ভোটের আগে প্রার্থী ঘোষণাকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভে ফুঁসছে বড়ঞা-র বিজেপি কর্মীরা। শুক্রবার রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন তাঁরা। বড়ঞায় বিজেপি প্রার্থী নিয়ে ক্ষোভ, টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ কর্মীদের ভোটের আগে প্রার্থী ঘোষণাকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভে ফুঁসছে বড়ঞা-র বিজেপি কর্মীরা। শুক্রবার রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার মুর্শিদাবাদ জেলা-র ৬৭ নম্বর বড়ঞা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হিসেবে সুখেন কুমার বাগদির নাম ঘোষণা করা হয়। এর পরেই শুক্রবার বড়ঞার হাটবাগান এলাকায় বিজেপি কর্মীরা একজোট হয়ে ডাকবাংলা–পানুটিয়া রাজ্য সড়ক অবরোধ করে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান। অন্যদিকে, একই কেন্দ্রে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী করেছে প্রাক্তন বিধায়ক প্রতিমা রজককে। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বর্তমান বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা জেল হেফাজতে থাকায় তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি বলে জানা গিয়েছে। বিক্ষোভকারী বিজেপি কর্মীদের দাবি, দলীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ৩৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী, শিক্ষিত ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির প্রার্থী দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয়নি বলে তাঁদের অভিযোগ। তাঁদের মতে, তরুণ প্রার্থী হলে নতুন প্রজন্মের ভোটারদের আকৃষ্ট করা সম্ভব হত। স্থানীয় বিজেপি কর্মী মানস ঘোষের কথায়, “আমরা উচ্চ শিক্ষিত প্রার্থী চেয়েছিলাম। তার বদলে অযোগ্য প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। এই প্রার্থীকে বদল না করা হলে আমরা ভোটে অংশগ্রহণ করব না।” সব মিলিয়ে, নির্বাচনের মুখে প্রার্থী নির্বাচন ঘিরে বড়ঞায় বিজেপির অন্দরে অসন্তোষ চরমে পৌঁছেছে, যা ভোটের ফলাফলেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের অনুমান।
ভোটের আগে প্রার্থী ঘোষণাকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভে ফুঁসছে বড়ঞা-র বিজেপি কর্মীরা। শুক্রবার রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন তাঁরা। বড়ঞায় বিজেপি প্রার্থী নিয়ে ক্ষোভ, টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ কর্মীদের ভোটের আগে প্রার্থী ঘোষণাকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভে ফুঁসছে বড়ঞা-র বিজেপি কর্মীরা। শুক্রবার রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার মুর্শিদাবাদ জেলা-র ৬৭ নম্বর বড়ঞা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হিসেবে সুখেন কুমার বাগদির নাম ঘোষণা করা হয়। এর পরেই শুক্রবার বড়ঞার হাটবাগান এলাকায় বিজেপি কর্মীরা একজোট হয়ে ডাকবাংলা–পানুটিয়া রাজ্য সড়ক অবরোধ করে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান। অন্যদিকে, একই কেন্দ্রে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী করেছে প্রাক্তন বিধায়ক প্রতিমা রজককে। