে এই ঘটনা জানতে পেরে জমিতে এসেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। গাজু বিশ্বাস তাঁর ৫ কাঠা জমিতে বহু পরিশ্রম ও খরচ করে লঙ্কা চাষ করেছিলেন, যা সবেমাত্র ফলতে শুরু করেছিল। পাশের জমির লঙ্কা চাষী জমিরউদ্দিন মন্ডল রবিবার সকালে নিজের জমিতে এসে উপড়ানো গাছগুলি দেখে গাজুকে খবর দেন। যদিও বিক্রির যোগ্য হওয়ার আগেই গাছগুলি নষ্ট করা হয়েছে, তবে লঙ্কার বর্তমান বাজারদর প্রায় ৫০ টাকা কেজি। দুষ্কৃতীদের এমন কাজ করায় গাজুর চরম ক্ষতি হয়েছে এবং তিনি বিপুল লোকসানের ফলে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। ঘটনার পর পরই গাজু বিশ্বাস ডোমকল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে যান।2
- সারা দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালিত হয়েছে। এই উপলক্ষে কলকাতার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীও যোগ দিয়েছেন। সরকারি আধিকারিক, জনপ্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষ সহ দেশের সর্বত্র এই উদযাপনে অংশ নিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায়, জঙ্গিপুরের নেতাজি সুভাষ দ্বীপে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নেন জঙ্গিপুরের বিধায়ক চিত্ত মুখার্জী। রবিবার সকালে বিধায়ক ও সাধারণ মানুষ যোগব্যায়ামের মাধ্যমে শরীরচর্চায় সামিল হন। এলাকার প্রাতঃভ্রমণকারীরাও এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন। শরীরকে ফিট রাখতে যোগব্যায়ামের গুরুত্ব সম্পর্কে বিধায়ক একটি বার্তা দিয়েছেন।1
- মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙ্গা থানার অন্তর্গত পুলিন্দা (সারগাছি) গ্রামের এক বাসিন্দা সেখানকার প্রধান রাস্তায় সঠিক জল নিকাশি ব্যবস্থার অভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। গ্রামটির পরিচিতি হিসেবে পুলিন্দা (সারগাছি) গ্রাম, বেলডাঙ্গা থানা ও মুর্শিদাবাদ জেলার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় পানি জমে যায় এবং দীর্ঘদিন ধরে এই জল জমে থাকার ফলে সাধারণ মানুষ, স্কুলপড়ুয়া এবং রোগীদের যাতায়াত করতে চরম সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এই গুরুতর পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন। দ্রুত রাস্তাটি মেরামত করা এবং একটি স্থায়ী ড্রেন তৈরি করার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি দাবি তুলেছেন।2
- মুর্শিদাবাদ জেলার কাপাসডাঙ্গা অঞ্চলের মানিকনগর গ্রামে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কর্মস্থলে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৪ বছর বয়সী স্থানীয় যুবক ইসমাইল শেখ। তিনি কামাল শেখের পুত্র এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে, পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী সদস্য ছিলেন। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার নবগ্রাম থানার নারকেলবাগান গ্রামে একটি বাড়ির নির্মাণকাজে রাজমিস্ত্রি হিসেবে কর্মরত ছিলেন ইসমাইল। ছাদ ঢালাইয়ের কাজ চলার সময় হঠাৎ মাথার ওপর দিয়ে যাওয়া বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে চলে আসেন তিনি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন ইসমাইল। দুর্ঘটনার পর সহকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে লালবাগ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করলেও, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ। পরে হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই আকস্মিক মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই পরিবার ও এলাকাজুড়ে গভীর শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। মাত্র ২৪ বছর বয়সে ইসমাইলের এমন মর্মান্তিক পরিণতিতে আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীরা ভেঙে পড়েছেন। স্থানীয়রা আরও দাবি করেছেন যে, তিনি ছিলেন হতদরিদ্র পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্য, যার ফলে তার মৃত্যুর পর পরিবারটি চরম আর্থিক অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। এলাকাবাসী ও পরিবারের সদস্যরা তাই প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন। একইসঙ্গে, নির্মাণকাজের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার দাবিও জোরালোভাবে উঠেছে। এই ঘটনা কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি করেছে।1
- জামাইষষ্ঠীর উৎসবের রাতেই ভয়াবহ চুরির শিকার হয়েছেন মুর্শিদাবাদের ভরতপুর থানার শিমুলগাছি গ্রামের বাসিন্দা সুভাষ মণ্ডল। সপরিবারে শ্বশুরবাড়িতে থাকায় তাঁর ফাঁকা বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরি করে একদল দুষ্কৃতী, যার ফলে উৎসবের আনন্দ নিমেষেই বিষাদে পরিণত হয়েছে। জানা গেছে, শনিবার রাতে সুভাষবাবু সপরিবারে শ্বশুরবাড়িতে ছিলেন। এই সুযোগে দুষ্কৃতীরা লোহার শাবল দিয়ে একতলার ছাদের গেটের লক ও চারপাশের ইট উপড়ে বাড়িতে ঢোকে। এরপর সিঁড়ি বেয়ে নিচে নেমে ঘরের আলমারি ও শোকেসের তালা ভেঙে প্রায় চার ভরি সোনার গহনা এবং নগদ ১০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়। চোরেরা কাজ হাসিল করে সোনা রাখার খালি বাক্সগুলো খাটের বিছানায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রেখে চম্পট দেয়। রবিবার সকালে সুভাষবাবুর মা আহ্লাদী মণ্ডল প্রথম বিষয়টি টের পান এবং ছেলেকে ফোনে খবর দেন। বাড়ি ফিরে সুভাষবাবু সর্বস্বান্ত অবস্থা দেখে স্তম্ভিত হয়ে যান। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ভরতপুর থানার পুলিশ। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করে তাদের ধরতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।1
- পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির দীর্ঘ ১৫ বছরের কার্যকাল নিয়ে জনমত জানতে চাওয়া হয়েছে। এই প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়েছে যে, তাঁর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ১৫ বছরের কাজের পর, জনগণ তাঁকে ১ থেকে ১০ এর মধ্যে কত নম্বর দেবেন।1
- সম্প্রতি আবারও একটি পূর্ণবয়স্ক গোখরা সাপ এবং তার ডিম উদ্ধার করা হয়েছে।1
- সাগরপাড়া থানায় ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকের (ওসি) চেয়ারে এক মন্ত্রীর বসার ঘটনা সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে। এই ঘটনা ঘিরে মন্ত্রী গৌরী শংকরকে প্রশ্ন করা হলে তিনি তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখান। মন্ত্রী দাবি করেছেন, ওই চেয়ারটি তাঁর জন্য নির্দিষ্ট করে রাখা হয়েছিল। তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, যদি কেউ তাঁর এই দাবি প্রমাণ করতে না পারে, তাহলে তিনি মন্ত্রিত্ব পদ থেকে ইস্তফা দিতে প্রস্তুত।1