তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমানের সমর্থনে : ভরতপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের দেওয়াল লিখন তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমানের সমর্থনে : ভরতপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের দেওয়াল লিখন। নির্বাচনী প্রচারে সরগরম ভরতপুর : তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমানের সমর্থনে দেওয়াল লিখনে নামলেন কর্মীরা। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ভরতপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে ৬৯ নম্বর বিধানসভা কেন্দ্রের দলীয় প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমনের সমর্থনে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শুরু হলো দেওয়াল লিখন কর্মসূচি। এদিন ভরতপুর ডাঙ্গাপাড়া এলাকা থেকে এই প্রচার অভিযান শুরু হয়ে ভরতপুরের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে। ভরতপুর অঞ্চল সভাপতি সাহাদুল্লাহ সেখ ও যুব তৃণমূলের জেলা সম্পাদক নুর আলম সেখ ওরফে রাজুর নেতৃত্বে কর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। এলাকার দেওয়ালে দেওয়ালে প্রার্থীর সমর্থনে স্লোগান ও উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরার এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন যুব তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি উত্তম দাস, ভরতপুর পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান মহঃ হাসানুর, বর্তমান পঞ্চায়েত সদস্য বুদু সেখ ও আজাদ সেখ। এ ছাড়াও সরাই সেখ, জামারুল সেখ, বাদল সেখ, চঞ্চল সেখ ও সুব্রত দাসসহ একাধিক অঞ্চল নেতৃত্ব ও তৃণমূলের একনিষ্ঠ কর্মী-সমর্থকদের সক্রিয় উপস্থিতি প্রচারের আমেজকে আরও বাড়িয়ে তোলে। মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমনকে জয়ী করার ডাক দিয়ে এই দেওয়াল লিখনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় তৃণমূল শিবিরের আত্মবিশ্বাস ও জনসংযোগের চিত্রটি স্পষ্ট ফুটে উঠেছে।
তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমানের সমর্থনে : ভরতপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের দেওয়াল লিখন তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমানের সমর্থনে : ভরতপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের দেওয়াল লিখন। নির্বাচনী প্রচারে সরগরম ভরতপুর : তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমানের সমর্থনে দেওয়াল লিখনে নামলেন কর্মীরা। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ভরতপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে ৬৯ নম্বর বিধানসভা কেন্দ্রের দলীয় প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমনের সমর্থনে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শুরু হলো দেওয়াল লিখন কর্মসূচি। এদিন ভরতপুর ডাঙ্গাপাড়া এলাকা থেকে এই প্রচার অভিযান শুরু হয়ে ভরতপুরের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে। ভরতপুর অঞ্চল সভাপতি সাহাদুল্লাহ সেখ ও যুব তৃণমূলের জেলা সম্পাদক নুর আলম সেখ ওরফে রাজুর নেতৃত্বে কর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। এলাকার দেওয়ালে দেওয়ালে প্রার্থীর সমর্থনে স্লোগান ও উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরার এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন যুব তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি উত্তম দাস, ভরতপুর পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান মহঃ হাসানুর, বর্তমান পঞ্চায়েত সদস্য বুদু সেখ ও আজাদ সেখ। এ ছাড়াও সরাই সেখ, জামারুল সেখ, বাদল সেখ, চঞ্চল সেখ ও সুব্রত দাসসহ একাধিক অঞ্চল নেতৃত্ব ও তৃণমূলের একনিষ্ঠ কর্মী-সমর্থকদের সক্রিয় উপস্থিতি প্রচারের আমেজকে আরও বাড়িয়ে তোলে। মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমনকে জয়ী করার ডাক দিয়ে এই দেওয়াল লিখনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় তৃণমূল শিবিরের আত্মবিশ্বাস ও জনসংযোগের চিত্রটি স্পষ্ট ফুটে উঠেছে।
- ভরতপুরে একযোগে ঈদের নামাজ আদায় করলেন প্রায় ১২ থেকে ১৪ হাজার ধর্মপ্রাণ মানুষ। সম্প্রীতির আবহে ভরতপুরে যথাযথ মর্যাদায় উদযাপিত হলো খুশির ইদ। শনিবার সকাল ৮টায় ভরতপুরের কেন্দ্রীয় ইদগাহ ময়দান এক অভূতপূর্ব জনসমুদ্রে পরিণত হয়। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর, প্রায় ১২ থেকে ১৪ হাজার ধর্মপ্রাণ মানুষ এখানে একত্রিত হয়ে ইদের নামাজ আদায় করেন। নামাজ পরিচালনা করেন ভরতপুর বড় মসজিদের ইমাম মহম্মদ নাইমুদ্দিন জামালী। নামাজ শেষে উপস্থিত সকলে দুই হাত তুলে বিশ্বশান্তি, সমৃদ্ধি ও মানবতার কল্যাণে বিশেষ মোনাজাত করেন। এরপরই শুরু হয় একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও শুভেচ্ছা বিনিময়। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ইমাম মহম্মদ নাইমুদ্দিন জামালী দাবি করেন, ভরতপুরের প্রায় ১৪টি মসজিদ এলাকার ১২ থেকে ১৪ হাজার মানুষ আজ এখানে একত্রে নামাজ আদায় করেছেন। তিনি আরও বলেন, ঈদ মানেই আনন্দ ভাগ করে নেওয়া। আজ আমরা যেমন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রার্থনা করেছি, সারা বছর যেন এভাবেই হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে সকলে মিলেমিশে থাকতে পারি।1
