১০৯৮ চাইল্ড লাইনে প্রাপ্ত একটি অভিযোগের ভিত্তিতে গত শুক্রবার পানিসাগর মহকুমার নয়দ্রোন এলাকায় চাইল্ড লাইনের আধিকারিকরা একটি অভিযান পরিচালনা করেন। এই অভিযানে প্রায় দুই বছর আগে ঘটে যাওয়া এক নাবালক ও নাবালিকার বাল্যবিবাহের ঘটনা উদঘাটিত হয়। তদন্তে জানা গেছে, বর্তমানে ছেলেটির বয়স ১৯ বছর ৪ মাস এবং মেয়েটির বয়স ১৫ বছর ৬ মাস। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই নাবালিকাটি বর্তমানে গর্ভবতী। ঘটনার তদন্তের পর চাইল্ড লাইনের পক্ষ থেকে নাবালিকার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করা হয়। দীর্ঘ আলোচনার পর পরিবার সম্মতি জানায় যে, মেয়েটি ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কাছেই থাকবে। ছেলের পরিবারও এই বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। পরবর্তীতে, চাইল্ড লাইনের আধিকারিকরা ও ছেলের পরিবারের সদস্যরা ধর্মনগরের আলগাপুর এলাকায় গিয়ে নাবালিকাকে তার পরিবারের হাতে তুলে দেন। এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন পানিসাগরের ডিসিএম বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য, চাইল্ড লাইনের কর্মকর্তারা এবং পানিসাগর থানার পুলিশ। এই ঘটনাটি এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ক্রমবর্ধমান বাল্যবিবাহের ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে।
১০৯৮ চাইল্ড লাইনে প্রাপ্ত একটি অভিযোগের ভিত্তিতে গত শুক্রবার পানিসাগর মহকুমার নয়দ্রোন এলাকায় চাইল্ড লাইনের আধিকারিকরা একটি অভিযান পরিচালনা করেন। এই অভিযানে প্রায় দুই বছর আগে ঘটে যাওয়া এক নাবালক ও নাবালিকার বাল্যবিবাহের ঘটনা উদঘাটিত হয়। তদন্তে জানা গেছে,
বর্তমানে ছেলেটির বয়স ১৯ বছর ৪ মাস এবং মেয়েটির বয়স ১৫ বছর ৬ মাস। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই নাবালিকাটি বর্তমানে গর্ভবতী। ঘটনার তদন্তের পর চাইল্ড লাইনের পক্ষ থেকে নাবালিকার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করা হয়। দীর্ঘ আলোচনার পর পরিবার সম্মতি
জানায় যে, মেয়েটি ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কাছেই থাকবে। ছেলের পরিবারও এই বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। পরবর্তীতে, চাইল্ড লাইনের আধিকারিকরা ও ছেলের পরিবারের সদস্যরা ধর্মনগরের আলগাপুর এলাকায় গিয়ে নাবালিকাকে তার পরিবারের হাতে তুলে দেন। এই অভিযানে
নেতৃত্ব দেন পানিসাগরের ডিসিএম বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য, চাইল্ড লাইনের কর্মকর্তারা এবং পানিসাগর থানার পুলিশ। এই ঘটনাটি এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ক্রমবর্ধমান বাল্যবিবাহের ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে।
- উত্তর ত্রিপুরার কদমতলা ব্লকের উদ্যোগে বড়গোল গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় গ্রামীণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চারটি গুরুত্বপূর্ণ জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে উত্তর ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক চাঁদনী চন্দ্রন এই কর্মসূচির শুভ সূচনা করেন। অনুষ্ঠানে কদমতলা সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক উৎপল দাস, কদমতলা পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান মিহির রঞ্জন নাথ, কদমতলা সামাজিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মেডিক্যাল অফিসার ডা. সন্দীপ দেবসহ প্রশাসন, স্বাস্থ্য দপ্তর ও পঞ্চায়েতের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলাশাসক চাঁদনী চন্দ্রন জানান যে, সুস্থ ও সচেতন সমাজ গঠনে স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি, আর সেই লক্ষ্যেই কদমতলা