Shuru
Apke Nagar Ki App…
একটি ঢালাই রাস্তা নির্মাণের জন্য পাঁচবার অনুমোদন লাভ করা সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত তার কাজ শুরু হয়নি। এই পরিস্থিতিতে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে যে, তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) এর নেতারা রাস্তার জন্য বরাদ্দ সমস্ত অর্থ আত্মসাৎ করেছেন, যার ফলস্বরূপ রাস্তাটি আজও তৈরি হয়নি।
Madhusudan Khan
একটি ঢালাই রাস্তা নির্মাণের জন্য পাঁচবার অনুমোদন লাভ করা সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত তার কাজ শুরু হয়নি। এই পরিস্থিতিতে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে যে, তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) এর নেতারা রাস্তার জন্য বরাদ্দ সমস্ত অর্থ আত্মসাৎ করেছেন, যার ফলস্বরূপ রাস্তাটি আজও তৈরি হয়নি।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- মালদায় গুরু তেগ বাহাদুরের ৩৫০তম শহিদ দিবস পালন করা হয়েছে। এই commemorating অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল আর.এন. রবি উপস্থিত ছিলেন।1
- রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে যে অরূপ বিশ্বাস কি 'ভালো তৃণমূল' হওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। সূত্র অনুযায়ী, এর আগে তিনি যদি 'ডিম' চেয়ে থাকেন, তবে এবার সম্ভবত 'অমলেট'-এর মতো আরও বড় কিছু দাবি করবেন। এই সম্পূর্ণ রহস্য জানতে এবং ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জানতে ভিডিওটি দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে।1
- পশ্চিমবঙ্গ বাজেট প্রসঙ্গে শশী সিং ঝা একটি এক্সক্লুসিভ আলোচনায় অংশ নিয়েছেন।1
- ভারতীয় জনতা পার্টির কার্যকর্তাদের উদ্যোগে আয়োজিত একটি রক্তদান শিবিরকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উন্মাদনা দেখা যায়, যা এক উৎসবের আকার ধারণ করে। ভারতীয় জনতা পার্টির নোয়াপাড়া মন্ডল চারের শক্তি কেন্দ্র প্রমুখ প্রলয় দত্তের উদ্যোগে এবং চারজন বুথ সভাপতির সহায়তায় এই রক্তদান উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে সাধারণ মানুষ রক্ত দান করেন।1
- যোগ দিবস থেকে ফেরার পথে নামখানায় একটি লঞ্চ ট্রলারের ধাক্কায় ডুবে গেছে। এই গুরুতর দুর্ঘটনায় লঞ্চটিতে থাকা পাঁচজন কর্মী বরাতজোরে প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন।1
- পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় তৃণমূল বিধায়ক নজরুল ইসলাম মাদ্রাসার ভূমিকা তুলে ধরেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ইংরেজদের তাড়ানোর আন্দোলন মাদ্রাসা থেকেই পরিচালিত হয়েছিল। বিধায়ক বিধানসভায় এই বিষয়টি নিয়ে ব্যাখ্যা দেন, যেখানে তিনি 'মাদ্রাসাগুলোতে ঠিক কী হয়' এই প্রশ্নটিরও উত্তর দেন।1
- কলকাতার বরাবাজার এলাকায় এক মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় এক যুবকের মৃ*ত্যু হয়েছে। জানা গেছে, ওই যুবক প্যান্ডেলের কাজ সেরে বাড়ি ফিরছিলেন। কাজ শেষ করে ফেরার পথেই এই দুর্ঘটনা ঘটে, যাতে তিনি প্রা*ণ হারান।1
- সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্প্রতি 'ককরোচ জনতা পার্টি' (CJP) নামের একটি দলের ভিডিও এবং পোস্ট ব্যাপকভাবে ভাইরাল হচ্ছে, যা দেখে অনেকে এটিকে একটি নতুন ডিজিটাল ফাঁদ বা ভুয়ো ভিডিও বলে বিভ্রান্ত হচ্ছেন। তবে এর পেছনের সত্যটি কোনো সাধারণ প্রতারণা নয়, বরং এটি একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ব্যঙ্গ। এই আন্দোলনের শুরু ২০২৬ সালের মে মাসে, যখন ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত একটি মামলার শুনানির সময় মন্তব্য করেছিলেন যে কিছু বেকার যুবক ও অ্যাক্টিভিস্টরা 'তেলাপোকা' (Cockroaches) এবং 'সামাজিক পরজীবী'-র মতো, যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় সিস্টেমকে আক্রমণ করে। প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যে দেশের তরুণ ও শিক্ষার্থীদের মনে তীব্র ক্ষোভ জন্ম নেয়। এই অপমানের প্রতিবাদ হিসেবে ১৬ মে, ২০২৬-এ ডিজিটাল স্ট্র্যাটেজিস্ট অভিজিৎ দিপক প্রতীকীভাবে এই 'ককরোচ জনতা পার্টি' (CJP) তৈরি করেন। তরুণরা তখন ব্যঙ্গ করে বলতে শুরু করে— "যদি দেশের বেকার যুবকদের তেলাপোকা বলা হয়, তবে আমরা গর্বিত তেলাপোকা (Main Bhi Cockroach)।" এটি কোনো সরকারিভাবে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নয় এবং ভারতের নির্বাচন কমিশনের (ECI) কাছে এর কোনো স্বীকৃতি নেই। তারা কোনো ভোটেও লড়ছে না। এটি মূলত একটি ডিজিটাল এবং সামাজিক প্রতিবাদ আন্দোলন, যা সোশ্যাল মিডিয়ায় অত্যন্ত দ্রুতগতিতে জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং কয়েকদিনের মধ্যেই লক্ষাধিক তরুণ এতে প্রতীকী সদস্য হিসেবে যুক্ত হন। যদিও এটি একটি ব্যঙ্গাত্মক দল হিসেবে শুরু হয়েছিল, তবে এর পেছনের দাবিগুলো অত্যন্ত বাস্তব ও গুরুতর। এর মূল দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে সাম্প্রতিক নিট (NEET) পরীক্ষার পেপার ফাঁস ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে থালা-বাসন বাজিয়ে বড়সড় বিক্ষোভ প্রদর্শন এবং দেশের শিক্ষিত যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের সঠিক হিসাব ও স্বচ্ছ নিয়োগ ব্যবস্থার দাবি। সংক্ষেপে, 'ককরোচ জনতা পার্টি'-র ভিডিওগুলো মানুষকে ঠকানোর কোনো প্রতারণা বা ভুয়ো ফাঁদ নয়। এটি দেশের বর্তমান বেকারত্ব সমস্যা, পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস এবং তরুণদের প্রতি ব্যবস্থার উদাসীনতার বিরুদ্ধে ভারতীয় যুবসমাজের (বিশেষত জেন-জি) এক অভিনব ও তীব্র ব্যঙ্গাত্মক প্রতিবাদ।2
- প্রকাশিত বিবরণে দৃঢ়ভাবে বলা হয়েছে যে সমস্ত ভুল বক্তার নিজেরই। এতে বারবার উল্লেখ করা হয়েছে যে প্রতিটি ত্রুটির সম্পূর্ণ দায়ভার তার একার।1