সাব্রুম মহকুমা আদালত আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছে, যেখানে এক মোটর বাইক আরোহীকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে আরও এক বছর অতিরিক্ত জেল খাটতে হবে। সাব্রুম মহকুমা এডিশনাল সেশন জজ অসিত দেবনাথ ১৯ জন সাক্ষীর জবানবন্দি শোনার পর এই রায় ঘোষণা করেছেন। ঘটনাটি ২০২২ সালের ৩০শে ডিসেম্বর সন্ধ্যা প্রায় ৫:৩০ ঘটিকায় সাব্রুম-আগরতলা ০৮- নং জাতীয় সড়কে চতুর্থদেবতার বাড়ীর সামনে ঘটেছিল। সাব্রুম মাইকেল মধুসূদন দত্ত কলেজের শিক্ষিকা কীর্তি চক্রবর্তী তার স্বামী তপন কুমার রায়ের সাথে বামপাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। সেই সময় দমদমা শাস্ত্রী কলোনীর দাস পল্লীর বাসিন্দা গৌতম দাস (মোটর বাইক নম্বর TR03-E-8046) দ্রুত গতিতে পেছন দিক থেকে এসে শিক্ষিকা কীর্তি চক্রবর্তীকে ধাক্কা দেন। দুর্ঘটনার পরপরই সাব্রুম দমকল বাহিনীর কর্মীরা তাকে সাব্রুম মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসার পর কীর্তি চক্রবর্তীকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে সাব্রুম থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং এই ঘটনায় ১-২০২৪ নম্বরের একটি মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে।
সাব্রুম মহকুমা আদালত আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছে, যেখানে এক মোটর বাইক আরোহীকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে আরও এক বছর অতিরিক্ত জেল খাটতে হবে। সাব্রুম মহকুমা এডিশনাল সেশন জজ অসিত দেবনাথ ১৯ জন সাক্ষীর জবানবন্দি শোনার পর এই রায় ঘোষণা করেছেন। ঘটনাটি ২০২২ সালের ৩০শে ডিসেম্বর সন্ধ্যা প্রায় ৫:৩০ ঘটিকায় সাব্রুম-আগরতলা ০৮- নং জাতীয় সড়কে চতুর্থদেবতার বাড়ীর সামনে ঘটেছিল। সাব্রুম মাইকেল মধুসূদন দত্ত কলেজের শিক্ষিকা কীর্তি চক্রবর্তী তার স্বামী তপন কুমার রায়ের সাথে বামপাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। সেই সময় দমদমা শাস্ত্রী কলোনীর দাস পল্লীর বাসিন্দা গৌতম দাস (মোটর বাইক নম্বর TR03-E-8046) দ্রুত গতিতে পেছন দিক থেকে এসে শিক্ষিকা কীর্তি চক্রবর্তীকে ধাক্কা দেন। দুর্ঘটনার পরপরই সাব্রুম দমকল বাহিনীর কর্মীরা তাকে সাব্রুম মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসার পর কীর্তি চক্রবর্তীকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে সাব্রুম থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং এই ঘটনায় ১-২০২৪ নম্বরের একটি মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে।
- ত্রিপুরার বনমন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মা শনিবার, ৩০ মে, আগরতলার প্রজ্ঞা ভবনে 'ফরেস্ট ইন্টিগ্রেটেড জিওস্পেশিয়াল সলিউশন' অ্যাপ্লিকেশনটির উদ্বোধন করেছেন। এটি ত্রিপুরায় টেকসই জলাধারভিত্তিক বন ব্যবস্থাপনা প্রকল্প এবং বন দপ্তরের উদ্যোগে চালু করা হয়েছে। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বন দপ্তরের প্রধান সচিব রবীন্দ্র কুমার সামল সহ অন্যান্য আধিকারিকগণ উপস্থিত ছিলেন। বন ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মটি চালু করা হয়েছে। জিআইএস, রিমোট সেন্সিং, মোবাইলভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ এবং ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এই প্ল্যাটফর্ম বন ও জলাধার ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন তথ্য একত্রিত করে দ্রুত পর্যবেক্ষণ ও কার্যকর পরিকল্পনা তৈরিতে সহায়তা করবে।1
- Post by Biswagit Das2
- বিধায়কদের একটি প্রতিনিধি দল সম্প্রতি অসমাপ্ত সরকারি কাজগুলি পরিদর্শন করেছেন। এই পরিদর্শনের পর প্রতিনিধি দলটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কাজগুলি দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন।1
