ভরতপুরে একযোগে ঈদের নামাজ আদায় করলেন প্রায় ১২ থেকে ১৪ হাজার ধর্মপ্রাণ মানুষ ভরতপুরে একযোগে ঈদের নামাজ আদায় করলেন প্রায় ১২ থেকে ১৪ হাজার ধর্মপ্রাণ মানুষ। সম্প্রীতির আবহে ভরতপুরে যথাযথ মর্যাদায় উদযাপিত হলো খুশির ইদ। শনিবার সকাল ৮টায় ভরতপুরের কেন্দ্রীয় ইদগাহ ময়দান এক অভূতপূর্ব জনসমুদ্রে পরিণত হয়। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর, প্রায় ১২ থেকে ১৪ হাজার ধর্মপ্রাণ মানুষ এখানে একত্রিত হয়ে ইদের নামাজ আদায় করেন। নামাজ পরিচালনা করেন ভরতপুর বড় মসজিদের ইমাম মহম্মদ নাইমুদ্দিন জামালী। নামাজ শেষে উপস্থিত সকলে দুই হাত তুলে বিশ্বশান্তি, সমৃদ্ধি ও মানবতার কল্যাণে বিশেষ মোনাজাত করেন। এরপরই শুরু হয় একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও শুভেচ্ছা বিনিময়। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ইমাম মহম্মদ নাইমুদ্দিন জামালী দাবি করেন, ভরতপুরের প্রায় ১৪টি মসজিদ এলাকার ১২ থেকে ১৪ হাজার মানুষ আজ এখানে একত্রে নামাজ আদায় করেছেন। তিনি আরও বলেন, ঈদ মানেই আনন্দ ভাগ করে নেওয়া। আজ আমরা যেমন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রার্থনা করেছি, সারা বছর যেন এভাবেই হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে সকলে মিলেমিশে থাকতে পারি।
ভরতপুরে একযোগে ঈদের নামাজ আদায় করলেন প্রায় ১২ থেকে ১৪ হাজার ধর্মপ্রাণ মানুষ ভরতপুরে একযোগে ঈদের নামাজ আদায় করলেন প্রায় ১২ থেকে ১৪ হাজার ধর্মপ্রাণ মানুষ। সম্প্রীতির আবহে ভরতপুরে যথাযথ মর্যাদায় উদযাপিত হলো খুশির ইদ। শনিবার সকাল ৮টায় ভরতপুরের কেন্দ্রীয় ইদগাহ ময়দান এক অভূতপূর্ব জনসমুদ্রে পরিণত হয়। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর, প্রায় ১২ থেকে ১৪ হাজার ধর্মপ্রাণ মানুষ এখানে একত্রিত হয়ে ইদের নামাজ আদায় করেন। নামাজ পরিচালনা করেন ভরতপুর বড় মসজিদের ইমাম মহম্মদ নাইমুদ্দিন জামালী। নামাজ শেষে উপস্থিত সকলে দুই হাত তুলে বিশ্বশান্তি, সমৃদ্ধি ও মানবতার কল্যাণে বিশেষ মোনাজাত করেন। এরপরই শুরু হয় একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও শুভেচ্ছা বিনিময়। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ইমাম মহম্মদ নাইমুদ্দিন জামালী দাবি করেন, ভরতপুরের প্রায় ১৪টি মসজিদ এলাকার ১২ থেকে ১৪ হাজার মানুষ আজ এখানে একত্রে নামাজ আদায় করেছেন। তিনি আরও বলেন, ঈদ মানেই আনন্দ ভাগ করে নেওয়া। আজ আমরা যেমন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রার্থনা করেছি, সারা বছর যেন এভাবেই হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে সকলে মিলেমিশে থাকতে পারি।
- একমাস রোজা রাখার পরেই খুশির ঈদের নামাজ।হরিহরপাড়ায় ঈদ-উল-ফিতরের নামাজ আদায়, উৎসবমুখর পরিবেশ পবিত্র রমজান মাসের এক মাস সিয়াম সাধনার পর সারা দেশের সাথে সাথে হরিহরপাড়ায়ও যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হলো মুসলিমদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল-ফিতর। শনিবার সকাল ৮ টায় কান্দিপাড়া ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি নতুন পোশাক পরে, খুশির আমেজে ঈদের নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে মুসল্লিরা কোলাকুলি ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং সবার জন্য শান্তি, সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। ঈদগাহ ময়দানে পুলিশ বাহিনীর কড়া নজরদারি ছিল, যাতে সকলে নির্বিঘ্নে নামাজ আদায় করতে পারেন। নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা দোয়া ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এদিকে, ঈদ উপলক্ষে হরিহরপাড়ার প্রতিটি এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। শিশুরা নতুন পোশাক পরে আনন্দে মেতে উঠেছে, আর বাড়িতে বাড়িতে চলছে মিষ্টিমুখ ও আপ্যায়নের ধুম। এভাবেই সারাদেশের মতো হরিহরপাড়াতেও ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন করা হচ্ছে আনন্দ ও সৌহার্দ্যের মধ্য দিয়ে।1
