বোলপুর-শান্তিনিকেতনে এক সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক সিদ্ধার্থ দাসের অভিযোগ, তাঁর সই নকল করে একটি বিলাসবহুল রিসর্ট বেদখল করা হয়েছে। এই ঘটনায় বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল এবং বিকাশ রায়চৌধুরীর নাম জড়িয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর বোলপুরের চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট অপূর্ব মুখোপাধ্যায় এবং ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলের দিকে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর এই ঘটনা ঘটে বলে চিকিৎসক জানিয়েছেন, যেখানে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি ও মারধর করা হয়। চিকিৎসক সিদ্ধার্থ দাস জানান, ট্যাক্স সংক্রান্ত কাজের সূত্র ধরে অপূর্ব মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয় এবং পারিবারিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অপূর্বের পরামর্শে তাঁরা দু'জনে শান্তিনিকেতনের সায়রবিথী পার্কের পশ্চিম দিকে প্রায় ১৮ কাঠা জমি কেনেন ২০১৭-১৮ সালে। এর মধ্যে ১১ কাঠা জমি চিকিৎসকের নামে এবং বাকি সাত কাঠা অপূর্ব মুখোপাধ্যায়ের নামে ছিল। পরবর্তীতে, ২০২১-২২ সালে এই জমিতে ১৭টি ঘর ও সুইমিং পুলসহ 'আয়াস রিসর্ট' তৈরি করা হয়। রিসর্ট নির্মাণ ও জমি কিনতে চিকিৎসক মোট ৩ কোটি ৬১ লক্ষ ১৮ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেন, যা নগদ, চেক এবং সরাসরি ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছিল। সব্যসাচী মণ্ডল, নীলকান্ত মণ্ডল এবং সুভাষ দত্ত ব্যাংক থেকে এই টাকা তুলেছিলেন বলে অভিযোগ। রিসর্ট উদ্বোধনের কিছুকাল পরই চিকিৎসক জানতে পারেন, তাঁর সই নকল করে পুরো সম্পত্তি অপূর্ব মুখোপাধ্যায় এবং সব্যসাচী মণ্ডল নিজেদের নামে লিখিয়ে নিয়েছেন। চিকিৎসক সিদ্ধার্থ দাসের অভিযোগ, নিজের সম্পত্তি দাবি করতে গেলে সব্যসাচী মণ্ডলের লোকজন তাঁর উপর চড়াও হয়ে মারধর করে এবং তাঁকে বহুবার প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। অনুব্রত মণ্ডল এবং তৎকালীন বীরভূম জেলা পরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতি বিকাশ রায়চৌধুরীর নাম করে তাঁকে দিনের পর দিন ভয় দেখানো হয়, যার ফলে তিনি অভিযোগ জানাতে পারেননি। এমনকি, সেই সময় পুলিশ তাঁর অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে বলেও তিনি দাবি করেন। বর্তমানে 'আয়াস' রিসর্টটি সব্যসাচী মণ্ডলের স্ত্রী লাবণী সাহা ও অপূর্ব মুখোপাধ্যায়ের মা ঊষারানি মুখোপাধ্যায়ের নামে রয়েছে। চিকিৎসকের বাবা হৃদয়রতন দাস জানান, তাঁর সহজ-সরল ছেলেকে বড় চক্রান্ত করে ঠকানো হয়েছে এবং তাঁদের সর্বস্বান্ত করে দেওয়া হয়েছে। এই সমস্ত অভিযোগ নিয়ে চিকিৎসক সিদ্ধার্থ দাস সম্প্রতি বীরভূমের জেলাশাসক ধবল জৈন, জেলা পুলিশ সুপার বিদিত রাজ বন্দেশ, শান্তিনিকেতন থানার ওসি এবং বোলপুর ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি আশাবাদী যে রাজ্যে পালাবদল হওয়ায় নতুন সরকারের অধীনে তিনি সঠিক বিচার পাবেন। জেলাশাসক ধবল জৈন এ বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।
বোলপুর-শান্তিনিকেতনে এক সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক সিদ্ধার্থ দাসের অভিযোগ, তাঁর সই নকল করে একটি বিলাসবহুল রিসর্ট বেদখল করা হয়েছে। এই ঘটনায় বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল এবং বিকাশ রায়চৌধুরীর নাম জড়িয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর বোলপুরের চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট অপূর্ব মুখোপাধ্যায় এবং ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলের দিকে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর এই ঘটনা ঘটে বলে চিকিৎসক জানিয়েছেন, যেখানে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি ও মারধর করা হয়। চিকিৎসক সিদ্ধার্থ দাস জানান, ট্যাক্স