প্রথমে জলপান, তারপর ভোটদান, ভোটার সচেতনতা বাড়াতে অভিনব আয়োজন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের ভোটের মুখে ছাত্র-যুবদের সক্রিয় অংশগ্রহণ বাড়াতে উদ্যোগী হল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ । শনিবার জয়পুর নগর ইউনিটের উদ্যোগে স্থানীয় তালতলা সরস্বতী বিদ্যামন্দিরে আয়োজিত হল এক ছাত্র যুব সম্মেলন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের বিভাগ প্রমুখ রঞ্জিত কুমার মন্ডল, প্রদেশ জনজাতি কনভেনের মৃত্যুঞ্জয় মাহাত, জেলা প্রমুখ মহেশ্বর মাহাত, জেলা সহ প্রমুখ শুভজিৎ মাহাত, জয়পুর নগর ইউনিট সভাপতি সালাউদ্দিন আনসারী ও সম্পাদক নিরঞ্জন স্বর্ণকার-সহ অন্যান্য কার্যকর্তারা। সম্মেলনে মূলত ভোটদানে সচেতনতা বাড়ানোই ছিল প্রধান লক্ষ্য। ‘১০০ শতাংশ ভোটদান’ এবং ‘নো ভোট টু নোটা’—এই বার্তাকেই সামনে রাখা হয়। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয় সভায়। বক্তাদের বক্তব্যে উঠে আসে, “প্রথমে জলপান, তারপরে ভোটদান”—এই বার্তার মাধ্যমে ভোটের দিন সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। এ দিন দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা ও কর্মসংস্থানের দাবিও জোরালোভাবে তুলে ধরেন বক্তারা। ‘ভোট ফর বেটার পশ্চিমবঙ্গ’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে যুবসমাজকে ভোটমুখী করার ডাক দেওয়া হয়। সম্মেলনের একটি বিশেষ আকর্ষণ ছিল প্রথমবারের ভোটারদের সংবর্ধনা। যাঁরা এ বার প্রথম ভোট দেবেন, তাঁদের উত্তরীয় (গামছা) পরিয়ে সম্মান জানানো হয় সংগঠনের পক্ষ থেকে। আয়োজকদের দাবি, এই ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে গণতান্ত্রিক দায়িত্ববোধ আরও জোরদার হবে।
প্রথমে জলপান, তারপর ভোটদান, ভোটার সচেতনতা বাড়াতে অভিনব আয়োজন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের ভোটের মুখে ছাত্র-যুবদের সক্রিয় অংশগ্রহণ বাড়াতে উদ্যোগী হল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ । শনিবার জয়পুর নগর ইউনিটের উদ্যোগে স্থানীয় তালতলা সরস্বতী বিদ্যামন্দিরে আয়োজিত হল এক ছাত্র যুব সম্মেলন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের বিভাগ প্রমুখ রঞ্জিত কুমার মন্ডল, প্রদেশ জনজাতি কনভেনের মৃত্যুঞ্জয় মাহাত, জেলা প্রমুখ মহেশ্বর মাহাত, জেলা সহ প্রমুখ শুভজিৎ মাহাত, জয়পুর নগর ইউনিট সভাপতি সালাউদ্দিন আনসারী ও সম্পাদক নিরঞ্জন স্বর্ণকার-সহ অন্যান্য কার্যকর্তারা। সম্মেলনে মূলত ভোটদানে সচেতনতা বাড়ানোই ছিল প্রধান লক্ষ্য। ‘১০০ শতাংশ ভোটদান’ এবং ‘নো ভোট টু নোটা’—এই বার্তাকেই সামনে রাখা হয়। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয় সভায়। বক্তাদের বক্তব্যে উঠে আসে, “প্রথমে জলপান, তারপরে ভোটদান”—এই বার্তার মাধ্যমে ভোটের দিন সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। এ দিন দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা ও কর্মসংস্থানের দাবিও জোরালোভাবে তুলে ধরেন বক্তারা। ‘ভোট ফর বেটার পশ্চিমবঙ্গ’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে যুবসমাজকে ভোটমুখী করার ডাক দেওয়া হয়। সম্মেলনের একটি বিশেষ আকর্ষণ ছিল প্রথমবারের ভোটারদের সংবর্ধনা। যাঁরা এ বার প্রথম ভোট দেবেন, তাঁদের উত্তরীয় (গামছা) পরিয়ে সম্মান জানানো হয় সংগঠনের পক্ষ থেকে। আয়োজকদের দাবি, এই ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে গণতান্ত্রিক দায়িত্ববোধ আরও জোরদার হবে।
- পুরুলিয়ায় এসেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রচুর দর্শকে উপচে পড়েছিল রায়বাঘিনী মাঠ। সেই মাঠে মোদির সভায় এসে তরুণীদের উদ্দাম নৃত্য, দেখুন ভিডিও।1
- যাহা যাহা বিজেপি কি সরকার হে উহা পার মহিলাও কো নকরি ওর বাঁচার কি সুবিধা কার দি হে হামারি সরকার। পুরুলিয়া সভা থেকে এমনি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।1
- কুড়ি এপ্রিল সোমবার, আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বলরামপুর কলেজ মাঠে সভা করতে আসছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগেই মধ্যরাতে বলরামপুরে দেখা গেল বড়সড় রাজনৈতিক দলবদল। সিপিএম, বিজেপি সহ বিভিন্ন দল ছেড়ে গেড়ুয়া, চাটুহাসা ও পুয়াড়া অঞ্চলের শতাধিক পরিবার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেছেন বলে দাবি শাসক দলের। বলরামপুর বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী শান্তিরাম মাহাতোর হাত ধরে এই যোগদান হয়েছে। যোগদানকারীদের মধ্যে কাশীনাথ পরামানিক, সুভাষ মাহাতো ও অমিও মাঝি জানান, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দলে