একমাস রোজা রাখার পরেই খুশির ঈদের নামাজ।হরিহরপাড়ায় ঈদ-উল-ফিতরের নামাজ আদায়, উৎসবমুখর পরিবেশ একমাস রোজা রাখার পরেই খুশির ঈদের নামাজ।হরিহরপাড়ায় ঈদ-উল-ফিতরের নামাজ আদায়, উৎসবমুখর পরিবেশ পবিত্র রমজান মাসের এক মাস সিয়াম সাধনার পর সারা দেশের সাথে সাথে হরিহরপাড়ায়ও যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হলো মুসলিমদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল-ফিতর। শনিবার সকাল ৮ টায় কান্দিপাড়া ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি নতুন পোশাক পরে, খুশির আমেজে ঈদের নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে মুসল্লিরা কোলাকুলি ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং সবার জন্য শান্তি, সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। ঈদগাহ ময়দানে পুলিশ বাহিনীর কড়া নজরদারি ছিল, যাতে সকলে নির্বিঘ্নে নামাজ আদায় করতে পারেন। নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা দোয়া ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এদিকে, ঈদ উপলক্ষে হরিহরপাড়ার প্রতিটি এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। শিশুরা নতুন পোশাক পরে আনন্দে মেতে উঠেছে, আর বাড়িতে বাড়িতে চলছে মিষ্টিমুখ ও আপ্যায়নের ধুম। এভাবেই সারাদেশের মতো হরিহরপাড়াতেও ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন করা হচ্ছে আনন্দ ও সৌহার্দ্যের মধ্য দিয়ে।
একমাস রোজা রাখার পরেই খুশির ঈদের নামাজ।হরিহরপাড়ায় ঈদ-উল-ফিতরের নামাজ আদায়, উৎসবমুখর পরিবেশ একমাস রোজা রাখার পরেই খুশির ঈদের নামাজ।হরিহরপাড়ায় ঈদ-উল-ফিতরের নামাজ আদায়, উৎসবমুখর পরিবেশ পবিত্র রমজান মাসের এক মাস সিয়াম সাধনার পর সারা দেশের সাথে সাথে হরিহরপাড়ায়ও যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হলো মুসলিমদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল-ফিতর। শনিবার সকাল ৮ টায় কান্দিপাড়া ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি নতুন পোশাক পরে, খুশির আমেজে ঈদের নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে মুসল্লিরা কোলাকুলি ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং সবার জন্য শান্তি, সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। ঈদগাহ ময়দানে পুলিশ বাহিনীর কড়া নজরদারি ছিল, যাতে সকলে নির্বিঘ্নে নামাজ আদায় করতে পারেন। নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা দোয়া ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এদিকে, ঈদ উপলক্ষে হরিহরপাড়ার প্রতিটি এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। শিশুরা নতুন পোশাক পরে আনন্দে মেতে উঠেছে, আর বাড়িতে বাড়িতে চলছে মিষ্টিমুখ ও আপ্যায়নের ধুম। এভাবেই সারাদেশের মতো হরিহরপাড়াতেও ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন করা হচ্ছে আনন্দ ও সৌহার্দ্যের মধ্য দিয়ে।
- একমাস রোজা রাখার পরেই খুশির ঈদের নামাজ।হরিহরপাড়ায় ঈদ-উল-ফিতরের নামাজ আদায়, উৎসবমুখর পরিবেশ পবিত্র রমজান মাসের এক মাস সিয়াম সাধনার পর সারা দেশের সাথে সাথে হরিহরপাড়ায়ও যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হলো মুসলিমদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল-ফিতর। শনিবার সকাল ৮ টায় কান্দিপাড়া ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি নতুন পোশাক পরে, খুশির আমেজে ঈদের নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে মুসল্লিরা কোলাকুলি ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং সবার জন্য শান্তি, সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। ঈদগাহ ময়দানে পুলিশ বাহিনীর কড়া নজরদারি ছিল, যাতে সকলে নির্বিঘ্নে নামাজ আদায় করতে পারেন। নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা দোয়া ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এদিকে, ঈদ উপলক্ষে হরিহরপাড়ার প্রতিটি এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। শিশুরা নতুন পোশাক পরে আনন্দে মেতে উঠেছে, আর বাড়িতে বাড়িতে চলছে মিষ্টিমুখ ও আপ্যায়নের ধুম। এভাবেই সারাদেশের মতো হরিহরপাড়াতেও ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন করা হচ্ছে আনন্দ ও সৌহার্দ্যের মধ্য দিয়ে।1
- Post by সত্য দর্পণ1
