ময়নাগুড়িতে চাপে পড়ে বিজেপির প্রার্থীবদল, প্রশ্নের মুখে সংগঠন দফায় দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করলেও, ময়নাগুড়িতে এসে কার্যত চাপে পড়ে প্রার্থী বদল করতে হল বিজেপিকে। প্রথম দফায় কৌশিক রায়কে প্রার্থী ঘোষণা করা হলেও, স্থানীয় স্তরে ব্যাপক অসন্তোষ সামনে আসে। দলের কর্মী-সমর্থকদের একাংশ সরাসরি প্রার্থীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং দ্রুত প্রার্থী পরিবর্তনের দাবি তোলে। এই ঘটনায় স্পষ্ট হয়ে যায়, প্রার্থী ঘোষণার আগে স্থানীয় সংগঠনের মতামত যথাযথভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত বদল করে বিজেপি নেতৃত্ব। শেষমেশ ময়নাগুড়ি কেন্দ্রের নতুন প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয় ডালিম রায়ের নাম। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই প্রার্থী পরিবর্তন বিজেপির অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের অভাবকেই সামনে নিয়ে এসেছে। নির্বাচনের মুখে এমন অস্থিরতা দলের সাংগঠনিক দুর্বলতাকেই প্রকাশ করছে বলে মত বিশ্লেষকদের। এদিকে, হঠাৎ প্রার্থী বদলে কর্মী-সমর্থকদের একাংশের মধ্যে বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ আরও বেড়েছে বলেও খবর। ফলে ময়নাগুড়িতে বিজেপির নির্বাচনী লড়াই কতটা সুসংগঠিত হবে, তা নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
ময়নাগুড়িতে চাপে পড়ে বিজেপির প্রার্থীবদল, প্রশ্নের মুখে সংগঠন দফায় দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করলেও, ময়নাগুড়িতে এসে কার্যত চাপে পড়ে প্রার্থী বদল করতে হল বিজেপিকে। প্রথম দফায় কৌশিক রায়কে প্রার্থী ঘোষণা করা হলেও, স্থানীয় স্তরে ব্যাপক অসন্তোষ সামনে আসে। দলের কর্মী-সমর্থকদের একাংশ সরাসরি প্রার্থীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং দ্রুত প্রার্থী পরিবর্তনের দাবি তোলে। এই ঘটনায় স্পষ্ট হয়ে যায়, প্রার্থী ঘোষণার আগে স্থানীয় সংগঠনের মতামত যথাযথভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত বদল করে বিজেপি নেতৃত্ব। শেষমেশ ময়নাগুড়ি কেন্দ্রের নতুন প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয় ডালিম রায়ের নাম। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই প্রার্থী পরিবর্তন বিজেপির অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের অভাবকেই সামনে নিয়ে এসেছে। নির্বাচনের মুখে এমন অস্থিরতা দলের সাংগঠনিক দুর্বলতাকেই প্রকাশ করছে বলে মত বিশ্লেষকদের। এদিকে, হঠাৎ প্রার্থী বদলে কর্মী-সমর্থকদের একাংশের মধ্যে বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ আরও বেড়েছে বলেও খবর। ফলে ময়নাগুড়িতে বিজেপির নির্বাচনী লড়াই কতটা সুসংগঠিত হবে, তা নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
- জলপাইগুড়িতে বৃদ্ধাকে নৃশংসভাবে খুনের ঘটনায় বড় সাফল্য পেল পুলিশ। এই ঘটনায় নিহতের মেজ জামাই আলামিন হককে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত অভিযুক্ত শ্বশুরবাড়িতেই ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করতেন। পাশাপাশি পুলিশ তাঁর স্ত্রী হাসিনা বিবিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত নিহত বৃদ্ধার কাটা মুণ্ড উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। খুনে ব্যবহৃত অস্ত্রটিও মেলেনি। