জনরোষে নিজের ঘরেই ‘পরবাসী’, মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে আশ্রয় খুঁজছেন জগদীশ-সঙ্গীতা? তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগদানের পর থেকেই রাজনৈতিক সমীকরণ যেন জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া ও তাঁর স্ত্রী বিধায়ক সঙ্গীতা রায়ের জন্য ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে। সিতাইয়ে নিজের বাসভূমিতেই তীব্র জনরোষের মুখে পড়ে দীর্ঘক্ষণ টিকতে না পারার অভিযোগের পর এবার তাঁদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। অভিযোগ, নিজের এলাকায় মাত্র দু’ঘণ্টার কিছু বেশি সময় অবস্থান করার পর পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে মধ্যরাতেই কোচবিহারের ফ্ল্যাটে ফিরে আসতে বাধ্য হন সাংসদ-বিধায়ক দম্পতি। অর্থাৎ, যে মাটিতে দাঁড়িয়ে একসময় রাজনীতি, জনসংযোগ আর ক্ষমতার দাপট দেখানো হয়েছে, সেই মাটিতেই এখন ‘স্বস্তির ঠিকানা’ খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে—এমনই কটাক্ষ ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এরই মধ্যেতাঁদের দেখা গেল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বাসভবনে। সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর বাবা-মায়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, বর্ষীয়ান রাজনীতিক শিশির অধিকারীর আশীর্বাদ গ্রহণ থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রীর ভাই দিব্যেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দীর্ঘ আড্ডা—সবই হল বেশ আন্তরিক পরিবেশে। এমনকী পাত পেড়ে দুপুরের খাবারও সারলেন এই সাংসদ-বিধায়ক দম্পতি। সাক্ষাৎ শেষে জগদীশচন্দ্রের বক্তব্যও যথেষ্ট আবেগঘন। শিশির অধিকারীর সঙ্গে দেখা করতে পেরে তিনি অভিভূত, পরিবারের আন্তরিকতা তাঁকে মুগ্ধ করেছে—এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। তবে রাজনৈতিক মহলের প্রশ্নটা অন্য জায়গায়—মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে এতটা আন্তরিকতা পাওয়ার পর এবার কি নিজের নির্বাচনী এলাকাতেও সেই ‘আশ্রয়’ মিলবে? সিতাইয়ের মাটিতে যেখানে জনরোষের মুখে রাতারাতি ফিরতে হয়েছে বলে অভিযোগ, সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর পরিবারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। সোশ্যাল মিডিয়ায় জগদীশচন্দ্রের পোস্ট করা ছবির নিচে তাঁর একসময়ের অনুগামী বলে পরিচিতদের কটাক্ষও সেই অস্বস্তিকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে এখনও কোনও মন্তব্য না এলেও রাজনৈতিক মহলে চর্চা তুঙ্গে—দলবদলের পর জনসমর্থনের মাটি কি সত্যিই এতটাই নড়বড়ে হয়ে গেল যে নিজের বাসভূমিতে রাত কাটানোও কঠিন, অথচ অন্যের বাড়িতে গিয়ে পাত পেড়ে খাওয়াই এখন বেশি স্বস্তির? শেষ পর্যন্ত সিতাইয়ের মানুষ এই রাজনৈতিক দম্পতিকে কীভাবে গ্রহণ করেন, সেটাই এখন দেখার। কারণ রাজনীতিতে পদ-পদবি বদলানো যায়, দল বদলানো যায়—কিন্তু জনতার মন বদলানো যায় কি না, তার উত্তর দিতে হয় সেই জনতার কাছেই।
জনরোষে নিজের ঘরেই ‘পরবাসী’, মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে আশ্রয় খুঁজছেন জগদীশ-সঙ্গীতা? তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগদানের পর থেকেই রাজনৈতিক সমীকরণ যেন জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া ও তাঁর স্ত্রী বিধায়ক সঙ্গীতা রায়ের জন্য ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে। সিতাইয়ে নিজের বাসভূমিতেই তীব্র জনরোষের মুখে পড়ে দীর্ঘক্ষণ টিকতে না পারার অভিযোগের পর এবার তাঁদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। অভিযোগ, নিজের এলাকায় মাত্র দু’ঘণ্টার কিছু বেশি সময় অবস্থান করার পর পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে মধ্যরাতেই কোচবিহারের ফ্ল্যাটে ফিরে আসতে বাধ্য হন সাংসদ-বিধায়ক দম্পতি। অর্থাৎ, যে মাটিতে দাঁড়িয়ে একসময় রাজনীতি, জনসংযোগ আর ক্ষমতার দাপট দেখানো হয়েছে, সেই মাটিতেই এখন ‘স্বস্তির ঠিকানা’ খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে—এমনই