- সালারের খাঁড়েরা গ্রামে চুরির আতঙ্কে ঘুম ছুটেছে বাসিন্দাদের : গ্রামবাসীরা একজনকে ধরে তুলে দিল পুলিশের হাতে। মুর্শিদাবাদের সালার থানার খাঁড়েরা গ্রামে এখন ত্রাসের নাম চুরি। গত এক মাসে একের পর এক চুরির ঘটনায় কার্যত দিশেহারা গ্রামবাসীরা। শুক্রবার সকালে সালাউদ্দিন সেখ নামে এক ব্যক্তির ট্রাক্টরের ব্যাটারি উধাও হওয়াকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। তবে এবার আর কেবল অভিযোগ নয়, গ্রামবাসীদের তৎপরতায় ধরা পড়েছে এক সন্দেহভাজন। ট্রাক্টর মালিকের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের মুখে ধৃত ব্যক্তি চুরির কথা স্বীকার করেছে এবং এই চক্রে জড়িত অন্য সঙ্গীদের নামও ফাঁস করেছে। উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবারই গ্রামের একটি মুদি দোকান থেকে প্রায় ৫০-৬০ হাজার টাকার সামগ্রী এবং নগদ ৭-৮ হাজার টাকা চুরি হয়ে যায়। এমনকি রেহাই পায়নি স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়িও। মাসখানেক আগে এক ধর্মীয় অনুষ্ঠান চলাকালীন দিনে-দুপুরে বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগ নিয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় নেশাগ্রস্তদের দাপট বেড়ে যাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার এক সন্দেহভাজনকে পাকড়াও করে পুলিশের হাতে তুলে দেয় ক্ষুব্ধ জনতা। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং ধৃত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই বড় চোর চক্রের বাকি সদস্যদের ধরার চেষ্টা চালাচ্ছে। গ্রামবাসীদের দাবি, অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার করে এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনুক প্রশাসন।1
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে মুর্শিদাবাদ জুড়ে আনাচে-কানাচে যে কোন ধরনের দুষ্কৃতি মূলক কাজকর্ম প্রতিহত করতে তৎপর প্রশাসন। আর সেই লক্ষ্যেই জেলার বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকা গুলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মোতায়েন করে রুটমার্চ শুরু হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোটারদের মনে খানিকটা হলেও স্বস্তি দেখা যাচ্ছে।1
- শিলাবৃষ্টিতে বিপর্যস্ত কাটোয়া মহাকুমা। বোরো ধান পেঁয়াজ রসুন সব চাষে ব্যাপক ক্ষতি। নদীর জলে প্লাবিত জমি। মাঠে চলছে নৌকা। ঋণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় চাষীরা।1
- Post by Ankita Chouhan1
- জলঙ্গীতে সিপিএমের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে চার বারের বিধায়ক ইউনুস সরকারকে। প্রার্থী হয়েছেন জলঙ্গীর প্রাক্তন বিধায়ক ইউনুস সরকার। প্রার্থী ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে তিনি জলঙ্গী ব্লকের একাধিক পঞ্চায়েত এলাকায় দলীয় কর্মী সমর্থক,নেতৃত্বদের সঙ্গে দেখা করেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাহেবনগর বাজার,ধনিরামপুর বাজার এলাকায় হাজির হন। কর্মী সমর্থকদের নিয়ে মিছিল হয়। ইউনুস সরকারের সমর্থনে শ্লোগান তোলেন কর্মী সমর্থকরা। ইউনুস সরকারকে প্রার্থী পেয়ে খুশি পুরোনো কর্মীরাও। উল্লেখ্য,ইউনূস সরকার ১৯৯১-২০০৬ সাল পর্যন্ত টানা চার বার বিধায়ক নির্বাচিত হন। তারপরেই ২০১১ সালে প্রথমবার আব্দুর রাজ্জাককে টিকিট দেওয়া হয়েছিল। তিনি পরবর্তীতে তৃণমূলে যোগদান করেন। এবার জলঙ্গীতে জোর টক্কর হবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ইতিমধ্যেই বিজেপি এবং তৃণমূলের প্রার্থী ঘোষণা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে সিপিএমের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। এবার তৃণমূলের সঙ্গে তার লড়াই হবে বলে দাবি করলেন। তানি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী বলেও জোর দাবি করেন। এখন দেখা যাক শেষ হাসি কে হাসে?2
- বড়ঞায় বিজেপি প্রার্থী নিয়ে ক্ষোভ, টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ কর্মীদের ভোটের আগে প্রার্থী ঘোষণাকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভে ফুঁসছে বড়ঞা-র বিজেপি কর্মীরা। শুক্রবার রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার মুর্শিদাবাদ জেলা-র ৬৭ নম্বর বড়ঞা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হিসেবে সুখেন কুমার বাগদির নাম ঘোষণা করা হয়। এর পরেই শুক্রবার বড়ঞার হাটবাগান এলাকায় বিজেপি কর্মীরা একজোট হয়ে ডাকবাংলা–পানুটিয়া রাজ্য সড়ক অবরোধ করে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান। অন্যদিকে, একই কেন্দ্রে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী করেছে প্রাক্তন বিধায়ক প্রতিমা রজককে। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বর্তমান বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা জেল হেফাজতে থাকায় তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি বলে জানা গিয়েছে। বিক্ষোভকারী বিজেপি কর্মীদের দাবি, দলীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ৩৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী, শিক্ষিত ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির প্রার্থী দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয়নি বলে তাঁদের অভিযোগ। তাঁদের মতে, তরুণ প্রার্থী হলে নতুন প্রজন্মের ভোটারদের আকৃষ্ট করা সম্ভব হত। স্থানীয় বিজেপি কর্মী মানস ঘোষের কথায়, “আমরা উচ্চ শিক্ষিত প্রার্থী চেয়েছিলাম। তার বদলে অযোগ্য প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। এই প্রার্থীকে বদল না করা হলে আমরা ভোটে অংশগ্রহণ করব না।” সব মিলিয়ে, নির্বাচনের মুখে প্রার্থী নির্বাচন ঘিরে বড়ঞায় বিজেপির অন্দরে অসন্তোষ চরমে পৌঁছেছে, যা ভোটের ফলাফলেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের অনুমান।1
- Post by সত্য দর্পণ1