- শিলাবৃষ্টিতে বিপর্যস্ত কাটোয়া মহাকুমা। বোরো ধান পেঁয়াজ রসুন সব চাষে ব্যাপক ক্ষতি। নদীর জলে প্লাবিত জমি। মাঠে চলছে নৌকা। ঋণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় চাষীরা।1
- জমি সংক্রান্ত বিবাদের জের, আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা, আক্রান্ত একই পরিবারের পাঁচ জন ঈদের দিন সকালেই রক্তাক্ত মুর্শিদাবাদের কান্দি থানার হাট পাড়া গ্রাম আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা একটি পরিবারের উপর। গুরুতর আহত এক পরিবারের পাঁচ জন। জখম অবস্থায় আহতদের উদ্ধার করে গোকণ প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র নিয়ে যাওয়া হয়। আহত হয়েছেন তৌহিদ শেখ(৭০), এছাড়াও আহত হয়েছেন দুই ছেলে আমিরুল সেখ(৫০) রবিউল শেখ(৩৫), ও দুই নাতি আসিফ(১৮) ও বানারুল (২৫)। শনিবার সকালে দুষ্কৃতীরা যখন হামলা চালায় সেই সময় দুষ্কৃতিদের আগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে নিলেন পরিবারের লোকজন। ঘটনাস্থলে খবর পেয়ে পৌঁছায় পুলিশ ও কেন্দ্র বাহিনী। কেড়ে নেওয়া আগ্নেয়াস্ত্র পুলিশের হাতে তুলে দেয়।2
- জমি সংক্রান্ত বিবাদের জের, কান্দি হাট পাড়ায় আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা, আক্রান্ত একই পরিবারের পাঁচ জন শনিবার অর্থাৎ ঈদের দিন সকালেই রক্তাক্ত মুর্শিদাবাদের কান্দি থানার হাট পাড়া গ্রাম আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা একটি পরিবারের উপর। গুরুতর আহত এক পরিবারের পাঁচ জন। জখম অবস্থায় আহতদের উদ্ধার করে গোকণ প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র নিয়ে যাওয়া হয়। আহত হয়েছেন তৌহিদ শেখ(৭০), এছাড়াও আহত হয়েছেন দুই ছেলে আমিরুল সেখ(৫০) রবিউল শেখ(৩৫), ও দুই নাতি আসিফ(১৮) ও বানারুল (২৫)। শনিবার সকালে দুষ্কৃতীরা যখন হামলা চালায় সেই সময় দুষ্কৃতিদের আগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে নিলেন পরিবারের লোকজন। ঘটনাস্থলে খবর পেয়ে পৌঁছায় পুলিশ ও কেন্দ্র বাহিনী। কেড়ে নেওয়া আগ্নেয়াস্ত্র পুলিশের হাতে তুলে দেয়।1
- শনিবার সকালে জমি বিবাদের জেরে ধুন্ধুমার কান্ড কান্দি থানার হাটপাড়ায়। এদিন সকাল ১০ টার দিকে বাড়িতে ঢুকে হামলার অভিযোগ উঠেছে । আহত ৬ জন । আহতদের প্রথমে গোকর্ণ হাসপাতলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে রেফার করা হয় মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। জমি বিবাদের জেরে রক্তারক্তি কান্ড কান্দির হাটপাড়া গ্রামে। এক পক্ষের অভিযোগ, সকালে দলবল, আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে বাড়িতে চড়াও হয় অন্যপক্ষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে এলাকায় আসে পুলিশ।1
- Post by Ankita Chouhan1
- Post by Sk Nayan1
- সালারের খাঁড়েরা গ্রামে চুরির আতঙ্কে ঘুম ছুটেছে বাসিন্দাদের : গ্রামবাসীরা একজনকে ধরে তুলে দিল পুলিশের হাতে। মুর্শিদাবাদের সালার থানার খাঁড়েরা গ্রামে এখন ত্রাসের নাম চুরি। গত এক মাসে একের পর এক চুরির ঘটনায় কার্যত দিশেহারা গ্রামবাসীরা। শুক্রবার সকালে সালাউদ্দিন সেখ নামে এক ব্যক্তির ট্রাক্টরের ব্যাটারি উধাও হওয়াকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। তবে এবার আর কেবল অভিযোগ নয়, গ্রামবাসীদের তৎপরতায় ধরা পড়েছে এক সন্দেহভাজন। ট্রাক্টর মালিকের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের মুখে ধৃত ব্যক্তি চুরির কথা স্বীকার করেছে এবং এই চক্রে জড়িত অন্য সঙ্গীদের নামও ফাঁস করেছে। উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবারই গ্রামের একটি মুদি দোকান থেকে প্রায় ৫০-৬০ হাজার টাকার সামগ্রী এবং নগদ ৭-৮ হাজার টাকা চুরি হয়ে যায়। এমনকি রেহাই পায়নি স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়িও। মাসখানেক আগে এক ধর্মীয় অনুষ্ঠান চলাকালীন দিনে-দুপুরে বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগ নিয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় নেশাগ্রস্তদের দাপট বেড়ে যাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার এক সন্দেহভাজনকে পাকড়াও করে পুলিশের হাতে তুলে দেয় ক্ষুব্ধ জনতা। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং ধৃত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই বড় চোর চক্রের বাকি সদস্যদের ধরার চেষ্টা চালাচ্ছে। গ্রামবাসীদের দাবি, অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার করে এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনুক প্রশাসন।1