সংক্রান্ত কাজের সূত্র ধরে অপূর্ব মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয় এবং পারিবারিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অপূর্বের পরামর্শে তাঁরা দু'জনে শান্তিনিকেতনের সায়রবিথী পার্কের পশ্চিম দিকে প্রায় ১৮ কাঠা জমি কেনেন ২০১৭-১৮ সালে। এর মধ্যে ১১ কাঠা জমি চিকিৎসকের নামে এবং বাকি সাত কাঠা অপূর্ব মুখোপাধ্যায়ের নামে ছিল। পরবর্তীতে, ২০২১-২২ সালে এই জমিতে ১৭টি ঘর ও সুইমিং পুলসহ 'আয়াস রিসর্ট' তৈরি করা হয়। রিসর্ট নির্মাণ ও জমি কিনতে চিকিৎসক মোট ৩ কোটি ৬১ লক্ষ ১৮ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেন, যা নগদ, চেক এবং সরাসরি ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছিল। সব্যসাচী মণ্ডল, নীলকান্ত মণ্ডল এবং সুভাষ দত্ত ব্যাংক থেকে এই টাকা তুলেছিলেন বলে অভিযোগ। রিসর্ট উদ্বোধনের কিছুকাল পরই চিকিৎসক জানতে পারেন, তাঁর সই নকল করে পুরো সম্পত্তি অপূর্ব মুখোপাধ্যায় এবং সব্যসাচী মণ্ডল নিজেদের নামে লিখিয়ে নিয়েছেন। চিকিৎসক সিদ্ধার্থ দাসের অভিযোগ, নিজের সম্পত্তি দাবি করতে গেলে সব্যসাচী মণ্ডলের লোকজন তাঁর উপর চড়াও হয়ে মারধর করে এবং তাঁকে বহুবার প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। অনুব্রত মণ্ডল এবং তৎকালীন বীরভূম জেলা পরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতি বিকাশ রায়চৌধুরীর নাম করে তাঁকে দিনের পর দিন ভয় দেখানো হয়, যার ফলে তিনি অভিযোগ জানাতে পারেননি। এমনকি, সেই সময় পুলিশ তাঁর অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে বলেও তিনি দাবি করেন। বর্তমানে 'আয়াস' রিসর্টটি সব্যসাচী মণ্ডলের স্ত্রী লাবণী সাহা ও অপূর্ব মুখোপাধ্যায়ের মা ঊষারানি মুখোপাধ্যায়ের নামে রয়েছে। চিকিৎসকের বাবা হৃদয়রতন দাস জানান, তাঁর সহজ-সরল ছেলেকে বড় চক্রান্ত করে ঠকানো হয়েছে এবং তাঁদের সর্বস্বান্ত করে দেওয়া হয়েছে। এই সমস্ত অভিযোগ নিয়ে চিকিৎসক সিদ্ধার্থ দাস সম্প্রতি বীরভূমের জেলাশাসক ধবল জৈন, জেলা পুলিশ সুপার বিদিত রাজ বন্দেশ, শান্তিনিকেতন থানার ওসি এবং বোলপুর ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি আশাবাদী যে রাজ্যে পালাবদল হওয়ায় নতুন সরকারের অধীনে তিনি সঠিক বিচার পাবেন। জেলাশাসক ধবল জৈন এ বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।
- মুর্শিদাবাদের লালগোলা কৃষ্ণপুর রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় বুধবার সকাল থেকে ব্যাপক হকার উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। রেল সুরক্ষা বাহিনী (আরপিএফ) এবং পুলিশ প্রশাসন যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল রেলওয়ের জমি ও স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাট এবং দখলদারি সরানো। অভিযান চলাকালীন বুলডোজার ব্যবহার করে একাধিক অস্থায়ী ও অবৈধ কাঠামো ভেঙে ফেলা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং স্টেশন চত্বরে শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আরপিএফ ও স্থানীয় থানার পুলিশ সতর্ক অবস্থানে ছিল। যদিও এই অভিযানের ফলে কিছু হকার ও ব্যবসায়ীর মধ্যে অসন্তোষ দেখা যায়, তবুও বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের তরফে আরও জানানো হয়েছে যে, ভবিষ্যতেও রেলওয়ের জমি দখলমুক্ত রাখতে এবং অবৈধ নির্মাণ রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।1
