বর্ধমান শ্রী রামকৃষ্ণ আশ্রমের ঝিকরডাঙ্গা শাখার অধ্যক্ষ মহারাজ স্বামী শান্তানন্দ গত ৯ জুন, ২০২৬ তারিখে রামকৃষ্ণ লোকে যাত্রা করেছেন। তাঁর প্রয়াণ উপলক্ষে গত রবিবার অত্র আশ্রমে এক বিশেষ স্মরণসভা, সাধু ভান্ডারা এবং ভক্তসেবার আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে দেশ ও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু সাধু ও ভক্তবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে হরিদ্বার ভোলাগিরি আশ্রমের মহামন্ডলেশ্বর শ্রীনাথ শ্রীমৎ স্বামী তেজসানন্দ গিরি, আকালিপুর সারদা আশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী বাগীশানন্দ গিরি মহারাজ এবং আত্মা আনন্দ মঠের অধ্যক্ষ দিলীপ মহারাজ সহ জেলা ও রাজ্যের মোট মিশন আশ্রমের বহু সাধু ও ভক্তবৃন্দ যোগ দেন। এছাড়াও, ভাতাড় বিধানসভার বিধায়ক সৌমেন কার্ফাও স্বামী শান্তানন্দ মহারাজের স্মরণসভা ও সাধু ভান্ডারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ঝিকরডাঙ্গা রামকৃষ্ণ আশ্রমে ঠাকুরমা স্বামীজীর বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়। শান্তানন্দ মহারাজের প্রতিকৃতিতে মাল্যদানের মধ্য দিয়ে স্মরণসভার সূচনা হয়। এ সময় সাধুদের মুখে তাঁর জীবনের ত্যাগ, বৈরাগ্য ও নিবিড় সাধনার কথা উঠে আসে। বিশেষ করে বিগত অর্ধ শতাব্দী ধরে তিনি বর্ধমান জেলার অন্যতম সেরা ত্যাগী সন্ন্যাসী হিসেবে মানুষের কাছে পরিচিত ছিলেন। বেলুড় মঠ মিশনের দ্বারা পরিচালিত বিদ্যামন্দিরে থাকাকালীনই তিনি ঠাকুরমা স্বামীজীর প্রতি আকৃষ্ট হন। পরবর্তীকালে বর্ধমান স্যামসায়ন শ্রী রামকৃষ্ণ আশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা স্বামী শাত্মানন্দ মহারাজের সান্নিধ্যে এসে তিনি সাধনা শুরু করেন এবং এরপর ৫০ বছর যাবৎ বর্ধমান শহর ও শহরতলিতে রামকৃষ্ণ ধজা বহন করেছিলেন। এদিনের সাধু ভান্ডারায় সরস উপাচারে সাধুদের আপ্যায়ন করা হয় এবং প্রসাদ গ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি, বহু ভক্তও এদিন প্রসাদ গ্রহণ করেন।
বর্ধমান শ্রী রামকৃষ্ণ আশ্রমের ঝিকরডাঙ্গা শাখার অধ্যক্ষ মহারাজ স্বামী শান্তানন্দ গত ৯ জুন, ২০২৬ তারিখে রামকৃষ্ণ লোকে যাত্রা করেছেন। তাঁর প্রয়াণ উপলক্ষে গত রবিবার অত্র আশ্রমে এক বিশেষ স্মরণসভা, সাধু ভান্ডারা এবং ভক্তসেবার আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে দেশ ও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু সাধু ও ভক্তবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে হরিদ্বার ভোলাগিরি আশ্রমের মহামন্ডলেশ্বর শ্রীনাথ শ্রীমৎ স্বামী তেজসানন্দ গিরি, আকালিপুর সারদা আশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী বাগীশানন্দ গিরি মহারাজ এবং আত্মা আনন্দ মঠের অধ্যক্ষ দিলীপ মহারাজ সহ জেলা ও রাজ্যের মোট মিশন আশ্রমের বহু সাধু ও ভক্তবৃন্দ যোগ দেন। এছাড়াও, ভাতাড় বিধানসভার