বুধবার বহরমপুর শহরে সাদা রঙের অটো চলাচলে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে হরিহরপাড়ার অটোচালকরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। সকাল থেকেই বিভিন্ন রুটে আংশিকভাবে অটো পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়, যার ফলে কিছু সময়ের জন্য যাত্রীদের ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। আন্দোলনকারী চালকদের দাবি, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বৈধ কাগজপত্র নিয়ে অটো চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন এবং হঠাৎ করে নেওয়া এই সিদ্ধান্তে বহু পরিবার আর্থিক সংকটে পড়বে। বিশেষ করে ঋণ নিয়ে গাড়ি কেনা চালকদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রতিবাদের অংশ হিসেবে কিষাণ মান্ডি মাঠে শতাধিক অটো দাঁড় করিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। চালকরা হরিহরপাড়া-বহরমপুর রুটের অটোগুলিকে শহরে চলাচলের অনুমতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এবং দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। হরিহরপাড়া থানার পুলিশ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে।
বুধবার বহরমপুর শহরে সাদা রঙের অটো চলাচলে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে হরিহরপাড়ার অটোচালকরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। সকাল থেকেই বিভিন্ন রুটে আংশিকভাবে অটো পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়, যার ফলে কিছু সময়ের জন্য যাত্রীদের ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। আন্দোলনকারী চালকদের দাবি, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বৈধ কাগজপত্র নিয়ে অটো চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন এবং হঠাৎ করে নেওয়া এই সিদ্ধান্তে বহু পরিবার আর্থিক সংকটে পড়বে। বিশেষ করে ঋণ নিয়ে গাড়ি কেনা চালকদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রতিবাদের অংশ হিসেবে কিষাণ মান্ডি মাঠে শতাধিক অটো দাঁড় করিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। চালকরা হরিহরপাড়া-বহরমপুর রুটের অটোগুলিকে শহরে চলাচলের অনুমতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এবং দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। হরিহরপাড়া থানার পুলিশ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে।
- বুধবার বহরমপুর শহরে সাদা রঙের অটো চলাচলে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে হরিহরপাড়ার অটোচালকরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। সকাল থেকেই বিভিন্ন রুটে আংশিকভাবে অটো পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়, যার ফলে কিছু সময়ের জন্য যাত্রীদের ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। আন্দোলনকারী চালকদের দাবি, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বৈধ কাগজপত্র নিয়ে অটো চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন এবং হঠাৎ করে নেওয়া এই সিদ্ধান্তে বহু পরিবার আর্থিক সংকটে পড়বে। বিশেষ করে ঋণ নিয়ে গাড়ি কেনা চালকদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রতিবাদের অংশ হিসেবে কিষাণ মান্ডি মাঠে শতাধিক অটো দাঁড় করিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। চালকরা হরিহরপাড়া-বহরমপুর রুটের অটোগুলিকে শহরে চলাচলের অনুমতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এবং দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। হরিহরপাড়া থানার পুলিশ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে।1
- মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় বুধবার বহরমপুর শহরে সাদা রঙের অটো চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারির প্রতিবাদে ব্লকের সমস্ত অটোচালকরা বিক্ষোভে সামিল হন। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এদিন সকাল থেকেই হরিহরপাড়া ব্লকের বিভিন্ন রুটে আংশিকভাবে অটো পরিষেবা বন্ধ রেখে চালকরা প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। অটোচালকদের অভিযোগ, বহরমপুর শহরে সাদা অটো নিষিদ্ধ করার ফলে বহু চালক ও তাঁদের পরিবারের জীবিকা সংকটের মুখে পড়েছে। তাঁরা দাবি করেন যে, দীর্ঘকাল ধরে বৈধ নথিপত্র নিয়ে অটো চালাচ্ছেন এবং হঠাৎ করে নেওয়া এই সিদ্ধান্তের কারণে ব্যাপক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে, লোন করে কেনা গাড়ির কিস্তি পরিশোধ নিয়ে চালকরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। তাঁদের মূল দাবি হলো, হরিহরপাড়া থেকে বহরমপুর শহরে যে অটো গাড়িগুলো চলাচল করত, সেগুলোকে বহরমপুর শহরে ঢুকতে দিতে হবে। প্রতিবাদ কর্মসূচির অংশ হিসেবে হরিহরপাড়ার বিভিন্ন এলাকার অটোচালকরা তাঁদের গাড়ি নিয়ে কিষাণ মান্ডির মাঠে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান, যার ফলে কিছু সময়ের জন্য যাত্রীদেরও দুর্ভোগের শিকার হতে হয়। বিক্ষোভকারীরা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন। চালকরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, তাঁদের দাবি না মানা হলে আগামী দিনে তাঁরা আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটতে বাধ্য হবেন। এই ঘটনার খবর পেয়ে হরিহরপাড়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে প্রশাসন।1
- বহরমপুর শহরে সাদা রঙের অটো চলাচলে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে বুধবার হরিহরপাড়ার অটোচালকরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। সকাল থেকেই বিভিন্ন রুটে আংশিকভাবে অটো পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়। চালকদের দাবি, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বৈধ কাগজপত্র নিয়ে অটো চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। এই হঠাৎ সিদ্ধান্তে বহু পরিবার আর্থিক সংকটে পড়বে, বিশেষ করে ঋণ নিয়ে গাড়ি কেনা চালকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। প্রতিবাদের অংশ হিসেবে কিষাণ মান্ডি মাঠে শতাধিক অটো দাঁড় করিয়ে বিক্ষোভ দেখান চালকরা, যার ফলে কিছু সময়ের জন্য যাত্রীদেরও ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। চালকরা হরিহরপাড়া-বহরমপুর রুটের অটোগুলিকে শহরে চলাচলের অনুমতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। এই পরিস্থিতির উপর হরিহরপাড়া থানার পুলিশ নজর রাখছে।1
- মুর্শিদাবাদ জেলার রেজিনগর থেকে বেলডাঙা এবং বহরমপুর পর্যন্ত NH12-এর উপর প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে ট্যাক্সি, লরি, বাস, মোটর ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে। এত ব্যাপক যানচলাচল সত্ত্বেও, এই দীর্ঘ পথে সিগন্যাল লাইট জ্বালানোর জন্য কোনো ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন নেই। এই চরম অব্যবস্থার ফলস্বরূপ প্রতিদিন এক-দু'জন মানুষ পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছেন। এই গুরুতর পরিস্থিতি মোকাবিলায় NH12-এ ট্রাফিক পুলিশ ও সিগন্যাল লাইটের ব্যবহার অবিলম্বে শুরু করা অত্যন্ত প্রয়োজন।1
- মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা-১ ব্লকের টিকলিচর গ্রামে সরকারি আবাসন প্রকল্পের ঘর সার্ভে ঘিরে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। গ্রামবাসীদের একাংশের দাবি, যেসব পরিবার অতীতে একাধিকবার সরকারি আবাসনের সুবিধা পেয়েছে কিংবা যাদের ইতিমধ্যেই পাকা বাড়ি রয়েছে, তাদের বাড়িতেই পুনরায় সার্ভে করা হচ্ছে। অথচ প্রকৃত কাঁচা বাড়িতে বসবাসকারী বহু দরিদ্র ও প্রাপ্য পরিবারের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, হনুমন্তনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্মীরা সার্ভের কাজে এলেও পুরো প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো হচ্ছে। এই অভিযোগের তির স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি তাকিবুল্লা শেখের দিকে, কারণ গ্রামবাসীদের একাংশের দাবি তাঁর উপস্থিতিতেই ব্যক্তিগত পছন্দ অনুযায়ী বাড়ি নির্বাচন করে সার্ভে করানো হচ্ছে। যদিও তাকিবুল্লা শেখ সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অস্বীকার করেছেন। উল্লেখ্য, রাজ্য সরকারের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে যাদের পাকা বাড়ি বা ইট-গাঁথা স্থায়ী বাসস্থান আছে, তারা নতুন আবাসন প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। এই প্রেক্ষাপটে টিকলিচরের বর্তমান সার্ভে প্রক্রিয়া নিয়ে বহু বাসিন্দা প্রশ্ন তুলছেন। এই পরিস্থিতিতে গ্রামবাসীরা স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্তভাবে পুনরায় সার্ভে করে প্রকৃত প্রাপকদের তালিকাভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি মানা না হলে, তারা বৃহত্তর আন্দোলনে নামার পাশাপাশি বিডিও অফিস ঘেরাওয়ের মতো কর্মসূচি গ্রহণ করতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।1
- মুর্শিদাবাদের ভরতপুর-১ ব্লকে বিভিন্ন জনদাবি পূরণের লক্ষ্যে সোমবার এক জোরালো আন্দোলনের সাক্ষী থাকল স্থানীয় প্রশাসন। আরএসপির ছাত্র সংগঠন প্রগতিশীল ছাত্র সংস্থা (PSU)-র ভরতপুর লোকাল কমিটির পক্ষ থেকে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এদিন আরএসপি দলীয় কার্যালয় থেকে একটি প্রতিবাদী মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ভরতপুর বাজার ও বাসস্টপেজ পরিক্রমা করে ব্লক অফিসের সামনে সমবেত হলে এক উত্তাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সেখানে সংগঠনের অন্যান্য নেতৃত্ব পথসভায় বক্তব্য রাখছিলেন, সেই সময়েই সংগঠনের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ভরতপুর-১ ব্লকের বিডিও দাওয়া শেরপার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। প্রতিনিধি দলটি তাঁদের ৬ দফা সংবলিত একটি স্মারকলিপি বিডিও-কে তুলে দেয় এবং বিষয়গুলি নিয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করে। স্মারকলিপিতে উত্থাপিত প্রধান দাবিগুলির মধ্যে ছিল প্রশাসনকে সর্বক্ষেত্রে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করা, বি.এল.আর.ও. অফিসে সাধারণ মানুষের হয়রানি ও দুর্নীতি অবিলম্বে বন্ধ করা, ভরতপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জরুরি বিভাগটি সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য নিচের তলায় স্থানান্তর করা, ভরতপুরে একটি নতুন কলেজ ও একটি গার্লস হাই স্কুল স্থাপন, এবং সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশন বন্ধ করা। এছাড়া, SIR-এ বিচারাধীন ২৭ লক্ষ নামের দ্রুত নিষ্পত্তি করে সংশ্লিষ্ট নাগরিকদের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিও জানানো হয়। এই সমগ্র কর্মসূচিতে উপস্থিত থেকে আন্দোলনের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেন সংগঠনের প্রাক্তন নেতা তথা আরএসপি-র জেলা সম্পাদক নওফেল মহম্মদ সফিউল্লাহ এবং আরএসপি-র ভরতপুর লোকাল কমিটির সম্পাদক তথা প্রবীণ নেতা জামাল চৌধুরী সহ অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব ও কর্মীবৃন্দ।1
- মঙ্গলবার মুর্শিদাবাদের সাগরপাড়া এলাকায় পুলিশ এক বড়সড় সাফল্য অর্জন করেছে, যেখানে কাঁটাতার টোপকে বাংলাদেশে সংলগ্ন এলাকায় অস্ত্র পাচারের একটি ডিল ভেস্তে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় দু'জন কুখ্যাত অস্ত্র মাফিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। গোপন সূত্রের ভিত্তিতে সাগরপাড়া থানার পুলিশ সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায়, যেখানে দুই সন্দেহভাজন যুবককে আটক করে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিতে তাদের কাছ থেকে একটি সেভেন এমএম পিস্তল, ম্যাগাজিন সহ কয়েক রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার হয়েছে। ধৃত ওই দুই কুখ্যাত অস্ত্র মাফিয়ার বাড়ি ডোমকলের কাটাকোপড়া এলাকায়।1
- মুর্শিদাবাদের ডোমকল থানার বাবলাবোনা এলাকায় মঙ্গলবার বাড়ির জল তোলার পাম্প চুরির সন্দেহে এক ব্যক্তিকে আটক করে গাছে বেঁধে রাখে স্থানীয় জনতা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি বাড়ির পাম্প চুরির অভিযোগে এলাকার কিছু বাসিন্দা এক ব্যক্তিকে সন্দেহভাজন হিসেবে ধরে। এরপর উত্তেজিত জনতারা তাঁকে দড়ি দিয়ে গাছে বেঁধে রাখে। খবর পেয়ে ডোমকল থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। ডোমকল থানার পুলিশ পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।1