Shuru
Apke Nagar Ki App…
খোয়াইতে এক সরকারি কর্মচারী উপেন্দ্র দেববর্মা নিজের স্ত্রী ও চার সন্তান থাকা সত্ত্বেও অন্য এক মহিলার সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত থাকার অভিযোগে হাতেনাতে ধরা পড়েছেন। এই ঘটনা খোয়াইয়ের বি পি সি পাড়ায় ঘটেছে। জানা গেছে, উপেন্দ্র দেববর্মা বহুদিন ধরেই বি পি সি পাড়ার একটি বাড়িতে তার স্ত্রী ও সন্তানদের অগোচরে অন্য এক মহিলার সাথে ফষ্টিনষ্টি করে আসছিলেন। অবশেষে তার স্ত্রী তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন।
Subhankar Dey
খোয়াইতে এক সরকারি কর্মচারী উপেন্দ্র দেববর্মা নিজের স্ত্রী ও চার সন্তান থাকা সত্ত্বেও অন্য এক মহিলার সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত থাকার অভিযোগে হাতেনাতে ধরা পড়েছেন। এই ঘটনা খোয়াইয়ের বি পি সি পাড়ায় ঘটেছে। জানা গেছে, উপেন্দ্র দেববর্মা বহুদিন ধরেই বি পি সি পাড়ার একটি বাড়িতে তার স্ত্রী ও সন্তানদের অগোচরে অন্য এক মহিলার সাথে ফষ্টিনষ্টি করে আসছিলেন। অবশেষে তার স্ত্রী তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন।
More news from ত্রিপুরা and nearby areas
- একটি পাড়ায় অশ্লীল আচরণের কারণে সেখানে আতঙ্ক ও অস্বস্তি ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় মহিলারা অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।1
- সরকার তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ না করায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে, 'আত্মসমর্পণকারী বৈরীরা' ৫ জুন থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য জাতীয় সড়ক ও রেল অবরোধের ডাক দিয়েছে। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শনিবার এক সাংবাদিক সম্মেলন আয়োজন করে এই প্রতিবাদ কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেছেন।1
- আজ সারা ভারত কৃষক সভা এবং সি আই টি ইউর প্রতিষ্ঠা দিবস।1
- উত্তর ত্রিপুরার কদমতলা ব্লকের উদ্যোগে বড়গোল গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় গ্রামীণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চারটি গুরুত্বপূর্ণ জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে উত্তর ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক চাঁদনী চন্দ্রন এই কর্মসূচির শুভ সূচনা করেন। অনুষ্ঠানে কদমতলা সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক উৎপল দাস, কদমতলা পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান মিহির রঞ্জন নাথ, কদমতলা সামাজিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মেডিক্যাল অফিসার ডা. সন্দীপ দেবসহ প্রশাসন, স্বাস্থ্য দপ্তর ও পঞ্চায়েতের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলাশাসক চাঁদনী চন্দ্রন জানান যে, সুস্থ ও সচেতন সমাজ গঠনে স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি, আর সেই লক্ষ্যেই কদমতলা ব্লকে ‘সুস্বাস্থ্য গ্রাম পঞ্চায়েত’ গঠনের বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, সাপ্তাহিক শিশু পুষ্টি কর্মসূচি, স্বাস্থ্যবিমা শিবির, ‘বীরাঙ্গনা নারী শক্তি’ প্রকল্প, রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি এবং ‘পশু মিত্র সেবা’র মতো বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগণের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। জেলাশাসক উল্লেখ করেন, কদমতলা ব্লকের অধীন সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েতে শতভাগ স্বাস্থ্যবিমা কভারেজ এবং প্রত্যেক বাসিন্দার রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা জরুরি স্বাস্থ্যসেবায় দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে সহায়ক হবে। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে কদমতলা সামাজিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্যোগে একটি বিশেষ স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়, যেখানে বহু মানুষ বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ গ্রহণ করেন। এছাড়াও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে একটি চক্ষু চিকিৎসা শিবির অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে চোখের বিভিন্ন সমস্যার পরীক্ষা ও পরামর্শ প্রদান করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন যে, এ ধরনের স্বাস্থ্যভিত্তিক কর্মসূচি গ্রামীণ এলাকায় স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াবে এবং উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা গ্রহণের সুযোগকে আরও সহজ করবে। তাঁদের মতে, প্রশাসনের এই পদক্ষেপ সুস্থ, সচেতন ও আত্মনির্ভর গ্রাম গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।1