ব্লকে ‘সুস্বাস্থ্য গ্রাম পঞ্চায়েত’ গঠনের বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, সাপ্তাহিক শিশু পুষ্টি কর্মসূচি, স্বাস্থ্যবিমা শিবির, ‘বীরাঙ্গনা নারী শক্তি’ প্রকল্প, রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি এবং ‘পশু মিত্র সেবা’র মতো বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগণের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। জেলাশাসক উল্লেখ করেন, কদমতলা ব্লকের অধীন সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েতে শতভাগ স্বাস্থ্যবিমা কভারেজ এবং প্রত্যেক বাসিন্দার রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা জরুরি স্বাস্থ্যসেবায় দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে সহায়ক হবে। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে কদমতলা সামাজিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্যোগে একটি বিশেষ স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়, যেখানে বহু মানুষ বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ গ্রহণ করেন। এছাড়াও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে একটি চক্ষু চিকিৎসা শিবির অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে চোখের বিভিন্ন সমস্যার পরীক্ষা ও পরামর্শ প্রদান করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন যে, এ ধরনের স্বাস্থ্যভিত্তিক কর্মসূচি গ্রামীণ এলাকায় স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াবে এবং উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা গ্রহণের সুযোগকে আরও সহজ করবে। তাঁদের মতে, প্রশাসনের এই পদক্ষেপ সুস্থ, সচেতন ও আত্মনির্ভর গ্রাম গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।1
- ১০৯৮ চাইল্ড লাইনে প্রাপ্ত একটি অভিযোগের ভিত্তিতে গত শুক্রবার পানিসাগর মহকুমার নয়দ্রোন এলাকায় চাইল্ড লাইনের আধিকারিকরা একটি অভিযান পরিচালনা করেন। এই অভিযানে প্রায় দুই বছর আগে ঘটে যাওয়া এক নাবালক ও নাবালিকার বাল্যবিবাহের ঘটনা উদঘাটিত হয়। তদন্তে জানা গেছে, বর্তমানে ছেলেটির বয়স ১৯ বছর ৪ মাস এবং মেয়েটির বয়স ১৫ বছর ৬ মাস। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই নাবালিকাটি বর্তমানে গর্ভবতী। ঘটনার তদন্তের পর চাইল্ড লাইনের পক্ষ থেকে নাবালিকার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করা হয়। দীর্ঘ আলোচনার পর পরিবার সম্মতি জানায় যে, মেয়েটি ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কাছেই থাকবে। ছেলের পরিবারও এই বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। পরবর্তীতে, চাইল্ড লাইনের আধিকারিকরা ও ছেলের পরিবারের সদস্যরা ধর্মনগরের আলগাপুর এলাকায় গিয়ে নাবালিকাকে তার পরিবারের হাতে তুলে দেন। এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন পানিসাগরের ডিসিএম বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য, চাইল্ড লাইনের কর্মকর্তারা এবং পানিসাগর থানার পুলিশ। এই ঘটনাটি এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ক্রমবর্ধমান বাল্যবিবাহের ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে।4
- সংস্কৃতির শহর খোয়াই আবারও পরকীয়ার ঘটনায় শিরোনামে এসেছে, যেখানে একজন সরকারি কর্মচারীকে তার স্ত্রী হাতেনাতে অন্য এক মহিলার সঙ্গে ধরেছেন। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, উপেন্দ্র দেববর্মা নামে ওই সরকারি কর্মচারী খোয়াইয়ের একটি বি পি সি বাড়িতে নিজের স্ত্রী এবং চার সন্তান থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে অন্য এক মহিলার সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত ছিলেন। প্রমাণের অভাবে তার স্ত্রী এতদিন তাকে ধরতে পারছিলেন না। তবে আজ সব তথ্য হাতে আসার পর স্ত্রী সরাসরি বাড়িতে গিয়ে তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এরপর শুরু হয় দৌড়ঝাঁপ এবং এক পর্যায়ে পরকীয়ায় লিপ্ত থাকা ওই অন্য মহিলা দা নিয়ে স্ত্রীর দিকে তেড়ে আসেন। খবর পেয়ে খোয়াই মহিলা থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এই গোটা ঘটনায় সামাজিক অবক্ষয়ের চিত্র প্রকাশ্যে আসায় সংস্কৃতিমনস্ক খোয়াই শহরের জনগণ লজ্জায় মুখ ঢাকছেন।4
