নিজের বিদ্যালয়ে ফিরে ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে রাখি বন্ধন উৎসবে মেতে উঠলেন রাজ্যের বন ও পরিবেশমন্ত্রী মনোজ কুমার ওঁরাও রাজনীতির ব্যস্ততা, প্রশাসনিক দায়িত্ব এবং মন্ত্রিত্বের গণ্ডি পেরিয়ে নিজের শিকড়ে ফিরে এলেন রাজ্যের বন ও পরিবেশমন্ত্রী মনোজ কুমার ওঁরাও। নিজের প্রিয় বিদ্যালয় তুফানগঞ্জ বিবেকানন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে রাখি বন্ধন উৎসব পালন করে এক অন্যরকম আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী থাকলেন তিনি। বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে অত্যন্ত আন্তরিক ও আনন্দঘন পরিবেশে এই উৎসবে অংশ নেন মন্ত্রী। পড়ুয়াদের হাতে রাখি বাঁধা, তাদের সঙ্গে কথা বলা এবং উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয় চত্বরে তৈরি হয় এক সুন্দর ও প্রাণবন্ত পরিবেশ। একসময় যে বিদ্যালয়ের বেঞ্চে বসে তিনি কর্মজীবনের পথচলা শুরু করেছিলেন, আজ সেই বিদ্যালয়েই রাজ্যের একজন মন্ত্রী হিসেবে ফিরে এসে ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে রাখি বন্ধনের মতো ভালোবাসা ও সম্প্রীতির উৎসবে সামিল হওয়া নিঃসন্দেহে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের কাছেও উঠে আসে এক ইতিবাচক বার্তা—জীবনে যত বড় সাফল্যই আসুক না কেন, নিজের শিকড়, নিজের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের সঙ্গে সম্পর্ক কখনও ভুলে যাওয়া উচিত নয়। মন্ত্রী মনোজ কুমার ওঁরাওয়ের এই সহজ-সরল ও আন্তরিক উপস্থিতি বিদ্যালয়ের পড়ুয়া এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মধ্যেও উৎসাহের সঞ্চার করে। রাখির সুতোয় এদিন যেন শুধু ভাই-বোনের সম্পর্ক নয়, বাঁধা পড়ল প্রাক্তন ছাত্র ও নিজের বিদ্যালয়ের এক গভীর আত্মিক সম্পর্কও। তুফানগঞ্জ বিবেকানন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই রাখি বন্ধন উৎসব তাই শুধুমাত্র একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়, হয়ে উঠল ভালোবাসা, সম্প্রীতি, স্মৃতি এবং নিজের শিকড়ে ফিরে আসার এক সুন্দর উদাহরণ।
নিজের বিদ্যালয়ে ফিরে ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে রাখি বন্ধন উৎসবে মেতে উঠলেন রাজ্যের বন ও পরিবেশমন্ত্রী মনোজ কুমার ওঁরাও রাজনীতির ব্যস্ততা, প্রশাসনিক দায়িত্ব এবং মন্ত্রিত্বের গণ্ডি পেরিয়ে নিজের শিকড়ে ফিরে এলেন রাজ্যের বন ও পরিবেশমন্ত্রী মনোজ কুমার ওঁরাও। নিজের প্রিয় বিদ্যালয় তুফানগঞ্জ বিবেকানন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে রাখি বন্ধন উৎসব পালন করে এক অন্যরকম আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী থাকলেন তিনি। বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে অত্যন্ত আন্তরিক ও আনন্দঘন পরিবেশে এই উৎসবে অংশ নেন মন্ত্রী। পড়ুয়াদের হাতে রাখি বাঁধা, তাদের সঙ্গে কথা বলা এবং উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয় চত্বরে তৈরি হয় এক সুন্দর ও প্রাণবন্ত পরিবেশ। একসময় যে বিদ্যালয়ের বেঞ্চে বসে তিনি কর্মজীবনের পথচলা শুরু করেছিলেন, আজ সেই বিদ্যালয়েই রাজ্যের একজন মন্ত্রী হিসেবে ফিরে এসে ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে রাখি বন্ধনের মতো ভালোবাসা ও সম্প্রীতির উৎসবে সামিল হওয়া নিঃসন্দেহে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের কাছেও উঠে আসে এক ইতিবাচক বার্তা—জীবনে যত বড় সাফল্যই আসুক না কেন, নিজের শিকড়, নিজের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের সঙ্গে সম্পর্ক কখনও ভুলে যাওয়া উচিত নয়। মন্ত্রী মনোজ কুমার ওঁরাওয়ের এই সহজ-সরল ও আন্তরিক উপস্থিতি বিদ্যালয়ের পড়ুয়া এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মধ্যেও উৎসাহের সঞ্চার করে। রাখির সুতোয় এদিন যেন শুধু ভাই-বোনের সম্পর্ক নয়, বাঁধা পড়ল প্রাক্তন ছাত্র ও নিজের বিদ্যালয়ের এক গভীর আত্মিক সম্পর্কও। তুফানগঞ্জ বিবেকানন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই রাখি বন্ধন উৎসব তাই শুধুমাত্র একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়, হয়ে উঠল ভালোবাসা, সম্প্রীতি, স্মৃতি এবং নিজের শিকড়ে ফিরে আসার এক সুন্দর উদাহরণ।
