৫ দিন পর উদ্ধার কাটা মুণ্ডু—জলপাইগুড়িতে শিউরে ওঠার মতো খুন শ্বাশুড়িকে নির্মমভাবে খুন করে তাঁর কাটা মাথা ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে রেখেছিল জামাই। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পাঁচ দিনের মাথায় অবশেষে উদ্ধার হল সেই কাটা মুণ্ডু ও খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র। ঘটনায় তদন্তে বড় সাফল্য পেল জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার পুলিশ। গত শনিবার জলপাইগুড়ির বাহাদুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বনিজ্যের হাট এলাকায় সমিজা খাতুন নামে এক বৃদ্ধার মুণ্ডুহীন দেহ উদ্ধার হয়। এই নৃশংস ঘটনার পর থেকেই এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে দ্রুত তদন্তে নামে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে সন্দেহের তির ঘুরে যায় পরিবারের দিকেই। ঘটনার তিন দিনের মাথায় বৃদ্ধার জামাই আলামিন হককে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়। দীর্ঘ জেরার মুখে অবশেষে ভেঙে পড়ে অভিযুক্ত। সে খুনের কথা স্বীকার করার পাশাপাশি জানায়, খুনের পর বৃদ্ধার কাটা মাথা একটি ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে রেখেছিল এবং অস্ত্রটিও আলাদা করে গোপন করে রেখেছিল। অভিযুক্তকে সঙ্গে নিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে তল্লাশি চালায় পুলিশ। তারই দেখানো মতে উদ্ধার করা হয় বৃদ্ধার কাটা মুণ্ডু এবং খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র। এই উদ্ধার অভিযানের পর মামলার তদন্ত আরও একধাপ এগোল বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, এই খুনের পিছনে পারিবারিক অশান্তি ও ব্যক্তিগত বিরোধই মূল কারণ বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। যদিও ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী দল। অভিযুক্তকে আদালতে পেশ করা হয়েছে এবং পুলিশ আরও বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে যাচ্ছে। এই নৃশংস ঘটনায় এখনও আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকাজুড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত দোষীর কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
৫ দিন পর উদ্ধার কাটা মুণ্ডু—জলপাইগুড়িতে শিউরে ওঠার মতো খুন শ্বাশুড়িকে নির্মমভাবে খুন করে তাঁর কাটা মাথা ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে রেখেছিল জামাই। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পাঁচ দিনের মাথায় অবশেষে উদ্ধার হল সেই কাটা মুণ্ডু ও খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র। ঘটনায় তদন্তে বড় সাফল্য পেল জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার পুলিশ। গত শনিবার জলপাইগুড়ির বাহাদুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বনিজ্যের হাট এলাকায় সমিজা খাতুন নামে এক বৃদ্ধার মুণ্ডুহীন দেহ উদ্ধার হয়। এই নৃশংস ঘটনার পর থেকেই এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে দ্রুত তদন্তে নামে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে সন্দেহের তির ঘুরে যায় পরিবারের দিকেই। ঘটনার তিন দিনের মাথায় বৃদ্ধার জামাই আলামিন হককে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়। দীর্ঘ জেরার মুখে অবশেষে ভেঙে পড়ে অভিযুক্ত। সে খুনের কথা স্বীকার করার পাশাপাশি জানায়, খুনের পর বৃদ্ধার কাটা মাথা একটি ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে রেখেছিল এবং অস্ত্রটিও আলাদা করে গোপন করে রেখেছিল। অভিযুক্তকে সঙ্গে নিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে তল্লাশি চালায় পুলিশ। তারই দেখানো মতে উদ্ধার করা হয় বৃদ্ধার কাটা মুণ্ডু এবং খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র। এই উদ্ধার অভিযানের পর মামলার তদন্ত আরও একধাপ এগোল বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, এই খুনের পিছনে পারিবারিক অশান্তি ও ব্যক্তিগত বিরোধই মূল কারণ বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। যদিও ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী দল। অভিযুক্তকে আদালতে পেশ করা হয়েছে এবং পুলিশ আরও বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে যাচ্ছে। এই নৃশংস ঘটনায় এখনও আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকাজুড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত দোষীর কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