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেড কোয়ার্টার) শৌভনিক মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ধৃত যুবক প্রাথমিক জেরায় অপরাধের কথা স্বীকার করেছে। তবে এই খুনের পিছনে সম্পত্তি সংক্রান্ত বিবাদ নাকি কোনও কুসংস্কার বা কালা জাদুর প্রভাব রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের দাবি, ধৃত ব্যক্তি কাটা মুণ্ড এবং খুনের অস্ত্র কোথায় লুকিয়ে রেখেছে সে বিষয়ে কিছু তথ্য দিয়েছে। সেই সূত্র ধরেই তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। পরে শিলিগুড়ির ভরত নগর এলাকা থেকে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়। উল্লেখ্য, গত শনিবার জলপাইগুড়ি জেলার বাহাদুর পঞ্চায়েতের চেকরচণ্ডী কামাত এলাকায় ৭৩ বছর বয়সী সামিজা খাতুনের গলা কাটা দেহ তাঁর বাড়ির পিছন থেকে উদ্ধার হয়। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। নিহতের মুণ্ডের খোঁজে পুলিশ কুকুর নামানো হয় এবং ড্রোনের সাহায্যে তল্লাশি চালানো হয়। পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন পুকুরে সিভিল ডিফেন্স কর্মীরা নেমে অনুসন্ধান করেন। ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ফরেন্সিক দল, এবং গোটা ঘটনার তদন্ত জোরকদমে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।1
- গোসাই বাড়ি থেকে রাধাগোবিন্দের আশীর্বাদ নিয়ে প্রচারে নির্মল রায়। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী নির্মল চন্দ্র রায়। এই দিন বাজারের বিভিন্ন এলাকা মানুষের সঙ্গে কথা বলেন তৃণমূলের এই প্রার্থী। তাকে ঘিরে কর্মীদের উৎসাহ ছিল প্রবল1
- Post by Utpal Roy MNG1
- মেখলিগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপির শক্তিকেন্দ্র প্রমুখ রমেন বিশ্বাসের বাড়িতে গতকাল রাতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। রমেন বিশ্বাসের অভিযোগ, বিজেপি করার কারণেই রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতীরা তার বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। মঙ্গলবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মেখলিগঞ্জ বিধানসভার বিজেপি মনোনীত প্রার্থী দধিরাম রায়। তিনি ঘটনার তীব্র নিন্দা করে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি করেন তিনি। যদিও তৃণমূলের এক নেতার দাবি মেখলিগঞ্জে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার রাজনীতি হয় না। ঘটনার তদন্ত করলেই বোঝা যাবে কিভাবে আগুন লেগেছে।1
- 👉 কেন নোটবন্দি করা হয়েছিল? কয়েকটি কারণের মধ্যে একটি কারণ দেখিয়েছিল সরকার1
- Post by Raj roy1
- Post by Hamidul Haque1
- দফায় দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করলেও, ময়নাগুড়িতে এসে কার্যত চাপে পড়ে প্রার্থী বদল করতে হল বিজেপিকে। প্রথম দফায় কৌশিক রায়কে প্রার্থী ঘোষণা করা হলেও, স্থানীয় স্তরে ব্যাপক অসন্তোষ সামনে আসে। দলের কর্মী-সমর্থকদের একাংশ সরাসরি প্রার্থীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং দ্রুত প্রার্থী পরিবর্তনের দাবি তোলে। এই ঘটনায় স্পষ্ট হয়ে যায়, প্রার্থী ঘোষণার আগে স্থানীয় সংগঠনের মতামত যথাযথভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত বদল করে বিজেপি নেতৃত্ব। শেষমেশ ময়নাগুড়ি কেন্দ্রের নতুন প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয় ডালিম রায়ের নাম। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই প্রার্থী পরিবর্তন বিজেপির অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের অভাবকেই সামনে নিয়ে এসেছে। নির্বাচনের মুখে এমন অস্থিরতা দলের সাংগঠনিক দুর্বলতাকেই প্রকাশ করছে বলে মত বিশ্লেষকদের। এদিকে, হঠাৎ প্রার্থী বদলে কর্মী-সমর্থকদের একাংশের মধ্যে বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ আরও বেড়েছে বলেও খবর। ফলে ময়নাগুড়িতে বিজেপির নির্বাচনী লড়াই কতটা সুসংগঠিত হবে, তা নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।1