কটাক্ষ ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এরই মধ্যেতাঁদের দেখা গেল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বাসভবনে। সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর বাবা-মায়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, বর্ষীয়ান রাজনীতিক শিশির অধিকারীর আশীর্বাদ গ্রহণ থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রীর ভাই দিব্যেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দীর্ঘ আড্ডা—সবই হল বেশ আন্তরিক পরিবেশে। এমনকী পাত পেড়ে দুপুরের খাবারও সারলেন এই সাংসদ-বিধায়ক দম্পতি। সাক্ষাৎ শেষে জগদীশচন্দ্রের বক্তব্যও যথেষ্ট আবেগঘন। শিশির অধিকারীর সঙ্গে দেখা করতে পেরে তিনি অভিভূত, পরিবারের আন্তরিকতা তাঁকে মুগ্ধ করেছে—এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। তবে রাজনৈতিক মহলের প্রশ্নটা অন্য জায়গায়—মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে এতটা আন্তরিকতা পাওয়ার পর এবার কি নিজের নির্বাচনী এলাকাতেও সেই ‘আশ্রয়’ মিলবে? সিতাইয়ের মাটিতে যেখানে জনরোষের মুখে রাতারাতি ফিরতে হয়েছে বলে অভিযোগ, সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর পরিবারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। সোশ্যাল মিডিয়ায় জগদীশচন্দ্রের পোস্ট করা ছবির নিচে তাঁর একসময়ের অনুগামী বলে পরিচিতদের কটাক্ষও সেই অস্বস্তিকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে এখনও কোনও মন্তব্য না এলেও রাজনৈতিক মহলে চর্চা তুঙ্গে—দলবদলের পর জনসমর্থনের মাটি কি সত্যিই এতটাই নড়বড়ে হয়ে গেল যে নিজের বাসভূমিতে রাত কাটানোও কঠিন, অথচ অন্যের বাড়িতে গিয়ে পাত পেড়ে খাওয়াই এখন বেশি স্বস্তির? শেষ পর্যন্ত সিতাইয়ের মানুষ এই রাজনৈতিক দম্পতিকে কীভাবে গ্রহণ করেন, সেটাই এখন দেখার। কারণ রাজনীতিতে পদ-পদবি বদলানো যায়, দল বদলানো যায়—কিন্তু জনতার মন বদলানো যায় কি না, তার উত্তর দিতে হয় সেই জনতার কাছেই।
- *অস্ত্র আইনে মামলা, আমির আলমের বিরুদ্ধে পাঁচদিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ আদালতে.. জানালেন সরকারি আইনজীবী সঞ্জয় বর্মন *অস্ত্র আইনে মামলা, আমির আলমের বিরুদ্ধে পাঁচদিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ আদালতে.. জানালেন সরকারি আইনজীবী সঞ্জয় বর্মন1
- ন্যায্য মূল্যে বিক্রেতারা ভুসিমাল দ্রব্য বিক্রয় করছে কিনা এবং ক্রেতারা সঠিক মূল্যে মালপত্র পাচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে আজ পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুরের গোবিন্দনগর (কালিবাজার) মার্কেটে সরজমিনে খতিয়ে দেখলেন মহকুমা প্রশাসন। সমস্ত ভুসিমাল সহ অন্যান্য দোকানে খতিয়ে দেখতে বিশেষ টিম উপস্থিত ছিলেন। বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলে পর্যবেক্ষণ।1
- গ্রেপ্তার তৃণমূল ছাত্রনেতা আমির আলম। আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় মুখে এক গাল হাসি। গ্রেপ্তার তৃণমূল ছাত্রনেতা আমির আলম। আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় মুখে এক গাল হাসি।1
- নিজের বিদ্যালয়ে ফিরে ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে রাখি বন্ধন উৎসবে মেতে উঠলেন রাজ্যের বন ও পরিবেশমন্ত্রী মনোজ কুমার ওঁরাও রাজনীতির ব্যস্ততা, প্রশাসনিক দায়িত্ব এবং মন্ত্রিত্বের গণ্ডি পেরিয়ে নিজের শিকড়ে ফিরে এলেন রাজ্যের বন ও পরিবেশমন্ত্রী মনোজ কুমার ওঁরাও। নিজের প্রিয় বিদ্যালয় তুফানগঞ্জ বিবেকানন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে রাখি বন্ধন উৎসব পালন করে এক অন্যরকম আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী থাকলেন তিনি। বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে অত্যন্ত আন্তরিক ও আনন্দঘন পরিবেশে এই উৎসবে অংশ নেন মন্ত্রী। পড়ুয়াদের হাতে রাখি বাঁধা, তাদের সঙ্গে কথা বলা এবং উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয় চত্বরে তৈরি হয় এক সুন্দর ও প্রাণবন্ত পরিবেশ। একসময় যে