Shuru
Apke Nagar Ki App…
শ্রীরামপুর ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কাউন্সিলর ঝুম মুখার্জির হাত ধরে বেআইনি ও অবৈধভাবে দোকান বসানো হচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসী ও ওয়ার্ডের ভোটাররা এই অবৈধ কারবারের তীব্র প্রতিবাদ জানালেও এখন পর্যন্ত কোনো সুরাহা মেলেনি। অভিযোগ অনুযায়ী, ঝুম মুখার্জি বাইরে থেকে এসে দোকান বসানো ব্যক্তিদের থেকে ১০ হাজার, ৫ হাজার, এমনকি ২০ হাজার টাকাও নিয়েছেন। এলাকার কিছু মানুষের কাছ থেকে প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে যে, তৃণমূল কাউন্সিলরেরা ওয়ার্ডের কোনো কাজই ঠিকমতো সামলাতে পারছেন না, কিন্তু এই অবৈধ কারবার বন্ধ হচ্ছে না। এই কার্যকলাপের তীব্র ধিক্কার ও প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে এবং প্রশাসনের কাছে অবিলম্বে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
Guruji Tejnath Kapalik Aghori
শ্রীরামপুর ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কাউন্সিলর ঝুম মুখার্জির হাত ধরে বেআইনি ও অবৈধভাবে দোকান বসানো হচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসী ও ওয়ার্ডের ভোটাররা এই অবৈধ কারবারের তীব্র প্রতিবাদ জানালেও এখন পর্যন্ত কোনো সুরাহা মেলেনি। অভিযোগ অনুযায়ী, ঝুম মুখার্জি বাইরে থেকে এসে দোকান বসানো ব্যক্তিদের থেকে ১০ হাজার, ৫ হাজার, এমনকি ২০ হাজার টাকাও নিয়েছেন। এলাকার কিছু মানুষের কাছ থেকে প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে যে, তৃণমূল কাউন্সিলরেরা ওয়ার্ডের কোনো কাজই ঠিকমতো সামলাতে পারছেন না, কিন্তু এই অবৈধ কারবার বন্ধ হচ্ছে না। এই কার্যকলাপের তীব্র ধিক্কার ও প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে এবং প্রশাসনের কাছে অবিলম্বে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- শ্রীরামপুর ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কাউন্সিলর ঝুম মুখার্জির হাত ধরে বেআইনি ও অবৈধভাবে দোকান বসানো হচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসী ও ওয়ার্ডের ভোটাররা এই অবৈধ কারবারের তীব্র প্রতিবাদ জানালেও এখন পর্যন্ত কোনো সুরাহা মেলেনি। অভিযোগ অনুযায়ী, ঝুম মুখার্জি বাইরে থেকে এসে দোকান বসানো ব্যক্তিদের থেকে ১০ হাজার, ৫ হাজার, এমনকি ২০ হাজার টাকাও নিয়েছেন। এলাকার কিছু মানুষের কাছ থেকে প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে যে, তৃণমূল কাউন্সিলরেরা ওয়ার্ডের কোনো কাজই ঠিকমতো সামলাতে পারছেন না, কিন্তু এই অবৈধ কারবার বন্ধ হচ্ছে না। এই কার্যকলাপের তীব্র ধিক্কার ও প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে এবং প্রশাসনের কাছে অবিলম্বে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।1
- অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি) নিয়ে মুখ খুলেছেন ত্বহা সিদ্দিকী, যেখানে তিনি 'এক দেশ - এক আইন' ধারণার প্রয়োগ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন। সিদ্দিকী সরাসরি জিজ্ঞাসা করেছেন যে, যদি সত্যিই দেশে 'এক দেশ - এক আইন' কার্যকর হয়, তাহলে কীভাবে বাংলায় কোরবানি নিষিদ্ধ করা হচ্ছে অথচ অন্য রাজ্যগুলিতে গো-হত্যা অব্যাহত রয়েছে। তাঁর এই মন্তব্য অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে একটি স্পষ্ট অসঙ্গতি তুলে ধরেছে।1
- পশ্চিমবঙ্গের বান্দোয়ানে এক মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় একজন প্রৌঢ়ের মৃত্যু হয়েছে। এই দুঃখজনক ঘটনার পর তার পরিবারে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।1
- কলকাতা, ২৬ জুন (এইচএস)। কলকাতার তারাতলা এলাকায় চলমান উদ্ধার অভিযানকে আরও দ্রুত এবং নির্ভুল করতে এনডিআরএফ দল এখন অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করেছে। ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযানের সময় ধসে পড়া কাঠামোর ধ্বংসাবশেষের মধ্যে কেউ আটকা পড়ে আছে কিনা তা সনাক্ত করার জন্য থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরা এবং ইনফ্রারেড লাইফ ডিটেক্টর স্থাপন করা হয়েছে।1
- নৈহাটি পৌরসভা আয়োজিত এক 'প্রবুদ্ধ সম্মেলন' অনুষ্ঠানে ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলায় উৎসবের মেজাজ দেখা গেল। এই সম্মেলনে বহু বিজেপি কর্মী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন, যা অনুষ্ঠান হলটিকে দীর্ঘদিন পর এক মিলনমেলার রূপ দেয়। অনুষ্ঠানে পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ, ব্যারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তুভ বাগচী, এবং নৈহাটির বিধায়ক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, নৈহাটির বিধায়ক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্য। এছাড়াও ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস ঘোষ এবং অন্যান্য পদাধিকারীরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনের খাদ্য তালিকায় চা এবং ঝাল মুড়ি পরিবেশন করা হয়। এই সম্মেলনকে ঘিরে পুরো অনুষ্ঠানটিই একটি উৎসবের আকার ধারণ করে।1
- কলকাতা নিউজ টাইমস-এর খবর অনুযায়ী, শ্রীরামপুর পৌরসভা সাধারণ মানুষ এবং শ্রীরামপুরের প্রতিটি ব্যক্তির সঙ্গে এক 'বড় ঈশ্বর'-এর মতো দাঁড়িয়ে আছে। এই খবর শ্রীরামপুর পৌরসভার সাথে সেখানকার বাসিন্দাদের গভীর ও ইতিবাচক সম্পর্ককে তুলে ধরে।1
- হুগলির শ্রীরামপুর ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের টেক্সটাইল কলেজের বিপরীতে অবস্থিত একটি পার্কে সন্ধ্যা নামলেই ছেলে ও মেয়েদের অশালীন কার্যকলাপের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের মতে, পার্কটিতে 'চুম্মা চাটি' থেকে শুরু করে আরও জঘন্যতম কাজ চলে। পার্কটিতে আলোর কোনো ব্যবস্থা না থাকায় এটি সর্বদা অন্ধকারে ডুবে থাকে, যা এই ধরনের কার্যকলাপের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে বলে অভিযোগকারীরা মনে করছেন। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, এই বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই এবং তারা সম্পূর্ণ নির্বিকার। এমনকি, পুলিশ সন্ধ্যাবেলা এসে একবার চক্কর দিয়ে চলে যাওয়ার পর অশালীন কার্যকলাপ পুনরায় শুরু হয়ে যায়। এই কারণে পরিবার এবং ছোট বাচ্চাদের নিয়ে পার্কে আসা সাধারণ মানুষকে চরম বিব্রত হতে হয় এবং তারা এই নোংরামোর জন্য তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছেন। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে সাধারণ মানুষ সম্মিলিতভাবে আগামী দিনে থানায় লিখিত অভিযোগ জানানোর উদ্দেশ্যে আলোচনা করেছেন।1