- ১০৯৮ চাইল্ড লাইনে প্রাপ্ত একটি অভিযোগের ভিত্তিতে গত শুক্রবার পানিসাগর মহকুমার নয়দ্রোন এলাকায় চাইল্ড লাইনের আধিকারিকরা একটি অভিযান পরিচালনা করেন। এই অভিযানে প্রায় দুই বছর আগে ঘটে যাওয়া এক নাবালক ও নাবালিকার বাল্যবিবাহের ঘটনা উদঘাটিত হয়। তদন্তে জানা গেছে, বর্তমানে ছেলেটির বয়স ১৯ বছর ৪ মাস এবং মেয়েটির বয়স ১৫ বছর ৬ মাস। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই নাবালিকাটি বর্তমানে গর্ভবতী। ঘটনার তদন্তের পর চাইল্ড লাইনের পক্ষ থেকে নাবালিকার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করা হয়। দীর্ঘ আলোচনার পর পরিবার সম্মতি জানায় যে, মেয়েটি ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কাছেই থাকবে। ছেলের পরিবারও এই বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। পরবর্তীতে, চাইল্ড লাইনের আধিকারিকরা ও ছেলের পরিবারের সদস্যরা ধর্মনগরের আলগাপুর এলাকায় গিয়ে নাবালিকাকে তার পরিবারের হাতে তুলে দেন। এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন পানিসাগরের ডিসিএম বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য, চাইল্ড লাইনের কর্মকর্তারা এবং পানিসাগর থানার পুলিশ। এই ঘটনাটি এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ক্রমবর্ধমান বাল্যবিবাহের ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে।4
- এক ব্যক্তি তার জীবনের একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা প্রকাশ করেছেন। তার বর্ণনা অনুযায়ী, তার স্ত্রী অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার পর, তিনি সেই ব্যক্তির স্ত্রীকেই বিয়ে করে নিয়েছেন।1
- রাষ্ট্রীয় সমাচারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোকে কেন্দ্র করে ত্রিপুরায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। একটি ভাইরাল অডিও কল রেকর্ড ঘিরে রাজ্যজুড়ে তীব্র বিতর্ক ও জোর চর্চা চলছে, যা সোশ্যাল মিডিয়াতেও আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।1
- সাব্রুম মহকুমা আদালত আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছে, যেখানে এক মোটর বাইক আরোহীকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে আরও এক বছর অতিরিক্ত জেল খাটতে হবে। সাব্রুম মহকুমা এডিশনাল সেশন জজ অসিত দেবনাথ ১৯ জন সাক্ষীর জবানবন্দি শোনার পর এই রায় ঘোষণা করেছেন। ঘটনাটি ২০২২ সালের ৩০শে ডিসেম্বর সন্ধ্যা প্রায় ৫:৩০ ঘটিকায় সাব্রুম-আগরতলা ০৮- নং জাতীয় সড়কে চতুর্থদেবতার বাড়ীর সামনে ঘটেছিল। সাব্রুম মাইকেল মধুসূদন দত্ত কলেজের শিক্ষিকা কীর্তি চক্রবর্তী তার স্বামী তপন কুমার রায়ের সাথে বামপাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। সেই সময় দমদমা শাস্ত্রী কলোনীর দাস পল্লীর বাসিন্দা গৌতম দাস (মোটর বাইক নম্বর TR03-E-8046) দ্রুত গতিতে পেছন দিক থেকে এসে শিক্ষিকা কীর্তি চক্রবর্তীকে ধাক্কা দেন। দুর্ঘটনার পরপরই সাব্রুম দমকল বাহিনীর কর্মীরা তাকে সাব্রুম মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসার পর কীর্তি চক্রবর্তীকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে সাব্রুম থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং এই ঘটনায় ১-২০২৪ নম্বরের একটি মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে।1
- ত্রিপুরার লেফুঙ্গা থানার অধীন লেম্বুছড়া পুলিশ ফাঁড়ির কালাপানিয়া এলাকায় একটি ছাগল নিয়ে ঝগড়াকে কেন্দ্র করে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, একটি বাড়িতে ঢুকে মারধর এবং ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু লেম্বুছড়া ফাঁড়ির পুলিশ মামলা নিতে অস্বীকার করেছে। ঘটনাটি সন্ধ্যা রাতে রাজমোহন সরকারের বাড়িতে ঘটে। শঙ্কর সরকার, রিনা সরকার, হীরক সরকার, হরকুমার সরকার, শ্যামল দাস, মানিক সরকার, আরতি সরকার, সুজিত সরকার, প্রণতি সরকার এবং প্রতিমা সরকার নামে মোট দশজনের বিরুদ্ধে রাজমোহন সরকারের মেয়ে, স্ত্রী এবং শালিকাকে মারধর ও ধর্ষণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আক্রান্ত পরিবারটি যখন লেম্বুছড়া ফাঁড়িতে মামলা করতে যায়, তখন ফাঁড়ির সেকেন্ড অফিসার সন্তোষ দেববর্মা তাদের অভিযোগ গ্রহণ করেননি বলে গুরুতর অভিযোগ করা হয়েছে। বাড়িতে ঢুকে ধর্ষণের চেষ্টা ও মারপিটের মতো গুরুতর অভিযোগ সত্ত্বেও পুলিশের এমন মামলা নিতে অস্বীকার করা ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।1