রাজ্য সরকারের উদ্যোগে আলুর সংরক্ষণ শুরু, খুশির হাওয়া কৃষক মহলে ধূপগুড়িতে সরকারি উদ্যোগে আলু সংরক্ষণ শুরু! ন্যায্যমূল্যের আশায় খুশির হাওয়া কৃষি মহলে কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। ধূপগুড়ির হিমালয়ান কোল্ড স্টোরেজে সরকারি পরিকল্পনায় আনুষ্ঠানিকভাবে আলু কেনা ও সংরক্ষণের কাজ শুরু হলো। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে স্বস্তির হাসি ফুটেছে স্থানীয় চাষিদের মুখে। জেলা শাসক দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে, এই বিশেষ প্রকল্পের আওতায় একজন কৃষক সর্বোচ্চ ৭০ ব্যাগ আলু মজুত করতে পারবেন। সরকারিভাবে আলুর দর নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি কেজি ৯ টাকা ৫০ পয়সা। এছাড়া, কোল্ড স্টোরেজের মোট ধারণক্ষমতার ১৫ শতাংশ শুধুমাত্র সাধারণ কৃষকদের ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চাষিদের মতে, খোলা বাজারের তুলনায় সরকারি নির্ধারিত দাম কিছুটা বেশি হওয়ায় লোকসানের ঝুঁকি অনেকটাই কমবে। ধূপগুড়ির এই কোল্ড স্টোরেজে প্রথমবার এই স্কিম চালু হলেও, প্রশাসন আশ্বস্ত করেছে যে দ্রুত জেলার অন্যান্য হিমঘরেও এই পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হবে। বিশেষজ্ঞ ও কৃষকদের ধারণা, এই সরকারি হস্তক্ষেপের ফলে বাজারে আলুর দাম স্থিতিশীল থাকবে এবং ভবিষ্যতে দাম বাড়লে কৃষকরা সরাসরি লাভের মুখ দেখবেন। ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হওয়ার এই আশ্বাসে নতুন করে আশার আলো দেখছে উত্তরবঙ্গের কৃষি সমাজ।
রাজ্য সরকারের উদ্যোগে আলুর সংরক্ষণ শুরু, খুশির হাওয়া কৃষক মহলে ধূপগুড়িতে সরকারি উদ্যোগে আলু সংরক্ষণ শুরু! ন্যায্যমূল্যের আশায় খুশির হাওয়া কৃষি মহলে কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। ধূপগুড়ির হিমালয়ান কোল্ড স্টোরেজে সরকারি পরিকল্পনায় আনুষ্ঠানিকভাবে আলু কেনা ও সংরক্ষণের কাজ শুরু হলো। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে স্বস্তির হাসি ফুটেছে স্থানীয় চাষিদের মুখে। জেলা শাসক দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে, এই বিশেষ প্রকল্পের আওতায় একজন কৃষক সর্বোচ্চ ৭০ ব্যাগ আলু মজুত করতে পারবেন। সরকারিভাবে আলুর দর নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি কেজি ৯ টাকা ৫০ পয়সা। এছাড়া, কোল্ড স্টোরেজের মোট ধারণক্ষমতার ১৫ শতাংশ শুধুমাত্র সাধারণ কৃষকদের ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চাষিদের মতে, খোলা বাজারের তুলনায় সরকারি নির্ধারিত দাম কিছুটা বেশি হওয়ায় লোকসানের ঝুঁকি অনেকটাই কমবে। ধূপগুড়ির এই কোল্ড স্টোরেজে প্রথমবার এই স্কিম চালু হলেও, প্রশাসন আশ্বস্ত করেছে যে দ্রুত জেলার অন্যান্য হিমঘরেও এই পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হবে। বিশেষজ্ঞ ও কৃষকদের ধারণা, এই সরকারি হস্তক্ষেপের ফলে বাজারে আলুর দাম স্থিতিশীল থাকবে এবং ভবিষ্যতে দাম বাড়লে কৃষকরা সরাসরি লাভের মুখ দেখবেন। ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হওয়ার এই আশ্বাসে নতুন করে আশার আলো দেখছে উত্তরবঙ্গের কৃষি সমাজ।
- কৃষকদের মুখে হাসি ফুটিয়ে সরকারি পরিকল্পনার অধীনে ধূপগুড়ির হিমালয়ান কোল্ড স্টোরেজে আনুষ্ঠানিকভাবে আলু সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিকূল বাজারে ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় আলু চাষিরা।1
- বড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেলো রাতের ধুপগুড়ি শহর । মঙ্গলবার গভীর রাতে ধুপগুড়ি শহরের চৌপথির ট্রাফিকের বুথের সামনে একটি বড় গাড়ির ডিজেলের ট্যাংকি তে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা মারে একটি ছোট গাড়ি। মুহূর্তেই ডিজেল লিক হয়ে দ্রুত রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার বিভৎসতা বুঝে ঘটনাস্থলে মধ্য রাতেই হাজির হয় ধুপগুড়ী থানার আই সি উৎপল সাহা সহ ট্রাফিক ওসি বি পি লামা সহ বিরাট পুলিশ বাহিনী। ঘটনার জেরে দীর্ঘক্ষণ বন্ধ থাকে যান চলাচল। পরবর্তীতে দমকল বাহিনী এসে রাস্তা ধুয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।1
- Post by বাংলা খবর1
