রাজ্য বাজেট পেশ হলেও চা শ্রমিকদের প্রতি রাজ্য সরকারের উদাসীনতার অভিযোগ উঠেছে। ভারতীয় টি ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে যে বিজেপি সরকারের বাজেটে চা শ্রমিকদের অভাব-অভিযোগ বা কোনো সুবিধা প্রদানের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এই বঞ্চনার প্রতিবাদে নকশালবাড়ির অটল চা বাগানে ভারতীয় টি ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন সেন্ট্রাল কমিটি একটি সভা করে। সভায় সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, চা শ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম মজুরি এখনও ঘোষণা করা হয়নি এবং মজুরির দাবিতে রাজ্য সরকারকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ইউনিয়ন অভিযোগ করেছে যে দীর্ঘদিন ধরে চা শ্রমিকরা বঞ্চনার শিকার। তাদের দাবি, অনেক চা বাগানে সময়মতো মজুরি দেওয়া হচ্ছে না, পিএফ কাটা হলেও তা জমা পড়ছে না এবং শ্রমিকদের মৃত্যু হলেও গ্র্যাচুইটি জমা দেওয়া হচ্ছে না। সংগঠনের সভাপতি যুগল ঝা উল্লেখ করেন, নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে, তবে তাদের কাছে বঞ্চিত চা শ্রমিকদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করার আবেদনও করা হয়েছে। সভাপতি যুগল ঝা স্পষ্ট করেন যে চা শ্রমিকরা সঠিক মজুরি না পাওয়ায় এই সভার আয়োজন করতে হয়েছে। তিনি আরও জানান, সংগঠন আগামী ছয় মাস সরকারকে পর্যবেক্ষণ করবে, এই আশায় যে সরকার চা বাগানের স্বার্থে কাজ করবে। আগামী দিনে চা শ্রমিকদের স্বার্থে কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়, সে বিষয়ে লক্ষ্য রেখে কাজ করা হবে বলেও তিনি জানান।
রাজ্য বাজেট পেশ হলেও চা শ্রমিকদের প্রতি রাজ্য সরকারের উদাসীনতার অভিযোগ উঠেছে। ভারতীয় টি ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে যে বিজেপি সরকারের বাজেটে চা শ্রমিকদের অভাব-অভিযোগ বা কোনো সুবিধা প্রদানের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এই বঞ্চনার প্রতিবাদে নকশালবাড়ির অটল চা বাগানে ভারতীয় টি ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন সেন্ট্রাল কমিটি একটি সভা করে। সভায় সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, চা শ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম মজুরি এখনও ঘোষণা করা হয়নি এবং মজুরির দাবিতে রাজ্য সরকারকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ইউনিয়ন অভিযোগ করেছে যে দীর্ঘদিন ধরে চা শ্রমিকরা বঞ্চনার শিকার। তাদের দাবি, অনেক চা বাগানে সময়মতো মজুরি দেওয়া হচ্ছে না, পিএফ কাটা হলেও তা জমা পড়ছে না এবং শ্রমিকদের মৃত্যু হলেও গ্র্যাচুইটি জমা দেওয়া হচ্ছে না। সংগঠনের সভাপতি যুগল ঝা উল্লেখ করেন, নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে, তবে তাদের কাছে বঞ্চিত চা শ্রমিকদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করার আবেদনও করা হয়েছে। সভাপতি যুগল ঝা স্পষ্ট করেন যে চা শ্রমিকরা সঠিক মজুরি না পাওয়ায় এই সভার আয়োজন করতে হয়েছে। তিনি আরও জানান, সংগঠন আগামী ছয় মাস সরকারকে পর্যবেক্ষণ করবে, এই আশায় যে সরকার চা বাগানের স্বার্থে কাজ করবে। আগামী দিনে চা শ্রমিকদের স্বার্থে কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়, সে বিষয়ে লক্ষ্য রেখে কাজ করা হবে বলেও তিনি জানান।
- শিলিগুড়ির নিউ জলপাইগুড়ি এলাকায় নিজের বাড়ি থেকে অরিন্দম রায় বর্মন (৪৬) নামের এক রেলকর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি গত তিন থেকে চার দিন ধরে অফিসে অনুপস্থিত ছিলেন। মৃতের বাড়ি কোচবিহারে। অফিস থেকে টানা অনুপস্থিতির বিষয়টি নজরে আসতেই তাঁর বাড়িতে যোগাযোগ করা হয়। এরপর অরিন্দমের দাদা বাড়িতে এসে দেখেন দরজা ভিতর থেকে বন্ধ এবং ঘরের ভেতর থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে নিউ জলপাইগুড়ি থানার পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে অরিন্দম রায় বর্মনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে। অরিন্দম নিউ জলপাইগুড়ি রেলওয়ের মেকানিক্যাল বিভাগে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তিনি বেশ কিছুদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে নিউ জলপাইগুড়ি থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।1
- নকশালবাড়িতে যথাযোগ্য মর্যাদা, শান্তি ও ভক্তিভরে পবিত্র মহরম পালিত হয়েছে। এদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে তাজিয়া ও ধর্মীয় শোভাযাত্রা বের করা হয়, যেখানে অসংখ্য ধর্মপ্রাণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। এই শোভাযাত্রার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা, যা দেখতে রাস্তার দুই ধারে বহু মানুষ ভিড় জমান। লাঠিখেলার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা তাঁদের কৌশল ও দক্ষতার প্রদর্শন করেন। একইসঙ্গে, এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শোক, সংযম ও সম্প্রীতির বার্তা তুলে ধরা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পুলিশ ও প্রশাসনের তৎপরতায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই মহরমের অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।1