- মুর্শিদাবাদের ফারাক্কায় ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে একটি মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা ঘটেছে, যেখানে একটি দ্রুতগতির ডাম্পারের ধাক্কায় ১৮ বছর বয়সী রাজ শেখ নামে এক তরুণের প্রাণহানি হয়েছে। এই ঘটনায় তার ১৮ বছর বয়সী বন্ধু মোরসালিন শেখ গুরুতর আহত অবস্থায় রয়েছেন। মৃত রাজ শেখ ফারাক্কা ব্লকের মরেজপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রাজ এবং তার বন্ধু মোরসালিন ফারাক্কা ব্যারেজে একটি ব্যাংকে কাজের জন্য এসেছিলেন। ব্যাংকের কাজ শেষ করে মোটরবাইকে করে বাড়ি ফেরার পথে ফারাক্কা এনটিপিসি মোড় এলাকায় ডাম্পারটি তাদের মোটরবাইককে সজোরে ধাক্কা মারে। সংঘর্ষের তীব্রতায় দুই বন্ধু ছিটকে পড়েন। দুর্ঘটনাটি স্থানীয় বাসিন্দাদের নজরে আসতেই তারা দ্রুত ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করেন। এরপর তড়িঘড়ি তাদের নিকটবর্তী ‘হায়াত মেডিকেল’-এ নিয়ে যাওয়া হলে, কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা রাজ শেখকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অন্য যুবক মোরসালিন শেখের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হওয়ায়, প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।1
- বুধবার বহরমপুর শহরে সাদা রঙের অটো চলাচলে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে হরিহরপাড়ার অটোচালকরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। সকাল থেকেই বিভিন্ন রুটে আংশিকভাবে অটো পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়, যার ফলে কিছু সময়ের জন্য যাত্রীদের ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। আন্দোলনকারী চালকদের দাবি, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বৈধ কাগজপত্র নিয়ে অটো চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন এবং হঠাৎ করে নেওয়া এই সিদ্ধান্তে বহু পরিবার আর্থিক সংকটে পড়বে। বিশেষ করে ঋণ নিয়ে গাড়ি কেনা চালকদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রতিবাদের অংশ হিসেবে কিষাণ মান্ডি মাঠে শতাধিক অটো দাঁড় করিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। চালকরা হরিহরপাড়া-বহরমপুর রুটের অটোগুলিকে শহরে চলাচলের অনুমতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এবং দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। হরিহরপাড়া থানার পুলিশ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে।1
- মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় বুধবার বহরমপুর শহরে সাদা রঙের অটো চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারির প্রতিবাদে ব্লকের সমস্ত অটোচালকরা বিক্ষোভে সামিল হন। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এদিন সকাল থেকেই হরিহরপাড়া ব্লকের বিভিন্ন রুটে আংশিকভাবে অটো পরিষেবা বন্ধ রেখে চালকরা প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। অটোচালকদের অভিযোগ, বহরমপুর শহরে সাদা অটো নিষিদ্ধ করার ফলে বহু চালক ও তাঁদের পরিবারের জীবিকা সংকটের মুখে পড়েছে। তাঁরা দাবি করেন যে, দীর্ঘকাল ধরে বৈধ নথিপত্র নিয়ে অটো চালাচ্ছেন এবং হঠাৎ করে নেওয়া এই সিদ্ধান্তের কারণে ব্যাপক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে, লোন করে কেনা গাড়ির কিস্তি পরিশোধ নিয়ে চালকরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। তাঁদের মূল দাবি হলো, হরিহরপাড়া থেকে বহরমপুর শহরে যে অটো গাড়িগুলো চলাচল করত, সেগুলোকে বহরমপুর শহরে ঢুকতে দিতে হবে। প্রতিবাদ কর্মসূচির অংশ হিসেবে হরিহরপাড়ার বিভিন্ন এলাকার অটোচালকরা তাঁদের গাড়ি নিয়ে কিষাণ মান্ডির মাঠে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান, যার ফলে কিছু সময়ের জন্য যাত্রীদেরও দুর্ভোগের শিকার হতে হয়। বিক্ষোভকারীরা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন। চালকরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, তাঁদের দাবি না মানা হলে আগামী দিনে তাঁরা আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটতে বাধ্য হবেন। এই ঘটনার খবর পেয়ে হরিহরপাড়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে প্রশাসন।1
