Shuru
Apke Nagar Ki App…
দীর্ঘদিনের জল্পনার অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকারের প্রথম বাজেটেই একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মহকুমা আরামবাগ এবার পূর্ণাঙ্গ জেলার স্বীকৃতি লাভ করেছে।
মুখার্জী নিউজ
দীর্ঘদিনের জল্পনার অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকারের প্রথম বাজেটেই একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মহকুমা আরামবাগ এবার পূর্ণাঙ্গ জেলার স্বীকৃতি লাভ করেছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- ওড়িশার ভুবনেশ্বরের অন্তর্গত ঝাড়সুগুদা এলাকায় একটি ভয়ঙ্কর টর্নেডো আঘাত হেনেছে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের সেই তীব্র দৃশ্য সরাসরি সামনে এসেছে।1
- জয়পুর এলাকায় উত্তরবাড় ফ্রেন্ডস ইউনিয়ন ক্লাবের পরিচালনায় যোগা দিবস উদযাপন করা হয়েছে। ক্লাব কর্তৃপক্ষ এই বিশেষ দিনে যোগা দিবস পালনের আয়োজন করেছিল।1
- শান্তিপুরে কিন্নর সংগঠনের প্রধান কৃষ্ণা দেবনাথ ও রফিকের বিরুদ্ধে একটি গুরুতর অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ অনুসারে, তাঁরা কৃষ্ণা মাকে প্রা*ণে মা*রা*র চেষ্টা করেছেন। এই ঘটনায় শান্তিপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।1
- চাঁইপাট কলেজে বিশ্ব যোগা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।1
- পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল এলাকায় ঐতিহ্যবাহী সাতপাড়া শীতলা মাতা পূজা দশকের পর দশক ধরে একতার এক অনন্য নজির স্থাপন করে চলেছে। এই পূজা আয়োজনে সাতটি গ্রাম একত্রিত হয়ে অংশ নেয়, যা তাদের মধ্যে গভীর সম্প্রীতি ও ঐক্যবদ্ধতার পরিচয় বহন করে। শনিবার শীতলা মাতার পূজা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর, রবিবার সকাল থেকেই এক বিশেষ উৎসবের আমেজ দেখা যায়। সাতটি পাড়ার সাত রকম বাজনা একত্রিত হয়ে এলাকার মানুষজনকে আনন্দ দিয়েছে। পূজার পরের দিন ভোর থেকেই এই বিবিধ বাজনার সমাহার চলতে থাকে, যা এই অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং উৎসবের উদ্দীপনাকে আরও বাড়িয়ে তোলে।1
- পশ্চিমবঙ্গ দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছেন যে, রাজ্যে উন্নয়ন ও বিকাশের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গে আরও বেশি উন্নয়ন হবে।1
- বর্ধমান শ্রী রামকৃষ্ণ আশ্রমের ঝিকরডাঙ্গা শাখার অধ্যক্ষ মহারাজ স্বামী শান্তানন্দ গত ৯ জুন, ২০২৬ তারিখে রামকৃষ্ণ লোকে যাত্রা করেছেন। তাঁর প্রয়াণ উপলক্ষে গত রবিবার অত্র আশ্রমে এক বিশেষ স্মরণসভা, সাধু ভান্ডারা এবং ভক্তসেবার আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে দেশ ও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু সাধু ও ভক্তবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে হরিদ্বার ভোলাগিরি আশ্রমের মহামন্ডলেশ্বর শ্রীনাথ শ্রীমৎ স্বামী তেজসানন্দ গিরি, আকালিপুর সারদা আশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী বাগীশানন্দ গিরি মহারাজ এবং আত্মা আনন্দ মঠের অধ্যক্ষ দিলীপ মহারাজ সহ জেলা ও রাজ্যের মোট মিশন আশ্রমের বহু সাধু ও ভক্তবৃন্দ যোগ দেন। এছাড়াও, ভাতাড় বিধানসভার বিধায়ক সৌমেন কার্ফাও স্বামী শান্তানন্দ মহারাজের স্মরণসভা ও সাধু ভান্ডারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ঝিকরডাঙ্গা রামকৃষ্ণ আশ্রমে ঠাকুরমা স্বামীজীর বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়। শান্তানন্দ মহারাজের প্রতিকৃতিতে মাল্যদানের মধ্য দিয়ে স্মরণসভার সূচনা হয়। এ সময় সাধুদের মুখে তাঁর জীবনের ত্যাগ, বৈরাগ্য ও নিবিড় সাধনার কথা উঠে আসে। বিশেষ করে বিগত অর্ধ শতাব্দী ধরে তিনি বর্ধমান জেলার অন্যতম সেরা ত্যাগী সন্ন্যাসী হিসেবে মানুষের কাছে পরিচিত ছিলেন। বেলুড় মঠ মিশনের দ্বারা পরিচালিত বিদ্যামন্দিরে থাকাকালীনই তিনি ঠাকুরমা স্বামীজীর প্রতি আকৃষ্ট হন। পরবর্তীকালে বর্ধমান স্যামসায়ন শ্রী রামকৃষ্ণ আশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা স্বামী শাত্মানন্দ মহারাজের সান্নিধ্যে এসে তিনি সাধনা শুরু করেন এবং এরপর ৫০ বছর যাবৎ বর্ধমান শহর ও শহরতলিতে রামকৃষ্ণ ধজা বহন করেছিলেন। এদিনের সাধু ভান্ডারায় সরস উপাচারে সাধুদের আপ্যায়ন করা হয় এবং প্রসাদ গ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি, বহু ভক্তও এদিন প্রসাদ গ্রহণ করেন।1
- রাজনৈতিক মহলে তীব্র সমালোচনা করে ২০ জন দলত্যাগী সাংসদকে তুলোধুনো করলেন মহুয়া মৈত্র। তিনি তাঁদের বিরুদ্ধে 'পাপের ভয় আর লোভের রাজনীতি' করার অভিযোগ তুলেছেন, যা তাঁর মন্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে।1