Shuru
Apke Nagar Ki App…
জল্পেশ মন্দির আজ রঙিন আলোক ঝলমলে জল্পেশ মন্দির_ রঙিন আলোয় ফুটে উঠেছে জল্পেশ মন্দিরের চারিদিক।
Utpal Roy MNG
জল্পেশ মন্দির আজ রঙিন আলোক ঝলমলে জল্পেশ মন্দির_ রঙিন আলোয় ফুটে উঠেছে জল্পেশ মন্দিরের চারিদিক।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- দিনভর প্রচারে তৃণমূল প্রার্থী রামমোহন রায় ময়নাগুড়ি: বৃহস্পতিবার মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার পরেই জোর কদমে প্রচার পর্বে নামলেন ময়নাগুড়ি বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রামমোহন রায়। শুক্রবার সকালে মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করেন। এরপর বিভিন্ন এলাকায় জনসংযোগ এবং মিছিল করেন। এদিন বিকেলে ময়নাগুড়ি বাজারে ব্যবসায়ী এবং মানুষদের সঙ্গে কথা বলেন প্রার্থী রামমোহন রায়।1
- Post by Utpal Roy MNG1
- শ্বাশুড়িকে নির্মমভাবে খুন করে তাঁর কাটা মাথা ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে রেখেছিল জামাই। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পাঁচ দিনের মাথায় অবশেষে উদ্ধার হল সেই কাটা মুণ্ডু ও খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র। ঘটনায় তদন্তে বড় সাফল্য পেল জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার পুলিশ। গত শনিবার জলপাইগুড়ির বাহাদুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বনিজ্যের হাট এলাকায় সমিজা খাতুন নামে এক বৃদ্ধার মুণ্ডুহীন দেহ উদ্ধার হয়। এই নৃশংস ঘটনার পর থেকেই এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে দ্রুত তদন্তে নামে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে সন্দেহের তির ঘুরে যায় পরিবারের দিকেই। ঘটনার তিন দিনের মাথায় বৃদ্ধার জামাই আলামিন হককে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়। দীর্ঘ জেরার মুখে অবশেষে ভেঙে পড়ে অভিযুক্ত। সে খুনের কথা স্বীকার করার পাশাপাশি জানায়, খুনের পর বৃদ্ধার কাটা মাথা একটি ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে রেখেছিল এবং অস্ত্রটিও আলাদা করে গোপন করে রেখেছিল। অভিযুক্তকে সঙ্গে নিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে তল্লাশি চালায় পুলিশ। তারই দেখানো মতে উদ্ধার করা হয় বৃদ্ধার কাটা মুণ্ডু এবং খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র। এই উদ্ধার অভিযানের পর মামলার তদন্ত আরও একধাপ এগোল বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, এই খুনের পিছনে পারিবারিক অশান্তি ও ব্যক্তিগত বিরোধই মূল কারণ বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। যদিও ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী দল। অভিযুক্তকে আদালতে পেশ করা হয়েছে এবং পুলিশ আরও বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে যাচ্ছে। এই নৃশংস ঘটনায় এখনও আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকাজুড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত দোষীর কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।1
- মালদা ঘটনা নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী কি প্রতিক্রিয়া দিলেন। এস আই আর নিয়ে নিজের জাতিকে নিয়ে আইন অমান্য করে মালদা অশান্তি ঘটনার মূল অভিযুক্ত হিসেবে আইনজীবী মোফাক্কেরুল ইসলামকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। নেপালের উদ্দেশ্যে পালাতে গিয়ে শিলিগুড়ির বাগডোগরা তে আটক হয় মূল অভিযুক্ত আইনজীবী ।1
- মেখলিগঞ্জ ব্লকের ধুলিয়া বাজারে শুক্রবার জনসংযোগ কর্মসূচি পরিচালনা করেন বিজেপি প্রার্থী দধিরাম রায়। এদিন তিনি দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে এলাকায় প্রচার চালান এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যা ও দাবি শোনেন। পাশাপাশি উচলপুকুড়ি এলাকায় একটি যোগদান কর্মসূচিরও আয়োজন করা হয়। বিজেপির দাবি, উচলপুকুড়ির ১৮ নম্বর বুথে চারটি পরিবার তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। নবাগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে তাদের স্বাগত জানানো হয়। এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চর্চা তুঙ্গে ওঠে।1
- নদীপথে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা ভাই-বোনের, অবশেষে ঠাই হলো শ্রীঘরে। Khabar Haldibari - খবর হলদিবাড়ি Jalpaiguri viral Haldibari1
- বক্তার বক্তব্য নিজস্ব এর জন্য Shuru app রিপোর্টার কোনভাবেই দায়ী নয় ।1
- ময়নাগুড়িতে বিজেপির প্রার্থী কে? এই নিয়েই শুরু হয়েছে জল্পনা। বিদায়ী বিধায়ক কৌশিক রায় নাকি ডালিম রায়? প্রচারে নেমেছেন দুজনেই। তাহলে কে বিজেপির আসল প্রার্থী?চরম জল্পনা বিজেপির অন্দরেরই। কৌশিক দাবি করছেন তিনিই বিজেপির প্রার্থী। আগামী ৪ এপ্রিল কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উপস্থিতিতে মনোনয়ন জমা করবেন। অন্যদিকে, ডালিম রায় জানিয়েছেন, দল তাকে প্রার্থী করেছেন ফলে তিনি প্রচার চালাচ্ছেন। জেলা নেতৃত্ব অবশ্য পাশে রয়েছেন ডালিমের। জেলা সভাপতি শ্যামল বলেন, " আমাদের দলের প্রার্থী ডালিম রায়। তাকে দল সিম্বল দিয়েছে। ৪ এপ্রিল ঐতিহাসিক মিছিল করে মনোনয়ন জমা করবেন ডালিম রায়। তবে যে কৌশিক রায় দাবি করছেন তিনিই বিজেপির প্রার্থী? ইতিমধ্যেই ডালিম রায় যেমন বিভিন্ন এলাকায় প্রচার চালাচ্ছেন, ঠিক একই ভাবে কলকাতা থেকে বাড়ি ফিরেই প্রচারে নেমেছেন কৌশিক রায়ও। তিনি সামাজিক মাধ্যমে প্রচার চালাচ্ছেন তিনি বিজেপির মনোনীত প্রার্থী। আর যে নিয়ে বিজেপির কর্মীদের মধ্যেও এক প্রকার ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তবে এখন দেখার বিষয় আগামী ৪ এপ্রিল কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কাকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন জমা করেন। সেদিকেই তাকিয়ে সাধারণ কর্মী সমর্থকেরা।1