- উনি মনে হয় জানেন আমি উল্টোদিকে কমিউনিটিও জোট বেধেছে -শুভেন্দু অধিকারী1
- নিখোঁজ ছেলে, ১০ মাস পর মায়ের কোলে ফিরল হারিয়ে যাওয়া ছেলে ছেলে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় দশ মাস পেরিয়ে গিয়েছিল। সকলেই ভেবে নিয়েছিল হয়তো আর খুঁজে পাওয়া যাবে না ছেলেকে। কিন্তু বৃদ্ধা মায়ের মন যেন তাকে ফিরে পাওয়ার আশায় দিন গুনছিল। মায়ের সেই আর্তনাদ হয়তো শুনেছেন ভগবান। আর তাইতো দীর্ঘ দশ মাস পরে খুঁজে পেল ছেলেকে। এমনই ঘটনা ঘটলো ময়নাগুড়ি ব্লকে। জানা গিয়েছে বিহারের সমস্তিপুর জেলার মহদি নগরের বাসিন্দা সোনু কুমার। গত প্রায় দুই বছর ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন তিনি । আর সেই সমস্যার কারণেই প্রায় ১০ মাস আগে হঠাৎই বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যান। এরপর থেকে পরিবারের সদস্যরা নানা জায়গায় খোঁজ চালালেও তার কোনো সন্ধান মিলছিল না। নিখোঁজের অভিযোগ জমা হয় স্থানীয় থানায়। সকল চেষ্টায় যখন বিফল, সকলেই যখন আশাহত। ঠিক সেই সময়েই নতুন সূর্যের উদয়। ভাগ্যের ফেরে ময়নাগুড়ি থানার অন্তর্গত ভোটপট্টি পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার একটি গ্রাম থেকে উদ্ধার করা হয় সোনু কুমার নামের সেই নিখোঁজ ছেলেকে। খবর পৌঁছাতেই সুদূর বিহারের সমস্তিপুর থেকে ছুটে আসেন তার বৃদ্ধা মা। দীর্ঘ ১০ মাস পর ছেলেকে সামনে দেখে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেননি তিনি। বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরেন ছেলেকে। চোখ বেয়ে নেমে আসে আনন্দ আর স্বস্তির অশ্রুধারা। সেই মুহূর্ত যেন উপস্থিত সকলের মনকেও নাড়া দেয়। ছেলেকে ফিরে পাওয়ার এই অমূল্য মুহূর্তের জন্য তিনি ময়নাগুড়ি থানার অধীন ভোটপত্তি ফাঁড়ির ওসি অরিজিৎ কুণ্ডু সহ সমস্ত পুলিশ কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।1
- চা-শ্রমিকদের যৌথ মঞ্চের ডাকে মঙ্গলবার জলপাইগুড়ির ডেঙ্গুয়াঝাড় চা-বাগানে গেট মিটিং ও বিক্ষোভ সমাবেশ করলেন চা-শ্রমিকরা। এসআইআর প্রকৃয়ার মাধ্যমে শ্রমিকদের অনেকের নাম বাদ দেওয়ার বিরুদ্ধে সরব হন তারা। পাশাপাশি শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, জমির পাট্টা দেওয়ার দাবি সহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে এই বিক্ষোভ সমাবেশ করেন শ্রমিকরা। চা-শ্রমিক মজদুর ইউনিয়নের জয়েন্ট ফোরামের পক্ষ থেকে গেট মিটিংয়ে অংশ নেন কয়েকশো শ্রমিক। অবিলম্বে চা শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি চালু করার পাশাপাশি বাগানে জমির পাট্টা দেওয়ার দাবিতে দীর্ঘ আন্দোলনের হুমকি দেন চা-শ্রমিকরা।1
- SIR–এর জেরে সাধারণ মানুষের হয়রানির প্রতিবাদে বুধবার হলদিবাড়িতে তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে এক বিশাল বাইক মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। হলদিবাড়ি বাস স্ট্যান্ড থেকে এই মিছিলের সূচনা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে। তৃণমূলের ছাত্র, যুব ও ব্লক নেতৃত্বের পাশাপাশি বহু কর্মী-সমর্থক এতে অংশ নেন। প্রত্যাশার চেয়েও বেশি মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় বলে জানান মেখলিগঞ্জ বিধানসভার বিধায়ক পরেশ চন্দ্র অধিকারী। তিনি বলেন, SIR–এর ফলে সাধারণ মানুষ যে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন, তার প্রতিবাদেই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। মিছিল ঘিরে এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা যায়।1
- কালোবাজারে LPG-র দাম ছুঁল ১,৫০০ টাকা অশান্ত পশ্চিম এশিয়া। জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা একাধিক দেশে। এমন পরিস্থিতিতে সম্প্রতি কলকাতায় বাড়িতে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম বেড়েছে ৬০ টাকা। ফলে সিলিন্ডার প্রতি দাম হয়েছে ৯৩৯ টাকা। কিন্তু আপনি কি জানেন, দেশের একাধিক শহরে ব্ল্যাক মার্কেটে এই রান্নার গ্যাসের দাম ছুঁয়েছে ১,৫০০ টাকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ধুপগুড়ির এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, প্রয়োজনের কারণে তাঁকে বাধ্য হয়ে ওই দামে কালোবাজার থেকে গ্যাস কিনতে হয়েছে।1