বিধায়ক সৌমেন কার্ফাও স্বামী শান্তানন্দ মহারাজের স্মরণসভা ও সাধু ভান্ডারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ঝিকরডাঙ্গা রামকৃষ্ণ আশ্রমে ঠাকুরমা স্বামীজীর বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়। শান্তানন্দ মহারাজের প্রতিকৃতিতে মাল্যদানের মধ্য দিয়ে স্মরণসভার সূচনা হয়। এ সময় সাধুদের মুখে তাঁর জীবনের ত্যাগ, বৈরাগ্য ও নিবিড় সাধনার কথা উঠে আসে। বিশেষ করে বিগত অর্ধ শতাব্দী ধরে তিনি বর্ধমান জেলার অন্যতম সেরা ত্যাগী সন্ন্যাসী হিসেবে মানুষের কাছে পরিচিত ছিলেন। বেলুড় মঠ মিশনের দ্বারা পরিচালিত বিদ্যামন্দিরে থাকাকালীনই তিনি ঠাকুরমা স্বামীজীর প্রতি আকৃষ্ট হন। পরবর্তীকালে বর্ধমান স্যামসায়ন শ্রী রামকৃষ্ণ আশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা স্বামী শাত্মানন্দ মহারাজের সান্নিধ্যে এসে তিনি সাধনা শুরু করেন এবং এরপর ৫০ বছর যাবৎ বর্ধমান শহর ও শহরতলিতে রামকৃষ্ণ ধজা বহন করেছিলেন। এদিনের সাধু ভান্ডারায় সরস উপাচারে সাধুদের আপ্যায়ন করা হয় এবং প্রসাদ গ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি, বহু ভক্তও এদিন প্রসাদ গ্রহণ করেন।
- বর্ধমান শ্রী রামকৃষ্ণ আশ্রমের ঝিকরডাঙ্গা শাখার অধ্যক্ষ মহারাজ স্বামী শান্তানন্দ গত ৯ জুন, ২০২৬ তারিখে রামকৃষ্ণ লোকে যাত্রা করেছেন। তাঁর প্রয়াণ উপলক্ষে গত রবিবার অত্র আশ্রমে এক বিশেষ স্মরণসভা, সাধু ভান্ডারা এবং ভক্তসেবার আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে দেশ ও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু সাধু ও ভক্তবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে হরিদ্বার ভোলাগিরি আশ্রমের মহামন্ডলেশ্বর শ্রীনাথ শ্রীমৎ স্বামী তেজসানন্দ গিরি, আকালিপুর সারদা আশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী বাগীশানন্দ গিরি মহারাজ এবং আত্মা আনন্দ মঠের অধ্যক্ষ দিলীপ মহারাজ সহ জেলা ও রাজ্যের মোট মিশন আশ্রমের বহু সাধু ও ভক্তবৃন্দ যোগ দেন। এছাড়াও, ভাতাড় বিধানসভার বিধায়ক সৌমেন কার্ফাও স্বামী শান্তানন্দ মহারাজের স্মরণসভা ও সাধু ভান্ডারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ঝিকরডাঙ্গা রামকৃষ্ণ আশ্রমে ঠাকুরমা স্বামীজীর বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়। শান্তানন্দ মহারাজের প্রতিকৃতিতে মাল্যদানের মধ্য দিয়ে স্মরণসভার সূচনা হয়। এ সময় সাধুদের মুখে তাঁর জীবনের ত্যাগ, বৈরাগ্য ও নিবিড় সাধনার কথা উঠে আসে। বিশেষ করে বিগত অর্ধ শতাব্দী ধরে তিনি বর্ধমান জেলার অন্যতম সেরা ত্যাগী সন্ন্যাসী হিসেবে মানুষের কাছে পরিচিত ছিলেন। বেলুড় মঠ মিশনের দ্বারা পরিচালিত বিদ্যামন্দিরে থাকাকালীনই তিনি ঠাকুরমা স্বামীজীর প্রতি আকৃষ্ট হন। পরবর্তীকালে বর্ধমান স্যামসায়ন শ্রী রামকৃষ্ণ আশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা স্বামী শাত্মানন্দ মহারাজের সান্নিধ্যে এসে তিনি সাধনা শুরু করেন এবং এরপর ৫০ বছর যাবৎ বর্ধমান শহর ও শহরতলিতে রামকৃষ্ণ ধজা বহন করেছিলেন। এদিনের সাধু ভান্ডারায় সরস উপাচারে সাধুদের আপ্যায়ন করা হয় এবং প্রসাদ গ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি, বহু ভক্তও এদিন প্রসাদ গ্রহণ করেন।1