- খোয়াইতে এক সরকারি কর্মচারী উপেন্দ্র দেববর্মা নিজের স্ত্রী ও চার সন্তান থাকা সত্ত্বেও অন্য এক মহিলার সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত থাকার অভিযোগে হাতেনাতে ধরা পড়েছেন। এই ঘটনা খোয়াইয়ের বি পি সি পাড়ায় ঘটেছে। জানা গেছে, উপেন্দ্র দেববর্মা বহুদিন ধরেই বি পি সি পাড়ার একটি বাড়িতে তার স্ত্রী ও সন্তানদের অগোচরে অন্য এক মহিলার সাথে ফষ্টিনষ্টি করে আসছিলেন। অবশেষে তার স্ত্রী তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন।1
- ত্রিপুরার বনমন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মা শনিবার, ৩০ মে, আগরতলার প্রজ্ঞা ভবনে 'ফরেস্ট ইন্টিগ্রেটেড জিওস্পেশিয়াল সলিউশন' অ্যাপ্লিকেশনটির উদ্বোধন করেছেন। এটি ত্রিপুরায় টেকসই জলাধারভিত্তিক বন ব্যবস্থাপনা প্রকল্প এবং বন দপ্তরের উদ্যোগে চালু করা হয়েছে। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বন দপ্তরের প্রধান সচিব রবীন্দ্র কুমার সামল সহ অন্যান্য আধিকারিকগণ উপস্থিত ছিলেন। বন ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মটি চালু করা হয়েছে। জিআইএস, রিমোট সেন্সিং, মোবাইলভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ এবং ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এই প্ল্যাটফর্ম বন ও জলাধার ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন তথ্য একত্রিত করে দ্রুত পর্যবেক্ষণ ও কার্যকর পরিকল্পনা তৈরিতে সহায়তা করবে।1
- ত্রিপুরার সাব্রুম মহকুমায় ২০২২ সালের ৩০শে ডিসেম্বর এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সাব্রুম মাইকেল মধুসূদন দত্ত কলেজের শিক্ষিকা কীর্তি চক্রবর্তীর মৃত্যুর ঘটনায় আদালত বাইক আরোহী গৌতম দাসকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দিয়েছে। ঘটনাটি সন্ধ্যা প্রায় ৫:৩০ ঘটিকার সময় সাব্রুম-আগরতলা ০৮ নং জাতীয় সড়কে চতুর্থদেবতার বাড়ীর সামনে ঘটেছিল। শিক্ষিকা কীর্তি চক্রবর্তী তার স্বামী তপন কুমার রায়ের সাথে বামপাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন, সেই সময় দমদমা শাস্ত্রী কলোনীর দাস পল্লীর বাসিন্দা গৌতম দাস তার TR03-E-8046 নম্বরের মোটর বাইক নিয়ে পেছন দিক থেকে তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। ঘটনার পরপরই সাব্রুম দমকল বাহিনীর কর্মীরা আহত কীর্তি চক্রবর্তীকে সাব্রুম মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্মরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে সাব্রুম থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং এই মর্মে সাব্রুম থানা 1-2024 নম্বরের একটি মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে। মহামান্য আদালত, সাব্রুম মহকুমা এডিশনাল সেশনস জজ অসিত দেবনাথ মহাশয়ের এজলাসে এই মামলার শুনানিতে মোট ১৯ জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। সকল সাক্ষ্যপ্রমাণ বিবেচনা করে আদালত আজ মোটর বাইক আরোহী গৌতম দাসকে দোষী সাব্যস্ত করে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে। এছাড়াও, তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও এক বছরের অতিরিক্ত কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।1