- একমাস রোজা রাখার পরেই খুশির ঈদের নামাজ।হরিহরপাড়ায় ঈদ-উল-ফিতরের নামাজ আদায়, উৎসবমুখর পরিবেশ পবিত্র রমজান মাসের এক মাস সিয়াম সাধনার পর সারা দেশের সাথে সাথে হরিহরপাড়ায়ও যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হলো মুসলিমদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল-ফিতর। শনিবার সকাল ৮ টায় কান্দিপাড়া ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি নতুন পোশাক পরে, খুশির আমেজে ঈদের নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে মুসল্লিরা কোলাকুলি ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং সবার জন্য শান্তি, সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। ঈদগাহ ময়দানে পুলিশ বাহিনীর কড়া নজরদারি ছিল, যাতে সকলে নির্বিঘ্নে নামাজ আদায় করতে পারেন। নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা দোয়া ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এদিকে, ঈদ উপলক্ষে হরিহরপাড়ার প্রতিটি এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। শিশুরা নতুন পোশাক পরে আনন্দে মেতে উঠেছে, আর বাড়িতে বাড়িতে চলছে মিষ্টিমুখ ও আপ্যায়নের ধুম। এভাবেই সারাদেশের মতো হরিহরপাড়াতেও ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন করা হচ্ছে আনন্দ ও সৌহার্দ্যের মধ্য দিয়ে।1
- Post by সত্য দর্পণ1
- Post by Tinku Mondal1
- মুর্শিদাবাদের সাগরপাড়া থানার অন্তর্গত শিবনগর ইসলামিয়া মাদ্রাসায় পবিত্র ঈদ উদযাপনের মুহূর্তে দেখা গেল এক অনন্য সম্প্রীতির ছবি, যা ছুঁয়ে গেল সকলের হৃদয়। ঈদের নামাজ ও আনন্দঘন পরিবেশের মধ্যেই কয়েকজন হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ এগিয়ে এসে মুসলিম ভাইদের হাতে তুলে দিলেন ফুলের তোড়া ও পানীয় জল। ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে এই মানবিক উদ্যোগ যেন নতুন করে মনে করিয়ে দিল—মানুষের উপরে আর কিছু নেই। এই ছোট্ট উদ্যোগই বড় বার্তা দিল গোটা সমাজকে— 👉 ভিন্ন ধর্ম, ভিন্ন সংস্কৃতি হলেও আমরা সবাই একসঙ্গে বাস করি, একসঙ্গে উৎসব ভাগ করে নিই। এলাকাবাসীর মতে, এমন উদ্যোগই প্রকৃত সম্প্রীতির পরিচয়। যেখানে ঈদের আনন্দ শুধু একটি ধর্মের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং তা ছড়িয়ে পড়েছে সকল মানুষের মাঝে। ❤️ এই দৃশ্য প্রমাণ করল— বাংলার মাটিতে আজও বেঁচে আছে ভ্রাতৃত্ব, ভালোবাসা আর ঐক্যের বন্ধন। 👉 শেয়ার করুন এই সম্প্রীতির বার্তা, ছড়িয়ে দিন ভালোবাসা!1
- হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টি এবং শিলাবৃষ্টির কারণে নদীয়া জেলার বিভিন্ন অংশে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বাগিচা ফসলের, এমনটাই জানা গেছে কৃষি দপ্তর সূত্রে। আজ শনিবার রাজ্যের বিভিন্ন অংশে বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে।1
- তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমানের সমর্থনে : ভরতপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের দেওয়াল লিখন। নির্বাচনী প্রচারে সরগরম ভরতপুর : তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমানের সমর্থনে দেওয়াল লিখনে নামলেন কর্মীরা। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ভরতপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে ৬৯ নম্বর বিধানসভা কেন্দ্রের দলীয় প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমনের সমর্থনে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শুরু হলো দেওয়াল লিখন কর্মসূচি। এদিন ভরতপুর ডাঙ্গাপাড়া এলাকা থেকে এই প্রচার অভিযান শুরু হয়ে ভরতপুরের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে। ভরতপুর অঞ্চল সভাপতি সাহাদুল্লাহ সেখ ও যুব তৃণমূলের জেলা সম্পাদক নুর আলম সেখ ওরফে রাজুর নেতৃত্বে কর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। এলাকার দেওয়ালে দেওয়ালে প্রার্থীর সমর্থনে স্লোগান ও উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরার এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন