ধর্মনগরে বিজেপির জন আশীর্বাদ যাত্রা: বিরোধীদের কটাক্ষে সরব রাজীব ভট্টাচার্য। ধর্মনগরে ভারতীয় জনতা পার্টির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় ‘জন আশীর্বাদ যাত্রা’। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য, মন্ত্রী সুধাংশু দাস, জেলা সভাপতি কাজল দাস সহ ৫৬ নম্বর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি মনোনীত প্রার্থী জহর চক্রবর্তী এবং অন্যান্য নেতৃত্বরা। সভায় বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। সভামঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজীব ভট্টাচার্য বিরোধী দলগুলিকে তীব্র কটাক্ষ করেন। তিনি কংগ্রেস ও সিপিআই(এম)-এর জোটকে ‘প্রেম, বিবাহ ও ডিভোর্স’-এর সঙ্গে তুলনা করে সমালোচনা করেন। পাশাপাশি তিনি ধর্মনগরের সত্যব্রত চৌধুরীর গণহত্যা, জয়ন্ত কর হত্যাকাণ্ড, বিএমএস-এর উপর আক্রমণসহ একাধিক পুরনো ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিনা হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত ছিলেন এসএফআই-এর রজত তাতী। বিরোধী দল কংগ্রেস ও সিপিআই(এম)-কে ‘আবর্জনা’ বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। এদিনের সভায় তার বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।
ধর্মনগরে বিজেপির জন আশীর্বাদ যাত্রা: বিরোধীদের কটাক্ষে সরব রাজীব ভট্টাচার্য। ধর্মনগরে ভারতীয় জনতা পার্টির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় ‘জন আশীর্বাদ যাত্রা’। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য, মন্ত্রী সুধাংশু দাস, জেলা সভাপতি কাজল দাস সহ ৫৬ নম্বর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি মনোনীত প্রার্থী জহর চক্রবর্তী এবং অন্যান্য নেতৃত্বরা। সভায় বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। সভামঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজীব ভট্টাচার্য বিরোধী দলগুলিকে তীব্র কটাক্ষ করেন। তিনি কংগ্রেস ও সিপিআই(এম)-এর জোটকে ‘প্রেম, বিবাহ ও ডিভোর্স’-এর সঙ্গে তুলনা করে সমালোচনা করেন। পাশাপাশি তিনি ধর্মনগরের সত্যব্রত চৌধুরীর গণহত্যা, জয়ন্ত কর হত্যাকাণ্ড, বিএমএস-এর উপর আক্রমণসহ একাধিক পুরনো ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিনা হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত ছিলেন এসএফআই-এর রজত তাতী। বিরোধী দল কংগ্রেস ও সিপিআই(এম)-কে ‘আবর্জনা’ বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। এদিনের সভায় তার বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।
- ধর্মনগরে ভারতীয় জনতা পার্টির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় ‘জন আশীর্বাদ যাত্রা’। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য, মন্ত্রী সুধাংশু দাস, জেলা সভাপতি কাজল দাস সহ ৫৬ নম্বর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি মনোনীত প্রার্থী জহর চক্রবর্তী এবং অন্যান্য নেতৃত্বরা। সভায় বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। সভামঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজীব ভট্টাচার্য বিরোধী দলগুলিকে তীব্র কটাক্ষ করেন। তিনি কংগ্রেস ও সিপিআই(এম)-এর জোটকে ‘প্রেম, বিবাহ ও ডিভোর্স’-এর সঙ্গে তুলনা করে সমালোচনা করেন। পাশাপাশি তিনি ধর্মনগরের সত্যব্রত চৌধুরীর গণহত্যা, জয়ন্ত কর হত্যাকাণ্ড, বিএমএস-এর উপর আক্রমণসহ একাধিক পুরনো ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিনা হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত ছিলেন এসএফআই-এর রজত তাতী। বিরোধী দল কংগ্রেস ও সিপিআই(এম)-কে ‘আবর্জনা’ বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। এদিনের সভায় তার বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।1
- বাংলাদেশী গো ব্যাগ স্লোগানের মাঝেই উঠল নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন1
- 📍আগরতলা, ৩ এপ্রিল।। ✍️ ত্রিপুরায়ও শুক্রবার গভীর শ্রদ্ধা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে গুড ফ্রাইডে পালন করা হয়েছে। এদিন প্রভু যীশুখ্রীষ্টের ক্রুশবিদ্ধ হওয়া ও তাঁর আত্মত্যাগের স্মরণে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে গির্জাগুলিতে বিশেষ প্রার্থনা সভা ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। রাজধানী আগরতলাসহ অন্যান্য এলাকায় খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়।1
- Post by Gouranga Majumder1
- ১৯ চরিলাম বিধানসভার অন্তর্গত বাথানমুড়া এভিসি চড়িলাম মন্ডলের অন্তর্গত বাথানমুড়া এলাকায় রাতের আঁধারে কে বা কাহারা তাদের দলীয় পার্টি অফিস এর থাকা আসবাবপত্র নষ্ট করে দেই ঘটনাস্থলে রাতে এসে পৌঁছায় বিশালগড় থানার পুলিশ তবে এলাকাতে পুলিশ বাবুদের এত একটা টহলদারি এই নিয়ে খুবই ফাটছেন এলাকাবাসীরা1
- বিজেপি ভোট সভাপতি পদত্যাগ, তিপ্রা মথার প্রাপ্তি সুজয় উচই হাত দরে মথায় যোগদান।1
- সাব্রুমে দিনের আলোয় গৃহবধূকে ধ****ণের চেষ্টা—অভিযুক্ত পলাতক, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ1
- উত্তর ত্রিপুরা জেলা শাসকের নেতৃত্বে আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জেলার বিভিন্ন স্থানে ফ্ল্যাগ মার্চ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এদিনের ফ্ল্যাগ মার্চে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার অবিনাশ রাই, উত্তর ত্রিপুরার জেলাশাসক চাঁদনী চন্দ্রন, কাঞ্চনপুর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক আসিষ ঠাকুর, মহকুমা শাসক আশিস বিশ্বাস সহ টি এস আর ও আধা সামরিক বাহিনীর কর্মীরা। প্রশাসনের এই পদক্ষেপে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা ও আস্থার বার্তা পৌঁছে দেওয়াই মূল লক্ষ্য বলে জানা গেছে।1