মানবাজারের শ্রী দুর্গা হোন্ডা শোরুম এই মরসুমে গ্রাহকদের জন্য একটি মহা ধামাকা অফার নিয়ে এসেছে। এই অফারের আওতায়, মাত্র ৬৯৯৯ টাকা ডাউন পেমেন্ট করে "সাইন ১০০ ডিএক্স" (Shine 100 DX) এবং "অ্যাকটিভা ১১০" (Activa 110) মডেলগুলি ক্রয় করা যাবে। এই বাইকগুলির সাথে থাকছে স্ক্র্যাচ কার্ডের মাধ্যমে ৫১০০ টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত ক্যাশব্যাক পাওয়ার সুযোগ। এছাড়াও, "সিবি হর্নেট ১২৫" (CB Hornet 125) মডেল কিনলে গ্রাহকরা বিনামূল্যে ১০ লিটার পেট্রোল, একটি স্ক্র্যাচ কার্ড এবং ২০০০ টাকা ক্যাশব্যাক পাবেন। এই সমস্ত অফার সীমিত সময়ের জন্য উপলব্ধ। শ্রী দুর্গা হোন্ডায় হোন্ডার নিজস্ব সার্ভিস সেন্টারও রয়েছে, যেখানে উন্নত মানের পরিষেবা দেওয়া হয়। বাইকের সমস্যাগুলি মূলত কম্পিউটার দ্বারা ডায়াগনোসিস ও চেকআপ করা হয় এবং দক্ষ টেকনিশিয়ানরা সার্ভিসিংয়ের কাজ করেন। অফার সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে বা পরিষেবা নিতে আজই মানবাজার, মানভূম কলেজ রোডে অবস্থিত শ্রী দুর্গা হোন্ডায় যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। প্রয়োজনে ৮৩৯১৯৬২১২৬ অথবা ৭৩১৯১৫৩১২৬ নম্বরে ফোন করেও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
মানবাজারের শ্রী দুর্গা হোন্ডা শোরুম এই মরসুমে গ্রাহকদের জন্য একটি মহা ধামাকা অফার নিয়ে এসেছে। এই অফারের আওতায়, মাত্র ৬৯৯৯ টাকা ডাউন পেমেন্ট করে "সাইন ১০০ ডিএক্স" (Shine 100 DX) এবং "অ্যাকটিভা ১১০" (Activa 110) মডেলগুলি ক্রয় করা যাবে। এই বাইকগুলির সাথে থাকছে স্ক্র্যাচ কার্ডের মাধ্যমে ৫১০০ টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত ক্যাশব্যাক পাওয়ার সুযোগ। এছাড়াও, "সিবি হর্নেট ১২৫" (CB Hornet 125) মডেল কিনলে গ্রাহকরা বিনামূল্যে ১০ লিটার পেট্রোল, একটি স্ক্র্যাচ কার্ড এবং ২০০০ টাকা ক্যাশব্যাক পাবেন। এই সমস্ত অফার সীমিত সময়ের জন্য উপলব্ধ। শ্রী দুর্গা হোন্ডায় হোন্ডার নিজস্ব সার্ভিস সেন্টারও রয়েছে, যেখানে উন্নত মানের পরিষেবা দেওয়া হয়। বাইকের সমস্যাগুলি মূলত কম্পিউটার দ্বারা ডায়াগনোসিস ও চেকআপ করা হয় এবং দক্ষ টেকনিশিয়ানরা সার্ভিসিংয়ের কাজ করেন। অফার সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে বা পরিষেবা নিতে আজই মানবাজার, মানভূম কলেজ রোডে অবস্থিত শ্রী দুর্গা হোন্ডায় যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। প্রয়োজনে ৮৩৯১৯৬২১২৬ অথবা ৭৩১৯১৫৩১২৬ নম্বরে ফোন করেও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
- মানবাজারের শ্রী দুর্গা হোন্ডা শোরুম এই মরসুমে গ্রাহকদের জন্য একটি মহা ধামাকা অফার নিয়ে এসেছে। এই অফারের আওতায়, মাত্র ৬৯৯৯ টাকা ডাউন পেমেন্ট করে "সাইন ১০০ ডিএক্স" (Shine 100 DX) এবং "অ্যাকটিভা ১১০" (Activa 110) মডেলগুলি ক্রয় করা যাবে। এই বাইকগুলির সাথে থাকছে স্ক্র্যাচ কার্ডের মাধ্যমে ৫১০০ টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত ক্যাশব্যাক পাওয়ার সুযোগ। এছাড়াও, "সিবি হর্নেট ১২৫" (CB Hornet 125) মডেল কিনলে গ্রাহকরা বিনামূল্যে ১০ লিটার পেট্রোল, একটি স্ক্র্যাচ কার্ড এবং ২০০০ টাকা ক্যাশব্যাক পাবেন। এই সমস্ত অফার সীমিত সময়ের জন্য উপলব্ধ। শ্রী দুর্গা হোন্ডায় হোন্ডার নিজস্ব সার্ভিস সেন্টারও রয়েছে, যেখানে উন্নত মানের পরিষেবা দেওয়া হয়। বাইকের সমস্যাগুলি মূলত কম্পিউটার দ্বারা ডায়াগনোসিস ও চেকআপ করা হয় এবং দক্ষ টেকনিশিয়ানরা সার্ভিসিংয়ের কাজ করেন। অফার সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে বা পরিষেবা নিতে আজই মানবাজার, মানভূম কলেজ রোডে অবস্থিত শ্রী দুর্গা হোন্ডায় যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। প্রয়োজনে ৮৩৯১৯৬২১২৬ অথবা ৭৩১৯১৫৩১২৬ নম্বরে ফোন করেও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।1
