Shuru
Apke Nagar Ki App…
সম্প্রতি বিজেপির জয়ের পর একটি পরিবার তাদের নিজেদের বাড়িতে ফিরে এসেছে, যারা দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক অশান্তি ও অত্যাচারের কারণে ঘরছাড়া ছিল। পরিবারের দাবি, তৃণমূলের জুলুম-অত্যাচারের ভয়েই তারা এলাকা ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছিল। বাড়ি ফিরে পরিবারের এক সদস্য আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, “অবশেষে জালিমদের হাত থেকে মুক্তি পেলাম। এখন শান্তিতে নিজের বাড়িতে থাকতে চাই।” এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে সাধারণ মানুষ এখন ভয়মুক্ত পরিবেশ ফিরে পাচ্ছেন, যদিও তৃণমূলের তরফে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।
PBN বাংলা
সম্প্রতি বিজেপির জয়ের পর একটি পরিবার তাদের নিজেদের বাড়িতে ফিরে এসেছে, যারা দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক অশান্তি ও অত্যাচারের কারণে ঘরছাড়া ছিল। পরিবারের দাবি, তৃণমূলের জুলুম-অত্যাচারের ভয়েই তারা এলাকা ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছিল। বাড়ি ফিরে পরিবারের এক সদস্য আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, “অবশেষে জালিমদের হাত থেকে মুক্তি পেলাম। এখন শান্তিতে নিজের বাড়িতে থাকতে চাই।” এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে সাধারণ মানুষ এখন ভয়মুক্ত পরিবেশ ফিরে পাচ্ছেন, যদিও তৃণমূলের তরফে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- ভারতীয় সেনা জওয়ান রাকেশ রায় চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগে মারা গেছেন। তাঁর কফিনবন্দি মরদেহ মঙ্গলবার (২৬ তারিখ) আরামবাগ মহকুমার আরান্ডি অঞ্চলে তাঁর বাড়িতে পৌঁছলে গোটা এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে। প্রিয় সন্তানকে হারিয়ে পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং এলাকাবাসীও শোকে স্তব্ধ হয়ে যান। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রাকেশ রায় গত ১৫ তারিখ সুস্থ অবস্থায় বাড়ি থেকে ওড়িশায় ডিউটিতে যোগ দিতে রওনা দিয়েছিলেন। ১৮ তারিখ তিনি বাড়িতে ফোন করে অসুস্থতার কথা জানান এবং সেদিনই তাঁকে বিএসএফ ক্যাম্পে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ২২ তারিখে তাঁকে পুনরায় চেকআপের জন্য নিয়ে যাওয়া হলে তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটে এবং তিনি একাধিকবার বমি করেন। এরপর তাঁকে ভুবনেশ্বরের আইসিইউতে রেফার করা হয়েছিল। পরিবারের অভিযোগ, গুরুতর অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও ২৩ তারিখ তাঁকে ডিউটিতে রাখা হয়। পরদিন, অর্থাৎ ২৪ তারিখ আবার অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ভুবনেশ্বরে নিয়ে যাওয়ার পথে সম্বলপুরের একটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁকে দীর্ঘক্ষণ স্ট্রেচারে ফেলে রাখা হয়েছিল বলে পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন। পর্যাপ্ত চিকিৎসা না পাওয়ার কারণেই সেখানেই রাকেশ রায়ের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় পরিবার ও এলাকাবাসী গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।1
- আজ হুগলি জেলার গোঘাট থানার অন্তর্গত পশ্চিম পাড়া অঞ্চলের পশ্চিমপাড়া গ্রামে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) পক্ষ থেকে একটি বিজয় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গোঘাট বিধানসভার নবনির্বাচিত বিধায়ক প্রশান্ত দিগার নিজে উপস্থিত থেকে এলাকার বিজেপি কর্মী-সমর্থক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে এই বিজয় মিছিলে অংশ নেন। এই উপলক্ষে পশ্চিমপাড়া অঞ্চল ও পশ্চিমপাড়া গ্রামের বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা এলাকার সকল ধরনের মানুষের জন্য মধ্যাহ্ন ভোজেরও আয়োজন করে। পুরো এলাকা আনন্দ, উচ্ছ্বাস ও উল্লাসে মুখরিত হয়ে উঠেছে।1