- পুনেতে ঘটে যাওয়া কেতন আগরওয়াল হত্যাকাণ্ড গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছে। পুলিশের অভিযোগ অনুসারে, কেতনের বাগদত্তা সিয়া গোয়েল এবং তার কথিত প্রেমিক মিলে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটিয়েছে। এই মামলার তদন্ত বর্তমানে চলছে এবং আদালতই এই বিষয়ে চূড়ান্ত রায় দেবে। এই ঘটনা প্রত্যেক সেই ব্যক্তির জন্য একটি সতর্কবার্তা, যে অন্ধ বিশ্বাসে নিজের সব কিছু সমর্পণ করে দেয়। যে হাতে মেহেন্দি সাজার কথা ছিল, সেই হাতে আজ হাতকড়া পড়েছে। যে বাড়িতে সানাই বাজার কথা ছিল, সেই বাড়িতে আজ শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এই ঘটনায় এক মা তার ছেলেকে হারিয়েছে, এক বাবা হারিয়েছে তার অবলম্বন। এটি কেবল একটি পরিবারের যন্ত্রণা নয়, বরং সমগ্র সমাজের জন্য একটি কঠোর বার্তা যে সম্পর্ক বিশ্বাস ও ভালোবাসার উপর টিকে থাকে, প্রতারণার উপর নয়। 'আপনার জং' জাতীয় হিন্দি সাপ্তাহিকীর বার্তা হলো: ভালোবাসা কখনও কারো প্রাণ নেয় না। যদি কোনো সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা সম্ভব না হয়, তবে সম্মানের সঙ্গে আলাদা হয়ে যাওয়াই শ্রেয়। ঘৃণা এবং প্রতারণা মানুষের জীবন নষ্ট করে দেয়। 'ভালোবাসা নয়, এ ছিল মৃত্যুর চুক্তি! যাকে জীবনসঙ্গী করার কথা ছিল, তারই শবদেহ তোলা হলো..'1
- চোপড়া ব্লকের মাঝিয়ালী গ্রাম পঞ্চায়েতের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়, যেখানে সেখানে আবর্জনা ফেলে রাখা হয়েছে। এই ব্যাপক নোংরা এবং দুর্গন্ধের কারণে মশার উপদ্রব চরম বেড়ে গেছে, যা সেখানে থাকা প্রায় অসম্ভব করে তুলেছে। এই দুরবস্থা এবং দুর্নীতির জন্য টিএমসি সরকারকেই দায়ী করা হচ্ছে, অভিযোগ করা হয়েছে যে তাদের দুর্নীতি সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে। জানা গেছে যে, আবর্জনা ফেলার জন্য গাড়ি থাকলেও কোনো কর্মী নেই। কর্মীদের এমনভাবে কাজ ছেড়ে দেওয়ার কারণ হলো, গত ছয় মাস ধরে তাদের বেতন দেওয়া হয়নি। অভিযোগ উঠেছে যে টিএমসি সরকার ময়লা ফেলার কর্মীদের থেকেও কাটমানি খেয়েছে, যার ফলে আজ এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। চোপড়া থানার মাঝিয়ালী অঞ্চলের এই ভয়াবহ দুরবস্থার জন্য একমাত্র টিএমসি সরকারই দায়ী।1
- বর্ষার ভরা মৌসুমে নদীগুলি ফুলেফেঁপে ওঠায় যেকোনো সময় বিপদ ঘটার আশঙ্কায় ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ প্রশাসন নদীতে স্নান করার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এই পরিস্থিতিতে নদীতে নামলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে জানিয়ে, ময়নাগুড়ি ব্লকের বিভিন্ন নদী সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের মাইকিং করে এই বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।1
- মিশর থেকে কোনো পণ্য কেনার আগে দর্শকদের একটি নির্দিষ্ট ভিডিও সম্পূর্ণভাবে দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই ভিডিওটি পুরোপুরি দেখলে মিশরের পণ্য কেনা সংক্রান্ত বিষয়গুলি সম্পর্কে ভালোভাবে বোঝা যাবে।1
- সরকার পরিবর্তনে ডিজিটাল মিডিয়ার এক অগ্রণী ভূমিকা থাকা সত্ত্বেও, তাদের প্রাপ্য সম্মান এবং অ্যাক্রেডিটেশন থেকে বঞ্চিত রাখা হচ্ছে।1
- শিলিগুড়ি পুরনিগম শহরের ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের রাম মন্দির রোড এলাকায় ড্রেন, ফুটপাত এবং রাস্তার একটি অংশ দখল করে সরকারি প্রায় ১০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি পার্ক ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে। পুর কমিশনার বীর বিক্রম রাই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে এই নির্মাণ নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তোলেন। তিনি জানতে চান যে, ড্রেন ও ফুটপাত দখল করে কীভাবে এই ধরনের নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল এবং এর জন্য কারা দায়ী। কমিশনারের নির্দেশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুরকর্মীরা দ্রুত অভিযান চালিয়ে পার্কটি সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেন। এই ঘটনা প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। পুরনিগম ইঙ্গিত দিয়েছে যে ভবিষ্যতে এ ধরনের বেআইনি নির্মাণ রুখতে কড়া নজরদারি রাখা হবে।1
- দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে পশ্চিমবঙ্গের খড়িবাড়ির বুড়াগঙ্গে ১২৫ দিনের কাজ পুনরায় শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশে এই কাজ চালু হওয়ায় শ্রমিক মহলে ব্যাপক স্বস্তি ও আনন্দের ঢেউ উঠেছে।1