- রাজ্যজুড়ে মহাসমারোহে ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ উদযাপন করা হলো। এই বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে হুগলির তারকেশ্বরে একটি মেগা জনসভার আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই মঞ্চ থেকেই তিনি দেশের কৃষকদের জন্য ২৩তম কিষান সম্মান নিধির টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর প্রক্রিয়ার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। তারকেশ্বরের এই মূল প্রশাসনিক মঞ্চ থেকে এদিন পশ্চিমবঙ্গের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও গৌরবময় ইতিহাস সুচারুভাবে দর্শকদের সামনে তুলে ধরা হয়। উৎসবের এই আবহে একদিকে যেমন রাজ্যের ঐতিহ্যকে কুর্নিশ জানানো হয়, তেমনই অন্যদিকে আগামী দিনে রাজ্যের মানুষের জন্য সরকারি জনকল্যাণমূলক পরিষেবা প্রদানের রূপরেখা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। তারকেশ্বরের এই মূল অনুষ্ঠানটি প্রযুক্তির মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হয় এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তর একযোগে এর সরাসরি সম্প্রচার করে। এই সম্প্রচারে পুরুলিয়ার বরাবাজারও ব্যতিক্রম ছিল না; বরাবাজার ব্লকের প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সরাসরি দেখানো হয়। স্থানীয় সাধারণ মানুষ এবং কৃষকেরা অধীর আগ্রহে পঞ্চায়েত কার্যালয়গুলোতে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শোনেন এবং ২৩তম কিষান সম্মান নিধির এই ভার্চুয়াল উদ্বোধনের সাক্ষী থাকেন। সব মিলিয়ে, ২০ জুনের এই পশ্চিমবঙ্গ দিবসটি কেবল সংস্কৃতির উদযাপনই নয়, বরং কৃষক উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ প্রশাসনিক দিশা দেখানোর এক গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হয়ে উঠল।1
- বাবা কালেশ্বর যোগাশ্রমে ছোটো ছোটো ভক্তদের সঙ্গে কিছু মুহূর্ত কাটানো হয়েছে।4
- আজ সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে পালিত হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ দিবস। সরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকেও রাজ্যজুড়ে ২০শে জুন পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসেবে উদযাপন করা হচ্ছে। পুরুলিয়া জেলার বরাবাজার বিজেপি কার্যালয়ে বান্দোয়ান দু'নম্বর মন্ডলের উদ্যোগে এই দিবস পালন করা হয়। কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিতে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর ছবিতে মাল্যদানের মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ভারতীয় জনতা পার্টির বান্দোয়ান দু'নম্বর মন্ডলের সহ সভানেত্রী মল্লিকা ভূঁইয়া আজকের দিনটি সম্পর্কে বিশেষ তথ্য জানান।1
- Post by MOUSUMI KOLEY1
- পুরুলিয়ার একজন কৃষক তার স্ত্রীর চিকিৎসার খরচ জোগাড় করতে ছাগল বিক্রি করতে গিয়ে প্রতারণার শিকার হয়েছেন। তাকে সাড়ে সতেরো হাজার টাকার জাল নোট ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে।1
- পুরুলিয়া জেলার বরাবাজার থানার দুবরাজপুর গ্রামে বাজ পড়ে একটি খড়ের গাদায় আগুন লেগে যায়। এই অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের একটি গাড়ি, যা আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।1
- পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক মানবাজার শাখার উদ্যোগে গত শুক্রবার মানবাজার পাথরমহড়া রাধা গোবিন্দ হলে এক গুরুত্বপূর্ণ "খেত বাঁচাও অভিযান" শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই শিবিরে কৃষকদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এবং বন্ধন ব্যাংকের প্রতিনিধি সহ বহু বিশিষ্টজনেরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকের সিনিয়র ব্রাঞ্চ ম্যানেজার ও বিএলবিসি কনভেনার সুনীল কুমার শর্মার উপস্থিতি এবং সকলের সহযোগিতায় সমগ্র অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। পুরুলিয়ার এলডিএম ম্যানেজার দাস জানান, এই "খেত বাঁচাও অভিযান" শিবিরের মাধ্যমে তাঁরা মানবাজারে একত্রিত হয়েছেন এবং কৃষকদের উন্নত পরিষেবা প্রদান করাই তাঁদের মূল লক্ষ্য। স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া মানবাজার শাখার ব্রাঞ্চ ম্যানেজার সানি কুমার মিশ্রা এই উদ্যোগকে অত্যন্ত প্রশংসনীয় আখ্যা দিয়ে বলেন যে, কৃষকদের সচেতন করাই তাঁদের প্রধান উদ্দেশ্য। শিবিরে উপস্থিত সাধারণ মানুষেরা এই আয়োজনে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং তাঁদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো, যা কৃষি ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে।1