- *অস্ত্র আইনে মামলা, আমির আলমের বিরুদ্ধে পাঁচদিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ আদালতে..জানালেন সরকারি আইনজীবী সঞ্জয় বর্মন *অস্ত্র আইনে মামলা, আমির আলমের বিরুদ্ধে পাঁচদিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ। জানালেন সরকারি আইনজীবী সঞ্জয় বর্মন1
- গ্রেপ্তার তৃণমূল ছাত্রনেতা আমির আলম। আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় মুখে এক গাল হাসি। গ্রেপ্তার তৃণমূল ছাত্রনেতা আমির আলম। আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় মুখে এক গাল হাসি।1
- নিজের বিদ্যালয়ে ফিরে ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে রাখি বন্ধন উৎসবে মেতে উঠলেন রাজ্যের বন ও পরিবেশমন্ত্রী মনোজ কুমার ওঁরাও রাজনীতির ব্যস্ততা, প্রশাসনিক দায়িত্ব এবং মন্ত্রিত্বের গণ্ডি পেরিয়ে নিজের শিকড়ে ফিরে এলেন রাজ্যের বন ও পরিবেশমন্ত্রী মনোজ কুমার ওঁরাও। নিজের প্রিয় বিদ্যালয় তুফানগঞ্জ বিবেকানন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে রাখি বন্ধন উৎসব পালন করে এক অন্যরকম আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী থাকলেন তিনি। বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে অত্যন্ত আন্তরিক ও আনন্দঘন পরিবেশে এই উৎসবে অংশ নেন মন্ত্রী। পড়ুয়াদের হাতে রাখি বাঁধা, তাদের সঙ্গে কথা বলা এবং উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয় চত্বরে তৈরি হয় এক সুন্দর ও প্রাণবন্ত পরিবেশ। একসময় যে বিদ্যালয়ের বেঞ্চে বসে তিনি কর্মজীবনের পথচলা শুরু করেছিলেন, আজ সেই বিদ্যালয়েই রাজ্যের একজন মন্ত্রী হিসেবে ফিরে এসে ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে রাখি বন্ধনের মতো ভালোবাসা ও সম্প্রীতির উৎসবে সামিল হওয়া নিঃসন্দেহে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের কাছেও উঠে আসে এক ইতিবাচক বার্তা—জীবনে যত বড় সাফল্যই আসুক না কেন, নিজের শিকড়, নিজের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের সঙ্গে সম্পর্ক কখনও ভুলে যাওয়া উচিত নয়। মন্ত্রী মনোজ কুমার ওঁরাওয়ের এই সহজ-সরল ও আন্তরিক উপস্থিতি বিদ্যালয়ের পড়ুয়া এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মধ্যেও উৎসাহের সঞ্চার করে। রাখির সুতোয় এদিন যেন শুধু ভাই-বোনের সম্পর্ক নয়, বাঁধা পড়ল প্রাক্তন ছাত্র ও নিজের বিদ্যালয়ের এক গভীর আত্মিক সম্পর্কও। তুফানগঞ্জ বিবেকানন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই রাখি বন্ধন উৎসব তাই শুধুমাত্র একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়, হয়ে উঠল ভালোবাসা, সম্প্রীতি, স্মৃতি এবং নিজের শিকড়ে ফিরে আসার এক সুন্দর উদাহরণ।1
- মাথাভাঙা ১ ব্লকের কুর্শামারির উত্তর মহিষচরু গ্রামটির নেন্দা নদীর উপর পাকা সেতুর দাবি স্থানীয়দের মাথাভাঙা ১ ব্লকের কুর্শামারির উত্তর মহিষচরু গ্রামটির একদিকে রয়েছে বাংলাদেশ সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া আর তিনদিকে নেন্দা নদী।মহিষচরুর গাড়িয়ালের ঘাটে পাঁকা সেতুর দাবি দীর্ঘদিনের। পাকা রাস্তা থেকে বাড়ি পৌঁছতে হলে যেতে হয় বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে। বৈধ ভোটারও বটে। তা সত্ত্বেও যুগের পর যুগ কাটছে ওঁদের সমস্যার সমাধান হয়নি।সারাবছর এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে যেতে হলে ভরসা সেই বাঁশের সাঁকোই।