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বর্তমান বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা জেল হেফাজতে থাকায় তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি বলে জানা গিয়েছে। বিক্ষোভকারী বিজেপি কর্মীদের দাবি, দলীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ৩৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী, শিক্ষিত ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির প্রার্থী দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয়নি বলে তাঁদের অভিযোগ। তাঁদের মতে, তরুণ প্রার্থী হলে নতুন প্রজন্মের ভোটারদের আকৃষ্ট করা সম্ভব হত। স্থানীয় বিজেপি কর্মী মানস ঘোষের কথায়, “আমরা উচ্চ শিক্ষিত প্রার্থী চেয়েছিলাম। তার বদলে অযোগ্য প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। এই প্রার্থীকে বদল না করা হলে আমরা ভোটে অংশগ্রহণ করব না।” সব মিলিয়ে, নির্বাচনের মুখে প্রার্থী নির্বাচন ঘিরে বড়ঞায় বিজেপির অন্দরে অসন্তোষ চরমে পৌঁছেছে, যা ভোটের ফলাফলেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের অনুমান।
- জমি সংক্রান্ত বিবাদের জের, আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা, আক্রান্ত একই পরিবারের পাঁচ জন ঈদের দিন সকালেই রক্তাক্ত মুর্শিদাবাদের কান্দি থানার হাট পাড়া গ্রাম আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা একটি পরিবারের উপর। গুরুতর আহত এক পরিবারের পাঁচ জন। জখম অবস্থায় আহতদের উদ্ধার করে গোকণ প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র নিয়ে যাওয়া হয়। আহত হয়েছেন তৌহিদ শেখ(৭০), এছাড়াও আহত হয়েছেন দুই ছেলে আমিরুল সেখ(৫০) রবিউল শেখ(৩৫), ও দুই নাতি আসিফ(১৮) ও বানারুল (২৫)। শনিবার সকালে দুষ্কৃতীরা যখন হামলা চালায় সেই সময় দুষ্কৃতিদের আগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে নিলেন পরিবারের লোকজন। ঘটনাস্থলে খবর পেয়ে পৌঁছায় পুলিশ ও কেন্দ্র বাহিনী। কেড়ে নেওয়া আগ্নেয়াস্ত্র পুলিশের হাতে তুলে দেয়।2
- জমি সংক্রান্ত বিবাদের জের, কান্দি হাট পাড়ায় আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা, আক্রান্ত একই পরিবারের পাঁচ জন শনিবার অর্থাৎ ঈদের দিন সকালেই রক্তাক্ত মুর্শিদাবাদের কান্দি থানার হাট পাড়া গ্রাম আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা একটি পরিবারের উপর। গুরুতর আহত এক পরিবারের পাঁচ জন। জখম অবস্থায় আহতদের উদ্ধার করে গোকণ প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র নিয়ে যাওয়া হয়। আহত হয়েছেন তৌহিদ শেখ(৭০), এছাড়াও আহত হয়েছেন দুই ছেলে আমিরুল সেখ(৫০) রবিউল শেখ(৩৫), ও দুই নাতি আসিফ(১৮) ও বানারুল (২৫)। শনিবার সকালে দুষ্কৃতীরা যখন হামলা চালায় সেই সময় দুষ্কৃতিদের আগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে নিলেন পরিবারের লোকজন। ঘটনাস্থলে খবর পেয়ে পৌঁছায় পুলিশ ও কেন্দ্র বাহিনী। কেড়ে নেওয়া আগ্নেয়াস্ত্র পুলিশের হাতে তুলে দেয়।1
- Post by Tinku Mondal1
- শনিবার সকালে জমি বিবাদের জেরে ধুন্ধুমার কান্ড কান্দি থানার হাটপাড়ায়। এদিন সকাল ১০ টার দিকে বাড়িতে ঢুকে হামলার অভিযোগ উঠেছে । আহত ৬ জন । আহতদের প্রথমে গোকর্ণ হাসপাতলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে রেফার করা হয় মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। জমি বিবাদের জেরে রক্তারক্তি কান্ড কান্দির হাটপাড়া গ্রামে। এক পক্ষের অভিযোগ, সকালে দলবল, আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে বাড়িতে চড়াও হয় অন্যপক্ষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে এলাকায় আসে পুলিশ।1
