মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলার জলঙ্গি বিধানসভার সাগরপাড়ায় পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালিত হয়েছে, যা ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মৎস্য সেলের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য মিছিলের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মসূচির নেতৃত্বে ছিলেন সন্দীপ কুমার বিশ্বাস ও নবকুমার সরকার। তাঁদের উদ্যোগে আয়োজিত এই মিছিলে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা দলীয় পতাকা ও ব্যানার হাতে নিয়ে এলাকাজুড়ে পদযাত্রা করেন। মিছিলে অংশগ্রহণকারী কর্মীরা পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও গৌরবকে তুলে ধরে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এই কর্মসূচিকে ঘিরে এলাকায় এক উৎসবের আবহ তৈরি হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। মূলত ‘আমাদের মাটি, আমাদের ঐতিহ্য, আমাদের পরিচয়’ এবং ‘আমাদের মাটি, আমাদের গর্ব’ এই বার্তাকে সামনে রেখেই সাগরপাড়ায় পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করা হয়, যা মিছিলের মধ্য দিয়ে বিজেপির শক্তি প্রদর্শন হিসেবেও বিবেচিত।
মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলার জলঙ্গি বিধানসভার সাগরপাড়ায় পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালিত হয়েছে, যা ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মৎস্য সেলের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য মিছিলের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মসূচির নেতৃত্বে ছিলেন সন্দীপ কুমার বিশ্বাস ও নবকুমার সরকার। তাঁদের উদ্যোগে আয়োজিত এই মিছিলে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা দলীয় পতাকা ও ব্যানার হাতে নিয়ে এলাকাজুড়ে পদযাত্রা করেন। মিছিলে অংশগ্রহণকারী কর্মীরা পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও গৌরবকে তুলে ধরে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এই কর্মসূচিকে ঘিরে এলাকায় এক উৎসবের আবহ তৈরি হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। মূলত ‘আমাদের মাটি, আমাদের ঐতিহ্য, আমাদের পরিচয়’ এবং ‘আমাদের মাটি, আমাদের গর্ব’ এই বার্তাকে সামনে রেখেই সাগরপাড়ায় পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করা হয়, যা মিছিলের মধ্য দিয়ে বিজেপির শক্তি প্রদর্শন হিসেবেও বিবেচিত।
- মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলার জলঙ্গি বিধানসভার সাগরপাড়ায় পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালিত হয়েছে, যা ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মৎস্য সেলের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য মিছিলের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মসূচির নেতৃত্বে ছিলেন সন্দীপ কুমার বিশ্বাস ও নবকুমার সরকার। তাঁদের উদ্যোগে আয়োজিত এই মিছিলে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা দলীয় পতাকা ও ব্যানার হাতে নিয়ে এলাকাজুড়ে পদযাত্রা করেন। মিছিলে অংশগ্রহণকারী কর্মীরা পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও গৌরবকে তুলে ধরে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এই কর্মসূচিকে ঘিরে এলাকায় এক উৎসবের আবহ তৈরি হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। মূলত ‘আমাদের মাটি, আমাদের ঐতিহ্য, আমাদের পরিচয়’ এবং ‘আমাদের মাটি, আমাদের গর্ব’ এই বার্তাকে সামনে রেখেই সাগরপাড়ায় পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করা হয়, যা মিছিলের মধ্য দিয়ে বিজেপির শক্তি প্রদর্শন হিসেবেও বিবেচিত।1
- সাগরপাড়া থানায় ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকের (ওসি) চেয়ারে এক মন্ত্রীর বসার ঘটনা সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে। এই ঘটনা ঘিরে মন্ত্রী গৌরী শংকরকে প্রশ্ন করা হলে তিনি তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখান। মন্ত্রী দাবি করেছেন, ওই চেয়ারটি তাঁর জন্য নির্দিষ্ট করে রাখা হয়েছিল। তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, যদি কেউ তাঁর এই দাবি প্রমাণ করতে না পারে, তাহলে তিনি মন্ত্রিত্ব পদ থেকে ইস্তফা দিতে প্রস্তুত।1
- কান্দি পৌরসভায় চেয়ারম্যান জয়দেব ঘটকের পদত্যাগের ঠিক পরের দিন, শনিবার সকাল এগারোটা নাগাদ বিজেপি নেতৃত্ব পৌরসভাটিকে গঙ্গা জল দিয়ে শুদ্ধিকরণ করেছে। কান্দি বিধানসভার অবজার্ভার সুদীপ্ত সিনহা এবং জেলা বিজেপি নেত্রী বিনিতা রায় সহ অন্যান্য বিজেপি কর্মীরা এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন। এই শুদ্ধিকরণ অভিযান চেয়ারম্যানের ঘর সহ পৌরসভার সমস্ত ঘরে চালানো হয়। এই কর্মসূচির কারণ হিসেবে জানানো হয়েছে যে, গতকাল শুক্রবার কান্দি পৌরসভার চেয়ারম্যান জয়দেব ঘটক তাঁর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। এর পরেই বিজেপির উদ্যোগে এই শুদ্ধিকরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।1
- পশ্চিমবঙ্গ দিবসের দিনে শনিবার সকালে বহরমপুর স্টেশনের ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মে বহরমপুর থেকে আজিমগঞ্জ রুটে একটি নতুন লোকাল ট্রেনের শুভ সূচনা করা হয়েছে। বহরমপুরের বিজেপি বিধায়ক সুব্রত মৈত্র এবং শিয়ালদহের ডিআরএম রাজীব সাক্সেনা অস্থায়ী মঞ্চ থেকে সবুজ পতাকা নেড়ে এই পরিষেবার উদ্বোধন করেন। বিধায়ক সুব্রত মৈত্র জানান যে, বহরমপুর থেকে আজিমগঞ্জ লোকাল ট্রেনের জন্য দীর্ঘদিন ধরে মানুষের দাবি ছিল। এই দাবিকে মাথায় রেখেই আজ এই নতুন পরিষেবা শুরু হলো, যা বহু মানুষকে উপকৃত করবে। এই ট্রেন দিনে তিনবার বহরমপুর থেকে আজিমগঞ্জ এবং আজিমগঞ্জ থেকে বহরমপুর যাতায়াত করবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, কবিগুরু এক্সপ্রেস সহ অন্যান্য ট্রেনের সাথে সংযোগ স্থাপনের ক্ষেত্রেও এই নতুন ট্রেন যাত্রীদের অনেকটাই সুবিধা দেবে। উদ্বোধনের পাশাপাশি, বিধায়ক সুব্রত মৈত্র যাত্রীদের সুবিধার জন্য ডিআরএমকে আরও কিছু দাবি জানিয়েছেন।1
- সম্প্রতি আবারও একটি পূর্ণবয়স্ক গোখরা সাপ এবং তার ডিম উদ্ধার করা হয়েছে।1
- মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দী পৌরসভায় বিজেপি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে দুর্নীতির 'শুদ্ধিকরণ' করা হয়েছে। পৌরসভাকে গঙ্গাজল দিয়ে 'শুদ্ধ' করার এই প্রতীকী পদক্ষেপ নিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।1
- খারাপ রাস্তার কারণে এলাকার সাধারণ মানুষকে প্রতিদিন স্কুল, কলেজ এবং বাজারঘাটে যাতায়াত করতে গিয়ে প্রবল অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে। এই দুর্ভোগের কারণে তাঁদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। তাই, অবিলম্বে এই সমস্যার সমাধানে সরকার যাতে রাস্তাটি দ্রুত মেরামত করে, তার জন্য সরকারের কাছে জোর আবেদন জানানো হয়েছে।1