পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দায়িত্বে এসে মর্মান্তিক মৃত্যু হল এক কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দায়িত্বে এসে মর্মান্তিক মৃত্যু হল এক কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের। ঘটনাটি ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তদন্ত। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার রামনগর বিধানসভার দিঘা বিদ্যাভবনে অবস্থান করছিলেন ওই জওয়ান। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে নিজের সার্ভিস রিভলভার থেকে গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী হন তিনি। ঘটনার জেরে মুহূর্তের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে সৈকত শহর দিঘায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দিঘা মোহনা থানার পুলিশ। এই মৃত্যু আত্মহত্যা নাকি এর নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে এসে কেন এমন চরম সিদ্ধান্ত নিলেন ওই জওয়ান, তা নিয়েও উঠছে একাধিক প্রশ্ন। প্রাথমিকভাবে পুলিশ এটিকে আত্মহত্যা বলেই মনে করলেও, অন্য কোনও সম্ভাবনাকেও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। ইতিমধ্যেই সহকর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে এবং তাঁর মানসিক অবস্থার দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃত জওয়ানের নাম বীরেন্দ্র সিংহ (৪৩)। তিনি সিআরপিএফের ১৩১ নম্বর আলফা ব্যাটেলিয়ানের সদস্য ছিলেন। তাঁর বাড়ি হরিয়ানার গোঁসাই এলাকায়। দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন তিনি। নির্বাচনের কাজে কয়েকদিন আগে দিঘায় এসে সহকর্মীদের সঙ্গে দিঘা বিদ্যাভবনেই থাকছিলেন। আচমকা এই ঘটনায় শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছেন তাঁর সহকর্মীরা। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য তমলুকে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দায়িত্বে এসে মর্মান্তিক মৃত্যু হল এক কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দায়িত্বে এসে মর্মান্তিক মৃত্যু হল এক কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের। ঘটনাটি ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তদন্ত। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার রামনগর বিধানসভার দিঘা বিদ্যাভবনে অবস্থান করছিলেন ওই জওয়ান। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে নিজের সার্ভিস রিভলভার থেকে গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী হন তিনি। ঘটনার জেরে মুহূর্তের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে সৈকত শহর দিঘায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দিঘা মোহনা থানার পুলিশ। এই মৃত্যু আত্মহত্যা নাকি এর নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে এসে কেন এমন চরম সিদ্ধান্ত নিলেন ওই জওয়ান, তা নিয়েও উঠছে একাধিক প্রশ্ন। প্রাথমিকভাবে পুলিশ এটিকে আত্মহত্যা বলেই মনে করলেও, অন্য কোনও সম্ভাবনাকেও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। ইতিমধ্যেই সহকর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে এবং তাঁর মানসিক অবস্থার দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃত জওয়ানের নাম বীরেন্দ্র সিংহ (৪৩)। তিনি সিআরপিএফের ১৩১ নম্বর আলফা ব্যাটেলিয়ানের সদস্য ছিলেন। তাঁর বাড়ি হরিয়ানার গোঁসাই এলাকায়। দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন তিনি। নির্বাচনের কাজে কয়েকদিন আগে দিঘায় এসে সহকর্মীদের সঙ্গে দিঘা বিদ্যাভবনেই থাকছিলেন। আচমকা এই ঘটনায় শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছেন তাঁর সহকর্মীরা। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য তমলুকে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ।
- পূর্ব পাঁশকুড়া বিধানসভার বামফ্রন্টের মনোনিত সিপিআই এম প্রার্থী ইব্রাহিম আলির সমর্থনে প্রচারে এলেন পূর্ব মেদিনীপুর সিপিএমের জেলা সম্পাদক নিরঞ্জন সিহি।গতকয়েকদিন জেলায় রাজনৈত্যিক চর্চায়,উঠেএসেছে তার নাম।গত ১৯ শে মার্চ বামফ্রন্টের দ্বিতীয় প্রার্থী তালিকায়,প্রকাশ হয়েছিলো পশ্চিম পাঁশকুড়ার সিপিআই এম প্রার্থী হিসেবে।ঐ দিন থেকেই শুরু হয়েছিলো প্রচারপর্ব। একাধিক দেওয়াল লিখন পোষ্টারিং।কিন্তু অবশেষে ঐ আসনে আই এস এফ কে ছেড়ে দেওয়া হয়।ফলে জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশে প্রার্থীপদ থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করেন নিরঞ্জন সিহি।এই নাম প্রত্যাহারের পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে একাধিক পাঁশকুড়া এলাকার সিপিআই এম নেতাকর্মীরা দল থেকে অব্যাহতির কথা লিখছেন।