- মুর্শিদাবাদের সাগরপাড়া থানার অন্তর্গত শিবনগর ইসলামিয়া মাদ্রাসায় পবিত্র ঈদ উদযাপনের মুহূর্তে দেখা গেল এক অনন্য সম্প্রীতির ছবি, যা ছুঁয়ে গেল সকলের হৃদয়। ঈদের নামাজ ও আনন্দঘন পরিবেশের মধ্যেই কয়েকজন হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ এগিয়ে এসে মুসলিম ভাইদের হাতে তুলে দিলেন ফুলের তোড়া ও পানীয় জল। ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে এই মানবিক উদ্যোগ যেন নতুন করে মনে করিয়ে দিল—মানুষের উপরে আর কিছু নেই। এই ছোট্ট উদ্যোগই বড় বার্তা দিল গোটা সমাজকে— 👉 ভিন্ন ধর্ম, ভিন্ন সংস্কৃতি হলেও আমরা সবাই একসঙ্গে বাস করি, একসঙ্গে উৎসব ভাগ করে নিই। এলাকাবাসীর মতে, এমন উদ্যোগই প্রকৃত সম্প্রীতির পরিচয়। যেখানে ঈদের আনন্দ শুধু একটি ধর্মের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং তা ছড়িয়ে পড়েছে সকল মানুষের মাঝে। ❤️ এই দৃশ্য প্রমাণ করল— বাংলার মাটিতে আজও বেঁচে আছে ভ্রাতৃত্ব, ভালোবাসা আর ঐক্যের বন্ধন। 👉 শেয়ার করুন এই সম্প্রীতির বার্তা, ছড়িয়ে দিন ভালোবাসা!1
- Post by সত্য দর্পণ1
- ভরতপুরে একযোগে ঈদের নামাজ আদায় করলেন প্রায় ১২ থেকে ১৪ হাজার ধর্মপ্রাণ মানুষ। সম্প্রীতির আবহে ভরতপুরে যথাযথ মর্যাদায় উদযাপিত হলো খুশির ইদ। শনিবার সকাল ৮টায় ভরতপুরের কেন্দ্রীয় ইদগাহ ময়দান এক অভূতপূর্ব জনসমুদ্রে পরিণত হয়। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর, প্রায় ১২ থেকে ১৪ হাজার ধর্মপ্রাণ মানুষ এখানে একত্রিত হয়ে ইদের নামাজ আদায় করেন। নামাজ পরিচালনা করেন ভরতপুর বড় মসজিদের ইমাম মহম্মদ নাইমুদ্দিন জামালী। নামাজ শেষে উপস্থিত সকলে দুই হাত তুলে বিশ্বশান্তি, সমৃদ্ধি ও মানবতার কল্যাণে বিশেষ মোনাজাত করেন। এরপরই শুরু হয় একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও শুভেচ্ছা বিনিময়। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ইমাম মহম্মদ নাইমুদ্দিন জামালী দাবি করেন, ভরতপুরের প্রায় ১৪টি মসজিদ এলাকার ১২ থেকে ১৪ হাজার মানুষ আজ এখানে একত্রে নামাজ আদায় করেছেন। তিনি আরও বলেন, ঈদ মানেই আনন্দ ভাগ করে নেওয়া। আজ আমরা যেমন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রার্থনা করেছি, সারা বছর যেন এভাবেই হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে সকলে মিলেমিশে থাকতে পারি।1
- একমাস রোজা রাখার পরেই খুশির ঈদের নামাজ।হরিহরপাড়ায় ঈদ-উল-ফিতরের নামাজ আদায়, উৎসবমুখর পরিবেশ পবিত্র রমজান মাসের এক মাস সিয়াম সাধনার পর সারা দেশের সাথে সাথে হরিহরপাড়ায়ও যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হলো মুসলিমদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল-ফিতর। শনিবার সকাল ৮ টায় কান্দিপাড়া ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি নতুন পোশাক পরে, খুশির আমেজে ঈদের নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে মুসল্লিরা কোলাকুলি ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং সবার জন্য শান্তি, সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। ঈদগাহ ময়দানে পুলিশ বাহিনীর কড়া নজরদারি ছিল, যাতে সকলে নির্বিঘ্নে নামাজ আদায় করতে পারেন। নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা দোয়া ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এদিকে, ঈদ উপলক্ষে হরিহরপাড়ার প্রতিটি এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। শিশুরা নতুন পোশাক পরে আনন্দে মেতে উঠেছে, আর বাড়িতে বাড়িতে চলছে মিষ্টিমুখ ও আপ্যায়নের ধুম। এভাবেই সারাদেশের মতো হরিহরপাড়াতেও ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন করা হচ্ছে আনন্দ ও সৌহার্দ্যের মধ্য দিয়ে।1