দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলার মোল্লারগেট এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মঙ্গলবার তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। এক অটোযাত্রীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সন্তোষপুর-মোল্লারগেট রুটের অটোচালকরা তাঁদের পরিষেবা বন্ধ রেখে হাসপাতালের বাইরে ও ভিতরে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান। ঘটনার সূত্রপাত হয় সোমবার, যখন সন্তোষপুর স্টেশন থেকে মোল্লারগেটের দিকে আসা একটি যাত্রীবাহী অটো খালপোল এলাকার কাছে রাস্তার ধারের একটি দেওয়ালের লোহার রডে ধাক্কা খায়। এতে একজন যাত্রী গুরুতর জখম হন। অটোচালকরাই তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে মোল্লারগেটের বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু তাদের অভিযোগ, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর গুরুতর আহত ওই যাত্রীকে কোনো চিকিৎসা না দিয়েই অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। অটোচালকরা বারবার চিকিৎসা শুরু করার অনুরোধ জানালেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাতে সাড়া দেয়নি বলে অভিযোগ। পরে আহত ব্যক্তিকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। মৃত যাত্রীর নাম অমূল্য রায়, তাঁর বয়স ৮০ বছর। এই ঘটনায় অটোচালকরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। মঙ্গলবার সন্তোষপুর ও মোল্লারগেট রুটের সমস্ত অটোচালক পরিষেবা বন্ধ রেখে বিক্ষোভে সামিল হন। তাঁদের দাবি, আহত যাত্রী তাঁদের পরিচিত না হলেও মানবিকতার খাতিরেই তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, কিন্তু সময়মতো প্রাথমিক চিকিৎসা না মেলায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। দীর্ঘক্ষণ ধরে হাসপাতালের বাইরে ও ভিতরে বিক্ষোভ চলার পর মহেশতলা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের শান্ত করার চেষ্টা করে। অটোচালকদের অভিযোগের ভিত্তিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এই ঘটনায় তাঁরা থানায় অভিযোগ দায়ের করবেন বলেও জানিয়েছেন।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলার মোল্লারগেট এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মঙ্গলবার তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। এক অটোযাত্রীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সন্তোষপুর-মোল্লারগেট রুটের অটোচালকরা তাঁদের পরিষেবা বন্ধ রেখে হাসপাতালের বাইরে ও ভিতরে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান। ঘটনার সূত্রপাত হয় সোমবার, যখন সন্তোষপুর স্টেশন থেকে মোল্লারগেটের দিকে আসা একটি যাত্রীবাহী অটো খালপোল এলাকার কাছে রাস্তার ধারের একটি দেওয়ালের লোহার রডে ধাক্কা খায়। এতে একজন যাত্রী গুরুতর জখম হন। অটোচালকরাই তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে মোল্লারগেটের বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু তাদের অভিযোগ, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর গুরুতর আহত ওই যাত্রীকে কোনো চিকিৎসা না দিয়েই অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। অটোচালকরা বারবার চিকিৎসা শুরু করার অনুরোধ জানালেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাতে সাড়া দেয়নি বলে অভিযোগ। পরে আহত ব্যক্তিকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। মৃত যাত্রীর নাম অমূল্য রায়, তাঁর বয়স ৮০ বছর। এই ঘটনায় অটোচালকরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। মঙ্গলবার সন্তোষপুর ও মোল্লারগেট রুটের সমস্ত অটোচালক পরিষেবা বন্ধ রেখে বিক্ষোভে সামিল হন। তাঁদের দাবি, আহত যাত্রী তাঁদের পরিচিত না হলেও মানবিকতার খাতিরেই তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, কিন্তু সময়মতো প্রাথমিক চিকিৎসা না মেলায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। দীর্ঘক্ষণ ধরে হাসপাতালের বাইরে ও ভিতরে বিক্ষোভ চলার পর মহেশতলা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের শান্ত করার চেষ্টা করে। অটোচালকদের অভিযোগের ভিত্তিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এই ঘটনায় তাঁরা থানায় অভিযোগ দায়ের করবেন বলেও জানিয়েছেন।
- পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকারের আগমনে মাধবপুর গ্রামের সকল বাসিন্দা আজ আনন্দিত। মাধবপুর এক নম্বর বুথের সমগ্র গ্রাম উৎসবে মুখরিত হয়ে উঠেছে, যেখানে ছোট থেকে বড় সকলেই আনন্দের সাথে বিজয় মিছিলে অংশ নিয়েছে। গ্রামবাসীরা একসঙ্গে নতুন সরকারের আগমনকে উদযাপন করছেন।1
- দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলার মোল্লারগেট এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মঙ্গলবার তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। এক অটোযাত্রীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সন্তোষপুর-মোল্লারগেট রুটের অটোচালকরা তাঁদের পরিষেবা বন্ধ রেখে হাসপাতালের বাইরে ও ভিতরে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান। ঘটনার সূত্রপাত হয় সোমবার, যখন সন্তোষপুর স্টেশন থেকে মোল্লারগেটের দিকে আসা একটি যাত্রীবাহী অটো খালপোল এলাকার কাছে রাস্তার ধারের একটি দেওয়ালের লোহার রডে ধাক্কা খায়। এতে একজন যাত্রী গুরুতর জখম হন। অটোচালকরাই তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে মোল্লারগেটের বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু তাদের অভিযোগ, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর গুরুতর আহত ওই যাত্রীকে কোনো চিকিৎসা না দিয়েই অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। অটোচালকরা বারবার চিকিৎসা শুরু করার অনুরোধ জানালেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাতে সাড়া দেয়নি বলে অভিযোগ। পরে আহত ব্যক্তিকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। মৃত যাত্রীর নাম অমূল্য রায়, তাঁর বয়স ৮০ বছর। এই ঘটনায় অটোচালকরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। মঙ্গলবার সন্তোষপুর ও মোল্লারগেট রুটের সমস্ত অটোচালক পরিষেবা বন্ধ রেখে বিক্ষোভে সামিল হন। তাঁদের দাবি, আহত যাত্রী তাঁদের পরিচিত না হলেও মানবিকতার খাতিরেই তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, কিন্তু সময়মতো প্রাথমিক চিকিৎসা না মেলায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। দীর্ঘক্ষণ ধরে হাসপাতালের বাইরে ও ভিতরে বিক্ষোভ চলার পর মহেশতলা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের শান্ত করার চেষ্টা করে। অটোচালকদের অভিযোগের ভিত্তিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এই ঘটনায় তাঁরা থানায় অভিযোগ দায়ের করবেন বলেও জানিয়েছেন।1
- পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসন ফিরে এসেছে বলে জানানো হয়েছে। মমতা জমানার পুরনো দাপট এবং পেশিশক্তির অভ্যাসের কারণে 'পুষ্পা দ্য ফ্লাওয়ার'-এর ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা, এমনকি তাঁর স্ত্রীও পুলিশকে চাপে রাখতেন। তবে, যারা এতদিন ক্ষমতার ছত্রছায়ায় নিজেদের সরকার মনে করতেন, তাদেরও এখন বুঝতে হচ্ছে যে পশ্চিমবঙ্গে আইনই শেষ কথা। এর মাধ্যমে 'পুষ্পারাজ' শেষ হয়েছে এবং আইনের শাসন শুরু হয়েছে।1
- দক্ষিণ পূর্ব রেলের হাওড়া খড়গপুর শাখার মৌরিগ্রাম রেল স্টেশনে মঙ্গলবার দুপুরে এক ভয়ংকর ঘটনা ঘটে, যেখানে প্রকাশ্যে এক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তিকে ছুরি মেরে খুন করে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে মৌরি স্টেশন চত্বরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। দিনে দুপুরে রেল স্টেশনে এমন এক হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশি তৎপরতায় অপরাধকারীকে অর্থসহ আটক করা হয়েছে।1
- তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আবারও ‘বন্ধুত্বে’র আহ্বান জানিয়েছেন হুমায়ুন। তিনি সরাসরি মমতাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, “মমতা আমাকে শেয়ারিংয়ে নিন।” এটি ফের তৃণমূলনেত্রীর প্রতি হুমায়ুনের পক্ষ থেকে একটি আবেদন।1
- দক্ষিণ পূর্ব রেলের তরফে বাগনান রেল স্টেশন চত্বরে হকার উচ্ছেদের নোটিশ জারির প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকালে সিআইটিইউ বাগনান লোকাল সমন্বয় কমিটি একটি বিক্ষোভ ও ডেপুটেশন কর্মসূচি পালন করেছে। বিক্ষোভকারী হকাররা অভিযোগ করেছেন যে, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ কোনো সুনির্দিষ্ট পুনর্বাসনের ব্যবস্থা ছাড়াই তাঁদের উচ্ছেদের নোটিশ দিয়েছে। হকারদের আশঙ্কা, এই সিদ্ধান্তের ফলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং তাঁদের পরিবারের জীবিকা মারাত্মক সংকটের মুখে পড়বে। সিআইটিইউ সংগঠনের পক্ষ থেকে অবিলম্বে হকারদের পুনর্বাসন নিশ্চিত করা, তাঁদের পরিচয়পত্র প্রদান এবং আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবি জানানো হয়েছে। এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সিপিআইএম-এর প্রাক্তন বিধায়ক আক্কেল আলি এবং ভাস্কর রায় উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা স্টেশন ম্যানেজারকে একটি ডেপুটেশনও জমা দেন। সিআইটিইউ নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, হকারদের স্বার্থ রক্ষায় তাঁদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। প্রয়োজনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলেও তাঁরা সতর্ক করেছেন।1
- হাওড়া জেলার জগৎবল্লভপুরে আয়োজিত জনকল্যাণ শিবিরে এর প্রথম দিনেই উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।1
- ককরোচ পার্টির প্রতিষ্ঠাতার উপর হামলা চালানো ৫ জন দুষ্কৃতী জামিন পেয়েছেন। এই দুষ্কৃতীরা জামিন পাওয়ার পর, 'অন্ধ ভক্ত'রা তাঁদের জেল থেকে বের করে নিয়ে যান। এই সময় 'অপরাধীদের' মালা পরানো হয় এবং 'জয়শ্রী রাম' স্লোগান দিয়ে তাঁদের বরণ করা হয়।1