- মুর্শিদাবাদ জেলার রেজিনগর থেকে বেলডাঙা এবং বহরমপুর পর্যন্ত NH12-এর উপর প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে ট্যাক্সি, লরি, বাস, মোটর ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে। এত ব্যাপক যানচলাচল সত্ত্বেও, এই দীর্ঘ পথে সিগন্যাল লাইট জ্বালানোর জন্য কোনো ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন নেই। এই চরম অব্যবস্থার ফলস্বরূপ প্রতিদিন এক-দু'জন মানুষ পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছেন। এই গুরুতর পরিস্থিতি মোকাবিলায় NH12-এ ট্রাফিক পুলিশ ও সিগন্যাল লাইটের ব্যবহার অবিলম্বে শুরু করা অত্যন্ত প্রয়োজন।1
- মুর্শিদাবাদের নবগ্রামের নারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ের মূল গেটে তালা ঝুলিয়ে নজিরবিহীন বিক্ষোভে শামিল হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা, যার ফলে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। পলসান্ডা মোড় সিনিয়র সিটিজেনস, স্থানীয় যুব কমিটির সদস্য এবং পলসান্ডা মোড়ের দোকানদারদের যৌথ উদ্যোগে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি সংগঠিত হয়। আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত পঞ্চায়েতের তালা খোলা হবে না। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, নারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় জনপরিষেবা সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত এবং পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক ও প্রশাসনিক দুর্নীতির পাহাড় জমছে। নবগ্রাম মোড় সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। মোট ১০ দফা দাবি নিয়ে এই ডেপুটেশন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি চলছে, যার মধ্যে অন্যতম প্রধান দাবিগুলি হলো পলসান্ডা মোড় থেকে পঞ্চায়েত কার্যালয় পর্যন্ত ডানদিকের পিএনএল রোডের বেহাল ড্রেন অবিলম্বে সংস্কার করা, জলযন্ত্রণা এড়াতে উক্ত রাস্তার বামদিকে দ্রুত নতুন ড্রেন তৈরির ব্যবস্থা করা, মোড় সংলগ্ন বিস্তীর্ণ অন্ধকার এলাকায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে পর্যাপ্ত স্ট্রিট লাইটের ব্যবস্থা করা এবং এলাকাকে দূষণমুক্ত ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে জনবহুল স্থানে ডাস্টবিনের ব্যবস্থা করা। একজন বিক্ষোভকারী সরাসরি অভিযোগ করে বলেছেন যে, "পঞ্চায়েত জুড়ে শুধু দুর্নীতি চলছে। সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকায় কোনো কাজ হচ্ছে না। একদিকে আর্থিক কেলেঙ্কারি, অন্যদিকে নূন্যতম নাগরিক পরিষেবাটুকুও মিলছে না।" তিনি আরও দৃঢ়ভাবে জানান যে, যতক্ষণ না প্রশাসন লিখিতভাবে তাদের এই ১০ দফা দাবি পূরণের আশ্বাস দিচ্ছে, ততক্ষণ পঞ্চায়েতের তালা খোলা হবে না। প্রয়োজনে এই আন্দোলন আরও বৃহত্তর রূপ নেবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।1
- বহরমপুর শহরে সাদা রঙের অটো চলাচলে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে বুধবার হরিহরপাড়ার অটোচালকরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। সকাল থেকেই বিভিন্ন রুটে আংশিকভাবে অটো পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়। চালকদের দাবি, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বৈধ কাগজপত্র নিয়ে অটো চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। এই হঠাৎ সিদ্ধান্তে বহু পরিবার আর্থিক সংকটে পড়বে, বিশেষ করে ঋণ নিয়ে গাড়ি কেনা চালকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। প্রতিবাদের অংশ হিসেবে কিষাণ মান্ডি মাঠে শতাধিক অটো দাঁড় করিয়ে বিক্ষোভ দেখান চালকরা, যার ফলে কিছু সময়ের জন্য যাত্রীদেরও ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। চালকরা হরিহরপাড়া-বহরমপুর রুটের অটোগুলিকে শহরে চলাচলের অনুমতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। এই পরিস্থিতির উপর হরিহরপাড়া থানার পুলিশ নজর রাখছে।1
- কলকাতার তারাতলায় একটি গোডাউন ভেঙে পড়েছে। এই ঘটনায় এখনও বহু মানুষ গোডাউনের ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে রয়েছেন।1