- আরামবাগের আরান্ডীর শীতলপুরে সিআরপিএফ জওয়ান রাকেশ রায়ের নিথর দেহ এসে পৌঁছেছে। সূত্রমতে, তিনি উড়িষ্যায় কর্মরত ছিলেন এবং সেখানেই দেশ সুরক্ষার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। এই মর্মান্তিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমগ্র এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে, যা জওয়ানের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা ও শোক প্রকাশ করছে।2
- একটি গুরুতর অভিযোগ উঠেছে যে তৃণমূলের (TMC) একটি পার্টি অফিস অবৈধভাবে স্বামীর সম্পত্তি দখল করে স্থাপন করা হয়েছে। এই অভিযোগ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি তাঁর স্বামীর মালিকানাধীন জমি বা সম্পত্তির ওপর জোরপূর্বক তৃণমূলের কার্যালয় তৈরি করার অভিযোগ তুলেছেন।1
- নদীয়ার কল্যাণীতে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন। এই সংবাদ সম্মেলনে শুভেন্দু অধিকারী মহাশয়ের বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে।1
- নদীয়ার কল্যাণী শহরে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মহাশয় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন।1
- আলিপুরদুয়ার জেলার মাদারিহাট বিধানসভার অন্তর্গত বীরপাড়ায় একটি ধন্যবাদ যাত্রা আয়োজিত হয়েছে। এই বিশেষ যাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা বুলডোজারে চড়ে অংশ নেন।1
- গোঘাটের একটি পেট্রোল পাম্পে তেল কম দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই ঘটনা ঘিরে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে "কাটমানি" নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ ওঠায় পুরো এলাকায় তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। গোঘাটের বেলি গ্রামের সার্থক এনার্জি স্টেশন, ভারত পেট্রোলিয়াম পাম্পে এই ঘটনাটি সামনে আসে। এক গ্রাহক বোতলে তেল ভরতে গিয়ে টাকার তুলনায় কম তেল পাওয়ার সন্দেহ করলে কর্মচারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, যার ফলে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আসে। অভিযোগ অনুযায়ী, পাম্পের ৩ নম্বর নজেলে একটি বিশেষ চিপ লাগানো ছিল, যা মেশিনের রিডিং কমিয়ে দিত, ফলে ১০০ টাকার তেলে প্রায় ২০ টাকা কম তেল দেওয়া হচ্ছিল। এই কারচুপির ঘটনা আরও গুরুতর মোড় নেয় যখন পাম্প কর্মচারীরা দাবি করেন যে, বিষয়টি জানার পর স্থানীয় কয়েকজন তৃণমূল নেতাকে প্রথমে প্রায় ৭ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপর নিয়মিতভাবে প্রতি মাসে প্রায় ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হত বলেও অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভাদুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার স্বামী শেখ সাত্তার ও শেখ কামিরুল-সহ আরও কয়েকজন তৃণমূল নেতার নাম এই ঘটনায় জড়িয়ে পড়েছে বলে এলাকায় ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। এই পাম্পের মালিক হিসেবে হরবিন্দার সিংয়ের নাম উঠে এসেছে, পাশাপাশি চাঁদ সাউয়ের নাম নিয়েও এলাকায় নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে গোঘাট থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পাম্পের চার কর্মচারীকে আটক করে। আটক কর্মচারীরা দাবি করেছেন যে, তারা কেবল ম্যানেজারের নির্দেশ মেনেই কাজ করেছেন এবং পুরো বিষয়টি ম্যানেজারই নিয়ন্ত্রণ করতেন। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, মালিক ও ম্যানেজারকে ফোনে ঘটনার কথা জানানো হলেও পরে তারা আর যোগাযোগ করেননি। তেল কম দেওয়ার অভিযোগ এবং "কাটমানি" ইস্যুতে এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।1
- দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বিভিন্ন অভিযোগ খতিয়ে দেখার উদ্দেশ্যে বিধায়ক জগৎবল্লভপুর হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়েছেন।1