কনটেইনারভর্তি ৩৯টি মহিষ উদ্ধার, ধৃত ৩ ভিনরাজ্যের পাচারকারী নিজস্ব সংবাদদাতা, জলপাইগুড়ি: গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ছলে কন্টেনারের পিছু ধাওয়া করে পাচারের আগেই ৩৯টি মহিষ উদ্ধার করল ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার ভোরে দোমহোনি থেকে হুসলুরডাঙ্গা টোল প্লাজা পর্যন্ত ফিল্মি কায়দায় তাড়া করে এই সফল অভিযান চালানো হয়। ঘটনায় বিহারের তিন পাচারকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত তিন পাচারকারীর নাম ইস্তেকার, গুলাম রাসূল এবং মোহাম্মদ নাঈম। তাঁদের সকলের বাড়িই বিহারে। জেলা পুলিশ সূত্রে খবর, মহিষগুলিকে অত্যন্ত অমানবিক ও ঠাসাঠাসি করে একটি কন্টেনারের ভেতর ঢুকিয়ে অসমের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়াতে গাড়িটির ওপরের অংশ সুকৌশলে ঢেকে রাখা হয়েছিল। গোপন সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে জেলা পুলিশের নির্দেশে ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ সময়মতো তৎপর না হলে এই বিশাল সংখ্যক গবাদি পশু ভিনরাজ্যে পাচার হয়ে যেত বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই ধৃতদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। এই পাচারচক্রের সঙ্গে আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না এবং এর নেপথ্যে কোনো বড় চক্র কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ।
কনটেইনারভর্তি ৩৯টি মহিষ উদ্ধার, ধৃত ৩ ভিনরাজ্যের পাচারকারী নিজস্ব সংবাদদাতা, জলপাইগুড়ি: গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ছলে কন্টেনারের পিছু ধাওয়া করে পাচারের আগেই ৩৯টি মহিষ উদ্ধার করল ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার ভোরে দোমহোনি থেকে হুসলুরডাঙ্গা টোল প্লাজা পর্যন্ত ফিল্মি কায়দায় তাড়া করে এই
সফল অভিযান চালানো হয়। ঘটনায় বিহারের তিন পাচারকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত তিন পাচারকারীর নাম ইস্তেকার, গুলাম রাসূল এবং মোহাম্মদ নাঈম। তাঁদের সকলের বাড়িই বিহারে। জেলা পুলিশ সূত্রে খবর, মহিষগুলিকে অত্যন্ত অমানবিক ও ঠাসাঠাসি করে একটি কন্টেনারের ভেতর
ঢুকিয়ে অসমের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়াতে গাড়িটির ওপরের অংশ সুকৌশলে ঢেকে রাখা হয়েছিল। গোপন সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে জেলা পুলিশের নির্দেশে ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ সময়মতো তৎপর না হলে এই বিশাল সংখ্যক গবাদি পশু ভিনরাজ্যে পাচার হয়ে
যেত বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই ধৃতদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। এই পাচারচক্রের সঙ্গে আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না এবং এর নেপথ্যে কোনো বড় চক্র কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ।
- সরকারের ১০০ দিন পূর্তিতে ময়নাগুড়িতে মিছিল, অন্নপূর্ণা ভান্ডারে সাড়া পেয়ে উল্লাস মহিলারা। বর্তমান সরকারের প্রথম ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষে এবং এই সময়ে গৃহীত বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরতে ময়নাগুড়ির শালতলীতে এক পদযাত্রার আয়োজন করলেন ভারতীয় জনতা পার্টি। এদিনের এই মিছিলটি শালতলীর মোড় থেকে শুরু হয়ে চান্দের ডিঙ্গা পর্যন্ত যায় এবং আবারো শালতলীর মোড় পথসভার মাধ্যমে শেষ হয়। মিছিলে মহিলাদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মত। তারা জানান, 'অন্নপূর্ণা ভান্ডার' প্রকল্পের মাধ্যমে বহু পরিবার উপকৃত হচ্ছে। নিম্নবিত্ত পরিবারের মহিলারা মাসে ৩,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাওয়ায় তাদের সংসারের আর্থিক সচলতা ফিরছে এবং সন্তানদের পড়াশোনার খরচ চালাতে সুবিধা হচ্ছে। ময়নাগুড়ির কো কনভেনার বিকাশ রায় বলেন, ময়নাগুড়ি বিধানসভার শালতলী মোড়ে এক বিশাল মিছিল ও পথসভা করা হয় ভারতীয় জনতা পার্টি পক্ষ থেকে। এলাকার প্রতিটি শক্তিকেন্দ্র ও মোড়ে মোড়ে সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে এই সচেতনতামূলক ও সাফল্য উদ্যাপন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। এদিনের মিছিলে স্থানীয় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি মহিলাদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার মাত্র ১০০ দিনের মধ্যে ১ কোটি ৪৫ লক্ষেরও