বিদ্যালয়ের বেঞ্চে বসে তিনি কর্মজীবনের পথচলা শুরু করেছিলেন, আজ সেই বিদ্যালয়েই রাজ্যের একজন মন্ত্রী হিসেবে ফিরে এসে ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে রাখি বন্ধনের মতো ভালোবাসা ও সম্প্রীতির উৎসবে সামিল হওয়া নিঃসন্দেহে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের কাছেও উঠে আসে এক ইতিবাচক বার্তা—জীবনে যত বড় সাফল্যই আসুক না কেন, নিজের শিকড়, নিজের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের সঙ্গে সম্পর্ক কখনও ভুলে যাওয়া উচিত নয়। মন্ত্রী মনোজ কুমার ওঁরাওয়ের এই সহজ-সরল ও আন্তরিক উপস্থিতি বিদ্যালয়ের পড়ুয়া এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মধ্যেও উৎসাহের সঞ্চার করে। রাখির সুতোয় এদিন যেন শুধু ভাই-বোনের সম্পর্ক নয়, বাঁধা পড়ল প্রাক্তন ছাত্র ও নিজের বিদ্যালয়ের এক গভীর আত্মিক সম্পর্কও। তুফানগঞ্জ বিবেকানন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই রাখি বন্ধন উৎসব তাই শুধুমাত্র একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়, হয়ে উঠল ভালোবাসা, সম্প্রীতি, স্মৃতি এবং নিজের শিকড়ে ফিরে আসার এক সুন্দর উদাহরণ।1
- মাথাভাঙা ১ ব্লকের কুর্শামারির উত্তর মহিষচরু গ্রামটির নেন্দা নদীর উপর পাকা সেতুর দাবি স্থানীয়দের মাথাভাঙা ১ ব্লকের কুর্শামারির উত্তর মহিষচরু গ্রামটির একদিকে রয়েছে বাংলাদেশ সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া আর তিনদিকে নেন্দা নদী।মহিষচরুর গাড়িয়ালের ঘাটে পাঁকা সেতুর দাবি দীর্ঘদিনের। পাকা রাস্তা থেকে বাড়ি পৌঁছতে হলে যেতে হয় বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে। বৈধ ভোটারও বটে। তা সত্ত্বেও যুগের পর যুগ কাটছে ওঁদের সমস্যার সমাধান হয়নি।সারাবছর এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে যেতে হলে ভরসা সেই বাঁশের সাঁকোই।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ বাম আমল থেকেই তারা গাড়িয়ালের ঘাটে সেতু তৈরির প্রতিশ্রতি পাচ্ছেন ভোট মিটলেই নেন্দা নদীর ওপর সেতু তৈরি হবে। প্রতি বারই ভোটের আগে গ্রামে নেতাদের আনাগোনা বাড়ে ওঁদের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, পাঁকা সেতু হবে। তার পরে অবশ্য সবই গতানুগতিক ভাবেই চলে।বহু আবেদন নিবেদনের পরও কাজ হওয়ায় একপ্রকার বাধ্য হয়েই প্রশাসনিক অনুমতিকে তোয়াক্কা না করেই প্রায় বছর দশেক আগে গ্রামের বাসিন্দারা নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে কয়েক লক্ষ টাকা চাঁদা সংগ্রহ করে স্বেচ্ছাশ্রমে নেন্দা নদীর উপর ১২ টি কংক্রিটের স্তম্ভ তৈরি করে তাঁর উপর গ্রাম থেকে বাঁশ সংগ্রহ করে সাঁকো তৈরি করে।সারাবছর মেরামত করে ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করছে।প্রতিবছর বাঁশের সাঁকো বানাতে হয় অভিযোগ এতেও জনপ্রতিনিধিদের কোনো সহযোগিতা জোটে না। গ্রামবাসীরা বলেন,গ্রামে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে এলাকা থেকে মুমূর্ষু রোগীকে মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যেতে হলে দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়ে রোগীর আত্মীয়-পরিজনের কপালে।বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়েই কোলে-কাঁধে চাপিয়ে নিয়ে গিয়ে অ্যাম্বুল্যান্সে তুলতে হয়। বিকল্প পথে হাসপাতালে পৌঁছতে রোগীর শারীরিক পরিস্থিতি বিগড়োতে পারে। আর ওই পথে যাওয়া বাড়তি খরচ সাপেক্ষেও বটে।গ্রামে উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারে নিতে তাদেরকে কষ্ট পোহাতে হয় জানি না আমাদের আর কত অপেক্ষা করতে হবে।’1
- jaldapara forest alipurduar madariya hasimara road,,,,,,,,,1
- ইস্তফা দিল জলপাইগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান সৈকত চ্যাটার্জি ।1
- *ট্রাইব্যুনালে বিচার দ্রুত ফিল রিপোর্ট বিচারই দিন থাকা বাসিন্দাদের সরকারি সুবিধা সহ একাধিক দাবিতে বি*ক্ষো*ভ ও ডেপুটেশন। *ট্রাইব্যুনালে বিচার দ্রুত ফিল রিপোর্ট বিচারই দিন থাকা বাসিন্দাদের সরকারি সুবিধা সহ একাধিক দাবিতে বি*ক্ষো*ভ ও ডেপুটেশন।1