তবে নাম প্রত্যাহারের পর থেকে নিরঞ্জন বাবু বলেছিলেন জেলার ১৬ টি আসনেই বামফ্রন্টের হয়ে প্রচার করবেন।তারপরই শুক্রবার পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাটের সাগরবাড়ে পূর্ব পাঁশকুড়া বিধানসভার সিপিআই এমের প্রার্থী ইব্রাহিম আলির সমর্থনে নির্বাচনী জনসভায় যোগদেন।এই নির্বাচনী জনসভায় উপস্থিত ছিলেন রামফ্রন্টের কেন্দ্রীয়কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী।তবে এদিন সুজন বাবু নিরঞ্জন সিহির নামপ্রত্যাহার প্রসঙ্গে বলেন,এটা বামফ্রন্টের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন।এটা প্রসংসারযোগ্য।অন্যান্যদল হলে মারপিট হানাহানি চলতো এতো প্রচারের পর নাম প্রত্যাহার করলে।লালঝান্ডা উঁচুকরে তুলে ধরাটাই আমাদের কাজ।এই দলে ব্যক্তির থেকে পার্টি বড় ।তবে পাঁশকুড়ায় কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ অভিমান রয়েছে।তা নিশ্চই মিটে যাবে বলে জানান সুজন চক্রবর্তী।আগামী ৯ তারিখ সুজন চক্রবর্তী যাবেন পাঁশকুড়ায়,দলীয় নেতৃত্বদের নিয়ে বৈঠক করতে।1
- Post by Z News.1
- বাড়ি বাড়ি প্রচারে বেরিয়ে কি বলছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী আশিস হুদাইত শুনুন1
- আজ বিকাল ৪টায় আগামী বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬ উপলক্ষ্যে মহিষাদল বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তিলক কুমার চক্রবর্তীর সমর্থনে বিশাল কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় প্রায় ১৫০০ কর্মী উপস্থিত ছিল। সভায় কর্মীদের আগামী দিনের করনীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হলো। সভায় বিধায়ক তিলক কুমার চক্রবর্তী গত পাঁচ বছরে কি কাজ করেছেন তার পুস্তিকা প্রকাশ করেন। সভায় বিধায়ক ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলার চেয়ারম্যান এবং দুই ব্লকের নেতৃবৃন্দ। কর্মীদের উৎসাহ দেখে বিধায়ক ১০০ শতাংশ পুনরায় নির্বাচিত হবেন বলে নিশ্চিত হন।3
- বহরমপুরে ‘রবিন হুড’ আবেগ, জন্মদিন পালন করেই মনোনয়ন জমা অধীরের1
- জয় শ্রী রাম জয় শ্রী রাম জয় শ্রী রাম জয় জয় রাম জয় শ্রী রাম জয় শ্রী রাম জয় হরে হরে1
- শুক্রবার ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা কমবে। বাড়বে তাপমাত্রা। তিন থেকে পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বাড়তে পারে। রবিবার আবহাওয়ার কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে। রবিবার থেকে বুধবার ফের বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে। সোমবার উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই হালকা মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। কালবৈশাখীর সম্ভাবনা কিছুই এলাকায়।1
- পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দায়িত্বে এসে মর্মান্তিক মৃত্যু হল এক কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের। ঘটনাটি ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তদন্ত। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার রামনগর বিধানসভার দিঘা বিদ্যাভবনে অবস্থান করছিলেন ওই জওয়ান। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে নিজের সার্ভিস রিভলভার থেকে গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী হন তিনি। ঘটনার জেরে মুহূর্তের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে সৈকত শহর দিঘায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দিঘা মোহনা থানার পুলিশ। এই মৃত্যু আত্মহত্যা নাকি এর নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে এসে কেন এমন চরম সিদ্ধান্ত নিলেন ওই জওয়ান, তা নিয়েও উঠছে একাধিক প্রশ্ন। প্রাথমিকভাবে পুলিশ এটিকে আত্মহত্যা বলেই মনে করলেও, অন্য কোনও সম্ভাবনাকেও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। ইতিমধ্যেই সহকর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে এবং তাঁর মানসিক অবস্থার দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃত জওয়ানের নাম বীরেন্দ্র সিংহ (৪৩)। তিনি সিআরপিএফের ১৩১ নম্বর আলফা ব্যাটেলিয়ানের সদস্য ছিলেন। তাঁর বাড়ি হরিয়ানার গোঁসাই এলাকায়। দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন তিনি। নির্বাচনের কাজে কয়েকদিন আগে দিঘায় এসে সহকর্মীদের সঙ্গে দিঘা বিদ্যাভবনেই থাকছিলেন। আচমকা এই ঘটনায় শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছেন তাঁর সহকর্মীরা। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য তমলুকে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ।1