Shuru
Apke Nagar Ki App…
দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বিভিন্ন অভিযোগ খতিয়ে দেখার উদ্দেশ্যে বিধায়ক জগৎবল্লভপুর হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়েছেন।
JBP NEWS BANGLA
দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বিভিন্ন অভিযোগ খতিয়ে দেখার উদ্দেশ্যে বিধায়ক জগৎবল্লভপুর হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়েছেন।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- একটি গুরুতর অভিযোগ উঠেছে যে তৃণমূলের (TMC) একটি পার্টি অফিস অবৈধভাবে স্বামীর সম্পত্তি দখল করে স্থাপন করা হয়েছে। এই অভিযোগ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি তাঁর স্বামীর মালিকানাধীন জমি বা সম্পত্তির ওপর জোরপূর্বক তৃণমূলের কার্যালয় তৈরি করার অভিযোগ তুলেছেন।1
- কলকাতার ফুটপাতের একটি দোকানে এক বৃদ্ধা, ক্ষুধার্ত ও অসহায় মা খাবার চাইতে গেলে এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। খাবার চাইতেই দোকানদার লাঠি হাতে তাঁকে মারতে তেড়ে আসেন, কারণ বৃদ্ধাটির কাছে টাকা ছিল না। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে, এই সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে যে এমন কিছু সংখ্যক ফুটপাতের দোকানদার রয়েছেন যারা মানুষ কে মানুষ হিসেবে গণ্য করেনা, আর এই ভিডিওটি তার নিখুঁত প্রমান। দোকানের মালিককে 'ভিখারি' হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়েছে যে তারা অন্যের জায়গায় বসে দোকান চালিয়ে 'রংবাজি' করে নিজেকে ভালো মানুষ হিসেবে জাহির করে। তবে, এই অমানবিক দৃশ্য দেখে এক সহৃদয় ব্যক্তি দ্রুত সেখানে পৌঁছান এবং দোকানদারকে কড়া কথা শুনিয়ে ওই বৃদ্ধা মায়ের জন্য খাবার কিনে দেন। এই মানবিকতা দেখে সেখানকার মানুষজন খুবই আনন্দিত হন। এই ধরণের ফুটপাতের দোকানদারদের উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে যে গরিব মানুষের প্রতি তাদের এই 'নোংরামি ও অত্যাচার'-এর কারণেই আজ সরকার ফুটপাত থেকে দোকানপাট সরিয়ে দিচ্ছে। এটিকে 'ঈশ্বরের একটা অভিশাপ' বলেও বর্ণনা করা হয়েছে, যখন তারা অভিযোগ করছে যে সরকার তাদের 'পেটে লাথি মারছে' এবং পরিবার নিয়ে কি করবে তা নিয়ে চিন্তিত। সংবাদমাধ্যম প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছে যে এইরকম 'নোংরা মানসিকতার' লোকেদের 'চরম শাস্তি' দেওয়া উচিত। আমরা এই 'বিরাট মনের ভাইটি'কে স্যালুট জানাই এবং তার মতোই দায়িত্বশীল হয়ে ওঠার আশা প্রকাশ করি।1
- দীর্ঘ বছর ধরে একটি স্কুলের ভেতর 'জানাবাবু'র 'রাজত্ব' চলার বিষয়টি সামনে এসেছে। এই প্রেক্ষিতে শক্তিপদ জানা নামের এই ব্যক্তি কে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একইসঙ্গে, তার এই দীর্ঘদিনের প্রভাবের পেছনে কার হাত ছিল, সেই বিষয়েও জানতে চাওয়া হয়েছে।1
- ভারতীয় সেনা জওয়ান রাকেশ রায় চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগে মারা গেছেন। তাঁর কফিনবন্দি মরদেহ মঙ্গলবার (২৬ তারিখ) আরামবাগ মহকুমার আরান্ডি অঞ্চলে তাঁর বাড়িতে পৌঁছলে গোটা এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে। প্রিয় সন্তানকে হারিয়ে পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং এলাকাবাসীও শোকে স্তব্ধ হয়ে যান। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রাকেশ রায় গত ১৫ তারিখ সুস্থ অবস্থায় বাড়ি থেকে ওড়িশায় ডিউটিতে যোগ দিতে রওনা দিয়েছিলেন। ১৮ তারিখ তিনি বাড়িতে ফোন করে অসুস্থতার কথা জানান এবং সেদিনই তাঁকে বিএসএফ ক্যাম্পে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ২২ তারিখে তাঁকে পুনরায় চেকআপের জন্য নিয়ে যাওয়া হলে তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটে এবং তিনি একাধিকবার বমি করেন। এরপর তাঁকে ভুবনেশ্বরের আইসিইউতে রেফার করা হয়েছিল। পরিবারের অভিযোগ, গুরুতর অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও ২৩ তারিখ তাঁকে ডিউটিতে রাখা হয়। পরদিন, অর্থাৎ ২৪ তারিখ আবার অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ভুবনেশ্বরে নিয়ে যাওয়ার পথে সম্বলপুরের একটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁকে দীর্ঘক্ষণ স্ট্রেচারে ফেলে রাখা হয়েছিল বলে পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন। পর্যাপ্ত চিকিৎসা না পাওয়ার কারণেই সেখানেই রাকেশ রায়ের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় পরিবার ও এলাকাবাসী গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।1
- সম্প্রতি বিজেপির জয়ের পর একটি পরিবার তাদের নিজেদের বাড়িতে ফিরে এসেছে, যারা দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক অশান্তি ও অত্যাচারের কারণে ঘরছাড়া ছিল। পরিবারের দাবি, তৃণমূলের জুলুম-অত্যাচারের ভয়েই তারা এলাকা ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছিল। বাড়ি ফিরে পরিবারের এক সদস্য আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, “অবশেষে জালিমদের হাত থেকে মুক্তি পেলাম। এখন শান্তিতে নিজের বাড়িতে থাকতে চাই।” এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে সাধারণ মানুষ এখন ভয়মুক্ত পরিবেশ ফিরে পাচ্ছেন, যদিও তৃণমূলের তরফে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।2
- আজ সকালে পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া ব্লকের জয়কৃষ্ণপুর এলাকায় একটি বাঁশঝাড়ের উপর একটি ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। মৃতদেহটি এতটাই উঁচুতে ছিল যে এর পরিচয় প্রাথমিকভাবে স্পষ্ট বোঝা যায়নি, যা রহস্য আরও বাড়িয়ে তুলেছে। খবর পেয়ে পাঁশকুড়া থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত শুরু করে। এই ঘটনা খুন না আত্মহত্যা, তা এখনও নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না, তবে এলাকাবাসীদের প্রাথমিক অনুমান যে ব্যক্তিকে হত্যা করে বাঁশগাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই রহস্যজনক ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।1
- আরামবাগ পৌরসভার একমাত্র বিজেপি কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ ঘোষ পৌর এলাকার সম্মানিত নাগরিকদের প্রতি কড়াভাবে সচেতন করেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, ড্রেনের মধ্যে কোনোভাবেই প্লাস্টিক, আবর্জনা বা অন্য কোনো কিছু ফেলা যাবে না।1
- দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বিভিন্ন অভিযোগ খতিয়ে দেখার উদ্দেশ্যে বিধায়ক জগৎবল্লভপুর হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়েছেন।1