বেশি মহিলাকে মাসে ৩,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা বা ভাতা প্রদান করা হয়েছে। অতীতে কোনো সরকারের আমলেই এত দ্রুত এবং বড় পরিসরে মহিলাদের কল্যাণে এমন পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়নি। সেই কারণেই এলাকার মা-বোনেরা অত্যন্ত আনন্দিত হয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই কর্মসূচিতে সাড়া দিয়েছেন এবং মিছিলে পা মিলিয়েছেন। এদিনের এই কর্মসূচির মাধ্যমে বিগত ১০০ দিনে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ানও সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরা হয়। ময়নাগুড়ি ৩ নম্বর মণ্ডলের ভাইস প্রেসিডেন্ট নিখিঞ্জ রায় জানান, গরম থাকা সত্ত্বেও এলাকার সাধারণ মানুষ বিশেষ করে প্রায় ৯০ শতাংশ মহিলা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই পদযাত্রায় সাড়া দিয়েছেন ও অংশ নিয়েছেন।2
- ধুপগুড়ি মহকুমা শাসকের হাত ধরে৫৪ তম বর্ষের খুঁটি পুজো অনুষ্ঠিত হলো উত্তরায়ন ক্লাবের ধুপগুড়ি মহকুমা শাসকের হাত ধরে উত্তরায়ন ক্লাবের ৫৪তম বর্ষের খুঁটি পুজো অনুষ্ঠিত ধুমধাম করে অনুষ্ঠিত হলো ধুপগুড়ির উত্তরায়ন ক্লাবের ৫৪তম বর্ষের খুঁটি পুজো। ধুপগুড়ি মহকুমা শাসকের হাত ধরে আনুষ্ঠানিকভাবে খুঁটি পুজোর সূচনা হয়।1
- ইস্তফা দিল জলপাইগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান সৈকত চ্যাটার্জি ।1
- হলদিবাড়িতে গোপনেই চলছিল মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র! যুবকের পালানোর ঘটনায় প্রকাশ্যে তথ্য হলদিবাড়ি শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র চললেও বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা, ক্লাব কিংবা হলদিবাড়ি থানার কাছে কোনও তথ্য ছিল না বলে অভিযোগ। সম্প্রতি ওই কেন্দ্র থেকে এক যুবক দেওয়াল টপকে পালিয়ে গেলে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। যুবককে দেখে প্রথমে স্থানীয়রা তাঁকে চোর ভেবে ধাওয়া করেন। পরে জানা যায়, তিনি ওই নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় কীভাবে স্থানীয় প্রশাসন বা পুলিশের অজ্ঞাতে এমন একটি কেন্দ্র চলছিল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। কেন্দ্রটির বৈধতা ও পরিচালন ব্যবস্থা নিয়েও শুরু হয়েছে জল্পনা।1
- jaldapara forest alipurduar madariya hasimara road,,,,,,,,,1
- ট্রেনে মালদা থেকে নকশালবাড়ি, মাদক হাতবদলের আগেই STF-এর হাতে ২ যুবক! #Naxalbari #BreakingNews ট্রেনে মালদা থেকে নকশালবাড়ি, মাদক হাতবদলের আগেই STF-এর হাতে ২ যুবক! #Naxalbari #BreakingNews1
- *সবুজ পরিবেশ রক্ষার বার্তা দিতে বিভিন্ন গাছে রাখি পরান ছোট ছোট বোনদের সঙ্গে নিয়ে এ বছর ও গাছের দীর্ঘায়ু কামনা করে রাজ আমলের ত ল্লী গাছে রাখি পরান। *সবুজ পরিবেশ রক্ষার বার্তা দিতে বিভিন্ন গাছে রাখি পরান ছোট ছোট বোনদের সঙ্গে নিয়ে এ বছর ও গাছের দীর্ঘায়ু কামনা করে রাজ আমলের ত ল্লী গাছে রাখি পরান।1
- কনটেইনারভর্তি ৩৯টি মহিষ উদ্ধার, ধৃত ৩ ভিনরাজ্যের পাচারকারী নিজস্ব সংবাদদাতা, জলপাইগুড়ি: গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ছলে কন্টেনারের পিছু ধাওয়া করে পাচারের আগেই ৩৯টি মহিষ উদ্ধার করল ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার ভোরে দোমহোনি থেকে হুসলুরডাঙ্গা টোল প্লাজা পর্যন্ত ফিল্মি কায়দায় তাড়া করে এই সফল অভিযান চালানো হয়। ঘটনায় বিহারের তিন পাচারকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত তিন পাচারকারীর নাম ইস্তেকার, গুলাম রাসূল এবং মোহাম্মদ নাঈম। তাঁদের সকলের বাড়িই বিহারে। জেলা পুলিশ সূত্রে খবর, মহিষগুলিকে অত্যন্ত অমানবিক ও ঠাসাঠাসি করে একটি কন্টেনারের ভেতর ঢুকিয়ে অসমের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়াতে গাড়িটির ওপরের অংশ সুকৌশলে ঢেকে রাখা হয়েছিল। গোপন সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে জেলা পুলিশের নির্দেশে ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ সময়মতো তৎপর না হলে এই বিশাল সংখ্যক গবাদি পশু ভিনরাজ্যে পাচার হয়ে যেত বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই ধৃতদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। এই পাচারচক্রের সঙ্গে আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না এবং এর নেপথ্যে কোনো বড় চক্র কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ।4