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ বাম আমল থেকেই তারা গাড়িয়ালের ঘাটে সেতু তৈরির প্রতিশ্রতি পাচ্ছেন ভোট মিটলেই নেন্দা নদীর ওপর সেতু তৈরি হবে। প্রতি বারই ভোটের আগে গ্রামে নেতাদের আনাগোনা বাড়ে ওঁদের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, পাঁকা সেতু হবে। তার পরে অবশ্য সবই গতানুগতিক ভাবেই চলে।বহু আবেদন নিবেদনের পরও কাজ হওয়ায় একপ্রকার বাধ্য হয়েই প্রশাসনিক অনুমতিকে তোয়াক্কা না করেই প্রায় বছর দশেক আগে গ্রামের বাসিন্দারা নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে কয়েক লক্ষ টাকা চাঁদা সংগ্রহ করে স্বেচ্ছাশ্রমে নেন্দা নদীর উপর ১২ টি কংক্রিটের স্তম্ভ তৈরি করে তাঁর উপর গ্রাম থেকে বাঁশ সংগ্রহ করে সাঁকো তৈরি করে।সারাবছর মেরামত করে ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করছে।প্রতিবছর বাঁশের সাঁকো বানাতে হয় অভিযোগ এতেও জনপ্রতিনিধিদের কোনো সহযোগিতা জোটে না। গ্রামবাসীরা বলেন,গ্রামে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে এলাকা থেকে মুমূর্ষু রোগীকে মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যেতে হলে দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়ে রোগীর আত্মীয়-পরিজনের কপালে।বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়েই কোলে-কাঁধে চাপিয়ে নিয়ে গিয়ে অ্যাম্বুল্যান্সে তুলতে হয়। বিকল্প পথে হাসপাতালে পৌঁছতে রোগীর শারীরিক পরিস্থিতি বিগড়োতে পারে। আর ওই পথে যাওয়া বাড়তি খরচ সাপেক্ষেও বটে।গ্রামে উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারে নিতে তাদেরকে কষ্ট পোহাতে হয় জানি না আমাদের আর কত অপেক্ষা করতে হবে।’1
- হাডুডু খেলতে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু! পায়ের লাথির আঘাত, হাসপাতালে নিয়ে যেতেই মৃত্যু দিনহাটা: হাডুডু খেলতে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হল এক যুবকের। মৃত যুবকের নাম সঞ্জীব সরকার। ঘটনাটি ঘটেছে দিনহাটা ২ নম্বর ব্লকের কনটোলেরহাট খিতাবের কুটি এলাকায়। জানা গিয়েছে, বুধবার ভাই ভাই সংঘের পরিচালনায় এলাকায় হাডুডু খেলা চলছিল। খেলা চলাকালীন এক খেলোয়াড় দৌড়ে পালানোর সময় অপর এক খেলোয়াড়ের পায়ের লাথি তাঁর শরীরে লাগে বলে জানা যায়। এরপরই অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই যুবক। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে বামনহাট ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক পরীক্ষা করে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে নয়ারহাট ফাঁড়ির পুলিশ। ঠিক কীভাবে ঘটনাটি ঘটল এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।1
- তুফানগঞ্জ আমরা তুলে ধরলাম1
- নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রুখতে বুধবার হলদিবাড়ি শহরের বিভিন্ন মুদিখানা ও কাঁচামালের দোকানে অভিযান চালাল মেখলিগঞ্জ মহকুমা প্রশাসন ও হলদিবাড়ি থানার পুলিশ। অভিযানে দোকানগুলিতে পণ্যের দাম, মজুত ও বিক্রয় সংক্রান্ত বিষয় খতিয়ে দেখা হয়। ব্যবসায়ীদের নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রি এবং ক্রেতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত দাম না নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন মেখলিগঞ্জের এসডিও অতনু কুমার মণ্ডল, এসডিপিও আশীষ পি সুব্বা, হলদিবাড়ি থানার আইসি-সহ প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিক ও পুলিশকর্মীরা। প্রশাসনের এই অভিযানে ব্যবসায়ী মহলে তৎপরতা দেখা যায়। সাধারণ মানুষের স্বার্থে আগামী দিনেও এ ধরনের অভিযান চলবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।1
- বন্যা ও ফ্ল্যাশ ফ্লাডে ক্ষতিগ্রস্ত নেপালে মানবিক সহায়তা হিসেবে ১০ টন HADR সামগ্রী ও অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ পাঠাচ্ছে ভারত।1