- সংস্কৃতির শহর খোয়াই আবারও পরকীয়ার ঘটনায় শিরোনামে এসেছে, যেখানে একজন সরকারি কর্মচারীকে তার স্ত্রী হাতেনাতে অন্য এক মহিলার সঙ্গে ধরেছেন। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, উপেন্দ্র দেববর্মা নামে ওই সরকারি কর্মচারী খোয়াইয়ের একটি বি পি সি বাড়িতে নিজের স্ত্রী এবং চার সন্তান থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে অন্য এক মহিলার সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত ছিলেন। প্রমাণের অভাবে তার স্ত্রী এতদিন তাকে ধরতে পারছিলেন না। তবে আজ সব তথ্য হাতে আসার পর স্ত্রী সরাসরি বাড়িতে গিয়ে তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এরপর শুরু হয় দৌড়ঝাঁপ এবং এক পর্যায়ে পরকীয়ায় লিপ্ত থাকা ওই অন্য মহিলা দা নিয়ে স্ত্রীর দিকে তেড়ে আসেন। খবর পেয়ে খোয়াই মহিলা থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এই গোটা ঘটনায় সামাজিক অবক্ষয়ের চিত্র প্রকাশ্যে আসায় সংস্কৃতিমনস্ক খোয়াই শহরের জনগণ লজ্জায় মুখ ঢাকছেন।4
- খোয়াইতে এক সরকারি কর্মচারী উপেন্দ্র দেববর্মা নিজের স্ত্রী ও চার সন্তান থাকা সত্ত্বেও অন্য এক মহিলার সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত থাকার অভিযোগে হাতেনাতে ধরা পড়েছেন। এই ঘটনা খোয়াইয়ের বি পি সি পাড়ায় ঘটেছে। জানা গেছে, উপেন্দ্র দেববর্মা বহুদিন ধরেই বি পি সি পাড়ার একটি বাড়িতে তার স্ত্রী ও সন্তানদের অগোচরে অন্য এক মহিলার সাথে ফষ্টিনষ্টি করে আসছিলেন। অবশেষে তার স্ত্রী তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন।1
- সরকার তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ না করায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে, 'আত্মসমর্পণকারী বৈরীরা' ৫ জুন থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য জাতীয় সড়ক ও রেল অবরোধের ডাক দিয়েছে। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শনিবার এক সাংবাদিক সম্মেলন আয়োজন করে এই প্রতিবাদ কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেছেন।1
- ত্রিপুরার সাব্রুম মহকুমায় ২০২২ সালের ৩০শে ডিসেম্বর এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সাব্রুম মাইকেল মধুসূদন দত্ত কলেজের শিক্ষিকা কীর্তি চক্রবর্তীর মৃত্যুর ঘটনায় আদালত বাইক আরোহী গৌতম দাসকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দিয়েছে। ঘটনাটি সন্ধ্যা প্রায় ৫:৩০ ঘটিকার সময় সাব্রুম-আগরতলা ০৮ নং জাতীয় সড়কে চতুর্থদেবতার বাড়ীর সামনে ঘটেছিল। শিক্ষিকা কীর্তি চক্রবর্তী তার স্বামী তপন কুমার রায়ের সাথে বামপাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন, সেই সময় দমদমা শাস্ত্রী কলোনীর দাস পল্লীর বাসিন্দা গৌতম দাস তার TR03-E-8046 নম্বরের মোটর বাইক নিয়ে পেছন দিক থেকে তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। ঘটনার পরপরই সাব্রুম দমকল বাহিনীর কর্মীরা আহত কীর্তি চক্রবর্তীকে সাব্রুম মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্মরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে সাব্রুম থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং এই মর্মে সাব্রুম থানা 1-2024 নম্বরের একটি মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে। মহামান্য আদালত, সাব্রুম মহকুমা এডিশনাল সেশনস জজ অসিত দেবনাথ মহাশয়ের এজলাসে এই মামলার শুনানিতে মোট ১৯ জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। সকল সাক্ষ্যপ্রমাণ বিবেচনা করে আদালত আজ মোটর বাইক আরোহী গৌতম দাসকে দোষী সাব্যস্ত করে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে। এছাড়াও, তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও এক বছরের অতিরিক্ত কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।1