Shuru
Apke Nagar Ki App…
বেলবাড়ি আর ডি ব্লকের অন্তর্গত বড়মুড়া চাম্পা গাঁও সভা এলাকায় স্থানীয় জনগণ দীর্ঘদিন ধরে তীব্র পানীয় জলের সমস্যায় ভুগছেন। এই গুরুতর সমস্যা সমাধানের জন্য তারা সরকার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। জনগণ জানিয়েছে যে ব্লকের পক্ষ থেকে সপ্তাহে একদিন ট্যাংকারের মাধ্যমে জল সরবরাহ করা হলেও, বাকি তিন দিন জল দেওয়া হয় না। এর ফলে এলাকায় পানীয় জলের চরম সংকট দেখা দিয়েছে, যা দৈনন্দিন জীবনকে প্রভাবিত করছে। বড়মুড়া চাম্পার জনগণ সংবাদ মাধ্যমের সামনে এসে তাদের বিস্তারিত সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন এবং দ্রুত এই পানীয় জলের সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য সরকারের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন।
PRABIR CRIME
বেলবাড়ি আর ডি ব্লকের অন্তর্গত বড়মুড়া চাম্পা গাঁও সভা এলাকায় স্থানীয় জনগণ দীর্ঘদিন ধরে তীব্র পানীয় জলের সমস্যায় ভুগছেন। এই গুরুতর সমস্যা সমাধানের জন্য তারা সরকার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। জনগণ জানিয়েছে যে ব্লকের পক্ষ থেকে সপ্তাহে একদিন ট্যাংকারের মাধ্যমে জল সরবরাহ করা হলেও, বাকি তিন দিন জল দেওয়া হয় না। এর ফলে এলাকায় পানীয় জলের চরম সংকট দেখা দিয়েছে, যা দৈনন্দিন জীবনকে প্রভাবিত করছে। বড়মুড়া চাম্পার জনগণ সংবাদ মাধ্যমের সামনে এসে তাদের বিস্তারিত সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন এবং দ্রুত এই পানীয় জলের সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য সরকারের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন।
More news from ত্রিপুরা and nearby areas
- আজ সারা ভারত কৃষক সভা এবং সি আই টি ইউর প্রতিষ্ঠা দিবস।1
- একটি পাড়ায় অশ্লীল আচরণের কারণে সেখানে আতঙ্ক ও অস্বস্তি ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় মহিলারা অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।1
- এক ব্যক্তি তার জীবনের একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা প্রকাশ করেছেন। তার বর্ণনা অনুযায়ী, তার স্ত্রী অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার পর, তিনি সেই ব্যক্তির স্ত্রীকেই বিয়ে করে নিয়েছেন।1
- ত্রিপুরার গোমতী জেলার কারবুক মহকুমার লেম্বুছড়া ফাঁড়ির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। একটি বাড়িতে ঢুকে এক ব্যক্তিকে মারধর ও ধর্ষণের চেষ্টার মতো জঘন্য ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে, এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে লেম্বুছড়া ফাঁড়ির পুলিশ কর্মকর্তারা মামলা নিতে রাজি হচ্ছেন না বলে অভিযোগ করা হয়েছে।1
- উত্তর ত্রিপুরার কদমতলা ব্লকের উদ্যোগে বড়গোল গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় গ্রামীণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চারটি গুরুত্বপূর্ণ জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে উত্তর ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক চাঁদনী চন্দ্রন এই কর্মসূচির শুভ সূচনা করেন। অনুষ্ঠানে কদমতলা সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক উৎপল দাস, কদমতলা পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান মিহির রঞ্জন নাথ, কদমতলা সামাজিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মেডিক্যাল অফিসার ডা. সন্দীপ দেবসহ প্রশাসন, স্বাস্থ্য দপ্তর ও পঞ্চায়েতের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলাশাসক চাঁদনী চন্দ্রন জানান যে, সুস্থ ও সচেতন সমাজ গঠনে স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি, আর সেই লক্ষ্যেই কদমতলা ব্লকে ‘সুস্বাস্থ্য গ্রাম পঞ্চায়েত’ গঠনের বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, সাপ্তাহিক শিশু পুষ্টি কর্মসূচি, স্বাস্থ্যবিমা শিবির, ‘বীরাঙ্গনা নারী শক্তি’ প্রকল্প, রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি এবং ‘পশু মিত্র সেবা’র মতো বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগণের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। জেলাশাসক উল্লেখ করেন, কদমতলা ব্লকের অধীন সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েতে শতভাগ স্বাস্থ্যবিমা কভারেজ এবং প্রত্যেক বাসিন্দার রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা জরুরি স্বাস্থ্যসেবায় দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে সহায়ক হবে। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে কদমতলা সামাজিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্যোগে একটি বিশেষ স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়, যেখানে বহু মানুষ বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ গ্রহণ করেন। এছাড়াও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে একটি চক্ষু চিকিৎসা শিবির অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে চোখের বিভিন্ন সমস্যার পরীক্ষা ও পরামর্শ প্রদান করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন যে, এ ধরনের স্বাস্থ্যভিত্তিক কর্মসূচি গ্রামীণ এলাকায় স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াবে এবং উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা গ্রহণের সুযোগকে আরও সহজ করবে। তাঁদের মতে, প্রশাসনের এই পদক্ষেপ সুস্থ, সচেতন ও আত্মনির্ভর গ্রাম গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।1
- সাব্রুম মহকুমা আদালত আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছে, যেখানে এক মোটর বাইক আরোহীকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে আরও এক বছর অতিরিক্ত জেল খাটতে হবে। সাব্রুম মহকুমা এডিশনাল সেশন জজ অসিত দেবনাথ ১৯ জন সাক্ষীর জবানবন্দি শোনার পর এই রায় ঘোষণা করেছেন। ঘটনাটি ২০২২ সালের ৩০শে ডিসেম্বর সন্ধ্যা প্রায় ৫:৩০ ঘটিকায় সাব্রুম-আগরতলা ০৮- নং জাতীয় সড়কে চতুর্থদেবতার বাড়ীর সামনে ঘটেছিল। সাব্রুম মাইকেল মধুসূদন দত্ত কলেজের শিক্ষিকা কীর্তি চক্রবর্তী তার স্বামী তপন কুমার রায়ের সাথে বামপাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। সেই সময় দমদমা শাস্ত্রী কলোনীর দাস পল্লীর বাসিন্দা গৌতম দাস (মোটর বাইক নম্বর TR03-E-8046) দ্রুত গতিতে পেছন দিক থেকে এসে শিক্ষিকা কীর্তি চক্রবর্তীকে ধাক্কা দেন। দুর্ঘটনার পরপরই সাব্রুম দমকল বাহিনীর কর্মীরা তাকে সাব্রুম মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসার পর কীর্তি চক্রবর্তীকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে সাব্রুম থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং এই ঘটনায় ১-২০২৪ নম্বরের একটি মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে।1
- রাষ্ট্রীয় সমাচারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোকে কেন্দ্র করে ত্রিপুরায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। একটি ভাইরাল অডিও কল রেকর্ড ঘিরে রাজ্যজুড়ে তীব্র বিতর্ক ও জোর চর্চা চলছে, যা সোশ্যাল মিডিয়াতেও আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।1
- সাব্রুম শহরে সম্প্রতি এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় এক পথচারী গৃহবধূ প্রাণ হারিয়েছেন। মৃতার নাম শুক্লা দেবী, যিনি পুরাতন অফিস টিলা এলাকার বাসিন্দা সুনীল দেবনাথের স্ত্রী ছিলেন। ঘটনাটি শনিবার সন্ধ্যা ছয়টা কুড়ি মিনিট নাগাদ ঘটে যখন শুক্লা দেবী তার বাড়ির সামনে নিয়মিত পায়চারি করতে বেরিয়েছিলেন। সেই সময় TR-08-1233 নম্বরের ‘ঋষিতা ট্রাভেলস’ নামক একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাকে সজোরে ধাক্কা মারে। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘাতক গাড়িটিকে আটক করে এবং আহত শুক্লা দেবীকে সাব্রুম মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শ্রাবন্তী ভৌমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ ঘাতক গাড়ির ২৫ বছর বয়সী সহচালক খোকন ত্রিপুরাকে আটক করেছে, যার বাড়ি পূর্ব সাব্রুম এলাকায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, সহচালক মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে যে, মূল চালকের অজ্ঞাতে গাড়ির চাবি নিয়ে বাসটি নির্ধারিত রুট ছেড়ে শহরের একটি সরু গলিতে প্রবেশ করে এবং পরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটায়। এই আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় মৃতার পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছেন। একটি মুহূর্তের বেপরোয়া আচরণ একটি পরিবারের আপনজনকে কেড়ে নিয়েছে। শহরবাসীর প্রশ্ন, লাইসেন্সবিহীন বা অনভিজ্ঞ ব্যক্তিদের হাতে গাড়ির স্টিয়ারিং কেন যাচ্ছে? প্রতিনিয়ত বেপরোয়া গতি ও দায়িত্বহীন চালনার কারণে নিরীহ মানুষের প্রাণ ঝরে পড়ছে। একটি পরিবারের অপূরণীয় ক্ষতির দায় শেষ পর্যন্ত কে নেবে, সেই প্রশ্নই আজ গোটা সাব্রুম জুড়ে ঘুরপাক খাচ্ছে।1