- শ্বাশুড়িকে নির্মমভাবে খুন করে তাঁর কাটা মাথা ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে রেখেছিল জামাই। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পাঁচ দিনের মাথায় অবশেষে উদ্ধার হল সেই কাটা মুণ্ডু ও খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র। ঘটনায় তদন্তে বড় সাফল্য পেল জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার পুলিশ। গত শনিবার জলপাইগুড়ির বাহাদুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বনিজ্যের হাট এলাকায় সমিজা খাতুন নামে এক বৃদ্ধার মুণ্ডুহীন দেহ উদ্ধার হয়। এই নৃশংস ঘটনার পর থেকেই এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে দ্রুত তদন্তে নামে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে সন্দেহের তির ঘুরে যায় পরিবারের দিকেই। ঘটনার তিন দিনের মাথায় বৃদ্ধার জামাই আলামিন হককে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়। দীর্ঘ জেরার মুখে অবশেষে ভেঙে পড়ে অভিযুক্ত। সে খুনের কথা স্বীকার করার পাশাপাশি জানায়, খুনের পর বৃদ্ধার কাটা মাথা একটি ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে রেখেছিল এবং অস্ত্রটিও আলাদা করে গোপন করে রেখেছিল। অভিযুক্তকে সঙ্গে নিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে তল্লাশি চালায় পুলিশ। তারই দেখানো মতে উদ্ধার করা হয় বৃদ্ধার কাটা মুণ্ডু এবং খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র। এই উদ্ধার অভিযানের পর মামলার তদন্ত আরও একধাপ এগোল বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, এই খুনের পিছনে পারিবারিক অশান্তি ও ব্যক্তিগত বিরোধই মূল কারণ বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। যদিও ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী দল। অভিযুক্তকে আদালতে পেশ করা হয়েছে এবং পুলিশ আরও বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে যাচ্ছে। এই নৃশংস ঘটনায় এখনও আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকাজুড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত দোষীর কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।1
- Post by Utpal Roy MNG1
- ময়নাগুড়িতে বিজেপির প্রার্থী কে? জল্পনা রাজনৈতিক মহলে ময়নাগুড়ি বিধানসভায় বিজেপির প্রার্থী কে সেটা নিয়েই জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। কৌশিক রায়কে প্রথমে প্রার্থী ঘোষণা করা হলেও পরবর্তীতে ডালিম রায় কে প্রার্থী ঘোষণা করেছে দল। বাতিলের তালিকায় পৌঁছে যায় কৌশিক রায়। কিন্তু তিনি কলকাতা থেকে ফিরে এসে বাড়িতে সাংবাদিক বৈঠক করে জানান দেন যে তিনি ময়নাগুড়ি বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী। আগামী ৪ এপ্রিল জলপাইগুড়িতে মনোনয়ন জমা দেবেন তিনি। কলকাতা থেকে ফিরে ই প্রচার পর্বে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন কৌশিক রায়। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি কি জানিয়েছেন শোনাবো আপনাদের1
- বক্তার বক্তব্য নিজস্ব এর জন্য Shuru app রিপোর্টার কোনভাবেই দায়ী নয় ।1
- মালদা ঘটনা নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী কি প্রতিক্রিয়া দিলেন। এস আই আর নিয়ে নিজের জাতিকে নিয়ে আইন অমান্য করে মালদা অশান্তি ঘটনার মূল অভিযুক্ত হিসেবে আইনজীবী মোফাক্কেরুল ইসলামকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। নেপালের উদ্দেশ্যে পালাতে গিয়ে শিলিগুড়ির বাগডোগরা তে আটক হয় মূল অভিযুক্ত আইনজীবী ।1
- মেখলিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী দধিরাম রায় বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে নমিনেশন জমা দিলেন। এদিন প্রার্থীকে ঘিরে মেখলিগঞ্জ শহরে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়, যা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে মহকুমা শাসকের দপ্তরে পৌঁছায়। শোভাযাত্রায় দলীয় পতাকা ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। উপস্থিত ছিলেন জলপাইগুড়ির সাংসদ ডক্টর জয়ন্ত কুমার রায়, অর্ঘ্য রায় প্রধানসহ দলের একাধিক নেতৃত্ব। এই কর্মসূচিকে ঘিরে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।1
- মালবাজার শহরে ভক্তি ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে মহাসমারোহে উদযাপিত হলো হনুমান জয়ন্তী। শুক্রবার বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা এবং উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটল এই বছরের হনুমান জন্ম মহোৎসবের। ঢাকের বাদ্যি আর গেরুয়া ধ্বজায় সেজে ওঠা রাজপথ জানান দিচ্ছিল শহরের প্রবল উৎসাহের কথা।1
- অবশেষে গ্রেপ্তার হলেন আইনজীবী মোফাক্কেরুল ইসলাম। বাগডোগরা থেকে ভিন রাজ্য বা ভিনদেশে পালানোর ছক কোষে ছিলেন তিনি বলে অভিযোগ। এদিন রাজ্য পুলিশের সিআইডি গ্রেপ্তার করে মালদার মোথাবাড়ি কান্ডের মূল অভিযুক্তকে।1