কাজ করলেও তারা যথাযথ সম্মান পাননি। এমনকি সমস্যার সময় দল তাদের পাশে দাঁড়ায়নি বলেও অভিযোগ করেন তারা। সেই কারণেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় তারা তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাদের দাবি, তাদের সঙ্গে প্রায় ১০০টি পরিবারও তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছে। যদিও এই সংখ্যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। অন্যদিকে, তৃণমূল প্রার্থী শান্তিরাম মাহাতো জানান, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাতেই আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদানের কথা থাকলেও, তারা আগেভাগেই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।1
- ততথথথজগজজগদদগদগদগথদগথদগজগজগজজগজগজজগদঘদদগদগদদগদগদগদগদদগদ1
- আর কয়েকটি দিন পরেই বিধানসভা নির্বাচন। এরই মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল প্রচারে ব্যস্ত রাতদিন। জনগণের মন পেতে দরজায় দরজায় কড়া নাড়ছে রাজনৈতিক দলগুলো। বান্দোয়ান বিধানসভার জোর টক্কর বিজেপি তৃণমূল, যদিও অন্যান্য দলগুলোরও দাবি তারা জিতবে। রবিবার বরাবাজার ব্লকের ভাগাবাঁধ অঞ্চলের বিভিন্ন গ্রামে জনসংযোগ সারলেন তৃণমূল কংগ্রেস। বান্দোয়ান বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রাজিব লোচন সরেনের সমর্থনে মিছিল অনুষ্ঠিত হয় । উপস্থিত ছিলেন মহিলা তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী তথা পুরুলিয়া জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষা প্রতিমা সরেন ও শিবানী মাহাতো, ভাগাবাঁধ অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস কমিটির সভাপতি যুধিষ্ঠির সহিস, যুব সভাপতি প্রশান্ত কারক সহ অঞ্চলের অন্যান্য নেতৃত্বরা।1
- Post by Deep Sandhya1
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে পাণ্ডবেশ্বরে জমজমাট প্রচারে নামল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার দুপুর একটায় পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর সমর্থনে চড়া রোদ উপেক্ষা করে রোড শো করলেন জনপ্রিয় বাংলা সিনেমার অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জী । এদিন গাইঘাটা মোড় থেকে হরিপুর বাজার পর্যন্ত দীর্ঘ রোড শো অনুষ্ঠিত হয়। হুড খোলা গাড়িতে দাঁড়িয়ে অভিনেত্রী এবং প্রার্থী নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী স্থানীয় বাসিন্দাদের তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। রোড শো ঘিরে সাধারণ মানুষের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো—নিজেদের বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে প্রিয় অভিনেত্রীকে এক ঝলক দেখার জন্য ভিড় জমায় অসংখ্য মানুষ। পুরো কর্মসূচি জুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল কড়া। পুলিশের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদেরও মোতায়েন করা হয়, যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।1
- ভোটের মুখে ছাত্র-যুবদের সক্রিয় অংশগ্রহণ বাড়াতে উদ্যোগী হল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ । শনিবার জয়পুর নগর ইউনিটের উদ্যোগে স্থানীয় তালতলা সরস্বতী বিদ্যামন্দিরে আয়োজিত হল এক ছাত্র যুব সম্মেলন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের বিভাগ প্রমুখ রঞ্জিত কুমার মন্ডল, প্রদেশ জনজাতি কনভেনের মৃত্যুঞ্জয় মাহাত, জেলা প্রমুখ মহেশ্বর মাহাত, জেলা সহ প্রমুখ শুভজিৎ মাহাত, জয়পুর নগর ইউনিট সভাপতি সালাউদ্দিন আনসারী ও সম্পাদক নিরঞ্জন স্বর্ণকার-সহ অন্যান্য কার্যকর্তারা। সম্মেলনে মূলত ভোটদানে সচেতনতা বাড়ানোই ছিল প্রধান লক্ষ্য। ‘১০০ শতাংশ ভোটদান’ এবং ‘নো ভোট টু নোটা’—এই বার্তাকেই সামনে রাখা হয়। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয় সভায়। বক্তাদের বক্তব্যে উঠে আসে, “প্রথমে জলপান, তারপরে ভোটদান”—এই বার্তার মাধ্যমে ভোটের দিন সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। এ দিন দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা ও কর্মসংস্থানের দাবিও জোরালোভাবে তুলে ধরেন বক্তারা। ‘ভোট ফর বেটার পশ্চিমবঙ্গ’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে যুবসমাজকে ভোটমুখী করার ডাক দেওয়া হয়। সম্মেলনের একটি বিশেষ আকর্ষণ ছিল প্রথমবারের ভোটারদের সংবর্ধনা। যাঁরা এ বার প্রথম ভোট দেবেন, তাঁদের উত্তরীয় (গামছা) পরিয়ে সম্মান জানানো হয় সংগঠনের পক্ষ থেকে। আয়োজকদের দাবি, এই ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে গণতান্ত্রিক দায়িত্ববোধ আরও জোরদার হবে।1