- বিশ্ব যোগা দিবস উপলক্ষে পাত্রসায়েরে আয়োজিত এক যোগ চর্চা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন প্রতিমন্ত্রী দিবাকর ঘরামী।1
- আজ ২১শে জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষ্যে কালনার মন্তেশ্বর সাগর বালা উচ্চ বিদ্যালয়ের ফুটবল ময়দানে এক বিশাল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সারা ভারতজুড়ে পালিত হচ্ছে এই বিশেষ দিনটি, আর তারই অংশ হিসেবে মন্তেশ্বরেও মহাসমারোহে এই দিবস পালন করা হয়। ২০১৫ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জি কর্তৃক এই দিনটি আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসেবে স্বীকৃত পাওয়ার পর থেকে প্রতি বছরই ২১শে জুন তারিখটি যোগ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। এই বছর মন্তেশ্বরের যুবসমাজের উদ্যোগে সকাল ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এই যোগ দিবসের আয়োজন করা হয়, যেখানে বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীসহ বহু সাধারণ মানুষ যোগ দেন। অনুষ্ঠানে মন্তেশ্বর থানার আইসি সোমনাথ ভট্টাচার্য, বিডিও কেশব দাস, বি এল আর ও সৌম্যজিৎ ব্যানার্জি সহ আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।1
- আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের দিনে গোঘাটের পশ্চিমপাড়ার ঝরিয়া শ্রীরামকৃষ্ণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগ দিবস পালিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।1
- জামাইষষ্ঠী উপলক্ষে মন্দির নগরী বিষ্ণুপুরে লাল বাতি লাগানো গাড়িতে দেখা গেছে প্রতিমন্ত্রী দিবাকর ঘরামীকে।2
- হাওড়ায় এক প্রাক্তন তৃণমূল নেতা জল দিয়ে নয়, বরং কাঁচা ডিম দিয়ে স্নান করেছেন, যা বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এই অভিনব স্নানের ভিডিও দ্রুত ভাইরাল হয়েছে এবং `#ডিমস্নান` সহ বিভিন্ন হ্যাশট্যাগ দিয়ে ছড়িয়ে পড়ছে। এই ঘটনাটি বর্তমানে হাওড়া এবং পশ্চিমবাংলার সংবাদ মহলে বেশ সাড়া ফেলেছে।1
- আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে পূর্ব বর্ধমান জেলার বড়শুলে দামোদর নদের বুকে অভিনব কায়দায় যোগাভ্যাস করা হয়েছে। নদীবক্ষে আয়োজিত এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ছিল যোগ চর্চার প্রচার ও প্রসারে বার্তা দেওয়া।1
- টিটাগড় বৌবাজার এলাকায় এবং টিটাগড় পেপার মিলেও মহা উৎসাহ ও উদ্দীপনার সাথে যোগ দিবস পালন করা হয়েছে। বিশেষত, টিটাগড় বৌবাজার মোড়ে 'প্রভাত যোগ দিবস' উদযাপিত হয়েছে।3