যুব তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি উত্তম দাস, ভরতপুর পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান মহঃ হাসানুর, বর্তমান পঞ্চায়েত সদস্য বুদু সেখ ও আজাদ সেখ। এ ছাড়াও সরাই সেখ, জামারুল সেখ, বাদল সেখ, চঞ্চল সেখ ও সুব্রত দাসসহ একাধিক অঞ্চল নেতৃত্ব ও তৃণমূলের একনিষ্ঠ কর্মী-সমর্থকদের সক্রিয় উপস্থিতি প্রচারের আমেজকে আরও বাড়িয়ে তোলে। মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমনকে জয়ী করার ডাক দিয়ে এই দেওয়াল লিখনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় তৃণমূল শিবিরের আত্মবিশ্বাস ও জনসংযোগের চিত্রটি স্পষ্ট ফুটে উঠেছে।1
- জলঙ্গীতে সিপিএমের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে চার বারের বিধায়ক ইউনুস সরকারকে। প্রার্থী হয়েছেন জলঙ্গীর প্রাক্তন বিধায়ক ইউনুস সরকার। প্রার্থী ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে তিনি জলঙ্গী ব্লকের একাধিক পঞ্চায়েত এলাকায় দলীয় কর্মী সমর্থক,নেতৃত্বদের সঙ্গে দেখা করেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাহেবনগর বাজার,ধনিরামপুর বাজার এলাকায় হাজির হন। কর্মী সমর্থকদের নিয়ে মিছিল হয়। ইউনুস সরকারের সমর্থনে শ্লোগান তোলেন কর্মী সমর্থকরা। ইউনুস সরকারকে প্রার্থী পেয়ে খুশি পুরোনো কর্মীরাও। উল্লেখ্য,ইউনূস সরকার ১৯৯১-২০০৬ সাল পর্যন্ত টানা চার বার বিধায়ক নির্বাচিত হন। তারপরেই ২০১১ সালে প্রথমবার আব্দুর রাজ্জাককে টিকিট দেওয়া হয়েছিল। তিনি পরবর্তীতে তৃণমূলে যোগদান করেন। এবার জলঙ্গীতে জোর টক্কর হবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ইতিমধ্যেই বিজেপি এবং তৃণমূলের প্রার্থী ঘোষণা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে সিপিএমের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। এবার তৃণমূলের সঙ্গে তার লড়াই হবে বলে দাবি করলেন। তানি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী বলেও জোর দাবি করেন। এখন দেখা যাক শেষ হাসি কে হাসে?2
- বড়ঞায় বিজেপি প্রার্থী নিয়ে ক্ষোভ, টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ কর্মীদের ভোটের আগে প্রার্থী ঘোষণাকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভে ফুঁসছে বড়ঞা-র বিজেপি কর্মীরা। শুক্রবার রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার মুর্শিদাবাদ জেলা-র ৬৭ নম্বর বড়ঞা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হিসেবে সুখেন কুমার বাগদির নাম ঘোষণা করা হয়। এর পরেই শুক্রবার বড়ঞার হাটবাগান এলাকায় বিজেপি কর্মীরা একজোট হয়ে ডাকবাংলা–পানুটিয়া রাজ্য সড়ক অবরোধ করে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান। অন্যদিকে, একই কেন্দ্রে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী করেছে প্রাক্তন বিধায়ক প্রতিমা রজককে। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বর্তমান বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা জেল হেফাজতে থাকায় তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি বলে জানা গিয়েছে। বিক্ষোভকারী বিজেপি কর্মীদের দাবি, দলীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ৩৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী, শিক্ষিত ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির প্রার্থী দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয়নি বলে তাঁদের অভিযোগ। তাঁদের মতে, তরুণ প্রার্থী হলে নতুন প্রজন্মের ভোটারদের আকৃষ্ট করা সম্ভব হত। স্থানীয় বিজেপি কর্মী মানস ঘোষের কথায়, “আমরা উচ্চ শিক্ষিত প্রার্থী চেয়েছিলাম। তার বদলে অযোগ্য প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। এই প্রার্থীকে বদল না করা হলে আমরা ভোটে অংশগ্রহণ করব না।” সব মিলিয়ে, নির্বাচনের মুখে প্রার্থী নির্বাচন ঘিরে বড়ঞায় বিজেপির অন্দরে অসন্তোষ চরমে পৌঁছেছে, যা ভোটের ফলাফলেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের অনুমান।1